Home কবিতা ও গল্প স্রােতের কালো চোখ-আনোয়ার রশীদ সাগর

স্রােতের কালো চোখ-আনোয়ার রশীদ সাগর

মোবামুন্সী হাত দিয়ে হাটু পর্যন্ত লুঙ্গিটার কিছু অংশ তুলে ধরে, হেটে ঘরের ভিতরে রাখা চৌকির কাছাকাছি এগিয়ে এদিক ওদিক ঘাড় ঘুরিয়ে তাকিয়ে চৌকির উপর হাটুটা তুলে আরেক পায়ে ভর করে দাঁড়িয়ে, কোণায় রাখা বাক্সটির তালাটা মাজায় বেঁধে রাখা চাবিটা দিয়ে তালাটা খুলে ফেলল। তালাটা খুলতে ইচ্ছা করছিল না। বউমা বাপের বাড়ি যাবে, সাথে যাবে আদরের নাতিটা, তাই টাকা কিছু দিতে হবে। সে কারণে বাক্সটির তালা খুলে টাকার পুটলি বের করে নেড়ে চেড়ে দেখে নিল। ছোট পুটলিতে বাঁধা ময়লা টাকা বের করে পাছার সাথে লুঙ্গিতে মুছে পরিস্কার করল। মুন্সীর হিসেবী জীবনটা যেন গোল মাঠের মেঠো পথ, ঘুরে-ফিরে, দৌঁড়া দৌঁড়ি করে, শেষ পর্যন্ত একই জায়গায় থামে।
গ্রামের নাম টাকুদহ। সবাই টাকদা টাকদা বলে উচ্চারণ করে। ১৯৪৭ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কারণে দেশ ভাগ হয়ে যায়। পূবর্ বাংলা পূর্ব পাকিস্তান নামে পাকিস্তানের সাথেই থেকে যায়। মোসলমান মোসলমান ভাই ভাই, এই শ্লোগানে এক হয়। সেই দেশ ভাগের বেশ কয়েক বছর আগেই মোহাম্মদ টাকুবিশ্বাস নামে একজন লোক তার তিন বউ চার ছেলেমেয়ে নিয়ে বিশাল এই মাঠের মধ্যে এসে বাড়িঘর করেছিল। ভারতে বাড়িঘর গরু-ছাগল সম্পত্তি সব ফেলে রেখে জীবন বাঁচিয়ে চলে আসতে হয়েছিল। মাঠে যেভাবে দল ধরে ছাগল-ভেড়া ঘাস খেতে যায়, সে ভাবে দলবেধে নাতিপুতি, বউ-ঝি সঙ্গে নিয়ে পালিয়ে এসেছিল। তবে গরু ছাগলের ঘাস খাওয়ার মত শান্তভাবে আসেনি, এসেছে বাঘে হরিণের দলকে তাড়া করলে যেভাবে পালায় সেভাবে আতঙ্কের মধ্যে দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে। তখন কুষ্টিয়ার এই এলাকায় ঝোড়-জঙ্গল ও খাল-বিল ছিল। বনজঙ্গলে কেন্দুবাঘ, শকূর, সাপ ও পোকা-মাকড় থাকত।
টাকুবিশ্বাস ও তার ছেলে মেয়েরা বাড়ি ঘর করে বসবাস শুরু করলে, তাদের সাথে ভারত থেকে চলে আসা আরো অনেক পরিবারই এই এলাকায় বসতি স্থাপন করেছিল। ছেলেমেয়ের সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে টাকুবিশ্বাস বেশ প্রভাবশালী মানুষ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং এই এলাকায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তোলে। সংখ্যার শুরুতে লাঠির সংখ্যা টাকুবিশ্বাসের বেশি ছিল। যে কারণে টাকুবিশ্বাস কাউকে পরোয়া করেনি। সে যা বলতো এলাকার মানুষ তাই মেনে নিত।
