Home বিশেষ দিবস হারার আগেই কেন হার

হারার আগেই কেন হার

দিনের মধ্যভাগেই জামায়াতে ইসলামীর ভোট বয়কটের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর শঙ্কাই বাস্তব হয়েছে। ভোটের আগের দিন প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ভোটের মাঝপথে বিএনপি-জামায়াত সরে যেতে পারে। পর দিন একতরফা নির্বাচনের অভিযোগ করে ঠিক এ কাজটিই করেছে জামায়াত। দুপুরে দলের প্রচার বিভাগ থেকে জামায়াতের ধানের শীষের ২২ প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র ৪ প্রার্থীর নির্বাচন বয়কটের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠানো হয়।বিএনপির বয়কট একটু ভিন্ন কিসিমের। কেন্দ্রীয় ঘোষণা না দিয়ে দুপুরের আগে-পরে একে একে বর্জনের ঘোষণা দিতে থাকেন বিএনপি প্রার্থীরা। বিকাল তিনটা নাগাদ তা পৌঁছে অর্ধশতে। তখন পর্যন্ত দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, বিচ্ছিন্নভাবে অনেক প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দিলেও কেন্দ্রীয়ভাবে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।প্রধানমন্ত্রী শঙ্কাটি প্রকাশ করেছিলেন তার নিজের মতো। তার বাইরেও নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন মহলে যে সব ধারণা, বিশ্বাস, আশঙ্কা ছিল তার প্রায় সব কটিই বাস্তবে ফলেছে। এক মহলের কাছে যেটি শঙ্কার সেটিই আরেক মহলের কাছে সম্ভাবনার। ক্ষমতাসীনরা জিতবে, জয় ছিনিয়ে নেবে, বিএনপি-জামায়াত তথা ঐক্যফ্রন্ট দাঁড়াতেই পারবে না, শেষ পর্যন্ত তারা মাঠে থাকবে নাÑ এ ধরনের আলোচনা চলেছে বিরতিহীনভাবে। এসব আলোচনা কারও কাছে আনন্দের, কারও কাছে বিষাদের। যাহা শঙ্কার, তাহাই সম্ভাবনার। যার সারকথা আবারও ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ। শেষ হাসি শেখ হাসিনারই।নির্বাচনে সচরাচর আলোচনা হয় জয়, জয়ের রকমফের, তারতম্য, ধরন ইত্যাদি নিয়ে। কিন্তু অনিবার্য পরিস্থিতি আলোচনার বাঁকও পাল্টে দিয়েছে। আলোচনা বেশি জমছে পরাজিতদের নিয়ে। আলোচনার এ খোরাক তারাই সরবরাহ করেছিলেন। নিজেরা আশা দেখেছেন। মানুষকেও আশা দেখিয়েছিলেন। দিয়েছিলেন নীরব ভোটবিপ্লবের আওয়াজ। তা কমবেশি বাজারও পেয়েছে। কিছু একটার অপেক্ষা দেখা গেছে মানুষের মধ্যে।প্রশ্ন ছিল নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক হবে কিনা, এতে সব দল অংশ নেবে কিনা? এসব প্রশ্নের ল্যাঠা চুকে গেছে ড. কামাল হোসেনের জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন এবং তাদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে। পরের ধাপের প্রশ্নমালায় ছিলÑ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ হবে কিনা? সেটাকেও চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে ঐক্যফ্রন্ট। বলেছে, ভোট পাহারা এবং ফল জেনে কেন্দ্র ত্যাগের কথা। সেখানেও উল্টোচিত্র। কেন্দ্রে এজেন্টও দিতে পারেনি তারা। কেন দেয়নি বা দিতে পারেনি? এর জবাব বেশ দীর্ঘ। তার চেয়েও জরুরি প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে, কেন তারা হারার আগেই হারল? প্রথমত সেই পরিস্থিতি তারা তৈরি করতে পারেনি। দ্বিতীয়ত ব্যর্থ হয়েছে মানুষকে সংগঠিত করতে। সেই চেষ্টাও ছিল দুর্বল। তারা বেশি সময় নষ্ট করেছে একের পর এক অভিযোগের কাজে। তাও অন্তহীন। কখনো নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে, কখনো প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বিরুদ্ধে। আর কখনো গোটা সরকারের বিরুদ্ধে। কোনো অভিযোগের সঙ্গেই মানুষকে একাত্ম করতে পারেনি।