<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" ?><rss version="2.0">
<channel>
 <title>বাংলার ডাক</title>
 <description>Banglar Dak Is The Daily Populer Newspaper in Bangladesh</description>
 <link>https://banglardak.com.bd/</link>
 <ttl>100</ttl>

			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7787_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে </title>
				<description>
					প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের জন্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমাদের সেনাসদস্যরা প্রাণ দিয়েছেন। তাঁরা দেশের জন্য শহীদ হয়েছেন। তাঁদের এই আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘এই শোকের সময়ে আমরা আপনাদের পাশে আছি এবং পাশে থাকব। সরকার ও সেনাবাহিনী সব সময় আপনাদের পরিবারের পাশে থাকবে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার পাশাপাশি শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের দেখভালেও সরকার তার দায়িত্ব পালন করবে।’পরে প্রধানমন্ত্রী শহীদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন।এ ছাড়া সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শহীদ সেনাসদস্যদের স্থায়ী ঠিকানায় তাঁদের পরিবারের জন্য একটি করে বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে তাঁদের স্ত্রীদের চাকরির ব্যবস্থা এবং সন্তানদের জন্য মাসিক ভাতা দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।গত ৯ সেপ্টেম্বর হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক ফায়ারিংয়ের সময় গোলা বিস্ফোরণে দুই সেনাসদস্য শহীদ হন। তাঁরা হলেন সৈনিক (অপারেটর) আবু বকর সিদ্দিক এবং সৈনিক (গানার) মো. তাসনিম রিফায়াত।প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে আবু বকর সিদ্দিকের পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার জুতি, শিশু কন্যা ফাতেমা সিদ্দিকা, বাবা আব্দুল ওহাব ও মা পারভীন আক্তার।মো. তাসনিম রিফায়াতের পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী মোসা. ফাহমিদা আফরিন, শিশু কন্যা রাফসা তাসনিম ইফরা এবং বাবা মো. আসাদুল হক।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7787/শহদ-সনসদসযদর-পরবরর-সকষৎ-পরধনমনতরর-সঙগ</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7787/শহদ-সনসদসযদর-পরবরর-সকষৎ-পরধনমনতরর-সঙগ</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>সরকার বদলালেও বিপিসিতে রয়ে গেছে পুরোনো জ্বালানি বলয়</title>
				<description>
					বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে একটি ব্যবসায়ী বলয়ের প্রভাব দীর্ঘদিনের—এমন অভিযোগ রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ সময়ের শাসনামলে গড়ে ওঠা এই ব্যবসায়িক যোগাযোগ সরকার পরিবর্তনের পরও পুরোপুরি ভাঙেনি বলে দাবি করছেন খাতসংশ্লিষ্ট কয়েকজন।বিপিসির নথি, দরপত্র ও কার্যাদেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহের জন্য তালিকাভুক্ত ১১টি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্তত ছয়টির স্থানীয় প্রতিনিধিত্ব বা ব্যবসায়িক সংযোগ রয়েছে ডা. এজাজুর রহমানের মালিকানাধীন দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো সেভেন মার্ক ও ট্রান্সবাংলা কমোডিটিজ লিমিটেড।সেভেন মার্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউনিপেক সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড এবং ইন্দোনেশিয়ার পিটি বুমি সিয়াক পুসাকু (বিএসপি)-জাপিন। অন্যদিকে ট্রান্সবাংলা কমোডিটিজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে উল্লেখ করা হয়েছে পেটকো ট্রেডিং লাবুয়ান কম্পানি লিমিটেড, পিটিটি ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডিং, ভিটল এশিয়া ও সায়নোকেম ইন্টারন্যাশনাল অয়েলের নাম।অর্থাৎ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানগুলো আলাদা হলেও বাংলাদেশে তাদের স্থানীয় প্রতিনিধিত্বের একটি বড় অংশ একই ব্যবসায়ী বলয়ের সঙ্গে যুক্ত বলে অনুসন্ধানে তথ্য পাওয়া গেছে।বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জি-টু-জি ও উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে মোট প্রায় ৫৫ লাখ ১০ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪৩ লাখ টন জ্বালানি এমন প্রতিষ্ঠান পেয়েছে, যাদের স্থানীয় প্রতিনিধিত্ব বা ব্যবসায়িক যোগাযোগ এজাজ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে রয়েছে বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। হিসাব অনুযায়ী, এটি মোট কার্যাদেশের প্রায় ৭৮ শতাংশ।তবে শুধু কার্যাদেশের পরিমাণ দিয়ে অনিয়মের সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে দাম, গুণগত মান, সরবরাহের সক্ষমতা, পূর্ব অভিজ্ঞতা ও দরপত্রের শর্তসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়। প্রশ্নটি মূলত প্রতিযোগিতার সুযোগ ও সরবরাহের ঝুঁকি নিয়ে।জুন-আগস্ট মেয়াদের একটি দরপত্রের নথি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, চারটি প্যাকেজে ৯ লাখ ২৫ হাজার থেকে ১১ লাখ ৫০ হাজার টন পর্যন্ত পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি।পিজি-১ প্যাকেজে ৩ লাখ ২০ হাজার থেকে ৩ লাখ ৯০ হাজার টন ডিজেল এবং ৭০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টন জেট ফুয়েল সরবরাহের কার্যাদেশ পায় ইউনিপেক সিঙ্গাপুর।পিজি-২ প্যাকেজে ৩ লাখ থেকে ৩ লাখ ৪০ হাজার টন ডিজেল এবং ৬০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টন জেট ফুয়েল সরবরাহের কার্যাদেশ পায় ভিটল এশিয়া।পিজি-৩ প্যাকেজে দেড় লাখ থেকে দুই লাখ টন ফার্নেস অয়েলের কার্যাদেশ পায় ট্রাফিগুরা। আর পিজি-৪ প্যাকেজে ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টন অকটেন সরবরাহের কার্যাদেশ পায় ভিটল এশিয়া।এই চার প্যাকেজের মধ্যে তিনটির কার্যাদেশ পাওয়া ইউনিপেক ও ভিটল এশিয়ার স্থানীয় প্রতিনিধিত্ব এজাজ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত বলে অনুসন্ধানে তথ্য পাওয়া গেছে। এসব প্যাকেজে সম্ভাব্য মোট আমদানি ব্যয় ১৭ হাজার কোটি টাকার বেশি।জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মূল্যের সঙ্গে স্থানীয় পরিবহন, বীমা, জাহাজভাড়া ও অন্যান্য ঝুঁকির বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা হয়। সাম্প্রতিক দরপত্রে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের প্রিমিয়াম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।২০২৫-২৬ অর্থবছরের জানুয়ারি-জুন মেয়াদের উন্মুক্ত দরপত্রে ইউনিপেক ডিজেলের জন্য ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ৭২ ডলার এবং জেট ফুয়েলের জন্য ৬ দশমিক ৮৬ ডলার প্রিমিয়ামে কার্যাদেশ পেয়েছিল। একই সময়ে ভিটল এশিয়ার প্রিমিয়াম ছিল ডিজেলে ৪ দশমিক ৭৮ ডলার এবং জেট ফুয়েলে ৬ দশমিক ৮৮ ডলার।পরবর্তী জুন-আগস্ট মেয়াদের দরপত্রে ইউনিপেক ডিজেলের জন্য ১৩ দশমিক ২৫ ডলার এবং জেট ফুয়েলের জন্য ১৪ দশমিক ৮৬ ডলার প্রিমিয়াম প্রস্তাব করে। ভিটল এশিয়ার প্রস্তাব ছিল যথাক্রমে ১৩ দশমিক ১৮ ও ১৪ দশমিক ৭৮ ডলার।বিপিসিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি বৃদ্ধির কারণে এ সময়ে প্রিমিয়াম বাড়ার যৌক্তিক কারণ রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশ্ন, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবের পাশাপাশি সরবরাহকারীর সংখ্যা ও প্রতিযোগিতার সীমাবদ্ধতাও কি প্রিমিয়াম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে?এ প্রশ্নের উত্তর পেতে একই সময়ের আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বাজারদর এবং বিপিসির ক্রয়মূল্যের তুলনামূলক বিশ্লেষণ প্রয়োজন বলে মনে করছেন তাঁরা।বিপিসির নথিতে দেখা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক উত্তেজনার সময় এজাজ-সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রতিনিধিত্ব থাকা দুটি আন্তর্জাতিক সরবরাহকারী নির্ধারিত কিছু জ্বালানি সরবরাহে অপারগতা জানিয়েছিল। বিষয়টি বিপিসির বোর্ড সভার কার্যবিবরণীতেও উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো একটি দেশ বা অঞ্চলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা যেমন ঝুঁকি তৈরি করে, তেমনি সীমিতসংখ্যক সরবরাহকারীর ওপর নির্ভরতাও সংকটের সময় সমস্যা বাড়াতে পারে। কয়েকটি সরবরাহকারী একই সময়ে পিছিয়ে গেলে বিকল্প উৎস থেকে দ্রুত জ্বালানি সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।এজাজের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বিপিসি ও এর অধীন তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টিও অনুসন্ধানে এসেছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিপিসি ও তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানের অন্তত ১০ জন সাবেক কর্মকর্তা অবসরের পর এজাজের প্রতিষ্ঠানে যুক্ত হয়েছেন। তাঁদের কেউ তেল ক্রয়-বিক্রয়, কেউ বিপণন, আন্তর্জাতিক সরবরাহ বা প্রশাসনের দায়িত্বে ছিলেন।যমুনা অয়েল কোম্পানির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুস্তফা কুদরুত-ই-ইলাহীও ট্রান্সবাংলা কমোডিটিজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিপিসির ঢাকা লিয়াজোঁ কার্যালয় যে ভবনে, একই ভবনে এজাজের প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যালয় রয়েছে বলেও অনুসন্ধানে জানা গেছে।অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেওয়া নিজে থেকে অনিয়মের প্রমাণ নয়। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগের দায়িত্ব, তাঁদের বর্তমান প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা এবং বিপিসির সঙ্গে চলমান বাণিজ্যিক সম্পর্কের কারণে স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্নটি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।এজাজ-সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রতিনিধিত্ব থাকা ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি-জাপিনকে নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। জি-টু-জি পদ্ধতিতে সরবরাহকারী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার সময় প্রতিষ্ঠানটি বিপিসির নির্ধারিত যোগ্যতার শর্ত পূরণ করেছিল কি না, তা নিয়ে কয়েকজন কর্মকর্তা প্রশ্ন তুলেছেন।চট্টগ্রাম বন্দরের নথিতে প্রতিষ্ঠানটির নামে বিপিসির জন্য আসা কয়েকটি জ্বালানি চালান ইন্দোনেশিয়া থেকে নয়, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের বন্দর থেকে এসেছে বলে জানা গেছে।তবে তৃতীয় দেশের বন্দর ব্যবহার করে পণ্য সরবরাহ করা নিজেই কোনো অনিয়মের প্রমাণ নয়। মূল বিষয় হলো, সরবরাহকারী হিসেবে তালিকাভুক্তির সময় প্রতিষ্ঠানটি বিপিসির নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করেছিল কি না এবং সে বিষয়ে কী ধরনের নথি জমা দেওয়া হয়েছিল।সরকার জ্বালানি সরবরাহের উৎস বাড়ানো এবং বাজারে প্রতিযোগিতা তৈরির উদ্যোগ নিলে দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক নির্ভরতা কমানো সম্ভব হতে পারে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে এ ক্ষেত্রে দরপত্র প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করা, সরবরাহকারীদের যোগ্যতা নিয়মিত যাচাই এবং স্থানীয় প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে স্বার্থের সংঘাত আছে কি না তা পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম বলেন, কোনো ব্যক্তি দরপত্র প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে প্রতিযোগিতায় হস্তক্ষেপ করলে সেটি গুরুতর বিষয়। অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।সব মিলিয়ে জ্বালানি আমদানিতে নির্দিষ্ট একটি ব্যবসায়ী বলয়ের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবের অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সরবরাহকারী নির্বাচন, দরপত্রের প্রতিযোগিতা, প্রিমিয়াম নির্ধারণ এবং সাবেক কর্মকর্তাদের ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা—সবকিছুই নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হলে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হতে পারে। একই সঙ্গে এতে জ্বালানি সরবরাহে দেশের ঝুঁকি কতটা কমছে বা বাড়ছে, সেটিও মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি হবে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7778/সরকর-বদললও-বপসত-রয়-গছ-পরন-জবলন-বলয়</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7778/সরকর-বদললও-বপসত-রয়-গছ-পরন-জবলন-বলয়</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>বিদ্যুতের পুঞ্জীভূত সংকটে শুধু মন্ত্রীকে দোষারোপ কতটা যৌক্তিক?</title>
				<description>
