ইসরাইলের মাথাব্যথা: সউদী-ইরান চুক্তি : আমেরিকার প্রভাব হ্রাস : চীনের প্রভাব বৃদ্ধি

Total Views : 36
Zoom In Zoom Out Read Later Print

গত ১০ মার্চ ইরান এবং সউদী আরবের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটি শুধুমাত্র ঐতিহাসিক বললে ভুল বলা হবে, বরং এটি শুধু ঐ অঞ্চলের জন্যই নয়, সমগ্র এশিয়া মহাদেশ এবং ভূমন্ডলীয় রাজনীতির জন্য এক যুগান্তকারী ঘটনা। সমগ্র পৃথিবী অবাক বিস্ময়ে লক্ষ করেছে যে, এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে এমন একটি বৃহৎ শক্তির মধ্যস্থতায় যে শক্তিটির, মধ্যপ্রাচ্যে বলতে গেলে, তেমন কোনো প্রভাব নাই। সেই বৃহৎ শক্তি হলো গণচীন। এতদিন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে তথা মুসলিম জাহানে একচেটিয়া প্রভাব ছিল আমেরিকার। এরপর যে বৃহৎ শক্তির প্রভাব আছে সেটি হলো রাশিয়া। সকলকে অবাক করে দিয়ে যেখানে চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো চীনের মধ্যস্থতায়। বলাবাহুল্য, এই চুক্তি স্বাক্ষরের পর মাঝপথে প্রচন্ড হোঁচট খেয়েছে ইসরাইল। তারপর হোঁচট খেয়েছে আমেরিকাপন্থী পশ্চিমা দুনিয়া। এতদিন পর্যন্ত ইসরাইল স্বপ্ন দেখছিল, যেকোনো সময় সউদী আরবের সাথে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু এখন ইরানের সাথে সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের চুক্তি হওয়ার পর সেই সম্ভাবনা শুধুমাত্র পিছিয়ে গেল তাই নয়, বরং সেই সম্পর্ক অনির্দিষ্টকালের জন্য তিরোহিত হলো। বিশে^র বিভিন্ন বার্তা সংস্থা থেকে যেসব খবর পাওয়া যাচ্ছে, সেসব খবর থেকে দেখা যাচ্ছে যে, এই চুক্তির ফলে তাৎক্ষণিকভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ইসরাইলের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। মুসলিম জাহানে আরো কয়েকটি বড় এবং শক্তিধর দেশ রয়েছে। এগুলির মধ্যে রয়েছে তুরষ্ক, পাকিস্তান, মিশর ইত্যাদি। এক সময় ইরাক শক্তিশালী রাষ্ট্র ছিল। কিন্তু আমেরিকা কর্তৃক ইরাক দখল, সেখানে নির্যাতন ও শোষণ চালানোর ফলে দেশটি আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। তুরষ্ক, পাকিন্তান ও মিশরের মধ্যে মিশর এখনো আমেরিকার প্রভাব বলয়ের মধ্যেই রয়েছে। তুরষ্ক মার্কিন প্রভাব বলয় থেকে এরদোগানের নেতৃত্বে অনেক আগেই বেরিয়ে এসেছে। ইসরাইলের বিরুদ্ধেও এরদোগানের মনোভাব আপোসহীন। যদিও ইসরাইলের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ব্যাপারে তুরষ্কের কতগুলো বিশেষ সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

