Home লাইফ স্টাইল শীতে গোড়ালি ফেটে গেলে যা করবেন

শীতে গোড়ালি ফেটে গেলে যা করবেন

বর্তমানে শহরকেন্দ্রিক সমাজ ব্যবস্থায় কফি নিয়ে যতটা হইচই এবং আলোচনা হয়ে থাকে তা আগে কখনো ছিল না বললেই চলে। প্রতিদিনের কাজ শুরু করার আগে, দুপুরের লাঞ্চের পর অথবা অলস বিকেলে অনেকটা অভ্যাসবশতই কফি পান করার চল অনেকের মধ্যেই রয়েছে। “কফি খেলেই হবে হৃদরোগ-ক্যানসার, না? জেনে নিন সত্যটা”

কফিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে। এগুলো আমাদের দেহের কোষগুলোকে ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ ও রাসায়নিকের মিশ্রণ ঠেকাতে সাহায্য করে। কফির ক্যাফেইন উপাদানটি মানুষের সতেজতা ও ক্রীড়া তৎপরতা বাড়াতে সাহায্য করে।

তবে কফি খেলেই শরীরে দেখা দেবে বিভিন্ন সমস্যা, থাবা বসাবে মারণব্যাধিও—এ কথা অনেককেই যারা নিয়মিত কফি পান করেন তাদের শুনতে হয়। বিশেষ করে যারা কফি পছন্দ করেন। এমন অনেক ধারণাই কফি পান করা নিয়ে প্রচলিত, যার মধ্যে ৯০ শতাংশই ভুল। কফির মধ্যে থাকা ক্যাফেইন একটি প্রাকৃতিক পদার্থ যা বিশ্বব্যাপী ৬৩টিরও বেশি উদ্ভিদ প্রজাতির পাতা, বীজ এবং ফলের মধ্যে পাওয়া যায়।

কফি বিশ্বব্যাপী খুবই জনপ্রিয় পানীয়।  কফিতে ক্যাফেইন নামক এক প্রকার উত্তেজক পদার্থ রয়েছে। ৮ আউন্স কফিতে প্রায় ১৩৫ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন থাকে। কফির উপাদান ক্যাফেইনের জন্য কফি মানুষের উপর উত্তেজক প্রভাব ফেলে ও উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে।

সম্প্রতি উচ্চ মাত্রার ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় (এনার্জি ড্রিংকস) তৈরি করা হয়েছে এবং তা বিপুল জনপ্রিয়তাও পেয়েছে। কফির সবচেয়ে পরিচিত প্রভাবগুলোর মধ্যে একটি হলো ক্লান্তিকে সাময়িক ভাবে বিলম্বিত করার জন্য একটি উদ্দীপক হিসেবে এর কাজ করার ক্ষমতা। এ প্রভাব কখনও কখনও অনিদ্রার কারণ হতে পারে। কিন্তু কফি খেলে আরও বহু রোগ বাসা বাঁধবে শরীরে, এমন ধারণার সত্যতা যাচাই করা অবিলম্বে প্রয়োজন।

ধারণা-১: কফি আপনাকে আসক্ত করে তুলতে পারে সাময়িক।

এমন কোনো গবেষণা নেই যা প্রমাণ করে যে সীমিত পরিমাণে কফি পান করলেই আপনার এতে আসক্তিতে পড়তে পারেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, যেহেতু ক্যাফেইন আপনার স্নায়ুতন্ত্রকে উদ্দীপিত করে তাই আপনি যদি কফি নিয়মিত পান করেন তবে আপনি এর ওপর কিছুটা নির্ভরতা অনুভব করতে পারেন। কিন্তু যদি এক-দুই কাপ কফি আপনার রোজকার পানীয়র মধ্যে থাকে তা হলে আসক্তি সম্পর্কে চিন্তা করার দরকার নেই একেবারেই।

বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এখন প্রমাণিত যে ক্যাফেইন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় না। নরওয়ে এবং হাওয়াইয়ের বিপুল সংখ্যক লোকজনের ওপর বেশ কিছু দিন ধরে চলা দুটি সমীক্ষায় পাওয়া তথ্য পর্যালোচনায় বলা হয়েছে যে নিয়মিত কফি বা চা খাওয়া এবং ক্যানসারের ঝুঁকির মধ্যে কোনও সম্পর্কই নেই।

ধারণা: কফি গর্ভধারণে সমস্যা তৈরি করে না।

যদিও চিকিৎসকরা পরামর্শ দেন যে গর্ভবতীদের সীমিত পরিমাণে কফি পান করা উচিত। তবে যে নারী গর্ভধারণের চেষ্টা করছেন তাদের এটি এড়ানো উচিত এ রকম কোনো তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। প্রজননক্ষমতা এবং ক্যাফেইনের মধ্যে কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। গর্ভাবস্থার আগে বা গর্ভাবস্থায় সীমিত পরিমাণে কফি পান করা যেতেই পারে, যদি না আপনি বিশেষ কিছু শারীরিক জটিলতায় ভোগেন।

ধারণা: কফি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় না। কফি কখনও কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি বাড়ায় না। এ নিয়ে বিভিন্ন ধারণা প্রচলিত থাকলেও জেনে রাখা দরকার যে কফি পান করলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা মোটেই বেড়ে যায় না বা এটি অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের কারণও নয়। শুধু উচ্চ রক্তচাপযুক্ত মানুষের নিজস্ব চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত কফি খাওয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।যেই বীজগুলো চোলাই করে কফি উৎপাদন করা হয় সেগুলো আসলে এক ধরনের ফলের রোস্ট করা বীজ,

যে ফলগুলোকে কফি চেরি বলা হয়। কফির ভেতরের মূল চেরি ফলটিতে কামড় দিলে অনেকটা ডিম্বাকার দুই ভাগ হয়ে যায় বীজটি। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় কফি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের ৫% কফিতে ‘পিবেরি’ নামক একটি বীজই থাকে। এ ‘পিবেরি’ জাতীয় কফি হাতে আলাদা করা হয়। কড়া স্বাদ এবং চমৎকার মিশ্রণের জন্য এ ধরণের কফি বীজ বিখ্যাত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

ড. ইউনূসের ব্যাংক হিসাব তলব

নোবেলজয়ী একমাত্র বাংলাদেশি ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহম্মদ ইউনূসের ব্যাংক হিসাবে…