					কে না জানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অন্যসব রাজনীতিবিদের মতো কাজে-কর্মে এখন আর গতানুগতিক নন। কে না জানে রাষ্ট্রের শীর্ষ নির্বাহী হয়েও তিনি এখন অতি সাধারণ জীবনযাপন করেন। কথার চেয়ে কাজের চর্চার মধ্য দিয়ে তিনি প্রতিনিয়ত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা দিয়ে চলেছেন। তাঁর সাদাসিধে ব্যক্তিত্ব আর স্বচ্ছতা সবার জন্যই অনুকরণীয়। সম্প্রতি দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ও সংকট নিয়ে নিজের অকপট স্বীকারোক্তি তাঁকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। একই সঙ্গে তিনি সরকারপ্রধান হিসেবে বিদ্যমান সংকটকে মেনে নিচ্ছেন আবার তা থেকে উত্তরণে সর্বশক্তি দিয়ে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।রাষ্ট্রক্ষমতায় বিএনপি; কিন্তু তাই বলে পুরো বিদ্যুৎ সংকটটি এই সরকারের তৈরি—বিষয়টি এমন নয়। তারপরও প্রধানমন্ত্রী জাতির কাছে যেভাবে সংকটের সরল স্বীকারোক্তি করেছেন, তাতে রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অনন্য উদাহরণ তৈরি করে তিনি ছোট হয়ে যাননি; বরং এর মধ্য দিয়ে তিনি আরও বড় মনের পরিচয় দিয়েছেন। এটিই উন্নত রাজনীতির মহিমান্বিত দিক।এমন চর্চা যেমন তাঁর মহৎপ্রাণ দৃষ্টিভঙ্গির সরল প্রকাশ; তেমনি সংসদের মতো রাষ্ট্রের আশা-ভরসার কেন্দ্রস্থলে বিদ্যুৎ সংকটের একক দায় ইঙ্গিত করে খোদ বিদ্যুৎমন্ত্রীকে নিয়ে কিছু বিতর্কিত মন্তব্যও নানান প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উদারতার প্রশংসা যেমন তাঁর প্রাপ্য, তেমনি কেবিনেটের কারও নিন্দা বা সমালোচনাও প্রকারান্তরে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করা কিংবা নিন্দা করার শামিল। কারণ তিনিই সরকারপ্রধান। তাঁর কোনো মন্ত্রীর দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে অকারণে তাঁকে দায়ী করা হলে, এটিও প্রধানমন্ত্রীর অসম্মানের কারণ হতে পারে।জাতীয় সংসদ মানুষের যাবতীয় প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু সম্প্রতি দেখা গেছে, সেখানে বিদ্যুৎমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে একটি মন্তব্য করা হয়েছে যে, ‘মাননীয় মন্ত্রীর কাছ থেকে শুনি, তার লম্বা, তাই বিদ্যুৎ চলে যায়।’ প্রধানমন্ত্রীকে প্রশংসা করার বিপরীতে বিদ্যুৎমন্ত্রীর এমন বিবৃতি উদ্ধৃত করে অসম্মানজনক মন্তব্য বিভিন্ন মহলে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেকে এ ধরনের মন্তব্যকে খুবই দুঃখজনক ও অপ্রত্যাশিত বলে সমালোচনা করছেন।সংসদের একজন সাধারণ এমপিও সম্মানিত। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে তারা সংসদে নানান বিষয়ে কথা বলেন, বিতর্ক করেন; আবার সমাধানেরও পথ তৈরি করেন। এই যে সংসদের সৌন্দর্য, এটি নষ্ট হয়, যখন সংসদেরই কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি অন্যায্যভাবে কোনো বিষয়ে কাউকে দায় দেন। কোনো একটি সংকটের যৌক্তিক কারণকে উপেক্ষা করে যখন ব্যক্তির মর্যাদাহানির লক্ষ্যে পক্ষপাতদুষ্ট তীর্যক মন্তব্য করা হয়, তখন সেটি পুরো সরকারব্যবস্থার কাঠামো, নেতৃত্বে আর ইমেজে গিয়ে আঘাত করে।আমরা যদি বিদ্যুৎ সংকট নিয়েই কথা বলি, তাহলে এর নেপথ্যের কারণও আমাদের জানা দরকার। একজন মন্ত্রী হচ্ছেন একটি মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ নির্বাহী। আবার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন সবার শীর্ষ নির্বাহী। বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে তাঁর দায় অবশ্যই আছে। কিন্তু একই সঙ্গে এটিও বুঝতে হবে যে, তিনি কোনো একক সত্তা নন। তিনিও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি টিমের সদস্য। আর মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে তিনি যখন কোনো কথা বলেন, তিনি মন্ত্রণালয়ের তাঁর সহকর্মীদের মাধ্যমে অবগত হয়েই কিছু বলেন। তাঁর সহকর্মীরাও তাঁকে একটি পরিস্থিতি সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে, কারিগরি ও অবকাঠামোগত সক্ষমতা-দুর্বলতা পর্যালোচনা করেই অবহিত করে থাকেন। আর তিনিও সেভাবে প্রস্তুত হন।দেশে বিদ্যুৎ সংকট রয়েছে। এটি কেউ অস্বীকার করবে না। কিন্তু কেন এই সংকট? কীভাবে এটি এই পর্যায়ে এলো? কারা এর নেপথ্যে? নিশ্চয়ই এসব প্রশ্নের জবাব রয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে মাত্র সাত মাস হলো। বিদ্যুৎ খাতের মতো একটি বিশাল খাতের সংস্কার কিংবা এর কাঠামোগত পরিবর্তন নিয়ে কাজ করার সুযোগও এখন হয়ে ওঠেনি সরকারের। এটিই বাস্তবতা। একটি উদীয়মান অর্থনীতি, বিরাট শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের বহুমাত্রিকতায় বিদ্যুতের অসীম চাহিদার বিপরীতে বিদ্যমান অবকাঠামো, কারিগরি দুর্বলতা, জনবল ও জাতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহসংক্রান্ত সমস্যাসহ নানান জটিল দিক রয়েছে, সেগুলো বিদ্যুৎ সঞ্চালন কিংবা বিতরণ ব্যবস্থায় প্রতিনিয়ত কী সংকট তৈরি করছে—সেটি আমরা আমজনতা কতটুকুই বা জানি। এর সঙ্গে অনেক কারিগরি ও প্রকৌশলগত বিষয় জড়িয়ে রয়েছে। সেগুলো নিশ্চয়ই একবাক্যে বলা সম্ভব নয়।অথচ পুরো বিদ্যুৎ খাতের সংকট, ত্রুটিবিচ্যুতি কিংবা দুর্বলতাগুলো না জেনে একবাক্যে বিদ্যুৎমন্ত্রীকে দোষারোপ করে মন্তব্য করা—সত্যিকার অর্থে পুরো সরকারকে, প্রধানমন্ত্রীকে, মন্ত্রণালয়ের প্রচেষ্টাকে খাটো করা ছাড়া আর কিছুই নয়। সংসদের মতো একটি দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে এ ধরনের মন্তব্য কেবল অবিচার-অন্যায্যই নয়; বরং অসম্মানের। বিদ্যুৎমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কেবিনেটের একজন সিনিয়র সদস্য। নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধা। অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান। আবার বয়োজ্যেষ্ঠও। সংসদে সমস্যা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হলে কারও আপত্তি থাকবে না। বিদ্যুৎ সংকট কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, এর নেপথ্যের প্রকৃত কারণ সবারই জানার অধিকার রয়েছে। কিন্তু শুধুমাত্র মন্ত্রণালয়ের একজন মন্ত্রী হওয়ার কারণে সব দায় তাঁকে দিয়ে তীর্যক মন্তব্য করার অর্থ হলো—একজন সিনিয়র মন্ত্রীর প্রতি অবিচার করা। এটি চরম অপমানজনকও। এতে তিনি মর্মাহত হয়েছেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এরকম মন্তব্য বেশ মুখরোচক ও ‘ভিউবর্ধনমূলক’ ঠিকই, কিন্তু এর মধ্য দিয়ে অবশ্যই প্রকৃত কারণ উপেক্ষা করা হয়েছে।এ লেখাটি লিখতে গিয়ে বিদ্যুৎ সংকটের নেপথ্যের কারণ পর্যালোচনা করা হয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় কেন এত ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে? এর পেছনে কি শুধু উৎপাদন ঘাটতি, নাকি বিতরণ ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের দুর্বলতাও বড় কারণ? এসব কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা যায়, পল্লী বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার অন্যতম বড় সমস্যা হলো দীর্ঘ ওভারহেড বিদ্যুৎলাইন। গ্রামাঞ্চলে একটি ফিডারকে অনেক দূর পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হয়। ফলে কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানে সমস্যা দেখা দিলে তা শনাক্ত করা এবং দ্রুত মেরামত করা কঠিন হয়ে পড়ে।দীর্ঘ পল্লী বিদ্যুৎ লাইনে বিভ্রাটের পেছনে প্রধানত চার ধরনের সমস্যার কথা জানা যায়। এগুলো হচ্ছে—পরিবেশগত প্রভাব, কারিগরি সীমাবদ্ধতা, ফল্ট শনাক্ত ও মেরামতে বিলম্ব, ওভারলোড ও যন্ত্রপাতি বিকল। এর সঙ্গে যুক্ত হয় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের ঘাটতি।গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ বিদ্যুৎলাইন খোলা পরিবেশে স্থাপিত। অনেক ক্ষেত্রে ঝোপঝাড়, গাছপালা ও কৃষিজমির মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ওভারহেড লাইন চলে গেছে। ঝড় বা প্রবল বাতাসে গাছের ডালপালা বিদ্যুৎলাইনের ওপর পড়ে শর্ট সার্কিট তৈরি করতে পারে। আবার বৃষ্টি, বজ্রপাত কিংবা বৈরী আবহাওয়ার কারণে পিন ইনসুলেটর, ট্রান্সফরমারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ট্রিপ করতে পারে।প্রাপ্ত তথ্যের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গ্রামীণ দীর্ঘ লাইনে সংঘটিত ফল্টের বড় অংশই সিঙ্গেল লাইন-টু-গ্রাউন্ড। প্রায় ৭৫ শতাংশ ফল্ট এই ধরনের হতে পারে, যার সঙ্গে গাছপালা, ইনসুলেটর লিকেজসহ পরিবেশগত কারণের সম্পর্ক রয়েছে। পল্লী বিদ্যুতের আরেকটি বড় সমস্যা হলো ভোল্টেজ ড্রপ। উপকেন্দ্র থেকে কোনো ফিডারের শেষ প্রান্তের দূরত্ব যত বেশি হয়, লাইনের শেষে ভোল্টেজ তত কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। দীর্ঘ ফিডারের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও প্রকট হয়। ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে অনেক সময় লোড কমানো বা লাইন ট্রিপ করার প্রয়োজন দেখা দেয়।অন্যদিকে, কোনো কোনো ফিডারে আধুনিক অটোমেটিক প্রোটেকশন ও রিক্লোজিং ব্যবস্থার ঘাটতি থাকলে লাইনের ছোট একটি অংশে ত্রুটি দেখা দিলেও পুরো ফিডার বা সাবস্টেশন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ফলে একটি স্থানীয় ত্রুটি বড় এলাকার বিদ্যুৎ বিভ্রাটে রূপ নিতে পারে।পল্লী বিদ্যুতের দীর্ঘ ফিডারে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের একটি হলো ফল্টের সঠিক স্থান শনাক্ত করা। কোনো কোনো ফিডারের দৈর্ঘ্য ৩০, ৬০, এমনকি ৮০-৯০ কিলোমিটার বা তারও বেশি হতে পারে। এ ধরনের লাইনের কোথাও গাছ পড়ে গেলে, ইনসুলেটর পাংচার হলে কিংবা অন্য কোনো ত্রুটি দেখা দিলে সেটি খুঁজে বের করতে লাইনম্যানদের দীর্ঘ পথ পরিদর্শন করতে হয়।পল্লী বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় একটি সাধারণ বিভ্রাটের প্রথমে লাইনের কোনো দূরবর্তী অংশে শর্ট সার্কিট, গাছের ডাল স্পর্শ বা অন্য কোনো ত্রুটির কারণে লাইন ট্রিপ করে। এরপর লাইনম্যানদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ত্রুটির জায়গা শনাক্ত করতে হয়। এরপর গাছের ডাল কাটা, ইনসুলেটর পরিবর্তন কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত সরঞ্জাম মেরামত করা হয়। ত্রুটি মেরামতের পর সাবস্টেশন থেকে লাইন পুনরায় চার্জ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হয়। অর্থাৎ, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর শুধু একটি সুইচ টিপে সরবরাহ চালু করার সুযোগ সব ক্ষেত্রে থাকে না।গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিতরণ ব্যবস্থার ওপর চাপও বেড়েছে। কোনো ট্রান্সফরমারের ধারণক্ষমতার তুলনায় বেশি লোড থাকলে সেটি অতিরিক্ত গরম হয়ে যেতে পারে। এতে ড্রপ-আউট ফিউজসহ বিভিন্ন সুরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আবার প্রত্যন্ত এলাকায় ট্রান্সফরমার বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম নষ্ট হলে সঙ্গে সঙ্গে বিকল্প যন্ত্রপাতি পৌঁছানো সবসময় সহজ হয় না। স্পেয়ার পার্টসের মজুত, পরিবহনব্যবস্থা ও স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত প্রতিস্থাপনের সক্ষমতা তাই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।পল্লী বিদ্যুতের বিভ্রাটের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো জাতীয় পর্যায়ের উৎপাদন ও সরবরাহ পরিস্থিতি। দেশে জ্বালানি সংকট বা বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি তৈরি হলে উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থায় চাপ পড়ে। একই সময়ে রাজধানী ও শিল্পাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রয়োজনীয়তা বেশি থাকায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হয়। ফলে জাতীয় পর্যায়ের ঘাটতির প্রভাব পল্লী বিদ্যুতের বিপুলসংখ্যক গ্রাহকের ওপরও পড়তে পারে। বর্তমানে পিজিসিবির মাধ্যমে ৩৩ কেভির বেশ কিছু ফিডারে এসসিএডিএ এবং আন্ডারফ্রিকোয়েন্সি রিলে স্থাপনের তথ্য রয়েছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তির এই ব্যবস্থাগুলো পুরো বিতরণ নেটওয়ার্কে সমানভাবে বিস্তৃত করা এবং স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত ফল্ট শনাক্তকরণ সক্ষমতা বাড়ানো এখনও গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।সংকট যখন গভীরে তখন কি পুরো দায় বিদ্যুৎমন্ত্রীর?এখানেই সংসদের সাম্প্রতিক বিতর্ককে সস্তা মুখরোচক বিষয়ে না রেখে গভীরে যাওয়া উচিত। কারণ কোনো এলাকায় কয়েক ঘণ্টার লোডশেডিং হলে তাত্ক্ষণিক সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কিংবা রাজনৈতিক নেতৃত্বকে দায়ী করা সহজ। কিন্তু একটি দীর্ঘ পল্লী বিদ্যুৎ লাইনে গাছ পড়ে যাওয়ার পর সেটি শনাক্ত করতে যদি কয়েক ঘণ্টা সময় লাগে, কিংবা একটি ট্রান্সফরমার নষ্ট হওয়ার পর নতুন যন্ত্রপাতি পৌঁছাতে সময় লাগে—তাহলে সমস্যাটিকে শুধু মন্ত্রীর বক্তব্য বা প্রশাসনিক ব্যর্থতা দিয়ে ব্যাখ্যা করলে প্রকৃত চিত্রটি আড়ালে চলে যায়।বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান সংকটের পেছনে দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত দুর্বলতা, ফিডারের অতিরিক্ত দৈর্ঘ্য, পুরোনো বিতরণব্যবস্থা, জনবল ঘাটতি, যন্ত্রপাতির সীমাবদ্ধতা, জ্বালানি সরবরাহ এবং জাতীয় উৎপাদন সক্ষমতার মতো একাধিক বিষয় জড়িত। আর এতসব সমস্যা বিগত সরকারগুলোর কাছ থেকে বর্তমান সরকার প্রকৃতই উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া। সেদিকে মনোযোগ না দিয়ে শুধু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বলেই তাঁকে দোষারোপ করার মধ্য দিয়ে একটি কাঠামোগত সংকটকে আড়াল করা ছাড়া আর কিছুই নয়। সত্যিকার অর্থে এতসব সমস্যা যেমন দূর করতে হবে তেমনি দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রেও নীতিগত পরিবর্তন প্রয়োজন।সমাধানের পথ কী?মোটাদাগে, বিদ্যুৎ সংকটে শুধু সরকার বা বিদ্যুৎমন্ত্রীকে দোষারোপ নয়; বরং তা মোকাবিলায় সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি। ভোক্তা হিসেবে জনগণ, ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তা, সরকারি-বেসরকারি সংস্থাসহ দেশের সব স্টেকহোল্ডারকেই এ সমস্যা সমাধানে সরকারের পাশে থাকতে হবে। অর্থনীতিতে যে চাহিদা তৈরি হয়েছে, সেটি অস্বীকার করা যাবে না কিংবা বিদ্যমান সমস্যাগুলোও অগ্রাহ্য করা যাবে না। সবকিছু বিবেচনা করেই সমস্যার সমাধান করতে হবে। পল্লী বিদ্যুতের সমস্যা সমাধানে শুধু নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করলেই হবে না। উৎপাদনের পাশাপাশি বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নও জরুরি। যেমন—আধুনিক স্মার্ট গ্রিড, অটোমেটিক রিক্লোজার এবং ফল্ট লোকেটর স্থাপন করা হলে লাইনের কোথায় ত্রুটি হয়েছে, তা দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ম্যানুয়াল পেট্রোলিংয়ের প্রয়োজন কমবে। দীর্ঘ ফিডারের সমস্যা কমাতে নতুন সাবস্টেশন ও উপকেন্দ্র নির্মাণ করা প্রয়োজন। দ্রুত ত্রুটি শনাক্ত ও মেরামতে গ্রাহকসংখ্যা ও ফিডারের দৈর্ঘ্য বিবেচনায় নিয়ে জনবল বাড়ানো প্রয়োজন। প্রত্যন্ত এলাকায় ট্রান্সফরমার, ইনসুলেটর, ফিউজসহ গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামের পর্যাপ্ত মজুত রাখতে হবে। জরুরি সরঞ্জাম দ্রুত সরবরাহের জন্য আঞ্চলিক পর্যায়ে রিজার্ভ ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7777/বদযতর-পঞজভত-সকট-শধ-মনতরক-দষরপ-কতট-যকতক</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7777/বদযতর-পঞজভত-সকট-শধ-মনতরক-দষরপ-কতট-যকতক</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7773_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>রিট খারিজ: ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের কাছে ৬৬৬ কোটি টাকা কর আদায় করতে পারবে এনবিআর</title>
				<description>
					মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ এবং ২০১৬-১৭ করবর্ষের কর দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে গ্রামীণ কল্যাণ পৃথক দুটি রিট আবেদন করে। হাইকোর্ট তখন প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছিলেন। আজ চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রুল দুটি খারিজ (ডিসচার্জ) করে দেন। রিট খারিজ হওয়ায় এনবিআরের ৬৬৬ কোটি টাকার কর দাবিই আইনিভাবে বহাল রইল।​রায়ের পর গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খাজা তানভীর সাংবাদিকদের জানান, &quot;এনবিআরের কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে আমরা হাইকোর্টে যে রিট দায়ের করেছিলাম, আদালত আজ তা খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে এনবিআরের দাবিকৃত অর্থ বহাল রইল।&quot;​উল্লেখযোগ্য যে, এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গত ৪ অক্টোবর তৎকালীন বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে পূর্বের একটি রায় প্রত্যাহার করেছিলেন। পরবর্তীতে বিষয়টি পুনর্মূল্যায়নের জন্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নতুন এই বেঞ্চে পাঠানো হয় এবং শুনানি শেষে আজকের এই রায় এল।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7773/রট-খরজ-ড-ইউনসর-পরতষঠনর-কছ-৬৬৬-কট-টক-কর-আদয়-করত-পরব-এনবআর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7773/রট-খরজ-ড-ইউনসর-পরতষঠনর-কছ-৬৬৬-কট-টক-কর-আদয়-করত-পরব-এনবআর</guid>