পাকিস্তানকে ইসরাইল এক সময় ১ নাম্বার শত্রু মনে করতো। পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমার জনক আব্দুল কাদের খানের ওপর একটি বিপুল তথ্য সমৃদ্ধ পুস্তক রচনা করা হয়েছে। পুস্তকটির নাম, ‘দ্য ম্যান ফ্রম পাকিস্তান’। এই বইটি মনোযোগ দিয়ে পাঠ করলে দেখা যাবে যে, কত রকম বাধা বিপত্তির মধ্যদিয়ে পাকিস্তান পারমাণবিক বোমা বানাতে সক্ষম হয়েছে। অবশ্য এ কথাটি আমার স্পষ্ট বলা দরকার যে, এই বইটি সম্পূর্ণভাবে মার্কিন ও পশ্চিমা দৃষ্টিভঙ্গি থেকে লেখা হয়েছে। আব্দুল কাদির খানের মহান ভূমিকাকে বিকৃত করে তাকে পারমাণবিক প্রযুক্তির চোরা চালানী হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে। কারণ, বিজ্ঞানী আব্দুল কাদির খান আমেরিকা এবং ইসরাইলের পাকা ধানে মই দিয়েছিলেন। এই বইটি পড়ার পর যে কোনো বুদ্ধিমান পাঠক বুঝতে পারবেন যে, কেন ভারতীয় পারমাণবিক বোমার জনক এ পি জে আব্দুল কালাম বোমা বানানোর পুরষ্কার হিসাবে ভারত তাকে প্রেসিডেন্ট বানিয়েছিল। আর কেন পাকিস্তানের সামরিক প্রেসিডেন্ট জেনারেল পারভেজ মোশাররফ তাদের পারমাণবিক বোমার জনক আব্দুল কাদির খানকে দীর্ঘকাল গৃহবন্দী রেখেছিলেন। ঐ বই থেকেই জানা যায় যে, আমেরিকার সম্মতিতে পাকিস্তানের পারমাণবিক সক্ষমতাকে ধ্বংস করার জন্য পাকিস্তানের পারমাণবিক কেন্দ্রসমূহ ইসরাইল বোমা মেরে উড়িয়ে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু বৃহত্তর পরিসরে বৈশি^ক প্রতিক্রিয়া এবং বিশেষ করে মুসলিম জাহানের সম্ভাব্য কিন্তু প্রচন্ড বিরূপ প্রতক্রিয়ার আশঙ্কায় আমেরিকা পাকিস্তান আক্রমণ থেকে ইসরাইলকে বিরত রেখেছিল।

॥দুই॥
কিন্তু ইসরাইল বিরোধিতায় ইরানের ভূমিকা ইমাম খোমেনির বিপ্লবের পর থেকেই আপোসহীন। ইরানের আরেকটি সুবিধা হলো এই যে, দেশটি মার্কিন বা সোভিয়েট (বর্তমানে রুশ) কোনো ব্লকেরই প্রভাব বলয়ের মধ্যে নাই। তারা সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং স্বাধীনভাবেই তারা ইসরাইলের ব্যাপারে আজও আপোসহীন। ইরানের ইসলামী বিপ্লবী সরকার তো পারলে ইসরাইলকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে ফেলে। মধ্যপ্রাচ্য সম্পর্কে দীর্ঘদিন ধরে যারা গবেষণা করছেন তারা মোটামুটি নিশ্চিত যে, ইরান (যদিও ইরান মধ্যপ্রাচ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়) পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে ইরান পশ্চিমা দুনিয়া বিশেষ করে আমেরিকার হরেক রকমের স্যাংশনের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে। তারপরেও পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের প্রচেষ্টায় তারা কখনো ক্ষান্ত হয়নি। ইরানই একমাত্র দেশ যারা কোনো দিন ইসলামী বিপ্লবের পর মার্কিন রক্তচক্ষুর সামনে নতি স্বীকার করেনি। এখানে একটি কথা বলা প্রয়োজন যে, এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে। চুক্তির মধ্যস্থতাকারী হিসাবে ইরান ও সউদী আরবের সাথে চীনও স্বাক্ষর করেছে। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন যে, চীনের সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতায় ইরানের বোমা বানানোর ক্ষমতা মসৃণ হবে। ইরান যদি পারমাণবিক বোমা বানাতে পারে তাহলে বিশ^ রাজনীতি, বিশেষ করে মুসলিম জাহানের রাজনীতিতে আমূল পরিবর্তন সূচিত হবে।

