Home আজকের সংবাদ ভাগাভাগির কমিটিতে ছাত্রদল
আজকের সংবাদ - রাজনীতি - জানুয়ারি ৭, ২০২১

ভাগাভাগির কমিটিতে ছাত্রদল

বাংলার ডাক ডেস্কঃ সংগঠনকে গতিশীল ও শক্তিশালী করতে সারাদেশে নতুন কমিটি গঠন করছে বিএনপির ‘ভ্যানগার্ড’ খ্যাত ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। এ পর্যন্ত সারাদেশে ১ হাজারেরও অধিক কমিটি গঠন করেছে সংগঠনটি। কিন্তু ত্যাগী ও যোগ্য নেতাদের বাদ দিয়ে অছাত্র, বিবাহিত এবং ছাত্রলীগের কর্মীদের নিয়ে সংগঠনটির শীর্ষ নেতা ভাগাভাগির কমিটি গঠন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আর বাদ পড়াদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আবেদন-নিবেদন করলেও তাতে কর্ণপাত করছে না কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।

ছাত্রদলের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে কমিটি গঠনের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে গঠিত বিভাগীয় টিমগুলো ত্যাগী ও যোগ্য কর্মীদের বাদ দিয়ে তাদের পছন্দের লোক দিয়ে কমিটি গঠন করছেন। এ কারণে ত্যাগীদের জায়গায় অছাত্র, বিবাহিত এবং ছাত্রলীগের লোক কমিটিতে আসছে। আবার কোনো কোনো জায়গায় অর্থ বাণিজ্যেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

দেশের যেকোনো রাজনৈতিক দলের কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা মহানগর সাংগঠনিক ইউনিট কমিটি। এই কমিটি গঠনেও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ রয়েছে ঢাকা টিমের বিরুদ্ধে। এ কমিটি ইতোমধ্যে ৪০০ সদস্য বিশিষ্ট মহানগর দক্ষিণের পুর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেছে। এ কমিটিতে দুই শতাধিক নেতাকে পদায়ন করা হয়েছে, যারা কোনোদিন মহানগরের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন না। বরং যারা সক্রিয় ছিলেন তাদের একটি বড় অংশকে বাদ দেয়া হয়েছে।

ঘোষিত কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি করা হয়েছে জাকির হোসেনকে; যিনি মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রস্তাবিত কমিটিরও সহ-সভাপতি। এছাড়া নাহিদ হোসেনকে সহ-সভাপতি করা হয়েছে; যিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং আইন পেশায় সম্পৃক্ত। অন্যদিকে সহ-সভাপতি মোস্তাক হোসেন কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান হাফিজ শ্যামপুর থানা যুবদলের সদস্য সচিব। এ রকম বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে এ কমিটি সম্পর্কে।

ঢাকা কলেজ কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে হাসিবুল হাসান সজিবকে। সদস্য সচিব হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে ডি এইচ রাসেলকে, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে এম মাসুদকে। কিন্তু বিগত আন্দোলনে বা দলীয় কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ এই নেতাদের তেমন সক্রিয়তা ছিলো না। আর যারা বিগত দিনে কর্মসূচিতে নির্যাতিত হয়েছেন এবং সক্রিয় ছিলেন তাদেরকে বাদ দিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ত্যাগী ও যোগ্য নেতা হিসেবে পরিচিত কাজী আবু হায়াত মাহমুদ জুয়েল, শাহিন রেজা শিশির, জুলহাস মৃধার মতো নেতাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়ে আসা হয়নি। ওই তিনটি পদকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, সাংগঠনিক টিমের সদস্যরা ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছেন।

তেজগাঁও কলেজে আহ্বায়ক হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে সোহেল রানাকে। যে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কাজ করছেন। এখানে সক্রিয় নেতা মনিরুল ইসলাম মনিরকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হলেও তিনি আহ্বায়ক প্রার্থী ছিলেন। সদস্য সচিব হিসেবে বেলাল হোসেন খান ও ইয়াসিন ভূঁইয়াকে সুপারিশ করা হয়েছে। ২০১৪ ও ২০১৫ সালের সরকার বিরোধী আন্দোলনে সর্বোচ্চ নির্যাতনের শিকার বেলালকে বাদ দেয়ার জন্য ইকবাল হোসেন শ্যামলের বলয় কাজ করছে।

সরকারি বাঙলা কলেজের সক্রিয় নেতা ইব্রাহীম হোসেন বিপ্লবকে বাদ দিয়ে জুনিয়র নেতা প্রদীপ কুমার হালদারকে আহ্বায়ক হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে। প্রদীপও একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কাজ করছেন।

সরকারি তিতুমীর কলেজে আহ্বায়ক হিসেবে সবচেয়ে সক্রিয় নেতা আরিফুল ইসলাম এমদাদকে বাদ দিয়ে হাফিজুর রহমানের অনুসারী নিষ্ক্রিয় নেতা মাহফুজুর রহমান লিপকনকে সুপারিশ করা হয়েছে। সদস্য সচিব হিসেবে ত্যাগী নেতা জসীম মুন্সী রানা ও বায়েজীদ মোস্তাকীনকে বাদ দিয়ে আকরাম হোসেন ও সাইফুল ইসলামকে সুপারিশ করা হয়েছে। তারা একজন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি অপরজন সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী।

