Home লাইফ স্টাইল সুস্বাদু কুমড়া বড়ি তৈরিতে ব্যস্ত নারীরা
লাইফ স্টাইল - ডিসেম্বর ২৪, ২০২০

সুস্বাদু কুমড়া বড়ি তৈরিতে ব্যস্ত নারীরা

নিউজ ডেস্কঃ যশোর অঞ্চলে কুমড়ার বড়ি তরকারি হিসাবে বেশ জনপ্রিয় খাবার। শীতের শুরু থেকেই খাদ্য তালিকায় থাকে কুমড়ার বড়ি। এটি তৈরির কারিকুলামেও রয়েছে মুন্সিয়ানা। কুমড়ার সাথে কলাইয়ের ডাল পিসে কাপড় অথবা বিশেষ নেটে ছোট ছোট বড়ি বানিয়ে রোদে শুকালেই খাওয়ার উপযোগী হয়ে উঠে। এতে খাবারের তালিকায় আসে পরিবর্তন।

কুমড়ার বড়ির বিশেষ মহাত্ম হচ্ছে, এটি একবার তৈরি করে সারা বছর খাওয়া যায়। শীতের শুরু থেকেই এসব দৃশ্য যশোর জেলার কেশবপুর এলাকা জুড়ে দেখা মিলছে।

পাড়ার বাড়ির ছাদে, উঠানে, কিংবা বিলের ধারে- যার যেখানে সুবিধা সেখানেই রোদে শুকানো হচ্ছে এসব বড়ি। এর আগে বর্ষার মৌসুমে গ্রামাঞ্চলের প্রতিটি পরিবারই কুমড়োর গাছ লাগায়। গোয়ালঘর, থাকার ঘর, রান্না ঘরের ছাদে বা চালা জুড়েই দেখা মিলে কুমড়া গাছের লতা-পাতা। কোন প্রকার সার ছাড়াই বেড়ে ওঠে এসব গাছ। প্রথম পর্যায়ে কাঁচা কুমড়া তরকারি হিসাবে খাওয়া হয়, বাকি গুলো রেখে দেয়া হয় বড়ি তৈরি জন্য।

পাকা কুমড়ার সঙ্গে কালাইয়ের ডাল টেঁকিতে বা মেশিনে মিশিয়ে মণ্ডাকার বানানো হয়। পরে নেট, টিন, চালনি বা পরিষ্কার কাপড়ে মন্ড থেকে ছোট ছোট বড়ি বানিয়ে রোদে শুকাতে দেয়া হয়। এরপর এটিকে তরকারি হিসাবে ব্যবহার করা হয়। এক কেজি কালাইয়ের ডালের সঙ্গে তিনটি কুমড়া পিষে বড়ি বানালেই খাওয়া যায় সারা বছর।

এভাবেই কেশবপুর এলাকার প্রায় প্রতিটি বাড়িতে সারা বছর খাওয়ার জন্য নারীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে তরকারি হিসাবে তৈরি হচ্ছে কুমড়ার বড়ি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনিয়ম দূর করুন

‘বলপ্রয়োগ’ সমস্যা সমাধানের উত্তম পন্থা নয়। তাতে বরং পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে হয়, সঙ্কট আরো বাড়…