উজ্জীবিত দক্ষিণ কোরিয়ার সামনে ফেভারিট ব্রাজিল

Total Views : 15
Zoom In Zoom Out Read Later Print

একের পর এক ইনজুরির খবরে বিপাকে ব্রাজিল। সার্বিয়া ও সুইজারল্যান্ডরকে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখে কাতার বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করা দলটির জন্য অবশেষে এলো স্বস্তির এক বার্তা- দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে খেলার জন্য ফিট নেইমার। একেবারে শেষ সময়ে তার স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে সবুজ সংকেত দেওয়া হতে পারে।

এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ভালো-খারাপের মিশ্র অভিজ্ঞতা হয়েছে। প্রথম ম্যাচে ডান পায়ের গোড়ালির চোট নিয়ে গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে যান নেইমার। সার্বিয়া ম্যাচে চোট পান দানিলোও। দুজনকে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে পাওয়ার সম্ভাবনা জাগিয়েছে মেডিক্যাল টিমের বিবৃতি। সবশেষ অ্যালেক্স তেল্লেস ও ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল জেসুস বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন।

নকআউটে ওঠা নিশ্চিতের পর টানা ৯ ম্যাচ জয়ের ধারায় বড় ধাক্কা খেয়েছে ব্রাজিল। গ্রুপের শেষ ম্যাচ তারা হেরেছে ক্যামেরুনের কাছে। এছাড়া বিশ্বকাপে টানা পাঁচ ম্যাচ ধরে প্রথমার্ধে কোনও গোল নেই। এসব দুশ্চিন্তার ব্যাপারই বটে।

তবে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর মতো পরিসংখ্যান হলো, এই আসরে তিন ম্যাচে মাত্র একটি গোল হজম করেছে ব্রাজিল। আর শেষবার তারা শেষ ষোলোতে ছিটকে গেছে সেই ১৯৯০ সালে, হেরে যায় আর্জেন্টিনার কাছে। তারপর থেকে ৩৬ বছরে সাতটি বিশ্বকাপ খেলে প্রত্যেকবার শেষ ষোলোর বাধা টপকেছে। সুতরাং এবারও ব্রাজিলকে কোয়ার্টার ফাইনালে দেখার প্রত্যাশা করা স্বাভাবিক।

অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়া ২০১০ সালের পর প্রথমবার নকআউটে। উরুগুয়েকে গোলশূন্য ড্রয়ে রুখে দেওয়ার পর ঘানার কাছে হারে কোরিয়ানরা। শেষ ম্যাচে পর্তুগালকে ২-১ গোলে হারিয়ে এক যুগ পর নকআউটে। এনিয়ে তৃতীয়বার গ্রুপ বাধা পেরিয়েছে তারা। ২০০২ সালে আয়োজক হিসেবে দেশটি বিশ্বকাপে সেরা সাফল্য পায় সেমিফাইনালে পৌঁছে। এবার দ্বিতীয় সেরা সাফল্য পেরোতে হলে পাওলো বেন্তোর দলকে উপড়ে ফেলতে হবে ব্রাজিল নামের পথের কাঁটা। পর্তুগিজদের হারিয়ে উজ্জীবিত দক্ষিণ কোরিয়া।

দুই দল এই প্রথমবার কোনও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে।  এর আগে সাতবারের দেখায় ব্রাজিল জিতেছে ছয়টি, হার একটিতে। সবশেষ গত জুনে ৫-১ গোলে কোরিয়ানদের উড়িয়ে দেয় সেলেকাওরা। আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় দোহায় অষ্টমবারের মতো দেখা হচ্ছে তাদের। ফেভারিট ব্রাজিল প্রত্যাশিতভাবে জয় পায় নাকি একের পর এক অঘটনের জন্ম দেওয়া বিশ্বকাপে আরেকটি চমকের দেখা মিলবে, সেটা বলে দেবে সময়।

তবে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর মতো পরিসংখ্যান হলো, এই আসরে তিন ম্যাচে মাত্র একটি গোল হজম করেছে ব্রাজিল। আর শেষবার তারা শেষ ষোলোতে ছিটকে গেছে সেই ১৯৯০ সালে, হেরে যায় আর্জেন্টিনার কাছে। তারপর থেকে ৩৬ বছরে সাতটি বিশ্বকাপ খেলে প্রত্যেকবার শেষ ষোলোর বাধা টপকেছে। সুতরাং এবারও ব্রাজিলকে কোয়ার্টার ফাইনালে দেখার প্রত্যাশা করা স্বাভাবিক।

অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়া ২০১০ সালের পর প্রথমবার নকআউটে। উরুগুয়েকে গোলশূন্য ড্রয়ে রুখে দেওয়ার পর ঘানার কাছে হারে কোরিয়ানরা। শেষ ম্যাচে পর্তুগালকে ২-১ গোলে হারিয়ে এক যুগ পর নকআউটে। এনিয়ে তৃতীয়বার গ্রুপ বাধা পেরিয়েছে তারা। ২০০২ সালে আয়োজক হিসেবে দেশটি বিশ্বকাপে সেরা সাফল্য পায় সেমিফাইনালে পৌঁছে। এবার দ্বিতীয় সেরা সাফল্য পেরোতে হলে পাওলো বেন্তোর দলকে উপড়ে ফেলতে হবে ব্রাজিল নামের পথের কাঁটা। পর্তুগিজদের হারিয়ে উজ্জীবিত দক্ষিণ কোরিয়া।

দুই দল এই প্রথমবার কোনও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে।  এর আগে সাতবারের দেখায় ব্রাজিল জিতেছে ছয়টি, হার একটিতে। সবশেষ গত জুনে ৫-১ গোলে কোরিয়ানদের উড়িয়ে দেয় সেলেকাওরা। আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় দোহায় অষ্টমবারের মতো দেখা হচ্ছে তাদের। ফেভারিট ব্রাজিল প্রত্যাশিতভাবে জয় পায় নাকি একের পর এক অঘটনের জন্ম দেওয়া বিশ্বকাপে আরেকটি চমকের দেখা মিলবে, সেটা বলে দেবে সময়।

See More

Latest Photos