Home জাতীয় কুষ্টিয়া-২–এ মনোনয়ন ফরম নিলেন হানিফের বড় ভাই
জাতীয় - সর্বশেষ খবর - নভেম্বর ১২, ২০১৮

কুষ্টিয়া-২–এ মনোনয়ন ফরম নিলেন হানিফের বড় ভাই

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও তাঁর বড় ভাই মো. রশিদুল আলম এবার কুষ্টিয়ার দুটি আসনে নৌকার মনোনয়ন পেতে দলীয় ফরম কিনেছেন। হানিফ কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের আওয়ামী লীগের দলীয় সাংসদ। এবারও নৌকা প্রতীক পেতে মনোনয়ন ফরম তুলেছেন তিনি।

সাবেক সরকারি কর্মকর্তা রশিদুল আলম জাতীয় সংসদের প্রার্থী বাছাইয়ে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সদস্য। যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা রশিদুল কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে দলীয় মনোনয়ন পেতে ফরম কিনেছেন। অবশ্য এই আসনে টানা দুইবারের সাংসদ ১৪ দলের অন্যতম শরিক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

বেশ কয়েক মাস ধরে কুষ্টিয়া-২ আসনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা জাসদের পরিবর্তে আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকে নৌকা প্রতীক দিতে এলাকায় গণসংযোগ করে আসছেন। এমনকি তাঁরা জাসদকে স্থানীয়ভাবে বয়কটেরও ঘোষণা দিয়েছেন।

কুষ্টিয়ার ছয়টি উপজেলাকে চারটি আসনে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে দৌলতপুর উপজেলা নিয়ে কুষ্টিয়া-১, মিরপুর ও ভেড়ামারা নিয়ে কুষ্টিয়া-২, সদর উপজেলা নিয়ে কুষ্টিয়া-৩ ও কুমারখালী-খোকসা নিয়ে কুষ্টিয়া-৪ আসন গঠিত।

কুষ্টিয়া-৩ আসনে হানিফকে প্রার্থী করতে তাঁর নামে দলটির জেলা পর্যায়ের নেতারা দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। নেতারা বলছেন, কুষ্টিয়া-৩ আসনে মাহবুব উল হানিফের কোনো বিকল্প নেই। হানিফ এই আসনে গত পাঁচ বছরে যেসব উন্নয়ন করেছেন, তা স্বাধীনতা–পরবর্তী সময়ে আর কোনো সাংসদ করেননি। ভবিষ্যতেও কেউ করতে পারবে না।

একই সঙ্গে কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে উপজেলা পর্যায়ের নেতারা রশিদুল আলমের নামে মনোনয়ন ফরম তুলেছেন। আজ সোমবার দুপুরে ফরম জমা দেওয়ার কথা।

ঢাকা থেকে মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামারুল আরেফিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা দুটি উপজেলার শীর্ষ চার নেতা রশিদুল আলম ভাইকে স্বাগত জানাই। আমরা নৌকার মাঝি আওয়ামী লীগ থেকে চাই। এই চাওয়া শুধু আমার না, গোটা মিরপুর–ভেড়ামারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও স্থানীয় জনগণের চাওয়া।’

ভেড়ামারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকতারুজ্জামান মিঠু বলেন, ‘জোটের জন্য যদি মনোনয়ন না পাওয়া যায়, তবে পরবর্তী সময়ে স্থানীয়ভাবে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

জানতে চাইলে জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য বা মাথা ঘামাতে চাই না।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ তাদের ৩০০ আসনের প্রার্থী ঠিক করছে। জোট যাকে যেখানে প্রার্থী নির্বাচন করবে, তিনি থাকবেন, বাকিরা প্রত্যাহার করে নেবে। জোটের সঙ্গে সমঝোতার পর যিনি প্রার্থী হবেন, তিনি বাদে বাকিরা প্রত্যাহার করে নেবেন।’

এ বিষয়ে রশিদুল আলমের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Check Also

তুরস্ক এবার যেসব শর্ত জুড়ে দিল

ফিনল্যান্ড-সুইডেন ন্যাটোতে যোগ দিতে চায়। কিন্তু তাদের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার পথে বাধা হয়ে দাড়…