Home জাতীয় চরিত্রহননকারী ভুঁইফোড় অনলাইনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা : তথ্যমন্ত্রী
জাতীয় - মতামত - সর্বশেষ সংবাদ - জানুয়ারি ৮, ২০১৯

চরিত্রহননকারী ভুঁইফোড় অনলাইনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা : তথ্যমন্ত্রী

চরিত্রহননকারী ভুঁইফোড় অনলাইন পত্রিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন নতুন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের এ কথা জানান নবনিযুক্ত তথ্যমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শপথ নেওয়ার পর অনেক সাংবাদিক বন্ধু প্রশ্ন বলেছিলেন, অনেকগুলো ভুঁইফোড় অনলাইন সংবাদ মাধ্যম তৈরি হয়েছে। তারা অনেক ভুল সংবাদ পরিবেশন করে মানুষের চরিত্রহনন করছে। এগুলো আপনাদের সবার সহযোগিতায় সম্মিলিতভাবে মোকাবিলা করব। একটি সংবাদ যেমন তুলকালাম পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে, ঠিক তেমনিভাবে একটি সংবাদই আবার মেধা-মননের বিকাশে বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে।

নতুন মন্ত্রী হিসেবে কোনটাকে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি সবসময় নিজের জীবনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। লাইফ ইজ ফুল অব চ্যালেঞ্জেস। চ্যালেঞ্জ না থাকলে কাজ করে আনন্দ নাই। আমি মনে করি, সব কাজই সমাধানযোগ্য এবং সব কাজই সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় করা সম্ভব।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্বপ্ন দেখতে ভালবাসেন। সেই স্বপ্ন পুরণও করেন তিনি। দেখুন, ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেটা বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নত রাষ্ট্রে এগিয়ে চলছি আমরা। দেশে এখন ছেঁড়া কাপড় পরা মানুষ দেখো যায় না। খালি পায়ে মেঠোপথে মানুষ চলতে দেখা যায় না। যে দেশে মানুষের ঘনত্ব অনেক বেশি, যে দেশে খাদ্য ঘাটতি ছিল, সেই দেশে এখন খাদ্য উদ্বৃত্ত থাকছে। এভাবেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গণমাধ্যমের বিকাশ ঘটেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই। তিনি যখন ক্ষমতায় আসলেন ইলেকট্রনিক মিডিয়ার যাত্রা শুরু হয়। তার নেতৃত্বেই দেশে অনলাইন গণমাধ্যমের বিকাশ হয়। সামাজিক যোগযাযোগ মাধ্যমের বিকাশও প্রধানমন্ত্রীর আমলে। এভাবে একের পর এক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে গেছেন। চ্যালেঞ্জ থাকলে সবাইকে নিয়ে সবকিছু করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।

সাংবাদিকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিক বন্ধুদের অনেক অভাব-অভিযোগ আছে, আমি আগে থেকেই জানি। সেগুলো সমাধান করতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কীভাবে সহযোগিতা করা যায়, সে কাজটি আমি করব। আপনাদের সঙ্গে কাজ করতে প্রধানমন্ত্রী আমাকে সুযোগ করে দিয়েছেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। আমি অনেক দিন ধরেই গণমাধ্যমের সঙ্গে আছি। আওয়ামী লীগের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। আপনাদের সঙ্গে আমার ওঠাবসা রয়েছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে আমাকে এখন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি সেই দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হব।

তিনি বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রের চতুর্থ অঙ্গ হচ্ছে গণমাধ্যম। গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ। সমাজের সকল চিত্র দেখায় গণমাধ্যম। সমাজকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করতে গণমাধ্যমের ভূমিকা রয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছে, গ্রাম হবে শহর। আমরা প্রধানমন্ত্রীর সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে চাই। এজন্য গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

‘প্রস্তুতি বহু আগে থেকে ছিল’

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে আইন পাসের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার অনেক দিন …