				<pubDate>2026-11-09</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7772_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>রাজধানীতে শুরু ‘সুপার সেল কার বাজার’, প্রতি শুক্রবার হবে আয়োজন</title>
				<description>
					আয়োজকেরা বলছেন, ব্যস্ত নগরজীবনে গাড়ি কিংবা মোটরসাইকেল কেনাবেচার ক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের জন্য সময় ও ঝামেলা কমাতেই এই উদ্যোগ। একই জায়গায় বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও মডেলের যানবাহন দেখার সুযোগ থাকায় ক্রেতারা নিজেদের প্রয়োজন ও সামর্থ্য অনুযায়ী পছন্দের যানবাহন বেছে নিতে পারবেন।‘সুপার সেল কার বাজারে’ নতুন, পুরোনো ও রিকন্ডিশন্ড গাড়ির পাশাপাশি মোটরসাইকেল এবং ইউটিলিটি ভেহিকেল প্রদর্শন ও কেনাবেচার ব্যবস্থা থাকছে। ব্যক্তি মালিকানাধীন ব্যবহৃত যানবাহনের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ডিলারও এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।উদ্যোক্তাদের মতে, দেশে ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক যানবাহনের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের জন্য একটি নিয়মিত ও আধুনিক বাজারের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে এক জায়গায় বিভিন্ন ধরনের যানবাহন দেখার, তথ্য জানার এবং তুলনা করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।এতে বিভিন্ন ব্র্যান্ড, ডিলারশিপ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং অটোমোবাইল খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানাধীন নতুন, রিকন্ডিশন্ড ও ব্যবহৃত গাড়ি এবং মোটরসাইকেল বিশেষ ছাড়ে কেনাবেচার সুযোগও থাকছে।‘সুপার সেল কার বাজার’ আয়োজন করছে উইজার্ড শোবিজ। এর ভেন্যু পার্টনার হিসেবে রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি)। প্রতি শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে এই আয়োজন চলবে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7772/রজধনত-শর-সপর-সল-কর-বজর-পরত-শকরবর-হব-আয়জন</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7772/রজধনত-শর-সপর-সল-কর-বজর-পরত-শকরবর-হব-আয়জন</guid>
				<pubDate>2026-11-09</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7761_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>নিজ ভূখণ্ডে অস্ত্রের প্রয়োগ: পাকিস্তানের নীতি ও শিক্ষা</title>
				<description>
					তবে মূল প্রশ্নটি সীমান্ত অতিক্রমের চেয়েও অনেক গভীর। প্রশ্ন হলো—পাকিস্তানে এসব চরমপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠীর জন্ম ও বিকাশ ঘটল কীভাবে?ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, পাকিস্তানের এই নিরাপত্তা সংকটের শিকড় তাদের নিজেদের রাষ্ট্রীয় নীতির ভেতরেই প্রোথিত। দীর্ঘদিন ধরে দেশটি কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠীকে নিজেদের কৌশলগত সুবিধার্থে ব্যবহার করেছে। আবার কিছু গোষ্ঠীকে দমন করার নীতি গ্রহণ করেছে। লস্কর-ই-তাইয়েবা বা জইশ-ই-মোহাম্মদের মতো সংগঠনগুলো হঠাৎ কোনো প্রদেশের সীমানা থেকে গজে ওঠেনি। রাষ্ট্রীয় নীতি ও প্রশ্রয়ের সুযোগ নিয়েই এরা নিজেদের শক্তিশালী করেছে। ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে সশস্ত্র চরমপন্থীদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার এই দ্বিচারিতা আজ পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেয় যে, কেবল সামরিক শক্তি ও বৈষম্যমূলক নীতি দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে সংকট মেটানো যায় না। ১৯৭১ সালে বাঙালিদের ওপর যে বৈষম্য ও সামরিক বলপ্রয়োগ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত দেশের বিভাজন ডেকে এনেছিল। ইতিহাস প্রমাণ করে—রাজনৈতিক অধিকার, আস্থা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা না করে কোনো রাষ্ট্রকে কেবল অস্ত্রের মুখে ঐক্যবদ্ধ রাখা সম্ভব নয়।তাই পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ সমস্যার জন্য প্রতিবেশী প্রদেশ বা স্থানীয় জনগণকে দায়ী করার সুযোগ নেই। এই সংকট দূর করতে হলে পাকিস্তানকে অতীত নীতি ও ভুল রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের আত্মসমালোচনা করতেই হবে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7761/নজ-ভখণড-অসতরর-পরযগ-পকসতনর-নত-ও-শকষ</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7761/নজ-ভখণড-অসতরর-পরযগ-পকসতনর-নত-ও-শকষ</guid>
				<pubDate>2026-09-09</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>২১ বছরে ৩১ হাজার নারীকে স্বাবলম্বী করেছে সুদমুক্ত ঋণ</title>
				<description>
					সোমবার দুপুরে উপজেলার জগন্নাথপুর আধুনিক মিলনায়তনে আয়োজিত ৮৪তম ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে ৪২৬ জন নারীকে মোট ৮০ লাখ টাকা ঋণ দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল এমরান খান এবং বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ময়নাল হোসেন চৌধুরী উপকারভোগীদের হাতে ঋণের অর্থ তুলে দেন।বসুন্ধরা ফাউন্ডেশন ২০০৫ সাল থেকে বাঞ্ছারামপুরে সুদ ও সার্ভিস চার্জমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ফাউন্ডেশনের এই কার্যক্রম বাঞ্ছারামপুরের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী নবীনগর ও কুমিল্লার হোমনা উপজেলাতেও বিস্তৃত হয়েছে। গত ২১ বছরে তিন উপজেলার ১০১টি গ্রামের প্রায় ৩১ হাজার দরিদ্র নারী এ ঋণ কার্যক্রমের আওতায় এসেছেন বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।ঋণ পাওয়া নারীদের কয়েকজন জানান, তাঁরা হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল পালন, কৃষিকাজসহ বিভিন্ন আয়মূলক কাজে ঋণের অর্থ ব্যবহার করছেন। এতে পরিবারের আয় বাড়ার পাশাপাশি তাঁদের নিজেদেরও আর্থিক সক্ষমতা তৈরি হয়েছে।দুর্গারামপুর গ্রামের কুলসুম জানান, তিনি এর আগে তিনবার বসুন্ধরা ফাউন্ডেশন থেকে ঋণ নিয়ে হাঁস-মুরগি ও ছাগল পালন করেছেন। প্রতিবারই লাভ করেছেন। তবে মেয়ের বিয়ে ও ছেলের পড়াশোনার খরচে সেই অর্থ ব্যয় হয়ে যায়। এবার চতুর্থবার ঋণ নিয়ে আবারও আয়মূলক কাজে বিনিয়োগ করতে চান তিনি।আসাদনগর গ্রামের পারভীন আক্তার বলেন, কয়েক বছর ধরে তিনি ফাউন্ডেশনটির কাছ থেকে সুদমুক্ত ঋণ নিচ্ছেন। পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে তাঁর ঋণ নেওয়া শুরু হয়েছিল। এবার তিনি ২০ হাজার টাকা পেয়েছেন। কৃষিকাজ ও হাঁস-মুরগি পালন করে তিনি পরিবারে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করছেন।পাড়াতলি গ্রামের মোমেনা আক্তার এবারসহ পাঁচবার ঋণ পেয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, ঋণের অর্থ দিয়ে গরু-ছাগল পালন করে পরিবারের আয় বাড়াতে পেরেছেন।আসাদনগর গ্রামের হালিমা বলেন, তিনি ঋণের টাকা স্বামীর অটোরিকশার দোকানে বিনিয়োগ করেছেন। দোকানের লাভ থেকে ধীরে ধীরে ব্যবসার পরিধি বাড়াচ্ছেন। এতে তাঁদের সংসারে আর্থিক স্বস্তি এসেছে।অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল এমরান খান বলেন, উচ্চ সুদের ঋণ দরিদ্র মানুষের জন্য অনেক সময় দারিদ্র্যের চক্র আরও জটিল করে তোলে। ঋণ পরিশোধের চাপ সামলাতে গিয়ে অনেক পরিবার আর্থিক সংকটে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের সুদমুক্ত ঋণ কার্যক্রম দরিদ্র মানুষকে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।তিনি বলেন, তিন মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ এই ঋণ ব্যবস্থা উপকারভোগীদের অর্থ আয়মূলক কাজে বিনিয়োগের সুযোগ করে দেয়। ফলে তাঁরা তাৎক্ষণিক ঋণ পরিশোধের চাপ ছাড়াই ব্যবসা বা অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করতে পারেন।বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ময়নাল হোসেন চৌধুরী বলেন, সুদ ও সার্ভিস চার্জ ছাড়া ক্ষুদ্রঋণ বিতরণের মাধ্যমে বসুন্ধরা ফাউন্ডেশন একটি মানবিক উদ্যোগের দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা এ কার্যক্রমের মাধ্যমে তিন উপজেলার প্রায় ৩১ হাজার নারী স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।তিনি বলেন, ঋণের অর্থ বৈধ ও আয়মূলক কাজে ব্যবহার করতে হবে। ক্ষুদ্র উদ্যোগের মাধ্যমে নিজেদের আর্থিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি ঋণগ্রহীতাদের প্রতি আহ্বান জানান।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সুদ ও সার্ভিস চার্জমুক্ত ঋণের পাশাপাশি বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের&amp;nbsp; বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগও এলাকার দরিদ্র মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলছে। অনেক নারী প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন পেয়েছেন। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষেত্রেও বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তা রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে অনেক পরিবার আর্থিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়েছে।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মো. চাঁনমিয়া সরকার। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের ডিজিএম মাইমুন কবির, ডেপুটি ম্যানেজার মোশাররফ হোসেন, শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7758/২১-বছর-৩১-হজর-নরক-সববলমব-করছ-সদমকত-ঋণ</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7758/২১-বছর-৩১-হজর-নরক-সববলমব-করছ-সদমকত-ঋণ</guid>
				<pubDate>2026-08-09</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7753_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title> আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো ভূমিকা প্রয়োজন  রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী</title>
				<description>
					রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল কোঅপারেশন ফাউন্ডেশন (আইজিসিএফ) কর্তৃক আয়োজিত ‘দ্য রোহিঙ্গা ক্রাইসিস : ইমার্জিং চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড রিফ্রেমিং রেসপনসিবিলিটিজ’&amp;nbsp; শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।অনুষ্ঠানে ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে বক্তব্য দেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। তিনি তার বক্তব্যে রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রশাসনিক সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিশ্ব রাজনীতির নেতৃস্থানীয় দেশসমূহ এবং জাতিসংঘের প্রত্যক্ষ সহায়তায় এ সংকটের স্থায়ী ও টেকসই সমাধান করা সম্ভব। তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থাসহ (ইউএনএইচসিআর) সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য একটাই—আশ্রিত প্রায় দেড় মিলিয়ন (ইউএনএইচসিআর -এর হিসাবে ১.২ মিলিয়ন) বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিককে (এফডিএমএন) যেন আমরা পূর্ণ মর্যাদা ও নিরাপত্তার সাথে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে পারি। এজন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহায়তা ও নেতৃস্থানীয় দেশগুলোর রাজনৈতিক ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি।’সংকটের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রায় নয় বছর ধরে বাংলাদেশ মানবিক বিবেচনায় দেড় মিলিয়নেরও বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয়, খাদ্য, জমি, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় জীবনধারণের মৌলিক নিরাপত্তা প্রদান করে আসছে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ক্যাম্পগুলোতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান, মানবপাচার, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। ক্যাম্প সংলগ্ন স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা ও পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং স্থানীয় নাগরিক উভয়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পের চারপাশে সীমান্ত বেড়া (ফেন্সিং) ও সুনিয়ন্ত্রিত যাতায়াত ব্যবস্থার মতো প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।বাংলাদেশের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতাকে স্মরণ করিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৮ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সফল নেতৃত্বে এবং ১৯৯২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দূরদর্শী কূটনৈতিক উদ্যোগে বাংলাদেশ সফলভাবে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সম্পন্ন করেছিল। অতীতের সেই সফল অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুযোগ্য ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান সরকার আবারও শতভাগ সফল প্রত্যাবাসন বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে ইতোমধ্যে 'ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি ফর্মুলেশন কমিটি অন রোহিঙ্গা অ্যাফেয়ার্স' গঠিত হয়েছে। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক সমন্বয়ের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে অপর একটি উচ্চপর্যায়ের জাতীয় কমিটি সক্রিয় রয়েছে। তিনি বলেন, বেসামরিক প্রশাসন, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে সরকার একটি সর্বাত্মক 'হোল-অফ-গভর্নমেন্ট' দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, সুনির্দিষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য প্রত্যাবাসন পরিকল্পনা ছাড়া অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রদত্ত মানবিক সহায়তা দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক সমাধানের তাগিদকে কমিয়ে দিতে পারে। তাই জরুরি ত্রাণ সহায়তার গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের দ্রুত একটি 'ট্রানজিশনাল স্ট্র্যাটেজি' বা রূপান্তরকালীন কৌশলে যেতে হবে—যার মূল লক্ষ্য হবে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ ও ফিরে যাওয়ার উপযোগী উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা।সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, টেকসই আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ, জাতীয় ঐক্য ও শক্তিশালী নিরাপত্তা কাঠামোর সমন্বয়ে বাংলাদেশ দ্রুতই রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমিতে মর্যাদাপূর্ণ ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনে সক্ষম হবে।আইজিসিএফ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী আদনান রহমানের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে গোলটেবিল আলোচনাটি শুরু হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. বুলবুল সিদ্দিকী।গোলটেবিল আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআর প্রতিনিধি আইভো ফ্রেইসেন, বিআইআইএসএস-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমান, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের শরণার্থী সেলের প্রধান ও যুগ্মসচিব মোহাম্মদ নাজমুল আবেদীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘাত অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. নিলয় রঞ্জন বিশ্বাস, আইইউবি-র অধ্যাপক ড. কাজী মাহমুদুল রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নুরুল হুদা সাকিব, ইউল্যাব-এর সহকারী অধ্যাপক মিসেস অবন্তী হারুন, অ্যাকশন-এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির এবং দৈনিক প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি রাহীদ এজাজ প্রমুখ।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7753/আনতরজতক-সমপরদয়র-জরল-ভমক-পরয়জন-রহঙগদর-পরতযবসন-সবরষটরমনতর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7753/আনতরজতক-সমপরদয়র-জরল-ভমক-পরয়জন-রহঙগদর-পরতযবসন-সবরষটরমনতর</guid>