সেনাবাহিনী প্রশ্নেও ঐক্যফ্রন্টের ভূমিকা ও কথাবার্তা ছিল সাংঘর্ষিক। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য শুরুতে দাবি ছিল সেনা মোতায়েনের। কিন্তু সেনা মোতায়েনের পর ড. কামাল, মির্জা ফখরুলসহ ফ্রন্ট নেতারা বলেছেন, তাদের আশা ছিল সেনা মোতায়েনের পর পরিস্থিতি পাল্টাবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তা পাল্টায়নি। সরাসরি সেনাবাহিনীকে অভিযুক্ত না করে কাছাকাছি বলে লসের পাল্লা ভারীই করেছে। আবার আন্তর্জাতিক মহলের সমর্থনের চেষ্টাও মাঠে মারা গেছে তাদের।বাংলাদেশের ইলেক্টোরাল পলিটিক্সে এবার একটা নতুন মাত্রা এসেছিল। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটে রয়েছে ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) একাংশসহ কিছু দরবারি বামপন্থি। সঙ্গে একাধিক ইসলামিক দল। সাবেক সামরিক শাসক, জাতীয় পার্টির নেতা, গণধিক্কৃত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদও রয়েছেনই। অন্যদিকে বিএনপি কিছু শক্তিকে নিয়ে গঠন করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের প্রধান রূপকার কামাল হোসেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা। বীর উত্তম কাদের সিদ্দিকী, আ স ম আবদুর রবসহ বিখ্যাত মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশও শরিক হয় ঐক্যফ্রন্টে। আর সঙ্গী হিসেবে জামায়াতও থাকে ইনটেক্ট হয়ে।জামায়াত সম্পৃক্ততা শেষ মুহূর্তে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টকে নাস্তানাবুদ করেছে। জামায়াতের ২২ প্রার্থীকে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়া দল এবং ঐক্যফ্রন্ট উভয়কেই খাদে ফেলেছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের অন্যতম শর্ত ছিল জামায়াতকে বিএনপির সঙ্গে রাখা হবে না। আবার বলা হয়েছিল ২০-দলীয় জোটগতভাবে রাখা হলেও ঐক্যফ্রন্টগতভাবে রাখা হবে না। পরে জোটের সঙ্গ, ফ্রন্টের সঙ্গÑ দুটোতেই রাখা হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রশ্নে সাংবাদিকদের সঙ্গে চটেছেন ফ্রন্টের শীর্ষনেতা ড. কামাল। গোটা মিডিয়া এতে বিরক্ত হয়েছে। ড. কামালকে বলতে গেলে মিডিয়ার প্রতিপক্ষ করে ফেলা হয়েছে। বিষয়টি এখানেই থেমে থাকেনি। নির্বাচনের দুদিন আগে, প্রকাশ পেয়েছে ভারতীয় পত্রিকায় ড. কামালের সাক্ষাৎকার, যেখানে তিনি বলেছেনÑ জামায়াত থাকবে জানলে তিনি ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব নিতেন নাÑ এমন মন্তব্যে তিনি নিজেকে হালকা করেছেন। হাস্যকর করেছেন তার নেতৃত্বাধীন ফ্রন্টকে।ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে যে কোনো পরিস্থিতিতে জীবনের ওপর ঝুঁকি নিয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে বিপ্লবের আহ্বান মাঠে মারা গেছে অনিবার্য কারণে। ফ্যাসিস্ট সরকার বিরোধীপক্ষকে নির্বাচনী প্রচারে দাঁড়াতে দেয়নি এমন গড়েহরিবোল অভিযোগকে হালে পানি পাওয়ানো যায়নি। দলের সক্রিয় নেতাকর্মীরা যে মাঠে দাঁড়ানোর হিম্মত রাখেনি, সেটা গোপন রাখার পর্যায়ে নেই। তারা গত দশ বছরে ৯০ হাজার মামলা আর লাখ লাখ কর্মীর ঘরছাড়া হওয়ার তথ্য দিয়ে আবেগ তৈরি করতে পারেননি।ইতিহাস সাক্ষীÑ রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনার সূচনা করেন নেতা, এর পর যুক্ত হয় রাজনৈতিক দল এবং শেষে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ। ল্যাটকা আবেগে মানুষ আর গদগদ হয় না। তারা বারবার সত্তরের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন। ১৯৭০-কে টেনে আনার আগে জানা এবং জানানো দরকার ছিল ১৯৫২ থেকে ধারাবাহিক আন্দোলনের ফসল ১৯৭০-এর নির্বাচন। প্রেস কনফারেন্স আর কান্নাকাটিতে সায় দিয়ে জনগণ ১৯৭০-এ ভোট দিতে যায়নি। হারার আগে হারতেও যায়নি।এবারের নির্বাচন অভূতপূর্ব বিভিন্ন মাত্রা ও সূচকে। এই প্রথম ক্ষমতাসীন দল ও প্রধানমন্ত্রী টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতাসীন হতে প্রার্থী হয়েছেন। প্রায় চার দশকে এই প্রথমবারের মতো কোনো দলীয় সরকারের অধীনে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হয়েছে। ক্ষমতায় থেকে নির্বাচনে কখনো কোনো দলের পরাজয়ের রেকর্ড নেই। উদাহরণ হিসেবে আনা যায় ১৯৭৩, ১৯৭৯, ১৯৮৬, ১৯৮৮, ২০১৪ এবং ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির কথা। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশে চার মাসের ব্যবধানে দুটি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু দুটিতে দুই রকম ফল। ১৫ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের ‘সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা’র কারণে বিরোধী দলহীনভাবে করা নির্বাচনে তারা ‘নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা’ পায়। ওই বছরেরই ১২ জুন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হওয়া নির্বাচনে হার মানে ১৫ ফেব্রুয়ারিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলটি।এ ইতিহাসের মধ্যেই এবার নির্বাচন হলো ক্ষমতাসীন দলের অধীনে। এতে সব দলের অংশীজন হওয়ায়ও অভূতপূর্ব। আদৌ ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবে কিনাÑ এ প্রশ্নও এবারের মতো জোরালো হয়নি আর কোনো নির্বাচনে। এবারের মতো এত প্রার্থী, মনোনয়ন প্রতিযোগিতা ও বাণিজ্যও আগে হয়নি। প্রার্থিতা বাতিলের ঘটনাও এবার ব্যাপক। কারাবন্দি প্রার্থীর সংখ্যায়ও এবার নতুন ইতিহাস। ভোটারও সর্বাধিক।সব নির্বাচনই একটি জয়ী ও পরাজিত দল উপহার দেয়। নির্বাচনের কাজ হচ্ছে শাসনের একটি ম্যান্ডেট দেওয়া। যদিও মিডিয়া ক্যু, সূক্ষ্ম-স্থূলসহ বিভিন্ন নামের কারচুপির মধ্য দিয়েই ঘুরপাক খাচ্ছে বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাস। সেখানে সুষ্ঠু-অসুষ্ঠু একেবারেই আপেক্ষিক। যার যার সুবিধা মতো। বিজয়ীদের কাছে সেটা সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ। ক্ষমতাবাজির ওপেন লাইসেন্স। তা ৫ জানুয়ারি, ১৫ ফেব্রুয়ারির মতো হলেও। আর পরাজিতদের কাছে কারচুপি, জালিয়াতি ইত্যাদি।