এই চুক্তি স্বাক্ষরের পর ইসরাইলের সাধারণ মানুষ এবং বিরোধী দলের তোপের মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। জনগণ স্পষ্ট বলছে যে, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার প্রভাব যে ক্ষয় হতে চলেছে, তারই প্রমাণ। আর আমেরিকার প্রভাব যতই হ্রাস পাবে ততই ইসরাইলের দাপট কমে যাবে। এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে যুদ্ধবিক্ষত ইয়েমেন এবং সিরিয়াতেও আশার সঞ্চার হয়েছে। এতদিন ধরে ইসরাইল আব্রাহাম চুক্তির সাফল্যে আত্মতৃপ্তি লাভ করছিল। এই চুক্তি মোতাবেক আরব আমিরাত, বাহরাইন, সুদান এবং মরোক্কোর সাথে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। বলা বাহুল্য যে, আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষরের প্রধান নায়ক ছিল আমেরিকা। আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষরের পর ধারণা করা হচ্ছিল, যে কোনো মুহূর্তে সউদী আরব ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করবে। এমন প্রত্যাশার আগুনে ১০ মার্চের ইরান-সউদী চুক্তি সম্পূর্ণ পানি ঢেলে দিয়েছে।

নেতানিয়াহু নিজেকে এভাবে প্রোজেক্ট করছিলেন যে, লেবাননের হিজবুল্লাহ আর গাজার হামাসের হুমকি থেকে ইসরাইলের রক্ষাকর্তা একমাত্র তিনি। আর এ কথা কে না জানে যে, হিজবুল্লাহ এবং হামাসের প্রত্যক্ষ এবং সর্বাত্মক সহযোগিতাকারী হলো ইরান। এই চুক্তির সুদূরপ্রসারী ফল হিসাবে ইসরাইল অদূর ভবিষ্যতে মার্কিন পৃষ্ঠপোষকতায় ইরান বিরোধী জোট গঠনের যে স্বপ্ন দেখছিল সেই স্বপ্নও চুরমার হয়ে গেল। ইয়েমেনে যে রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ চলছে সেখানে যুদ্ধমান দুই পক্ষকে সমর্থন দিয়ে আসছিল যথাক্রমে সউদী আরব ও ইরান। এখন ঠিক এই মুহূর্তে না হলেও দুই মাসের মধ্যে যখন দুইটি দেশের মধ্যে পারস্পরিক দূতাবাস স্থাপিত হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন রকম লেনদেন শুরু হবে, তখন স্বাভাবিকভাবেই উভয় দেশই ইয়েমেনের বিবদমান দুইটি দলকে মদদ দেওয়া বন্ধ করবে। উল্লেখ করা যেতে পারে যে, ২০১৪ সালে ইরান সমর্থিত হুতি মিলিশিয়ারা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করলে সউদী আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট সেখানে হস্তক্ষেপ করে। স্বস্তির বিষয় হলো এই যে, সেই হুতি বিদ্রোহীরাও সউদী-ইরান চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে। হুতির মুখপাত্র মোহাম্মদ আব্দুস সালাম বলেছেন, ‘এই অঞ্চলের ইসলামী সমাজ যাতে করে বিদেশি হস্তক্ষেপ মুক্ত থেকে নিজেরাই নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে সেজন্য এই এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা অপরিহার্য। সউদী-ইরান চুক্তি সেই স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।’