তাই এই টাকুবিশ্বাসের নাম অনুসারেই গ্রামটির নাম টাকুদহ হয়ে গেছে। টাকুবিশ্বাস মারা যাওয়ার পর জমি জায়গা নিয়ে নিজেদের ছেলে-মেয়ে ও নাতি-পুতির মধ্যেই বিভিন্ন ধরণের গোন্ডগোল ও ফ্যাতনা ফেসাত লেগেই থাকত। পরবর্তীতে বংশের কারো সাথে কারো মিল ছিল না। এমনকি পরবর্তী বংশধরদের নাতি- নাতনীর মধ্যে কারো সাথে কারো পরিচয়ও হয়ে ওঠেনি। আর্থিক অবস্থা একের জনের একেক রকম হওয়ার কারণে, বংশ পরিচয়ও একেক জনের একেক রকমের হয়ে যায়, কেউ মন্ডল, কেউ মল্লিক এবং কেউ মুন্সী উপাধী ধারণ করে।
সেই টাকুবিশ্বাসেরই বংশধর মোবামুন্সী। তবে লোকসংখ্যা দ্রুত বেড়ে যাওয়ার কারণে ভাগের ভাগ জমি জায়গাও কম হয়ে গেছে। কেউ শ্রমিক হয়ে গেছে, কেউ ধনী হয়ে গেছে, কেউ মধ্যবিত্ত বা নিম্নমধ্যবিত্ত রয়ে গেছে, আবার কেউকেউ লেখাপড়া শিখে দেশের শীর্ষপদ দখল করেছে।
তাছাড়া মাত্র তেইশ বছরের মাথায় এসে এদেশ নুতন করে স্বাধীন হয়েছে। পশ্চিম পাকিস্তানীদের শোষণ-নীপিড়নের বিরুদ্ধে ছাত্র জনতা লড়াই করে বাংলাদেশ নামের আর একটি দেশ ১৯৭১ সালে পৃথিবীর মানচিত্রে জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু যুদ্ধের সময় সেই একইভাবে পূর্বপাকিস্তানের বাড়িঘর ছেড়ে আবার ভারতে পালাতে হয়েছিল। পালানোর সময় মুক্তিযোদ্ধাদের চৌদ্দগোষ্ঠীকে মনে মনে গালিগালাজ করেছে, এদেশে থাকা ভারতীয় মোসলমানরা।
খুশি হতে পারিনি মোবামুন্সীর পূর্বপুরুষরাও । মোবামুন্সীর বয়স তখন দশ- এগার বছর হবে। বাপ মালেক মুন্সীর সাথে ভারতে পালাতে হয়েছিল। মালেক মুন্সী মেনে নিতে পারেনি পাকিস্তানের ভাঙন। বাপের সে মানুষিকতার ছাপ পড়েছে মোবামুন্সীর মধ্যেও। তাই মাঝেমাঝে বলেই ফেলতো ‘মালাউনের হাতে মার খেয়ে বাপ দাদার জমিদারী ফেইলি আইয়ালাম, আবার ঐ মালাউনদের কাছেই যাতি হোইল’।
দেশ স্বাধীনের পর দ্রুত কুষ্টিয়ার নিজ এলাকায় এসে বসতভিটায় আবার বসবাস শুরু করে মালেকমুন্সী। ভয় ছিল অন্যকেউ আবার বাড়িঘর দখল করে না নেয় । তখন মালেকমুন্সী ছেলেকে বলেছিল, ঘরপোড়াগরু বাপজান, সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়।
কিন্তু বাড়ি ফিরে এসে দেখল অন্য এক দৃশ্য ডোবা, পচা এবং দূর্গন্ধেভরা এলাকা। লাশের গন্ধে দাঁড়ানো যায় না কোন খানে।
যাওয়ার আগে নিজ চোখে দেখেছিল, নদীর ধারে অনেক লোককে গুলি করে পাকসেনারা মেরেছিল। সেই দৃশ্য দেখেই ভয়ে মুন্সী স্বপরিবারে পালিয়ে গিয়েছিল। নদীর ঘাটে ঠিক সেই লাশের স্তুপের জায়গায় শেওলা, দাম আর কচুরিপানা বেঁধে আছে।
আবার স্বাধীনতার পরপরই বন্যা-খরা একসাথে শুরু হয়ে গিয়েছিল। সে কারণে মালেকমুন্সী বলত, স্বাধীন করে কী কোরলি বেজাতের বাচ্চারা?- একুন ফ্যান খাইয়ি থাক… মোসলমানে মোসলমানে মারামারি, দ্যাক ক্যারাম ঠাপ?