				<pubDate>2026-06-09</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7744_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>শুক্রবারে আইসিসিবিতে বসবে গাড়ির জমজমাট বাজার</title>
				<description>
					গতকাল প্রধান অতিথি হিসেবে কারবাজারটির উদ্বোধন করেন তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (টিবিজি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) মহাসচিব রিয়াজ রহমান, উইজার্ড শোবিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান রাসেল এবং আইসিসিবির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা এম এম জসীম উদ্দীন।এ ছাড়া দেশের অটোমোবাইল খাতের ব্যবসায়ী, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, গাড়ি ও বাইকিং কমিউনিটির প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান বলেন, নতুন, রিকন্ডিশন্ড ও ব্যবহৃত যানবাহন এক জায়গায় দেখার ও যাচাই করার সুযোগের পাশাপাশি সহজ ফাইন্যান্সিং সুবিধা দেওয়ার মাধ্যমে ‘সুপারসেল কারবাজার’ ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য একটি স্বচ্ছ ও সুবিধাজনক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে উঠবে।আয়োজকদের ভাষ্য, আধুনিক ও নিরাপদ পরিবেশে গাড়ি কেনাবেচার সুযোগ তৈরি করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে গাড়ির মালিক ও সম্ভাব্য ক্রেতার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হলে দেশের অটোমোবাইল বাজার আরও গতিশীল হবে।কারবাজারটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, গাড়ি কেনার পাশাপাশি ক্রেতারা বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারবেন। অটো লোন, গাড়ি ফাইন্যান্সিংসহ বিভিন্ন আর্থিক সুবিধা সম্পর্কে তাঁরা জানতে পারবেন। এতে গাড়ি কেনার প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে সহজ ও সুবিধাজনক হবে বলে আশা করছেন আয়োজকেরা।প্রতি শুক্রবার আইসিসিবি প্রাঙ্গণে বসবে ‘সুপারসেল কারবাজার’। সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে কার্যক্রম। সেখানে বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও মডেলের গাড়ি দেখার পাশাপাশি পছন্দের গাড়ি বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকবে ক্রেতাদের জন্য। অন্যদিকে গাড়ি বিক্রি করতে আগ্রহী মালিকেরা সম্ভাব্য ক্রেতাদের সামনে তাঁদের গাড়ি উপস্থাপন করতে পারবেন।আয়োজকদের প্রত্যাশা, নিয়মিত আয়োজনের মাধ্যমে ‘সুপারসেল কারবাজার’ রাজধানীর গাড়িপ্রেমী ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য একটি পরিচিত ও জনপ্রিয় অটোমোবাইল মার্কেটপ্লেস হয়ে উঠবে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7744/শকরবর-আইসসবত-বসব-গড়র-জমজমট-বজর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7744/শকরবর-আইসসবত-বসব-গড়র-জমজমট-বজর</guid>
				<pubDate>2026-05-09</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7740_1.jpeg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>সন্ত্রাসবাদ ও সিন্ধু পানি চুক্তিকে আলাদা করে দেখছে না ভারত</title>
				<description>
					২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পাহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হন। ভারত এ হামলার জন্য পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসীদের দায়ী করে। এর পরই নয়াদিল্লি ঘোষণা দেয়, পাকিস্তান বিশ্বাসযোগ্য ও অপরিবর্তনীয়ভাবে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদে সমর্থন বন্ধ না করা পর্যন্ত সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত থাকবে।ভারতের এই সিদ্ধান্তের তাৎপর্য শুধু পানি বণ্টনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর মাধ্যমে নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, পাকিস্তানের সঙ্গে নিরাপত্তা সম্পর্কের অবনতিকে তারা অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা থেকে পুরোপুরি আলাদা করে দেখতে চাইছে না।সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে বিরোধ এবার আন্তর্জাতিক আইনি পরিসরেও গড়িয়েছে। ২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট পাকিস্তানের আবেদনের পর চুক্তির আওতায় গঠিত আন্তর্জাতিক সালিসি আদালত রায় দেয়, সিন্ধু পানি চুক্তি এখনো কার্যকর। ভারতের একতরফা সিদ্ধান্তে চুক্তি স্থগিত বা বাতিল করা যায় না বলেও আদালত মত দেয়। একই সঙ্গে ভারতের রাটলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে কিছু অন্তর্বর্তী বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।পাকিস্তান এ রায়কে স্বাগত জানিয়েছে। তবে ভারত তা প্রত্যাখ্যান করেছে। নয়াদিল্লির বক্তব্য, তারা ওই সালিসি প্রক্রিয়াকে স্বীকৃতি দেয়নি। ফলে ভারতের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত নিয়ে রায় দেওয়ার এখতিয়ারও ওই ট্রাইব্যুনালের নেই বলে মনে করে দেশটি।এ কারণে সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে বিরোধ এখন কেবল পানি বণ্টন বা প্রকল্প নির্মাণের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক আইন, জাতীয় নিরাপত্তা এবং দুই দেশের পারস্পরিক আস্থার সংকট।১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির আওতায় সিন্ধু, ঝিলাম ও চেনাব নদীর পানি ব্যবহারে পাকিস্তানের প্রধান অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে রাভি, বিয়াস ও শতদ্রু নদীর পানি ব্যবহারে ভারত অধিকতর অধিকার পায়। একই সঙ্গে উভয় দেশকে নির্দিষ্ট শর্তে একে অপরের নদীর পানি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়।দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ, সামরিক উত্তেজনা ও রাজনৈতিক বিরোধ চললেও এই চুক্তি দীর্ঘ সময় কার্যকর ছিল। সে কারণে আন্তর্জাতিক পরিসরে এটিকে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সফল পানি সহযোগিতার অন্যতম উদাহরণ হিসেবেও দেখা হয়।তবে বর্তমান পরিস্থিতি আগের মতো নেই। দুই দেশের জনসংখ্যা বেড়েছে, পানির চাহিদা বেড়েছে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও তীব্র হয়েছে। একই সঙ্গে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।ভারতের অবস্থানকে সরলভাবে দেখলে মনে হতে পারে, একটি সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়ায় একটি পানি চুক্তি স্থগিত করা হয়েছে। কিন্তু নয়াদিল্লির যুক্তি এর চেয়ে বিস্তৃত।ভারত দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানভিত্তিক বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আসছে। মুম্বাই, উরি, পুলওয়ামা ও সর্বশেষ পাহেলগাম হামলার মতো ঘটনাগুলো দুই দেশের সম্পর্ককে বারবার সংকটের মধ্যে ফেলেছে। পাকিস্তান অবশ্য ভারতের এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে।ভারতের দৃষ্টিতে, পাহেলগাম কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা সংকটের ধারাবাহিকতার অংশ। ফলে এমন পরিস্থিতিতে পানি, বাণিজ্য বা অন্যান্য সহযোগিতাকে নিরাপত্তা সম্পর্ক থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন রাখার পুরোনো নীতি পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করে নয়াদিল্লি।এখানে অবশ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। সন্ত্রাসী হামলা ঘটলেই কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়—এমন কোনো সরল আইনি নিয়ম নেই। ভারতও চুক্তিকে চিরতরে বাতিল করার কথা না বলে স্থগিত রাখার কথা বলছে। অর্থাৎ পরিস্থিতি পরিবর্তিত হলে ভবিষ্যতে সহযোগিতার পথ আবার খোলার সুযোগ তারা রাখছে।আন্তর্জাতিক আইনের একটি মৌলিক নীতি হলো—চুক্তি স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রকে তা পালন করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের স্থিতিশীলতার জন্য এই নীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।তবে আন্তর্জাতিক আইন সব পরিস্থিতিকে এক রকমভাবে দেখে না। বিশেষ পরিস্থিতিতে চুক্তি স্থগিত, পরিবর্তন বা বাতিলের কিছু আইনি ভিত্তিও রয়েছে। গুরুতর চুক্তিভঙ্গ কিংবা পরিস্থিতির মৌলিক পরিবর্তনের মতো বিষয় আন্তর্জাতিক চুক্তি আইনের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ।বিশ্ব রাজনীতিতেও দেখা গেছে, জাতীয় নিরাপত্তা বা পরিবর্তিত কৌশলগত বাস্তবতার কারণে রাষ্ট্রগুলো পুরোনো চুক্তি থেকে সরে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ২০০১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে করা অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায়। পরে ২০১৯ সালে রাশিয়ার সঙ্গে করা আইএনএফ চুক্তি থেকেও সরে আসে ওয়াশিংটন।এসব সিদ্ধান্তের আইনি ও রাজনৈতিক বৈধতা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তবে এগুলো দেখায়, রাষ্ট্রগুলো সব সময় চুক্তিকে পরিবর্তিত বাস্তবতার ঊর্ধ্বে রাখে না। নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন ঘটলে পুরোনো প্রতিশ্রুতি নতুন করে মূল্যায়নের প্রবণতা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে রয়েছে।সিন্ধু নদ অববাহিকা পাকিস্তানের কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির কৃষি, সেচব্যবস্থা এবং অর্থনীতির বড় অংশ এই নদীব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল।এ কারণে সিন্ধু পানি চুক্তি শুধু দুই দেশের মধ্যে একটি সাধারণ পানি বণ্টন চুক্তি নয়। পাকিস্তানের কাছে এটি দীর্ঘমেয়াদি পানি নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।ভারত চুক্তি স্থগিত রাখার ঘোষণা দেওয়ার পর পাকিস্তানের উদ্বেগ তাই স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে। অন্যদিকে ভারত বলছে, চুক্তির সুবিধা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আর আলাদা করে দেখার মতো অবস্থায় দুই দেশের সম্পর্ক নেই।দ্য হেগের সালিসি আদালতের রায় আইনি বিতর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে। আদালত চুক্তিকে কার্যকর হিসেবে বিবেচনা করেছে এবং ভারতের একতরফা সিদ্ধান্তের আইনি প্রভাব নিয়ে অবস্থান জানিয়েছে।কিন্তু এই রায় দুই দেশের রাজনৈতিক অবিশ্বাস দূর করতে পারবে কি না, সেটিই বড় প্রশ্ন।কারণ ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের বর্তমান সংকট শুধু একটি চুক্তির ব্যাখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সন্ত্রাসবাদ, সীমান্ত নিরাপত্তা, কাশ্মীর এবং পারস্পরিক আস্থার গভীর সংকট।ভারতের অবস্থান হলো, পানি সহযোগিতা আবার স্বাভাবিক করতে হলে নিরাপত্তা পরিস্থিতিরও উন্নতি প্রয়োজন। অন্যদিকে পাকিস্তানের জন্য সিন্ধু পানি চুক্তির ধারাবাহিকতা পানি নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।সিন্ধু পানি চুক্তির ভবিষ্যৎ শেষ পর্যন্ত শুধু আদালতের রায়ে নির্ধারিত হবে না। এর সঙ্গে দুই দেশের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।ভারত যদি মনে করে পাকিস্তানের সঙ্গে নিরাপত্তা সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে, তাহলে চুক্তি নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। একইভাবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকেও সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারতের উদ্বেগ দূর করার মতো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হলে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।৬৬ বছর ধরে টিকে থাকা সিন্ধু পানি চুক্তি তাই এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার মুখে। চুক্তিটি একসময় যুদ্ধ ও বৈরিতার মধ্যেও দুই দেশকে পানি সহযোগিতার একটি কাঠামোর মধ্যে রেখেছিল। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় সেই সহযোগিতা টিকিয়ে রাখতে শুধু আইনি কাঠামো যথেষ্ট কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।পানি বণ্টনের নিয়ম হয়তো চুক্তিতে নির্ধারিত। কিন্তু সেই চুক্তি কার্যকর রাখার জন্য যে রাজনৈতিক আস্থা প্রয়োজন, সেটি দুই দেশের সম্পর্কের বর্তমান অবস্থায় বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।সিন্ধু পানি চুক্তির ভবিষ্যৎ তাই শেষ পর্যন্ত শুধু পানির প্রশ্ন নয়। এটি ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের ভবিষ্যৎ, নিরাপত্তা নীতি এবং পারস্পরিক আস্থারও একটি পরীক্ষা						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7740/সনতরসবদ-ও-সনধ-পন-চকতক-আলদ-কর-দখছ-ন-ভরত</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7740/সনতরসবদ-ও-সনধ-পন-চকতক-আলদ-কর-দখছ-ন-ভরত</guid>
				<pubDate>2026-04-09</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7732_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>সংসদে  স্থায়ী কমিটি গঠন ১০, দায়িত্ব পেলেন যারা</title>
				<description>
					গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে সভাপতি করে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন–কৃষিমন্ত্রী মন্ত্রী মো. আমিন উর রশিদ, মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ ফরিদুল কবির তালুকদার, মোহাম্মদ আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, মোহাম্মদ মজিবুর রহমান চৌধুরী, মোসাম্মৎ শামীমা সুলতানা, মোহাম্মদ গোলাম রসূল, মোহাম্মদ রায়হান সাঈদী।মোহাম্মদ সেলিম ভূঁইয়াকে সভাপতি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন–শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান মোল্লা, মো. জাহাঙ্গীর আলম মিয়া, মোসা. তাহসিনা রুশদী, বীথিকা বিনতে হোসাইন, মোহাম্মদ মজিবুর রহমান, আতিকুর রহমান মুজাহিদ।রকিবুল ইসলামকে সভাপতি করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন–সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, হাবিবুল ইসলাম, লুৎফর রহমান, মো. রুহুল আমিন দুলাল, মো. শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, মো. রফিকুল ইসলাম খান এবং মো. মতিয়ার&amp;nbsp; রহমান।আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীকে সভাপতি করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন–মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, লুৎফুল্লাহেল মাজেদ, সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, আলহাজ জসিম উদ্দিন আহমেদ, মোছা. সুরাইয়া জেরিন, শওকত আরা আক্তার, মাছুম মোস্তফা ও মোহাম্মদ আবু তালিব।কলিম উদ্দিন আহমেদকে সভাপতি করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন–মো. আবুল খায়ের ভূইয়া, মো. তমিজ উদ্দিন, মো. হারুনুর রশিদ, মোবাশ্বের আলম ভূইয়া, মানসুরা আক্তার, মো. কেরামত আলী, সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা ওবায়দুল্লাহ সালাফী।মো. আমানউল্লাহ আমানকে সভাপতি করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন–মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান, ইয়াসের খান চৌধুরী, নরসিংদী-৫ আসনের মো. আশরাফ উদ্দিন, জামালপুর-৩ আসনের মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, মো. মজিবুর রহমান, নিলুফার চৌধুরী মনি, ফাহমিদা হক, মো. শফিকুল ইসলাম এবং মোসা. নাজমুন নাহার।আলহাজ মোহাম্মদ জি কে গউছকে সভাপতি করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন–মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, শেখ ফরিদুল ইসলাম, মো. জাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, সরোয়ার আলমগীর, সুলতানা জেসমিন, মো. মাহবুবুল আলম, মো. আব্দুল আলীম এবং মো. আবুল কালাম আজাদ।নাসের রহমানকে সভাপতি করে ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন–মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, জয়নাল আবেদীন, সরদার সরফ উদ্দিন আহমেদ, শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন, এরশাদুল্লাহ, সুলতানা আহমেদ, মাহবুবুর রহমান বেলাল ও মাহমুদুল্লাহ।রফিকুল ইসলাম জামালকে সভাপতি করে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন–ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), মোহাম্মদ শামীম কায়সার আতাউর রহমান খান, নূরুল আমিন, নিপুন রায় চৌধুরী, সূবর্না সিকদার, মো. নূরুল আমিন, মো. আবুল হাসান এবং মো. আব্দুল খালেক।সেলিমা রহমানকে সভাপতি করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন–মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, রাশেদা বেগম হীরা, বিলকিস বেগম।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7732/সসদ-সথয়-কমট-গঠন-১০-দয়তব-পলন-যর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7732/সসদ-সথয়-কমট-গঠন-১০-দয়তব-পলন-যর</guid>
				<pubDate>2026-03-09</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7731_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>নদী ভাঙনকবলিত অসহায়দের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন</title>
				<description>
					বুধবার বিকালে উপজেলার চকহরিচরণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে ২৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিধি ছিলেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবিরের সহধর্মিণী শায়লা কবীর।খাদ্য সহায়তা বিতরণকালে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু, যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ ইকবাল রনি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী নাদিম হোসেন টুয়েল, দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুস সালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি লোকমান হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ (এবিজি) ফাউন্ডেশনের সহায়তা পেয়ে অসহায় লোকজন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আমরা সব সময় অসহায় মানুষের পাশে আছি এবং থাকব। এবিজি ফাউন্ডেশনের মানবিক সহায়তা শুধু মানিকগঞ্জে সীমাবদ্ধ নয়, সারা দেশেই এই সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।&amp;nbsp;						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7731/নদ-ভঙনকবলত-অসহয়দর-পশ-আনভর-বসনধর-গরপ-ফউনডশন</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7731/নদ-ভঙনকবলত-অসহয়দর-পশ-আনভর-বসনধর-গরপ-ফউনডশন</guid>
				<pubDate>2026-03-09</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>গ্রাহকের অর্থ উত্তোলনে বাধা নেই, স্বাভাবিক হচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক</title>
				<description>
					সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আবেদুর রহমান সিকদার বলেন, একজন গ্রাহক প্রয়োজনের সময় ব্যবহারের জন্য তাঁর কষ্টার্জিত অর্থ ব্যাংকে রাখেন। সেই অর্থ প্রয়োজনের সময় দিতে না পারা ব্যাংকারদের জন্যও কষ্টের। এ কারণে গ্রাহকদের স্বাভাবিক লেনদেনের সুযোগ নিশ্চিত করাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।ব্যাংক কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ব্যক্তি পর্যায়ের সঞ্চয়ী ও চলতি হিসাবের গ্রাহকেরা প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ জমা ও উত্তোলন করতে পারছেন। এমনকি কোনো গ্রাহক চাইলে তাঁর হিসাবের পুরো স্থিতিও তুলে নিতে পারবেন। পাশাপাশি মাসিক মুনাফাভিত্তিক হিসাবের গ্রাহকদের নিয়মিত মুনাফা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।মেয়াদি আমানত, ডিপিএস ও মাসিক স্কিমের গ্রাহকেরা ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেন চালিয়ে যেতে না চাইলে মূল আমানত ফেরত নেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যাংকটির এমডি।স্বাভাবিক লেনদেনের সুযোগ পাওয়ার পর অনেক গ্রাহক তাঁদের পুরো অর্থ তুলে নেবেন—এমন ধারণা ব্যাংক কর্তৃপক্ষের ছিল। তবে বাস্তবে পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন হয়েছে বলে জানান আবেদুর রহমান সিকদার।তাঁর মতে, অনেক গ্রাহক অর্থ ব্যাংকে রেখেই লেনদেন চালিয়ে যেতে আগ্রহ দেখিয়েছেন। নিয়মিত মুনাফা পাওয়ার সুযোগ থাকলে ব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্ক অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছেন অনেকে। ব্যাংকটির জন্য এটিকে ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন তিনি।দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মধ্যেও যেসব গ্রাহক ব্যাংকের সঙ্গে ছিলেন, তাঁদের আস্থা ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মনে করেন ব্যাংকটির এমডি।তিনি বলেন, আগে কোনো গ্রাহক শাখায় এলে তাঁকে কীভাবে সেবা দেওয়া হবে, তা নিয়ে কর্মীদের মধ্যেও এক ধরনের উৎকণ্ঠা ছিল। এখন লেনদেনের সুযোগ বাড়ায় কর্মীদের মধ্যে কাজের আগ্রহ ও আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে।ব্যাংকটির প্রবাসী গ্রাহকদের কাছ থেকেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়ার কথা জানিয়েছেন আবেদুর রহমান সিকদার। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত কয়েকজন গ্রাহক ফোন ও বার্তার মাধ্যমে তাঁদের সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন বলে জানান তিনি।অনেক প্রবাসী গ্রাহক তাঁদের অর্থ তুলে নিতে চান না, বরং সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেন চালিয়ে যেতে চান বলে জানিয়েছেন। দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কমে আসায় তাঁদের মধ্যে স্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে ব্যাংকটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।আবেদুর রহমান সিকদারের ভাষ্য, ব্যাংকে অর্থ রাখার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো প্রয়োজনের সময় তা ব্যবহার করা। জরুরি প্রয়োজনে যথাযথ বিবেচনার ভিত্তিতে গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় অর্থ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।তিনি জানান, ব্যক্তি পর্যায়ের সঞ্চয়ী ও চলতি হিসাবে বর্তমানে জমা ও উত্তোলনে আগের মতো বাধা নেই। পাশাপাশি নতুন হিসাব খোলার সুযোগও রয়েছে। কোনো গ্রাহক ব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করতে চাইলে তাঁর মূল আমানত ফেরত নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।ব্যাংকটির এমডির আশা, এসব কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাংকের কার্যক্রম আরও স্বাভাবিক হবে এবং গ্রাহকদের আস্থা শক্তিশালী হবে।ব্যক্তি পর্যায়ের লেনদেন স্বাভাবিক করার পাশাপাশি ব্যবসায়িক কার্যক্রমও ধাপে ধাপে বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটির ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে খুচরা ব্যাংকিং, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ এবং করপোরেট খাত।সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু ব্যবসায়িক গ্রাহক অন্য ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেন বাড়িয়েছেন। এখন তাঁদের আবার ব্যাংকটির সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদারে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।আবেদুর রহমান সিকদার বলেন, প্রথম পর্যায়ে পুরোনো ও বিশ্বস্ত গ্রাহকদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। আগে যেসব গ্রাহক ব্যাংকটির সঙ্গে বড় পরিসরে ব্যবসা করতেন, তাঁদের ফিরিয়ে আনার পর নতুন গ্রাহক আকর্ষণের দিকে নজর দেওয়া হবে।ব্যাংকের কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে বড় মূলধনভিত্তিকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসার পরিধি আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।গ্রাহকদের সমন্বিত সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে চলতি সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে রাজধানীর গুলশানে একটি মডেল শাখা চালুর পরিকল্পনা করেছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটির এমডি জানিয়েছেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শাখাটি চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।এই শাখা সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নিজস্ব পরিচয়ে পরিচালিত হবে। আগের পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকেরাও এখান থেকে সেবা নিতে পারবেন।আবেদুর রহমান সিকদার বলেন, একই শাখা থেকে আগের পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের সেবা দেওয়ার ধারণা থেকেই মডেল শাখা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় কাছাকাছি স্থানে আগের ব্যাংকগুলোর একাধিক শাখা রয়েছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজন ও কার্যক্রম বিবেচনায় এসব শাখাকে সমন্বয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।গুলশানের মডেল শাখাকে সেই পরিকল্পনার প্রথম ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এ ধরনের শাখার সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে ব্যাংকটির।বিদ্যমান শাখা, উপশাখা, এটিএম নেটওয়ার্ক ও কর্মীদের সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে একটি শক্তিশালী ও আধুনিক ব্যাংক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন আবেদুর রহমান সিকদার।তিনি বলেন, গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যাংকের ভেতরে সুশৃঙ্খল ও পেশাদার পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ব্যাংকের কর্মীরা আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।আবেদুর রহমান সিকদারের মতে, আর্থিক খাতে আস্থা ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হলে তার ইতিবাচক প্রভাব সামগ্রিক অর্থনীতিতে পড়ে। ব্যাংকের শাখা ও সেবা বিস্তারের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে থাকা মানুষকে আনুষ্ঠানিক আর্থিক ব্যবস্থার আওতায় আনার সুযোগ তৈরি হয়।ভবিষ্যতে প্রযুক্তিনির্ভর ও মানসম্মত ব্যাংকিং সেবা চালুর মাধ্যমে এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি, যার সঙ্গে লেনদেন করে গ্রাহকেরা এবং কাজ করে কর্মীরা সন্তুষ্ট ও গর্বিত বোধ করবেন।দীর্ঘদিনের প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও ব্যাংকের সঙ্গে থাকা গ্রাহকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তাঁদের আস্থাকে ভিত্তি করেই সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে একটি শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান তাঁরা।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7730/গরহকর-অরথ-উততলন-বধ-নই-সবভবক-হচছ-সমমলত-ইসলম-বযক</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7730/গরহকর-অরথ-উততলন-বধ-নই-সবভবক-হচছ-সমমলত-ইসলম-বযক</guid>
				<pubDate>2026-02-09</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>নদীর বুক চিরে গড়ে উঠেছে শিল্পকারখানা, দখলে ২৪১ একর</title>
				<description>
					প্রায় দুই বছর ধরে সরেজমিন তদন্ত শেষে ১২ সদস্যের কমিটি একটি প্রতিবেদন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দিয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেঘনা গ্রুপের সাতটি প্রতিষ্ঠান নদীর প্রায় ২৪১ দশমিক ২৭ একর জমি দখল করেছে। এর মধ্যে ৮৪ দশমিক ৭৭ একর জমিতে বিভিন্ন স্থাপনা ও মূল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। আরও ৫ দশমিক ৫ একর জমিতে নির্মাণ করা হয়েছে সড়ক।কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, দখল করা নদীর জমি দ্রুত উদ্ধার করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিতে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নদী রক্ষায় দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ করা হয়েছে।জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মো. আলাউদ্দিন বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনের আলোকে জেলা প্রশাসন নদীর জমি উদ্ধারে ব্যবস্থা নেবে।তদন্ত কমিটি ২০১৯ সালের অক্টোবরে কাজ শুরু করে। পরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে তদন্ত কার্যক্রম কিছু সময়ের জন্য বাধাগ্রস্ত হয়। এরপর আবার তদন্ত শুরু করা হয়। কমিটির সদস্যরা সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যের বাজার, হোসেনপুর ও পিরোজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চর রমজান, সোনাউল্লাহ, পূর্ব দামোদরদী, পশ্চিম দামোদরদী, দুধঘাটা, টেঙ্গরচর, ছয়হিস্যা, নরসুলদী, আষাঢ়িয়ারচর ও ঝাউচর এলাকায় নদীর জমি ভরাট করে মেঘনা গ্রুপের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া যায়।কমিটি সরেজমিন পরিদর্শনের সময় মেঘনা পাল্প অ্যান্ড পেপার মিলস, সুগার রিফাইনারি, ফ্রেশ সুগার, কেমিক্যাল কারখানা, ফ্রেশ সিমেন্টসহ বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করে। এসব স্থাপনার কয়েকটি নদীর মূল ভূমি, তীরবর্তী এলাকা ও প্লাবনভূমির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে মেঘনা নদীর শাখা মারাখালী নদীর উত্তর ও দক্ষিণ অংশের তীর থেকে নদীর ভেতরে প্রায় দুই কিলোমিটার পর্যন্ত দখলের অভিযোগ তদন্তে উঠে এসেছে। বিভিন্ন এলাকায় নদীর জমি ভরাট করে সীমানাপ্রাচীর, স্থাপনা ও জেটি নির্মাণের তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়, নদীর জমি ভরাটের কারণে মেঘনা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি নদী ও আশপাশের জলাভূমির পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং নিম্নাঞ্চলের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।