॥তিন॥
ঠিক একই রকম আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে সিরিয়াতেও। সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে উৎখাতে নেতৃত্ব দিয়েছে আমেরিকা। আমেরিকার পেছনে ছিল সউদী আরব। আবার বাশার আল আসাদকে ক্ষমতায় রাখার জন্য যে পাল্টা আঘাত, সেটির নেতৃত্ব দিয়েছে রাশিয়া। রাশিয়ার পেছনে ছিল ইরান। চীনও বাশার আল আসাদকে ক্ষমতায় রাখার জন্য প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পর্দার আড়ালে রাশিয়াকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছিল। সিরিয়ায় আমেরিকা মার খেয়েছে। বাশার আল আসাদ এখনো টিকে আছেন। এখন সউদী আরব এবং ইরান উভয়েই চাইবে সিরিয়ায় আর রক্তপাত নয়। আর সিরিয়ায় রক্তপাত বন্ধ হলে প্রভাব হ্রাস পাবে আমেরিকার এবং সেই সাথে ইসরাইলের। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক মহল বলছে যে, এত বড় একটি ঘটনা ঘটে গেল এবং নিজ দেশের মধ্যে নেতানিয়াহু এত বিরাট গণ বিক্ষোভের মুখে পড়লেন, তারপরেও শনিবার এই কলাম লেখার সময় পর্যন্ত নেতানিয়াহু তথা ইসরাইল সরকারের তরফ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এই চুক্তির অন্তর্নিহিত কারণ ছিল সউদী আরব এবং ইরান উভয়ের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা। চুক্তি স্বাক্ষরের সময় উভয় দেশের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাসমূহের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। চুক্তির মধ্যে একাধিক গোপন অনুচ্ছেদ রয়েছে, যার একটি হলো এই যে, তারা কেউ এমন কোনো পদক্ষেপ নেবে না যেটা তাদের নিরাপত্তা বিঘিœত করতে পারে। এই নিরাপত্তা সামরিক ক্ষেত্রে যেমন হতে পারে, তেমনি গণমাধ্যমের ক্ষেত্রেও হতে পারে। সউদী আরব ইরান বিরোধী গণমাধ্যমকে আর অর্থ সাহায্য করবে না। এছাড়া যেসব হুতি বিদ্রোহী এবং পাকিস্তানের বাইরে থেকে অপারেশন করা ইরান বিরোধী নাশকতামূলক তৎপরতাকেও সউদী আরব কোনোরূপ পৃষ্ঠপোষকতা দেবে না।

একটি বিষয় অনেকে এড়িয়ে গেছেন। কিন্তু ইন্টারনেটে কয়েকটি প্রবন্ধে এই বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। বলা হয়েছে যে, সউদী আরব বলতে গেলে সম্পূর্ণভাবে সুন্নি মুসলমান অধ্যুষিত। পক্ষান্তরে ইরানের ৬৫ শতাংশ মানুষ শিয়া মুসলমান। ইরাকেরও সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ শিয়া মুসলমান। শিয়া-সুন্নি বিরোধ অনেক পুরাতন। এখন যদি সউদী আরব ও ইরান মৈত্রীর সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে তাহলে মুসলিম জাহানের শিয়া-সুন্নি উত্তেজনাও বিরাটভাবে প্রশমিত হবে।

আমরা আগেই বলেছি যে, এই চুক্তি ইসরাইলের মাথা ব্যাথার কারণ হবে। কিন্তু শুধু ইসরাইল নয়, এই চুক্তি আমেরিকার জন্যও বড় মাথা ব্যাথার কারণ হবে। গত ৭০ বছর ধরে সউদী আরব আমেরিকার শুধু বন্ধু নয়, বলতে গেলে আমেরিকার বাধ্যগত ছিল। সেই সউদী আরব এখন বালুর নিচে মাথা গুজে বিনা প্রশ্নে আমেরিকার তাবেদারি করার পরিবর্তে নড়াচড়া শুরু করেছে। ইতোমধ্যেই তার আলামত পাওয়া গেছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পর সারা বিশে^ যখন রুশ জ¦ালানি তেল নিয়ে নানান কথা চলছিল, তখন আমেরিকা সউদী আরবকে তেল উৎপাদন বাড়াতে বলেছিল। সেখানে সউদী আরব উল্টো প্রতিদিন উৎপাদন দুই মিলিয়ন ব্যারেল হ্রাস করে।

এই চুক্তি স্বাক্ষরের আগে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সউদী আরব সফর করেন। আর গত মাসে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি বেইজিং সফর করেন। একজন পশ্চিমা পর্যবেক্ষক মন্তব্য করেছেন যে, এই তো কয়েক বছর আগেও মধ্যপ্রাচ্যের সমস্ত তাস আমেরিকার হাতে ছিল। ২০২২ সালের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে শুরু করে ২০২৩ সালের মার্চে এসে দেখা গেল যে, উপসাগরের রাজনীতিতে বেশিরভাগ তাসই চীনের হাতে চলে গেছে। সউদী আরব যতই নিরপেক্ষ এবং স্বাধীন হবে ততই এই এলাকায় এক নতুন রাজনীতির সংকেত পাওয়া যাবে, যেটা মরুর বুক থেকে উত্থিত হয়ে বৈশি^ক রাজনীতিতে একটি ঝড় তুলবে।

See More

Latest Photos