এখনও মোবামুন্সীর আর্থিক অবস্থা ভাল না। অনেক কষ্ট করে তাকে টিকে থাকতে হয়েছে। বেঁচে থাকার তাগিদে জীবনে অনেক ধরণের ছোট-বড় কাজই তাকে করতে হয়েছে।
ভাত কাপড়ের বড়ই অভাব, বাজারে পচা চাল- আটা ছাড়া কিছুই পাওয়া যায় না। অভাবের মধ্যেই মোবামুন্সীর বিয়ে দিল মালেকমুন্সী। বিয়ের কয়েক মাসের ব্যবধানে মালেকমুন্সী ও তার বৌ মারা গেল। একদিকে বাবা-মায়ের শোক অপর দিকে অভাব আর অভাব। দিন তো থেমে থাকে না, চলতে চলতে মোবামুন্সী একছেলে ও একমেয়ের বাবা হয়ে গেল। ছেলের নাম রাখল আহাদ আলী আর মেয়ের নাম মমতা।
খাবারের অভাবে ছেলে-মেয়েদের হাহাকার। এদিকে ক্ষুধার যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে মুন্সী রাগে ক্ষোভে বউকে গালি গালাজ করে। কারণ মোবামুন্সীর বউ রোমেলা খাতুনের ভাইয়েরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। তাই যত গালিগালাজ রোমেলা খাতুনকেই শুনতে হয়। “তোর সে ভাই শালিরি কই গেল মাগী, একুন খাইদ দে। – মোসলমান ভাইদের তাড়িদি, মালাউনের সাথে গাতা বাইনলু।”
রোমেলা খাতুন কিছুই বলতে পারেনা। দিনের পর দিন, না খেয়ে থাকতে হচ্ছে। চারিদিকে বন্যার পানি বেধে আছে ডোবা- নালা- খাল- বিলে।
এভাবে কিছু দিন যেথেই হঠাৎ ব্যাপক খরা শুরু হওয়ার কারণে বেধে থাকা পানি গরম হয়ে পরিবেশ আরো বিষাক্ত হয়ে উঠলো। দূর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে চারিদিকে। অসুস্থ হয়ে পড়ছে ছেলে মেয়েরা। মাঝে মাঝেই মুন্সী বলে, আল্লার গজব শুরু হয়েছে। মোসলমান ভাইদের তাড়াইছে। ধর্মে আছে, ভায়ে ভায়ে মারামারি- শত্রুতা কোইরু না; এই শালারা আল্লার হুকুম মানে নাই। আল্লা সেই জন্যে সাহায্য করে নাই। তাই মাইরলু, মাইরলু এমন মারামাইরলু। আল্লার মাইর দুনিয়ার বাইর।
যুদ্ধের সময় বন্যায় ডুবে গিয়েছিল মাঠের ফসল অপরদিকে কৃষক, শ্রমিক, জেলে, কামার, কোমর সকলেই পাকহানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। মাঠ অনাবাদি থাকার কারণে অভাবটা যুদ্ধের পরপরই শুরু হয়ে যায়। যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের উপর বন্যা-খরার ধকল সহ্য করার মত আর্থিক অবস্থ মানুষিকতা কারো ছিল না। এ অবস্থা আট/ নয় বছর চলতে থাকে।
অভাবের কারণে গ্রামের আশপাশের কিছু মানুষ ব্লাকের ব্যবসা শুরু করে। এপারের বিভিন্নœ ধরণের মালামাল ওপারে নিয়ে যায় আর ওপারের জিনিষ পত্র এপারে নিয়ে আসতে থাকে। এভাবেই অনেকের সংসার ভাল চলতে থাকে। মুন্সীর এই ব্যবসাটা পছন্দ নয়, তাই মাঝেমাঝেই সে বলে, দেশের সোনাদানা গুলো সব দাদাগের দি-আইলুরে, দেশটা শালার মালাউনদের কাছে বিক্রি কোইরি দিলু।
তবে যারা ব্লাকের ব্যবসা করছে তাদের পেটে দুবেলা দু মুঠো ভাততো জুটছে?
শেষমেষ নীতিকথা ভুলে অভাবের তাড়নায় মুন্সীও ব্লাক করা শুরু করে দিল। অর্থাৎ এপারের মাল ওপারে আর ওপারের মাল এপারে আনা নেওয়া।
এই কাজে শহরের অনেকেই ধনীও হয়ে যাচ্ছে। মুন্সীর লোভ বাড়তে থাকে। একবার ওপারের ব্যবসায়ীদের সুতা ও কাপড়ের টাকা মেরে দিয়ে আর ওদের সাথে ব্যবসা করে নি শিনজুল। ভারতেই যায় না শিনজুল, মেরে দেওয়া টাকা দিয়ে বাজারে ঘর নিয়ে ব্যবসা শুরু করে।
ধীরে ধীরে সে ধনী হয়ে যায়। শিন্জল থেকে ‘শিন্জল মিয়া’ হয়ে যায়।