তদন্ত প্রতিবেদনে ভূমি রেকর্ডের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। ভূমি অফিসের বক্তব্য অনুযায়ী, সিএস রেকর্ডে মেঘনা গ্রুপের দখলে থাকা অনেক জমিকে নদীর জমি হিসেবে দেখানো হয়েছে। আরএস রেকর্ডে কিছু জমি খাস হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি খাস জমি বন্দোবস্ত পাওয়ার পর তা অন্যের কাছে বিক্রির ক্ষেত্রে প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী সরকারের নির্ধারিত অংশের অর্থ পরিশোধের বিধান রয়েছে। কিছু জমির ক্ষেত্রে এ বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছে তদন্ত কমিটি।মেঘনা গ্রুপের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের জেটি রয়েছে এবং এসবের জন্য বিআইডব্লিউটিএর অনুমতির বিষয়ও তদন্ত প্রতিবেদনে এসেছে। তবে নদীর জমিতে স্থাপিত দুটি জেটির লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি বলে বিআইডব্লিউটিএর বক্তব্য উদ্ধৃত করা হয়েছে প্রতিবেদনে।এ ছাড়া মেঘনা গ্রুপের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নামে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র রয়েছে। নদীর জমি বা প্লাবনভূমিতে শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং সেখান থেকে তরল বর্জ্য নদীতে পড়লে তা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে।নদীর জমি উদ্ধার ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে তদন্ত কমিটি ১২টি সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে দ্রুত নদীর জমি চিহ্নিত করে দখলমুক্ত করা, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং নদী রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার বিষয় রয়েছে।জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের প্রতিবেদনের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর মেঘনা নদী দখল নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। নদী বিশেষজ্ঞদের মতে, তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লিখিত সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়ন করা না হলে নদীর দখলমুক্তকরণ আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের প্রতিবেদন তাঁদের হাতে এখনো পৌঁছায়নি। তবে এ বিষয়ে কমিশনের সঙ্গে সভা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ইতিমধ্যে মদিনা গ্রুপের দখলে থাকা নদী ও নদীতীরবর্তী সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যান্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানের দখলের বিষয়ও তালিকাভুক্ত করে নদীর জমি উদ্ধারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7729/নদর-বক-চর-গড়-উঠছ-শলপকরখন-দখল-২৪১-একর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7729/নদর-বক-চর-গড়-উঠছ-শলপকরখন-দখল-২৪১-একর</guid>
				<pubDate>2026-01-09</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7724_1.webp" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>বাংলাদেশ-চীন শিগগিরই প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরু করতে যাচ্ছে : হুমায়ুন কবির</title>
				<description>
					চীনা রাষ্ট্রদূত জানান, সিইআইজেডে প্রায় ৩০টি চীনা কোম্পানি বিনিয়োগ করতে পারে। সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলার এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশিদের জন্য প্রায় ১ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।বৈঠকে তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধারের বিষয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ থেকে চীনে কাঁঠাল ও পেয়ারা রফতানি, বাংলাদেশ–চীন–মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়।রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশে আসন্ন উচ্চপর্যায়ের চীনা প্রতিনিধিদের সফর সম্পর্কেও অবহিত করেন। এর মধ্যে রয়েছে চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সির ভাইস প্রেসিডেন্ট, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী এবং ইউনান প্রদেশের নির্বাহী ভাইস গভর্নরের বাংলাদেশ সফর।বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে আগামী অক্টোবরে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান চীনা রাষ্ট্রদূত।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7724/বলদশ-চন-শগগরই-পরতরকষ-সলপ-শর-করত-যচছ-হময়ন-কবর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7724/বলদশ-চন-শগগরই-পরতরকষ-সলপ-শর-করত-যচছ-হময়ন-কবর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7723_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬ এর জমকালো সমাপনী</title>
				<description>
					গত ২৪ আগস্ট শুরু হওয়া পাঁচ দিনের এই মেগা টুর্নামেন্টেবিশ্বের ১১টি দেশের শীর্ষস্থানীয় পেশাদার স্কোয়াশ খেলোয়াররা শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিল। ২৮ আগস্ট শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের চরম উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচে চমৎকার পারফর্ম করে জিয়াদ ইব্রাহিম রভিন্দ্র লক্ষীশ্রী কে&amp;nbsp; ৩-০ সেটে হারিয়ে চ্যাম্পয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।&amp;nbsp;মেজর জেনারেল মু হাসান-উজ-জামান, এনডিইউ, এএফডব্লউসি, পিএসসি, এম ফিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইনচীফ প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ী খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি, মেডেল ও অর্থ পুরস্কার তুলে দেন।&amp;nbsp;অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন টুর্নামেন্ট প্রমোটর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জি এম কামরুল ইসলাম, এসপিপি (অবসর প্রাপ্ত) ও নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির ঊর্ধ্বতন নির্বাহী পরিচালক কর্নেল মহাসিনুল করিমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, দেশি-বিদেশি খেলোয়াড় এবং সাংবাদিকবৃন্দ।&amp;nbsp;শুরুতে &quot; স্কোয়াশ ও শিক্ষা বৃত্তি&quot; প্রদান করা হয়। তারপর এ বছরমাধ্যমিকে কৃতি স্কোয়াশ খেলোয়াড় সন্মাননা এবং ক্ষুদে স্কোয়াশখেলোয়াড়দের ক্রীড়া সামগ্রী দেয়া হয়।&amp;nbsp;পুরস্কার বিতরনীর মূল পর্বে পুরস্কার ও প্রাইজ মানি দেয়া হয়। প্রথমে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় তরুন প্রতিভা পারভেজকরিম। তারপর যথাক্রমে দ্বিতীয় রানার্সআপ মিশরের মোহাম্মদ গহর (বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং ৯৫), প্রথম রানার্সআপ ইরানের সেফেরএতেমাদপুর (বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং ৫৬৬), রানার্সআপ রভিন্দ্র লক্ষীশ্রী এবং চ্যাম্পিয়ন জিয়াদ ইব্রাহিমকে পুরস্কৃত করা হয়।&amp;nbsp;আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, 'ক্লাসরুম স্কোয়াশ', খেলাধুলা ও নেতৃত্বের বিকাশ, 'স্কোয়াশ ও শিক্ষা বৃত্তি' ইত্যাদিরমতো বৈপ্লবিক চিন্তা-চেতনা আর ধারাবাহিক কর্মসূচির সুফলআজ দৃশ্যমান। এই আন্তর্জাতিক ইভেন্ট শুধু দেশেরখেলোয়াড়দের র‍্যাঙ্কিং ও অভিজ্ঞতা বাড়ায়নি, বরং বিশ্ব অঙ্গনেবাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় 'স্কোয়াশ ডেস্টিনেশন' হিসেবেসুপ্রতিষ্ঠিত করেছে।&amp;nbsp;গত পাঁচ বছরে মৃতপ্রায় স্কোয়াশ অনেক উন্নতি করেছে এবং ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে পদক লাভ করা শুরু করেছে। স্কোয়াশ ২০৩২ সালের অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করতে চায়। তাই আগামীতে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সবার যৌথ প্রয়াসে স্কোয়াশকে আরও সামনে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসরের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7723/বলদশ-আনতরজতক-সকয়শ-২০২৬-এর-জমকল-সমপন</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7723/বলদশ-আনতরজতক-সকয়শ-২০২৬-এর-জমকল-সমপন</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7722_2.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>রূপগঞ্জে জলসিঁড়ি প্রকল্প নিয়ে ক্ষোভ, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি</title>
				<description>
					                            শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘পৈতৃক ভিটা-মাটি সংরক্ষণ পরিষদ’-এর উদ্যোগে মানববন্ধন হয়। পরে দুপুর ১২টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটি।সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য দেন আহ্বায়ক/সদস্য সচিব আহসান উল্লাহ। এ সময় আলহাজ্ব আবু বকর সিদ্দিক, রফিকুল ইসলাম, সার্জেন্ট ইলিয়াস পারভেজ, আবদুস সালাম, আহসান উল্লাহ মাস্টার, আইনজীবী নাজমুল ইসলাম ও প্রভাষক নুর সালাম বক্তব্য দেন।ভুক্তভোগীরা বলেন, তাঁদের আন্দোলন দেশের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নয়। জলসিঁড়ি প্রকল্পের নামে জমি দখল, বালু ভরাট ও স্থানীয় মানুষের বসতভিটা হারানোর আশঙ্কার প্রতিবাদেই তাঁরা আন্দোলন করছেন।লিখিত বক্তব্যে দাবি করা হয়, ২০১০ সালে কায়েতপাড়া ও রূপগঞ্জ ইউনিয়নের ১৭টি মৌজার প্রায় ৭ হাজার বিঘা কৃষিজমি অধিগ্রহণ ছাড়াই দখলের চেষ্টা করা হয়েছিল। এ সময় স্থানীয় লোকজন প্রতিবাদ করলে তাঁদের বিরুদ্ধে হামলা ও মামলা করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়। পরে বালু ভরাটের মাধ্যমে তিন ফসলি কৃষিজমির একটি অংশ দখল করা হয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জমির মালিকদের ভয়ভীতি দেখানো এবং স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় জলসিঁড়ি প্রকল্প-১-এর কার্যক্রম শুরু হয়। পরে জলসিঁড়ি প্রকল্প-২-এর জন্য কায়েতপাড়া ও রূপগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষিজমি ও বসতভিটা অন্তর্ভুক্ত করে একটি সীমানা নির্দেশক নকশা তৈরি করা হয়েছে। ওই নকশার ভিত্তিতে জমি ক্রয় না করেই বিভিন্ন স্থানে বালু ভরাট করা হচ্ছে বলে তাঁদের অভিযোগ।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানায় দুই শতাধিক বাসিন্দা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এ ছাড়া শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনও করেছেন তাঁরা। সহকারী পুলিশ সুপারের মাধ্যমে রূপগঞ্জ থানায় জমির আরএস দাগ নম্বর উল্লেখ করে প্রায় শতাধিক অভিযোগ জমা দেওয়ার কথাও জানানো হয়।ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছেও স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। তবে বারবার আবেদন করার পরও কার্যকর প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।সংবাদ সম্মেলনে রূপগঞ্জের ইচ্ছাখালী খাল বালু দিয়ে ভরাট করে দেওয়ার অভিযোগও করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে খালটি নৌচলাচল, কৃষিজমিতে সেচ এবং মাছ আহরণের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় আশপাশের প্রায় ২৪টি গ্রামের মানুষ জলাবদ্ধতার সমস্যায় পড়েছেন। তাঁরা দ্রুত খাল থেকে বালু অপসারণ, পুনঃখনন এবং নৌচলাচলের উপযোগী করে দেওয়ার দাবি জানান।সংবাদ সম্মেলন থেকে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে নয় দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—জমি ক্রয় ছাড়া বালু ভরাট ও রাস্তা নির্মাণ বন্ধ করা, ইচ্ছাখালী খাল পুনঃখনন, আবাসন প্রকল্পের সুনির্দিষ্ট সীমানা ও মানচিত্র প্রকাশ, বসতবাড়ির বাইরে প্রকল্প স্থাপন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা।                        						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7722/রপগঞজ-জলসড়-পরকলপ-নয়-কষভ-পরধনমনতরর-হসতকষপ-দব</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7722/রপগঞজ-জলসড়-পরকলপ-নয়-কষভ-পরধনমনতরর-হসতকষপ-দব</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7721_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>শিল্পকলা একাডেমিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মরণে তিন দিনব্যাপী আর্ট ক্যাম্পের চিত্রকর্ম প্রদর্শনী</title>
				<description>
					জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতি, চেতনা এবং জনগণের মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে শিল্পের ভাষায় ফুটিয়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগের উদ্যোগে একটি বিশেষ আর্ট ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছিল। গত ১৫ থেকে ১৭ জুলাই ‘ক্যানভাস ২৪: মুক্তির মহাকাব্য’ শিরোনামে তিন দিনব্যাপী এই আর্ট ক্যাম্পটি সম্পন্ন হয়েছিল।গত ২৪ আগস্ট ২০২৬ (সোমবার) বিকেল ৫:০০ টায় জাতীয় চিত্রশালার ২ নম্বর গ্যালারিতে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছিল।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, এমপি এবং তথ্য ও সম্প্রচার ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পলিসি ও স্ট্র্যাটেজির উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ড. জাহেদ উর রহমান। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন শিল্পী ও অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রথিতযশা শিল্পী মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তার এবং অধ্যাপক রোকেয়া সুলতানা। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব কানিজ মওলা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছিলেন। এছাড়া স্বাগত বক্তব্য রেখেছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব রেজাউদ্দিন স্টালিন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছিলেন চারুকলা বিভাগের পরিচালক আব্দুল হালিম চঞ্চল।প্রদর্শনীটির কিউরেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের অধ্যাপক শিল্পী রেজা আসাদ আল হুদা অনুপম ও শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগের পরিচালক আব্দুল হালিম চঞ্চল। সহকারী কিউরেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন মোসা: আয়শা নাজমিন।আয়োজকরা জানিয়েছিলেন, দেশের ৫৬ জন প্রথিতযশা, বরেণ্য ও তরুণ শিল্পীর বাছাই করা শিল্পকর্ম নিয়ে প্রদর্শনীটি সাজানো হয়েছিল। সমকালীন শিল্পচর্চার ক্ষেত্রে এটি একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।প্রদর্শনীটি ২৪ আগস্ট থেকে ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল। প্রতিদিন সকাল ১১:০০টা থেকে রাত ৮:০০টা পর্যন্ত এবং শুক্রবার ও শনিবার দুপুর ৩:০০টা থেকে রাত ৮:০০টা পর্যন্ত গ্যালারি-২, জাতীয় চিত্রশালায় এটি প্রদর্শিত হয়েছিল।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7721/শলপকল-একডমত-জলই-গণ-অভযতথনর-সমরণ-তন-দনবযপ-আরট-কযমপর-চতরকরম-পরদরশন</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7721/শলপকল-একডমত-জলই-গণ-অভযতথনর-সমরণ-তন-দনবযপ-আরট-কযমপর-চতরকরম-পরদরশন</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7711_1.jpeg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>নাকচের পরও রিফাইনারি কার্যক্রম, সুপার পেট্রোকেমিক্যাল নিয়ে তদন্তে বিপিসি</title>
