Home পরিবেশ হোয়াইট হাউসের যত পোষা প্রাণী
পরিবেশ - ফিচার - ডিসেম্বর ৬, ২০২০

হোয়াইট হাউসের যত পোষা প্রাণী

ফিচার ডেস্কঃ কুকুর, বিড়াল, ঘোড়া, এমনকি রেকুনও পোষা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ভবন হোয়াইট হাউসে। তাদের কারো কারো ছবি শোভা পেয়েছে বিশ্ববিখ্যাত ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে, কারো ভিডিও দেখেছেন হাজার হাজার মানুষ।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার আগেই পোষা কুকুরের কারণে খবরে এসেছেন জো বাইডেন। জার্মান শেফার্ড কুকুর মেজরকে নিয়ে খেলতে গিয়ে গোড়ালিতে চোট পেয়েছেন তিনি। চোট পেলেও বাইডেন থামছেন না। হোয়াইট হাউসে মেজর তো থাকছেই, সঙ্গে একটা বিড়াল পোষার কথাও ভাবছেন তিনি। হোয়াইট হাউসে বিড়াল বহুবার পোষা হয়েছে। প্রথম পুষেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট রাদারফোর্ড হায়েস।
হোয়াইট হাউসের এক শ বছরেরও বেশি সময়ের নিয়ম ভেঙে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার আমলে কোনো প্রাণী পোষেননি। তার আগে হোয়াইট হাউসে সর্বশেষ পোষাপ্রাণী ছিল বারাক ওবামার আমলে। বো আর সানি নামের দুটি কুকুর পুষতেন ওবামা। বো ছোটদের বইয়ের দিকে তাকিয়ে আছে- এমন ছবি পত্রিকাতেও ছাপা হয়েছে। বো-র ছোট বোন সানিও খুব প্রিয় হয়ে উঠেছিল ওবামা ভক্তদের কাছে।
বিল ক্লিন্টনের ছিল একটা বিড়াল আর একটা কুকুর। বিড়ালের নাম ছিল সক্স আর ল্যাবরাডোর টেরিয়ার কুকুরটির নাম ছিল বাডি। সক্স নাকি ওভাল অফিসে কাজ করার সময়ও ক্লিন্টনের কাঁধে বসে থাকতো। সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক একবার একটা ডাকটিকিট ছেপেছিল ক্লিন্টনকে নিয়ে। সেই ডাকটিকিটে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার প্রিয় বিড়ালটিও ছিল!
জর্জ ডাব্লিুউ বুশের ছিল তিনটি কুকুর আর একটি বিড়াল। বার্নি আর বিজলে নামের স্কটিশ টেরিয়ার কুকুর দুটো এত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল যে তাদের নিয়ে নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করতো হোয়াইট হাউস কর্তৃপক্ষ।
১৯৪৪ সালে খবর ছড়িয়ে পড়ল তখনকার প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট নাকি আলেউটিয়ান দ্বীপ থেকে ফেরার সময় ভুল করে প্রিয় কুকুর ফালা-কে ফেলে চলে এসেছেন। পরে নাকি নৌ বাহিনীর বিশেষ জাহাজ পাঠিয়ে কুকুর আনিয়ে জনগণের টাকা অপচয় করেছেন। ঘটনার সত্যতা অস্বীকার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের রুজভেল্ট বলেছিলেন, ‘আমার কুকুরটিকে অন্তত রেহাই দিন!’

জন এফ কেনেডির আমলে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল ঘোড়া মার্কোনি। খুব ফটোজেনিক ছিল মার্কোনি। কেনেডির মেয়ে ক্যারোলিন আর মার্কোনির ছবি ছাপা হতো বিভিন্ন পত্রিকায়। লাইফ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদও হয়েছিল ক্যারোলিন আর মার্কোনির ছবি নিয়ে। সেই ছবি দেখেই নাকি ‘সুইট ক্যারোলিন’ গানটি গেয়েছিলেন নিল ডায়মন্ড।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজকে এক সমর্থক একটা রেকুন উপহার দিয়ে বলেছিলেন, ‘এটা দিয়ে থ্যাঙ্কসগিভিং ডে-র আহার সেরে নিতে পারেন। দারুণ হবে!’ পশুপ্রেমী প্রেসিডেন্ট তা করেননি। রেকুনটি তিনি হোয়াইট হাউসে পুষেছিলেন। তার নাম দিয়েছিলেন রেবেকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

‘প্রস্তুতি বহু আগে থেকে ছিল’

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে আইন পাসের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার অনেক দিন …