আর সেই লোভে মোবামুন্সী স্মাগলিংএর ব্যবসায় নামে, কিন্তু ঘটনা ঘটে উল্টো, মোবামুন্সীর টাকাগুলো দেয় না ভারতের ব্যবসায়ীরা। টাকা চাইতে গেলে ওপারের ব্যবসায়ীরা বলে, তোমার দেশের শিন্জুল আমাদের টাকা না দিয়ে চলে গেছে, আমরা তোমার টাকা দিতে পারব না, মেওে দিলাম। মুন্সী অসহায় হয়ে যায়, কোন জবাব দিতে পাওে না, মনে মনে ভাবে ইন্ডিয়া এখন অন্যদেশ, যে দেশের মানুষ আমার বাপ, দাদা চৌদ্দপুর ছিল, যে দেশ আমারই দেশ; সে দেশের মানুষের চোখে আমি অন্য দেশের মানুষ।
এই দেশের মানুষ কদিন আগে জায়গা দিয়েছিল, ভাত দিয়েছিল, যুদ্ধ করার জন্য অস্ত্র দিয়েছিল, সে দেশের মানুষ দু দিনেই পর হয়ে গেল। মোবামুন্সীর কষ্ট বেড়ে যায়। যুদ্ধের সময় বলল, বাঙালি ভাই ভাই। মনে মনে মুন্সী বলে, মোসলমানে মোসলমানে ভাই ভাই। আকুতি মিনতি করে ও যখন টাকা পেলো না তখন ফিরে আসল। কয়েকবার শিনজুলের কাছে গিয়েও কোন কাজ হলো না।
শিনজুল সাফ সাফ জানিয়ে দিল, যাকে মাল দিছো তার কাছে যাও, আমার কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করতি আসপা না। মুন্সীর আর বুঝতে বাকি থাকল না’ও ট্যাকা আর পাওয়া যাবে না’।
মোবামুন্সী ব্লাক করা বাদ দিয়ে নদী নালায় জাল দিয়ে মাছ ধরে হাটেহাটে বিক্রি করে। অতি কষ্টে সংসারটা চলতে লাগল।
ছেলে আহাদ আলীকেও মাছ ধরতে সঙ্গে নিয়ে যায়। মুন্সী নদীতে জাল ফেলে টেনে ডাঙায় নিয়ে এসে জাল ঝেড়ে দেয়, আহাদ আলী জাল থেকে ছোট বড় মাছ গুলো খালুইতে তোলে। এভাবে বাবার সাথে কাজ করতে করতে লেখাপড়া আর হলো না আহাদ আলীর।
এক সময় ছোট-খাটো আকারে মাছের ব্যবসা ও শুরু করল। আহাদ আলীকে একটা দোকান ঘর নিয়ে দিল, সেখানে বসে ব্যবসা শুরু করল আহাদ আলী। মেয়ে মমতাকে স্কুলে পড়তে দিয়েছে। স্কুল থেকে মাঝেমাঝে বইখাতা হাতে নিয়ে দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে বাড়ি আসে মমতা, মেয়েটিকে আদরে ভরিয়ে দেয় মুন্সী।
এদিকে আহাদ আলীর কিশোর বয়স, মাঝে মাঝে খেলতে যায়, আনমনা হয়ে ঘুরেও বেড়ায়। তবে সংসারের ওর কাজের গতি বাড়তে থাকে। ভাত-কাপড়ের অভাব তাকে অনেকটা কৃপণ বানিয়ে দিয়েছে বলেই গ্রামের মানুষ মন্তব্য করে।
নামাজ পড়তে গিয়ে ঘটে বিপত্তি। মক্তবের ঈমাম সাহেব মাঝেমাঝে খুতবা পড়ে অথবা হাদীস পড়ে শুনায়।’ কৃপণ নামাজীর চেয়ে দানশীল ব্যক্তি উত্তম’। তাই মক্তবে দান করতে হবে, দান করতে হবে ক্ষুধার্তর্ মানুষকে। এই মক্তবটিকে মসজিদ বানাতে হবে।
মনটা খারাপ হয়ে যায় মোবামুন্সীর, কী সব উল্টাপাল্টা হাদীস পড়ে মৌলবী ‘সাহেব। ঈমাম সাহেবের কথা ভাললাগে না মুন্সীর। সে অনেক কষ্টে সবে মাত্র মাছের ব্যবসাটা শুরু করেছে। আল্লা মুখ ফিরে তাকিয়েছে। এরই মদ্যি ট্যাকা দিতে হবে মক্তবে?
মসজিদ বলতে তো ঐ টুকু ব্যাড়ার ঘর, যে ঘরটি মোবামুন্সীর পরিকল্পনায় তৈরি করা হয়েছিল; এই মক্তব তৈরি করতে গিয়ে মোবারেক আলীর নাম মোবামুন্সী হয়ে যায়। গ্রামের কোন কোন লোক তাকে মুন্সী জ্বী বলেও ডাকে।
তবে মুন্সীর চেয়ে এখন শিনজুলই বেশি টাকা দান করে মসজিদে। তাই মুন্সী মনে মনে বলে, শিনজুল মিয়াতো ম্যালা ট্যাকা দেবেই, তার তো অভাব নি, আমার ব্যবসাডা কেবল শুরু কোইরিছি, তাছাড়া আমার তো লোকের মারা ট্যাকা না। গতর খাটানো ট্যাকা। অত ট্যাকা দিতে পাইর বু নানে। মনেমনে কথাগুলো বলে আর একা একায় ক্ষোভ প্রকাশ করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Check Also

ইরানে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে

পরমাণু ইস্যুতে পশ্চিমাদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে ইরানের। অন্যদিকে ইউক…