				<description>
					মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিপিসির সচিব ও সরকারের উপসচিব শাহিনা সুলতানার সই করা এক অফিস আদেশে কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে সুপার পেট্রোকেমিক্যালের প্ল্যান্ট পরিদর্শন করে প্রতিষ্ঠানটির প্রসেসিং সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা বলেন, ‘অপারেশন বিভাগ থেকে নোট অনুমোদন হয়েছে। তারাই কমিটির সদস্য নির্ধারণ করে নোট উপস্থাপন করেছে। নোট অনুমোদন হওয়ার পর কমিটি গঠন করা হয়েছে। কয়েকটি মিডিয়ার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সাত দিনের মধ্যে কমিটিকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।’পর্ষদে উপস্থাপিত নোটে তথ্য গোপনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমি জানি না। অনুমোদন হওয়ার পর আমি নিয়ম অনুযায়ী কমিটি গঠনের অফিস আদেশ করেছি।’বিপিসির আদেশ অনুযায়ী, ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) এ টি এম সেলিমকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। সদস্য সচিব করা হয়েছে বিপিসির বাণিজ্য ও অপারেশন শাখার উপ-ব্যবস্থাপক তানজিন হোসেনকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—বিপিসির মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) মোরশেদ হোসাইন আজাদ, মহাব্যবস্থাপক (বণ্টন ও বিপণন) ফেরদৌসী মাসুম হিমেল, মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য ও অপারেশন্স) জাহিদ হোসাইন এবং ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির উপমহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মাসুদুল আলম।অফিস আদেশে বলা হয়েছে, কমিটি সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রতিবেদন পর্যালোচনার পাশাপাশি সুপার পেট্রোকেমিক্যালের প্ল্যান্ট সরেজমিনে পরিদর্শন করবে। এরপর প্ল্যান্টের প্রসেসিং ক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যসহ প্রতিবেদন বিপিসির চেয়ারম্যানের কাছে জমা দেবে।কমিটি গঠনের আদেশের সঙ্গে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘আবেদন নাকচের পরেও রিফাইনারি বানাচ্ছে সুপার পেট্রোকেমিক্যাল’ শিরোনামের প্রতিবেদনের পাশাপাশি কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনও সংযুক্ত করা হয়েছে।তবে বিপিসির পর্ষদে কমিটি গঠনের জন্য উপস্থাপিত নোট পর্যালোচনায় দেখা যায়, সেখানে সুপার পেট্রোকেমিক্যালের আগের আবেদন নাকচ হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি উল্লেখ করা হয়নি। অথচ নোটে প্রতিষ্ঠানটির ২০২৪ সালের আবেদন, পরবর্তী সময়ে বিপিসির তদন্ত কমিটি গঠন এবং ২০২৫ সালের এপ্রিলে সেই কমিটির প্রতিবেদন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে পাঠানোর বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।নোটে বলা হয়, সুপার পেট্রোকেমিক্যাল ২০২৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ‘বেসরকারি পর্যায়ে রিফাইনারি স্থাপন, অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিপূর্বক মজুত, প্রক্রিয়াকরণ, পরিবহন ও বিপণন নীতিমালা-২০২৩’-এর আলোকে বিদ্যমান রিফাইনারি হিসেবে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত ও প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে উৎপাদিত জ্বালানি তেল নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিপণনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে।ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নির্দেশনায় বিপিসি একটি কমিটি গঠন করে। ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর তৎকালীন মহাব্যবস্থাপক (বণ্টন ও বিপণন) জাহিদ হোসাইনকে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের ওই কমিটি গঠন করা হয়। পরে ইস্টার্ন রিফাইনারির একজন কর্মকর্তাকে কমিটিতে কো-অপ্ট করা হয়।২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি কমিটির সদস্যরা কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ের জুলধা ইউনিয়ন এলাকায় অবস্থিত সুপার পেট্রোকেমিক্যালের সিআরইউ প্ল্যান্ট ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন ও আবেদন পর্যালোচনার পর সাত সদস্যের কমিটি ৮ এপ্রিল বিপিসির চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। পরে ২০ এপ্রিল ওই প্রতিবেদন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে পাঠানো হয়।এরপর ২০২৫ সালের ১৬ নভেম্বর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অপারেশন-১ শাখা থেকে সুপার পেট্রোকেমিক্যালের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে চিঠি দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ২০২৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বরের আবেদন নাকচের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।আবেদনটি নাকচ হওয়ার আড়াই মাস পর, ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব বরাবর নতুন করে আবেদন করেন সুপার পেট্রোকেমিক্যালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মোস্তফা হায়দার।নতুন আবেদনে বলা হয়, সুপার পেট্রোকেমিক্যাল ইউরো-৫ মানের পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদনের জন্য বছরে ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্ষমতাসম্পন্ন ক্রুড অয়েল রিফাইনারি স্থাপন করছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে ১৫ লাখ ৪৬ হাজার ৩৮১ মেট্রিক টন। রিফাইনারিতে ক্রুড ডিস্টিলিয়েশন ইউনিটের পাশাপাশি ডিজেল হাইড্রোট্রিয়েটার, রিসিডিউ ডিসালফারাইজেশন এবং আইসোমারাইজেশন ইউনিট স্থাপনের কথাও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।তবে এই দ্বিতীয় আবেদনে আগের আবেদন নাকচ হওয়ার কোনো উল্লেখ নেই। এমনকি ২০২৪ সালের আবেদনের সূত্রও এতে দেওয়া হয়নি।নতুন আবেদনের পর গত ৩ ফেব্রুয়ারি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বিপিসির কাছে মতামত চায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বিপিসির ১০১৭তম বোর্ড সভায় বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়। সভার কার্যবিবরণীতে আগের আবেদন নাকচ হওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়।কার্যবিবরণীতে বলা হয়, ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) ইউনিট-২ প্রকল্প ইতোমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আগে বাস্তবায়িত এসপিএম প্রকল্পের পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং সরকারি পর্যায়ে জ্বালানি তেল পরিশোধনের সক্ষমতা তিন গুণ বাড়বে।এ কারণে নতুন করে সুপার পেট্রোকেমিক্যালকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত, পরিবহন ও প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে উৎপাদিত জ্বালানি তেল নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বাজারজাতের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি আরও গভীরভাবে পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে বোর্ড মত দেয়।কার্যবিবরণীতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ১৬ নভেম্বর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সুপার পেট্রোকেমিক্যালের ২০২৪ সালের আবেদন নাকচ করেছিল। ওই সিদ্ধান্তের পেছনে কনডেনসেট নীতিমালা, ২০১৪-এর সংশ্লিষ্ট বিধানের কথাও উল্লেখ করা হয়। সেখানে বলা হয়েছিল, বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত ফ্রাকশনেশন প্ল্যান্টের জন্য সংগৃহীত বা আমদানি করা কনডেনসেট প্রক্রিয়াজাত করে পাওয়া পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল, কেরোসিন বা এলপিজি সরাসরি অভ্যন্তরীণ বাজারে বাজারজাত করা যাবে না।অন্যদিকে, বিপিসির ২৩ আগস্টের নোট শিট এবং সুপার পেট্রোকেমিক্যালের দ্বিতীয় আবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আগের আবেদন নাকচের তথ্য উভয় ক্ষেত্রেই অনুল্লেখিত রয়েছে। বিশেষ করে কমিটি গঠনের জন্য প্রস্তুত করা নোটে ২০২৪ সালের আবেদন ও পরবর্তী প্রক্রিয়ার কথা থাকলেও আবেদন নাকচের বিষয়টি তুলে ধরা হয়নি।নোটটি প্রস্তুত করেন বিপিসির বাণিজ্য ও অপারেশন বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক তানজিন হোসেন। পরে একই বিভাগের ব্যবস্থাপক মো. ইসতিয়াক হোসেন ও বিভাগীয় প্রধান মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জাহিদ হোসাইন নোটে স্বাক্ষর করেন। এরপর পরিচালক (অপারেশন্স) এ কে মোহাম্মদ সামছুল আহসানের স্বাক্ষরের পর বিপিসির চেয়ারম্যানের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মনজুর আলম প্রধান নোটটি অনুমোদন করেন।পর্ষদে উপস্থাপিত নোটে তথ্য গোপনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব তানজিন হোসেন বলেন, ‘সুপার পেট্রোকেমিক্যালের রিফাইনারি করার প্রথম আবেদন নাকচ হওয়ার বিষয়টি অন্য একটি গোপনীয় চিঠিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জ্ঞাত করা হয়েছে। তাই কমিটি গঠনের নোট শিটে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি।’তিনি আরও বলেন, ‘এখন কমিটি গঠন হয়েছে। কমিটি নিশ্চয়ই পুরো বিষয়গুলো পূর্ণাঙ্গ যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন দেবে।’এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিপিসির পরিচালক (অপারেশন্স) এ কে মোহাম্মদ সামছুল আহসানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে বিপিসির চেয়ারম্যানের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মনজুর আলম প্রধানের ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো বার্তারও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।এখন গঠিত ছয় সদস্যের কমিটি সংবাদ প্রতিবেদন পর্যালোচনার পাশাপাশি সুপার পেট্রোকেমিক্যালের প্ল্যান্ট সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি, প্রসেসিং সক্ষমতা এবং রিফাইনারি স্থাপনের কার্যক্রম যাচাই করবে। সাত দিনের মধ্যে কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7711/নকচর-পরও-রফইনর-করযকরম-সপর-পটরকমকযল-নয়-তদনত-বপস</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7711/নকচর-পরও-রফইনর-করযকরম-সপর-পটরকমকযল-নয়-তদনত-বপস</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7710_1.jpeg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ: কূটনীতির চেয়ে বড় জাতীয় স্বার্থ</title>
				<description>
					​গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি'-তে বাংলাদেশের যোগ দেওয়া উচিত কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এর কৌশলগত, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রভাবগুলো সতর্কতার সঙ্গে খতিয়ে দেখার জন্য বিশেষজ্ঞদের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।​পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর গত সোমবার এ জোটে যোগ দিতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা প্রকাশ করার পর বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে এ মন্তব্যগুলো এলো।​সাবেক কূটনীতিক, গবেষক, শিক্ষাবিদ এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন যে, কোনো সিদ্ধান্তই যেন প্রধান প্রধান আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার যে দীর্ঘদিনের নীতি বাংলাদেশের রয়েছে তা ক্ষুণ্ন না করে, অথবা দেশকে তার জাতীয় স্বার্থের বাইরের কোনো দ্বন্দ্বে টেনে না নেয়।কোনো দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে, যার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় নিরাপত্তা, আঞ্চলিক সম্পর্ক ও অর্থনীতির ওপর পড়তে পারে, সেখানে শুধু তাৎক্ষণিক কৌশলগত লাভ নয়—সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলোকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা জরুরি। বিশেষ করে কোনো সামরিক জোটে বাংলাদেশের মতো একটি দেশের অংশগ্রহণের প্রশ্নে জাতীয় স্বার্থ, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক এবং জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবীর মনে করেন, মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অংশগ্রহণের বিষয়টি এখনই আলোচনার পর্যায়ে আসেনি। তাঁর বক্তব্য, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান ইরানকে এই জোটে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে এসেছে। অর্থাৎ এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হতে পারে, যেখানে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ। তাই বাংলাদেশের কাছে আদৌ কোনো আমন্ত্রণ এসেছে কি না, সেটিই আগে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আমন্ত্রণ এলে তখন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—স্বাক্ষরকারী তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। বিষয়টি ন্যাটো (NATO) চুক্তির অনুচ্ছেদ ৫-এর সঙ্গে তুলনীয়। তবে এই চুক্তির অধীনে ন্যাটোর মতো কোনো একক কমান্ড কাঠামো থাকবে কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয় বলে মনে করেন স্বাধীন গবেষক আলতাফ পারভেজ। তাঁর ধারণা, ভবিষ্যতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো বাংলাদেশকেও এই প্রতিরক্ষা কাঠামোর আওতায় আনার চেষ্টা করতে পারে।আলতাফ পারভেজের মতে, সাম্প্রতিক মার্কিন-ইরান সংঘাতের পর ইরান ও তেহরানের নেতৃত্ব মুসলিম বিশ্বে একটি শক্তিশালী ও দৃঢ় ভাবমূর্তি অর্জন করেছে। এর ফলে সৌদি আরব ও তুরস্ক মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর মধ্যে নিজেদের নেতৃত্বের অবস্থান ধরে রাখার প্রতিযোগিতায় আরও সক্রিয় হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সমর্থন উভয় দেশের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে গত দুই-তিন বছরে বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে তুরস্কের আগ্রহ স্পষ্ট হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ মনে করছেন, সাম্প্রতিক মার্কিন-ইরান যুদ্ধ বিভিন্ন দেশকে তাদের প্রতিরক্ষা নীতি নতুন করে পর্যালোচনা ও পুনর্গঠনের দিকে ঠেলে দিয়েছে। এর ফলে প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতিতে কৌশলগত বৈচিত্র্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবণতা হিসেবে সামনে এসেছে। তাঁদের দৃষ্টিতে মক্কা চুক্তি সেই বৃহত্তর পরিবর্তনের একটি উল্লেখযোগ্য বহিঃপ্রকাশ।তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই ধরনের কোনো সামরিক জোটে যোগ দেওয়ার আগে দীর্ঘদিনের জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতির বিষয়টি বিবেচনায় রাখা জরুরি বলে মনে করেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক এয়ার কমোডর (অব.) ইশফাক ইলাহী চৌধুরী।