পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। রহস্য, ভয় আর জীবনের ঝুঁকিতে ঘেরা এই বনে জীবন বাজি রেখে মধু সংগ্রহ করেন মৌয়ালরা। বাঘ, কুমির, বিষধর সাপ, জোয়ার-ভাটার অনিশ্চয়তা আর পায়ের নিচে চোরাবালির ফাঁদ; সবকিছুকে পাশকাটিয়েই চলে তাদের সংগ্রাম। এই সাহসী মানুষগুলোর জীবন ও লড়াইকে সামনে এনেছে বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র ‘সাহসেই বিকাশ’। এবছর ১৪ ডিসেম্বর সুন্দরবন দিবস উপলক্ষ্যে প্রকাশিত তিন মিনিট ৪৭ সেকেন্ডেরপ্রামাণ্যচিত্রে ফুটে উঠেছে মৌয়ালদের জীবনের কঠিন বাস্তবতা। ম্যানগ্রোভ বনের ভয়ংকর রূপের মাঝেও কিভাবে তারা মধু সংগ্রহ করেন, আর সেই মধু বিক্রি করে পাওয়া কষ্টার্জিত আয়কে কিভাবে নিরাপদ রেখে তা ব্যবহার করেন—তারই গল্প বলা হয়েছে এই প্রামাণ্যচিত্রে। পরিবার ও লোকালয় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কয়েক সপ্তাহের জন্য মধু সংগ্রহের জন্য যান মৌয়ালরা। গভীর বনে জীবন বাজি রেখে উপার্জিত অর্থ কীভাবে মৌয়ালরা ঝামেলাহীনভাবে নিজেদের মোবাইল ওয়ালেটে সংরক্ষণ করছেন, পরিবার-পরিজনের কাছে সহজেই টাকা পাঠাচ্ছেন, সে বাস্তব অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হয়েছে এই প্রামাণ্যচিত্রে।
সুন্দরবনের মৌয়ালদের সংগ্রামের গল্প
ভিডিওতে দেখা যায়, দুর্গম বনে কাজ করেও মৌয়ালরা এখন আর ক্যাশ টাকা বহনের ঝুঁকি নিতে চান না। সংগ্রহ করা মধু বিক্রয় ও সংরক্ষনের প্রয়োজনে নিরাপদে বিকাশ অ্যাকাউন্টেলেনদেন করছেন। পাশাপাশি, দূরে থেকেও পরিবার-পরিজনের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকতেপারছেন সবসময়; এটাই তাদের কাছে কঠিন জীবনের একটা বড় স্বস্তি-নির্ভরতা। এই গল্পের মাধ্যমে প্রযুক্তি কিভাবে দুর্গম জনপদেও মানুষের পাশে থেকে জীবন ও জীবিকায় আস্থা ওনিরাপত্তা নিশ্চিত করছে, তার একটি প্রতিচ্ছবি তুলে ধরা হয়েছে।