নৈতিকতা এবং নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও নির্বাচনের বিকল্প কিছু আজতক আবিষ্কার হয়নি। সেটার লক্ষণও নেই। আধুনিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সূচনা ত্রয়োদশ শতকে ইংল্যান্ডে। গোপন ব্যালট পদ্ধতির প্রবর্তন ১৮৭২ সালে। আর সর্বজনীন ভোটাধিকারের বিধান চালু হয় ১৯২৮ সালে। গোটা মধ্যযুগে রোমান সম্রাট ও পোপের মতো শাসক বাছাইও হতো এ রকম নির্বাচনী ব্যবস্থায়। প্রাচীন ভারতে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রজারা বাছাই করতেন রাজাদের।নির্বাচনের ইতিহাস অনেকটাজুড়েই রয়েছে ভোটাধিকারের প্রশ্ন। আধুনিক জাতি-রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা লাভের উদ্দেশ্যে গঠিত রাজনৈতিক দলের উদ্ভবের ফলে ঐতিহ্যগত নির্বাচন পদ্ধতির রূপান্তর ঘটেছে। কিন্তু প্রশ্ন ও বিতর্ক থেকেই গেছে। নৃতাত্ত্বিকদের গবেষণায় পাওয়া যায়, আদিম জনগোষ্ঠীগুলোর মধ্যেও ছিল বিভিন্ন ধরনের নির্বাচন ব্যবস্থা। প্রাচীন গ্রিসীয় শাসন ব্যবস্থায় নির্বাচন হতো লটারির মাধ্যমে। আমেরিকার আদিবাসীদের অনেক গোত্রের লোকেরা নির্দিষ্ট কোনো পাত্রে শস্যকণা ছুড়ে গোত্রপতি নির্বাচন করত। প্রাচীন ভারতেও নির্বাচনের বিভিন্ন ধরন পাওয়া যায়। মোগল শাসনবিধানে স্থানীয় প্রশাসন চালাতেন স্থানীয় মনোনীত ব্যক্তিরা।সময়ে সময়ে কারচুপি, জালিয়াতি পক্ষপাতিত্ব, ভোট ও ভোটার কেনাবেচা, হুমকি-ধমকি দিয়ে ভোটের দিন ঘর থেকে বের হতে না দেওয়াসহ নানা অভিযোগ সঙ্গী করেই দেশে দেশে নির্বাচন পদ্ধতিতে সংস্কার এসেছে। কিন্তু অভিযোগ পিছু ছাড়েনি। দোষ বা গোলমালটা নির্বাচনের নয়, পদ্ধতির। আরও খোলাসা করে বললে, এর আয়োজকদের। নির্বাচনের কর্তৃপক্ষ, ভোট দেওয়া, নেওয়া, গণনায় সম্পৃক্তরা সময়ে সময়ে একে কলঙ্কিত করেছেন। নির্বাচনকে হ্যাঁ-না এমনকি বিনাভোটে পর্যন্ত এসে ঠেকেছে। কিন্তু অঘটনের জন্য নির্বাচনকে দায়ী করা কতটা যৌক্তিক? নির্বাচনকে দায়ী করা হলে এর বিকল্প জরুরি। কিন্তু সাদা চোখে, সোজা ভাবনায় এক কথায় তা অসম্ভব।নির্বাচনের বিকল্প থাকলে দেশে দেশে নির্বাচন গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ হতো না। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এখন পর্যন্ত বিকল্প কোনো ধারণাও মেলেনি। অতএব নির্বাচনই সারকথা। সমস্যাটা নৈতিকতার। ইতিহাস সব ঘটনার সাক্ষী। ইতিহাস কেবল সাক্ষীই নয়, ঘটনার ক্রীড়নকদের বিচারের ভারও তার ওপর। সেই বিচারের জন্য সব সময়ই যে ‘পথ চেয়ে আর কাল গুনে’ বসে থাকতে হয় না। তা কখনো কখনো ঘটে সমকালেও। কিন্তু নৈতিকতার দুর্দিনে সেই বোধ-বুদ্ধি অনেকটাই ভোঁতা। এ ছাড়া নৈতিক বৈধতা বলতে যা বোঝায় আজকের সমাজে সেটার চর্চা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার অবস্থা কতটুকু? সেটা তেমন না থাকায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার চেয়ে ভূগোল-অর্থনীতি থেকে শেখায় লাভ বেশি মিলছে। এ লাভটাও নগদে। এর মধ্য দিয়েই নির্বাচনের পথ চলা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Check Also

বাজেট অধিবেশন বসছে ৫ জুন

একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন আগামী ৫ জুন শুরু হবে। ওই দিন বিকাল ৫টায় অধিবেশন শুরু হব…