রাজধানীর বাইরেও সারাদেশে কমিটি গঠনে নানা অনিয়ম ও লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগ প্রমাণের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে বরিশাল জেলা ছাত্রদল সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজুল আলম মিঠুর পদ স্থগিত রাখা হয়েছিলো। সে বরিশাল বিভাগীয় টিমের সদস্য ছিলেন। সারাদেশে তার মতো অন্যান্য সাংগঠনিক ইউনিট টিমের সদস্যরাও আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়ছেন।

অছাত্র, বিবাহিত ও চাকরিজীবীদের নিয়ে গলাচিপা পৌরসভা শাখা, গলাচিপা উপজেলা শাখা, গলাচিপা সরকারি কলেজ, দশমিনা উপজেলা শাখা এবং দশমিনা সরকারি এ আর টি কলেজ শাখা কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

বরিশাল বিভাগীয় টিম প্রধান ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্র দলের সহ-সভাপতি জাকিরুল ইসলাম। মূলত জাকিরুলরাই বরিশালের প্রত্যেক এলাকায় গিয়ে কর্মীসভা করে কমিটি গঠন করেন। কিন্তু গলাচিপা পৌরসভা শাখা, গলাচিপা উপজেলা শাখা, গলাচিপা সরকারি কলেজ, দশমিনা উপজেলা শাখা এবং দশমিনা সরকারি এ আর টি কলেজ শাখার প্রস্তাবিত কমিটি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কাছে যে জমা দেন; সেদিনই তাকে বরিশাল বিভাগীয় টিম প্রধান থেকে সরিয়ে সেখানে মাহমুদুল হাসান বাপ্পীকে টিম লিডার করা হয়।

পরে মাহমুদুল হাসান বাপ্পীর নেতৃত্বে আরেকটি কমিটি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কাছে জমা দেয়া হয়। সেই কমিটি রদবদল করে অনুমোদন দেয়া হয়। কিন্তু এই কমিটিগুলো অছাত্র, বিবাহিত ও চাকরিজীবীদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে। এমনকি যে ব্যক্তি এলাকায় দীর্ঘ ১০ বছর ধরে থাকেন না তাকেও কমিটিতে রাখা হয়েছে।

এসব কমিটিতে যেসব নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, সেগুলো বাংলাদেশ জার্নালের পাঠকদের জন্য বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো-

গলাচিপা উপজেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উঠেছে- এম দূর্জয় রুবেল (আহ্বায়ক) তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আহ্বায়ক হিসেবে তাকে যোগ্য মনে করছেন না, সাব্বির হোসেন প্রিতম (সদস্য সচিব) বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে চার মাস কারাগারে ছিলেন এবং তিনি দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ঢাকায় থাকেন, মো. মহিউদ্দিন (১ নং যুগ্ম আহ্বায়ক) নারী কেলেঙ্কারি ও মোবাইল চুরির সঙ্গে জড়িত, রাশেদুল ইসলাম (যুগ্ম আহ্বায়ক) বর্তমানে ইউরো ফার্মায় (ওষুধ কোম্পানি) বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন, মোহাম্মদ আলী জিলানী (যুগ্ম আহ্বায়ক) বর্তমানে অগ্রণী ব্যাংকে চাকরিজীবী, মাহমুদুল হাসান রাকিব (যুগ্ম আহ্বায়ক) ফায়ার এগ্রিকালচার বরিশাল শাখায় প্রোডাক্ট ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত, মো. রাসেল মৃধা (যুগ্ম আহ্বায়ক) বিবাহিত- তার স্ত্রীর নাম: ইয়াসমিন ও শ্বশুরের নাম- দুলাল হাওলাদার, বাড়ি: কদম আলী হাওলাদার বাড়ী, কল্যাণ কলস ইউনিয়ন কলাগাছিয়া, মো. রুবেল হোসেন (যুগ্ম আহ্বায়ক) বিবাহিত- স্ত্রীর নাম: হাবিবা, শ্বশুরের নাম রহিম দালাল, গ্রাম ৩ নং ওয়ার্ড শান্তিবাগ গলাচিপা পৌরসভা, সাখাওয়াত হোসেন (যুগ্ম আহ্বায়ক) বরিশাল থাকে এবং গলাচিপায় কোনোদিন ছাত্রদল করেননি, নৌরিন আক্তার (সদস্য) কখনো ছাত্রদল করেননি। আর তাকে কেউ চিনেনও না।

গলাচিপা পৌরসভা- এইচ এম এমাদুল (আহ্বায়ক) ছাত্রলীগ করেন, ২০১৯ সালের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের মারামারির মামলায় ২ নম্বর আসামি। অনিক বিশ্বাস (সদস্য সচিব) কখনো ছাত্রদল করেননি, রাজিব ইশান (যুগ্ম আহ্বায়ক) ছাত্রলীগ করেন, এস এম রাকিব (যুগ্ম আহ্বায়ক) ছাত্রলীগ করেন, আরিফুল রহমান রনি (যুগ্ম আহ্বায়ক) ছাত্রলীগ করেন, মো. আবু সাঈদ খন্দকার (সদস্য) ছাত্রদল করেননি, তানভির আহমেদ তানিম (সদস্য) কখনো ছাত্রদল করেননি।

