রমজানের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ ,৬৪ জেলার

Total Views : 27
Zoom In Zoom Out Read Later Print

পবিত্র মাহে রমজান ২০২৬ সমাগত। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজানের রোজা রাখার জন্য সেহরি ও ইফতারের সঠিক সময় জানা অত্যন্ত জরুরি।

☞ আজকের নামাজ, সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি

পবিত্র মাহে রমজান ২০২৬-এর সেহরি ও ইফতারের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। তবে বরাবরের মতোই এই সময়সূচি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। ১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) প্রথম রোজা শুরু হওয়ায় ঢাকার জন্য সেহরির শেষ সময় ভোর ৫টা ১২ মিনিট এবং ইফতারের সময় সন্ধ্যা ৫টা ৫৮ মিনিট নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে অন্য ৬৩ জেলার বাসিন্দারা তাদের নিজ নিজ জেলার জন্য বরাদ্দকৃত সময়সূচি অনুসরণ করবেন।

☞ রোজার নিয়ত— বিধান ও সময়

৬৪ জেলার রমজানের সময়সূচি

পবিত্র রমজান মাসে সেহরি ও ইফতারের সময় নিয়ে রোজাদারদের দীর্ঘদিনের জটিলতা দূর করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। ২০২৬ সালের (১৪৪৭ হিজরি) রমজানের জন্য ৬৪ জেলার জন্য পৃথক ও স্বতন্ত্র সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

 সেহরি খাওয়ার দোয়া

নির্ভুল সময়ে সেহরি ও ইফতারের নতুন সুবিধা

এতদিন ঢাকার সময়ের সাথে দূরত্ব অনুযায়ী বিভিন্ন জেলার মানুষকে কয়েক মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে সেহরি ও ইফতারের সময় বের করতে হতো। এতে অনেক সময় সাধারণ রোজাদারদের জন্য সঠিক সময় নির্ধারণ করা কিছুটা জটিল হয়ে পড়ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, এ বছর ডিজিটাল ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রতিটি জেলার ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনা করে আলাদা আলাদা ক্যালেন্ডার তৈরি করা হয়েছে।

 তারাবিহ নামাজের নিয়ত, দোয়া ও মোনাজাত

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিশেষ সতর্কতা

পবিত্র রমজান মাসে নির্ভুলভাবে রোজা পালনের সুবিধার্থে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে একটি বিশেষ সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে। ৬৪ জেলার জন্য পৃথক সময়সূচি প্রণয়নের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে সময়ের যে সূক্ষ্ম তারতম্য হয়, তা নিরসনে এবার নতুন একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।

 সেহরি খাওয়ার ফজিলত

সেহরি ও ফজরের ওয়াক্ত নিয়ে নতুন নির্দেশনা

সাধারণত সেহরির শেষ সময় মানেই ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু। তবে প্রতিটি জেলার পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের মধ্যে সময়ের কিছুটা ব্যবধান থাকে। এই ভারসাম্য বজায় রাখতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন নিচের নিয়মগুলো অনুসরণ করেছে:

 রোজা রেখে ইনজেকশন-ইনসুলিন নেওয়া যাবে কি?

সেহরির শেষ সময়: একটি জেলার সবচেয়ে পূর্ব প্রান্তের সময় অনুযায়ী সেহরির শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। যাতে জেলার কোনো প্রান্তের রোজাদারই অনিচ্ছাকৃতভাবে সময়ের পরে খাবার গ্রহণ না করেন।

 তারাবিহ নামাজ কত রাকাত পড়বেন?

 ইচ্ছাকৃত রোজা ভঙ্গের শরঈ বিধান কী?

ফজরের আজান: ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরুর সময়টি ধরা হয়েছে জেলার সবচেয়ে পশ্চিম প্রান্তের সময় অনুযায়ী।

ইফতারের সময়: ইফতারের ক্ষেত্রেও সবচেয়ে নিরাপদ সময় নিশ্চিত করতে জেলার পশ্চিম প্রান্তের সময় অনুসরণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, পশ্চিম প্রান্তে সূর্য ডোবার পরেই পুরো জেলায় ইফতারের সময় ধরা হয়েছে।

 যে ৭ কারণে রোজা ভেঙে যায়

ঢাকা জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি

৬৪ জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি বা রমজান ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করুন এখান থেকে ☟

 ঢাকা বিভাগ-সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

 চট্টগ্রাম বিভাগ-সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

 রাজশাহী বিভাগ-সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

 রংপুর বিভাগ-সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

 বরিশাল বিভাগ-সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

 সিলেট বিভাগ-সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

 খুলনা বিভাগ-সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

 ময়মনসিংহ বিভাগ-সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

See More

Latest Photos