গলাচিপা সরকারি কলেজ- মুসফিকুর রহমান সাইফুল (আহ্বায়ক) ছাত্রলীগ করেন, মো. রাকিব হোসাইন (যুগ্ম আহ্বায়ক) ছাত্রলীগ করেন, মো. হৃদয় (যুগ্ম আহ্বায়ক) বিবাহিত এবং বাইজিদ হাসান (সদস্য) ছাত্রলীগ করেন।

দশমিনা উপজেলা- কাজী তানভীর আহমেদ রিডেন (আহ্বায়ক) বিবাহিত এবং গত ১০ বছর ধরে তিনি ঢাকায় থাকেন, মো. ফজলে রাব্বি রাজু (যুগ্ম আহ্বায়ক) বিবাহিত, মো. মশিউর রহমান খান (সদস্য) বিবাহিত।

দশমিনা সরকারি এ আর টি কলেজ- রাশেদুল ইসলাম রাজিব (আহ্বায়ক) বিবাহিত, মো. তৌফিকাল ইসলাম বশির মহাল্লাদার (যুগ্ম আহ্বায়ক) বিবাহিত, মো. বাদশা মিয়া (যুগ্ম আহ্বায়ক) বিবাহিত, মো. জোবায়ের হোসেন যুবরাজ (যুগ্ম আহ্বায়ক) বিবাহিত, মশিউর রহমান (যুগ্ম আহ্বায়ক) বিবাহিত।

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদল নেতাকর্মীরা বলেন, জেলার বন্দর থানায় প্রস্তাবিত সদস্য সচিব সাকিব মো. রাইয়্যানের পরিবর্তে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলের পছন্দের আসিফ মকবুলকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। আসিফ মকবুল কখনো ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত না থাকলেও তাকে এ পদ দেয়া হয়। এর প্রতিবাদে মহানগর ছাত্রদল নেতাকর্মীরা ঝাড়ু মিছিল করেন। সাকিব মো. রাইয়্যান মামলা-হামলা ও কারা নির্যাতিত ছাত্রনেতা। এমনকি তার পুরো পরিবার এই নির্যাতনের শিকার।

কমিটি গঠনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল বিভাগীয় টিম প্রধান মাহমুদুল হাসান বাপ্পী বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, ‘যে কমিটি জমা দিয়েছি, সেই কমিটি দেয়া হয়েছে। আর প্রস্তাবনা তো অনেক থাকতে পারে।’

এ বিষয়ে জাকিরুল ইসলাম বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, ‘কমিটি কেনো অনুমোদন দেয়া হয়নি, সেটা কেন্দ্রীয় কমিটি জানে। আর আমি কমিটি জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু যেদিন কমিটি জমা দিই সেদিনই বরিশাল বিভাগীয় টিম পরিবর্তন করা হয়।’

কেনো টিম পরিবর্তন করা হলো- এই প্রশ্নের জবাবে জাকিরুল বলেন, ‘সেটা আমি জানি না।’

অন্যদিকে সুনামগঞ্জ জেলা দিরাই ও শাল্লা উপজেলা ছাত্রদল কমিটি গঠনে সরাসরি তারেক রহমানের নাম ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছেন লন্ডন প্রবাসী তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেল। এই আসনে বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি নাছির উদ্দিন চৌধুরীর মতামতকে পাশ কাটিয়ে পুরো কমিটি তার অনুকূলে নেয়ার জন্য সাংগঠনিক টিমের ওপর চাপ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এছাড়া বান্দরবন জেলায় সম্প্রতি বিভাগীয় টিম থেকে জেলা ১০টি সাংগঠনিক ইউনিট কমিটি পাঠিয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অনুমোদন দেয়ার জন্য প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিভাগীয় টিমের গঠিত ওই কমিটিতে মাদকাসক্ত, মাদক ব্যবসায়ী, অছাত্র, বিবাহিত, ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবিরের রাজনীতিতে সম্পৃক্তরাও স্থান পেয়েছেন। যার কারণে ওইসব কমিটি অনুমোদন দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন জেলার নেতৃবৃন্দরা। এ বিষয়ে তারা লিখিত অভিযোগ দিলেও উল্টো কেন্দ্রীয় কমিটি জেলা কমিটির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বলে সংগঠনটির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

ত্যাগী ও যোগ্য নেতাদের বাদ দিয়ে অছাত্র, বিবাহিত এবং ছাত্রলীগের কর্মীদের নিয়ে কমিটি গঠনের বিষয়ে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, ‘এই অভিযোগগুলো সঠিক নয় এবং এগুলোর কোন সত্যতা নেই।’

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Check Also

সুইডেন-ফিনল্যান্ডের ন্যাটোর সদস্য হতে আবেদন

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে রা…