তিনি উল্লেখ করেন, মিসর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কুয়েত ও কাতারের মতো গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম দেশগুলো এই চুক্তিতে যোগ দেয়নি। অথচ সাধারণ কোনো সীমান্ত না থাকা তিনটি দেশ কেন এমন একটি ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আবদ্ধ হলো, বাংলাদেশের জন্য সেটি বোঝা গুরুত্বপূর্ণ।ইশফাক ইলাহী চৌধুরীর বিশ্লেষণে, পাকিস্তান বর্তমানে আফগানিস্তান ও ভারত সীমান্তে নানা ধরনের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। একই সঙ্গে খাইবার পাখতুনখওয়া ও বেলুচিস্তানের পরিস্থিতিও জটিল। এর পাশাপাশি দেশটির অর্থনীতি বিশাল সামরিক কাঠামো ও জনবলের ব্যয় বহন করতে চাপের মুখে রয়েছে। অন্যদিকে সৌদি আরব ইরান ও ইয়েমেনের হুতিদের নিয়ে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগে রয়েছে। তুরস্কও কুর্দি ইস্যু এবং গ্রিসের সঙ্গে সাইপ্রাস-সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক সমস্যার মধ্যে রয়েছে।এ অবস্থায় বাংলাদেশের সামনে প্রশ্ন হলো—যেসব কারণে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক এই ধরনের প্রতিরক্ষা কাঠামোর প্রয়োজন অনুভব করছে, বাংলাদেশ কি একই ধরনের নিরাপত্তা বাস্তবতার মুখোমুখি? যদি না হয়ে থাকে, তাহলে শুধু ভূরাজনৈতিক সমীকরণের কারণে এমন একটি জোটে যুক্ত হওয়ার প্রয়োজনীয়তা কতটা—সেটি গভীরভাবে পর্যালোচনা করা দরকার।ইশফাক ইলাহী চৌধুরী আরও সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশ এ ধরনের চুক্তিতে যোগ দিলে ইরান ও তার মিত্রদের বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে ভারতের অবস্থানও বিবেচনায় নিতে হবে। কারণ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জ্বালানি আমদানি এবং গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বিষয় রয়েছে। ফলে কোনো প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুধু সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে চলবে না; এর সম্ভাব্য কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবও বিবেচনা করতে হবে।এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—মক্কা চুক্তিতে যোগ দিলে বাংলাদেশের জ্বালানি ও বিনিয়োগসংক্রান্ত সংকট সমাধানে বাস্তব কোনো সুবিধা পাওয়া যাবে কি না। এই প্রশ্নটিও সামনে এনেছেন ইশফাক ইলাহী চৌধুরী।অন্যদিকে আলতাফ পারভেজ মনে করেন, চুক্তিটির অর্থনৈতিক গুরুত্বও কোনোভাবেই উপেক্ষা করা যায় না। উপসাগরীয় দেশগুলো বিশ্ব পুঁজিবাদ ও বিনিয়োগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সাম্প্রতিক মার্কিন-ইসরায়েল হামলার পর ইরানের পাল্টা হামলা এই অঞ্চলের সম্পদ, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। তাঁর মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্রগুলোকে নিরাপদ রাখার বিষয়টিও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছে অগ্রাধিকার পেয়েছে।তাই মক্কা চুক্তিকে কেবল সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের পারস্পরিক নিরাপত্তা সমঝোতা হিসেবে দেখলে পুরো বিষয়টি বোঝা যাবে না। বাংলাদেশ ভবিষ্যতে এই জোটে যুক্ত হওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত নিলে, তার আগে চুক্তিটি বাস্তবে কতটা কার্যকর হচ্ছে, স্বাক্ষরকারী দেশগুলো কীভাবে এটি বাস্তবায়ন করছে এবং এর দীর্ঘমেয়াদি ভূরাজনৈতিক ফলাফল কী হতে পারে—এসব বিষয় নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।আলতাফ পারভেজ আরও মনে করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী সামরিক চুক্তি ও জোটের বিস্তার শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এর প্রভাব বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার মতো ছোট দেশগুলোর ওপরও পড়তে পারে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের অর্থনৈতিক অভিঘাত মোকাবিলা করতে থাকা এসব দেশের জন্য বড় শক্তিগুলোর ক্রমবর্ধমান সামরিকীকরণের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা কঠিন হয়ে উঠতে পারে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাব্বির আহমেদও মক্কা চুক্তির পেছনের উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য পরিণতি গভীরভাবে পর্যালোচনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, সামরিক সক্ষমতা ও বাংলাদেশের ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনা করলে এ ধরনের প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়া কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বাংলাদেশের কী লাভ এবং কী ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে—তা স্পষ্টভাবে চিহ্নিত না করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।তিনি সরকারকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট অংশীদার ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দিয়েছেন। একই সঙ্গে কোনো প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার প্রয়োজন কেন দেখা দিয়েছে এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ কীভাবে সুরক্ষিত হবে—সেটিও জনগণের কাছে পরিষ্কার করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রাষ্ট্রের এমন কোনো সিদ্ধান্তের দায় শেষ পর্যন্ত শুধু সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; তার প্রভাব বহন করতে হয় পুরো জনগোষ্ঠীকে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ব্যক্তির একটি ভুল সিদ্ধান্ত কখনো কখনো একটি দেশের সাধারণ মানুষের জন্য দীর্ঘস্থায়ী বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। ইউক্রেনের অভিজ্ঞতা এ ক্ষেত্রে একটি বড় সতর্কবার্তা—যুদ্ধের সিদ্ধান্তের রাজনৈতিক দায় যারই হোক, যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞের সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হয় সাধারণ মানুষকেই। যুদ্ধের আগুনে ইউক্রেনের বিস্তীর্ণ জনপদ ধ্বংস হয়েছে, অসংখ্য মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং দেশটির অর্থনীতি ও অবকাঠামো ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েছে।বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। তাই দেশের নিরাপত্তা, পররাষ্ট্রনীতি ও সামরিক জোটের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে জনগণের মতামতকে পাশ কাটিয়ে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে এমন কোনো চুক্তি যদি ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে একটি নির্দিষ্ট ভূরাজনৈতিক অবস্থানে নিয়ে যায় এবং তার ফলে কোনো দেশ বা জোটের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে, তাহলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে জাতীয় স্বার্থের পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন অপরিহার্য।মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশ যোগ দেবে কি না—এটি কেবল একটি কূটনৈতিক বা সামরিক সিদ্ধান্ত নয়; এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পররাষ্ট্রনীতি, আঞ্চলিক সম্পর্ক, অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। তাই আবেগ বা তাৎক্ষণিক কূটনৈতিক সুবিধার পরিবর্তে তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ, বিশেষজ্ঞ মতামত, জাতীয় স্বার্থ এবং সর্বোপরি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়েই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7710/মকক-চকতত-বলদশর-অশগরহণ-কটনতর-চয়-বড়-জতয়-সবরথ</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7710/মকক-চকতত-বলদশর-অশগরহণ-কটনতর-চয়-বড়-জতয়-সবরথ</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7707_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>৫০০ কোটির যন্ত্রপাতি, ড্যামেজই ৯৫০ কোটি!</title>
				<description>
					ব্যক্তি স্বার্থের চেয়ে দেশের স্বার্থ অনেক বড়। দায়িত্বে থাকা কিছু ব্যক্তি হিংসা ও লোভের কারণে দেশ ও জনগণের ব্যাপক ক্ষতি করে ফেলেন। এমনই এক ঘটনার শিকার হয়েছে একটি স্টিল মিলস।খবরে জানা গেছে, রোষানলে পড়ে একটি স্টিল মিলস উৎপাদনে যাওয়ার আগেই প্রায় ২ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকা লোকসানের মুখে পড়েছে। ওই শিল্পপ্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে বিনিয়োগ হয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা। বন্দরে এসেছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার আমদানি করা যন্ত্রপাতি। ২৭৫ কনটেইনারে থাকা সেই যন্ত্রপাতি কারখানায় পৌঁছানোর আগেই আটকে যায় দীর্ঘ সময়ের জন্য। এর মধ্যে জমেছে বন্দর ও শিপিং ড্যামেজ, বেড়েছে ব্যাংকঋণের সুদ, বেড়েছে ডলারের মূল্য এবং প্রকল্প ব্যয়।&amp;nbsp;এটি মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে নির্মাণাধীন বসুন্ধরা মাল্টি স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (বিএমএসআইএল) মেগা স্টিল প্রকল্প। বছরে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ টন স্টিল উৎপাদনের সক্ষমতা নিয়ে গড়ে ওঠার কথা এই কারখানাটির। প্রকল্পটি চালু হলে সরাসরি প্রায় সাত হাজার এবং পরোক্ষভাবে প্রায় এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হওয়ার কথা। একই সঙ্গে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রিবার কয়েল ও ওয়্যার রড উৎপাদনের মাধ্যমে আমদানিনির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনাও ছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময় ২০২৪ সালে কমিশনিং তো দূরের কথা, ২০২৬ সালের আগস্টও প্রায় শেষ। এখন আশা করা হচ্ছে, সব জটিলতা কাটিয়ে কাজ এগোলে ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ কারখানাটি উৎপাদনে যেতে পারে।প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে মিরসরাই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রায় ৭০ একর জমির ওপর বিএমএসআইএলকে এই স্টিল কারখানা নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়। উন্নত প্রযুক্তি ও তুলনামূলক কম পরিচালন ব্যয়কে সামনে রেখে প্রকল্পটির নকশা করা হয়। লক্ষ্য ছিল উচ্চমানের স্টিল উৎপাদনের পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণও কমানো।ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানির জন্য ওই সময় কয়েকটি ব্যাংকের সিন্ডিকেটেড টার্ম লোনের মাধ্যমে প্রায় ৫৫০ কোটি টাকার এলসি খোলা হয়। পরবর্তী সময়ে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ২৭৫ কনটেইনারে করে দেশে আসে।কিন্তু যন্ত্রপাতি আসার পরই তৈরি হয় নতুন জটিলতা। বিএমএসআইএল সূত্রের দাবি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি নির্দেশনার কারণে বসুন্ধরা নামধারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে একই ঋণগ্রহীতা হিসেবে বিবেচনা করে এলসির ডকুমেন্ট আটকে দেওয়া হয়। ফলে বন্দরে পড়ে থাকে একের পর এক কনটেইনার।কনটেইনারগুলো পড়ে থাকার কারণে শুধু বন্দর ও শিপিং-সংক্রান্ত ড্যামারেজই বাড়তে বাড়তে প্রায় ৯৫০ কোটি টাকায় পৌঁছায় বলে প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের দাবি। অর্থাৎ যন্ত্রপাতির আমদানি মূল্য যেখানে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা, সেখানে পরবর্তী সময়ে শুধু ড্যামারেজ ও সংশ্লিষ্ট ব্যয়ই তার চেয়ে অনেক বেশি হয়ে যায়।প্রকল্পটির আর্থিক সংকটের শুরু অবশ্য আরও আগে। ২০২২ সালে যখন এলসিগুলো খোলা হয়, তখন ডলারের দাম ছিল প্রায় ৮৪ থেকে ৮৬ টাকা। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে পরবর্তী সময়ে ডলারের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায় এবং টাকার প্রায় ৪০ শতাংশ অবমূল্যায়ন ঘটে।ব্যাংকগুলো ২০২২-২৩ সালের মধ্যেই বিদেশি সরবরাহকারীদের পাওনা পরিশোধ করে। তবে ৩৬০ দিনের পেমেন্ট সুবিধা থাকায় তখন বিএমএসআইএলের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হয়নি। ২০২৪ সালের শুরুতে এসে ব্যাংকগুলো বিএমএসআইএলের কাছে এককালীন প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা দাবি করে।প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের হিসাবে, প্রায় ৫০০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতির বিপরীতে মুদ্রার অবমূল্যায়ন ও মূল্যস্ফীতির কারণে অতিরিক্ত প্রায় ৮৫০ কোটি টাকার দায় তৈরি হয়। বিএমএসআইএল এই অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা করলেও ডকুমেন্ট হস্তান্তরের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো পরে আপত্তি জানায় বলে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের দাবি।তাঁদের বক্তব্য, ওই সময় ডকুমেন্ট হস্তান্তর করা হলে কনটেইনারগুলো কাস্টমস থেকে ছাড়িয়ে যন্ত্রপাতি কারখানায় নেওয়া সম্ভব হতো। কিন্তু তা না হওয়ায় প্রকল্পটি আরও পিছিয়ে যায়।বিএমএসআইএলের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এলসিগুলো কাঁচামালের জন্য নয়, ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানির জন্য খোলা হয়েছিল। তাঁর মতে, কাঁচামাল আমদানি করে কয়েক মাসের মধ্যে উৎপাদন ও বিক্রির মাধ্যমে দায় পরিশোধ করা সম্ভব হলেও একটি রোলিং মিলের ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন।তিনি বলেন, এটি ছিল একটি প্রি-রেভিনিউ প্রকল্প। তাই এ ধরনের চার্জ আরোপ প্রচলিত প্রকল্প অর্থায়ন ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। তাঁর দাবি, পরবর্তী ১৩ মাসে যে ড্যামারেজ জমেছে, তা মুদ্রার অবমূল্যায়ন বা বিএমএসআইএলের কোনো কর্মকাণ্ডের কারণে হয়নি।প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, ব্যাংকের দাবি করা অর্থের ব্যবস্থা করার পরও ডকুমেন্ট না পাওয়ায় কনটেইনারগুলো ছাড়ানো সম্ভব হয়নি। এর মধ্যেই বন্দর ও শিপিং ড্যামেজ প্রায় ৪০০ কোটি টাকায় পৌঁছে যায়। একই সঙ্গে ঋণের সুদও বাড়তে থাকে।২০২৬ সালের এপ্রিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশে অগ্রণী ব্যাংককে বিএমএসআইএলকে ওই নির্দেশনা থেকে পৃথকভাবে বিবেচনার কথা জানানো হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। তবে তত দিনে প্রকল্পটির ওপর বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি হয়ে গেছে।প্রকল্পটির অর্থায়নে অগ্রণী ব্যাংকের নেতৃত্বে আটটি ব্যাংকের একটি কনসোর্টিয়াম গঠন করা হয়। এতে অগ্রণী ব্যাংকের সঙ্গে সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া ও এসবিএসি রয়েছে।এই কনসোর্টিয়াম মোট ২ হাজার ৩৫০ কোটি টাকার সিন্ডিকেটেড টার্ম লোন অনুমোদন করে। এর মধ্যে ছাড় হয়েছে মাত্র ৫৭৬ কোটি টাকা, যা অনুমোদিত ঋণের ২৪ দশমিক ৫১ শতাংশ। বাকি ১ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকা এখনো ব্যাংকগুলোর কাছেই রয়েছে।৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত প্রকল্পটির সুদ ও আবগারি শুল্ক দাঁড়িয়েছে ৮৫৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে সিন্ডিকেটেড ঋণের বিতরণকৃত অংশের ওপর ২৪৬ কোটি এবং ‘ফোর্সড লোনের’ ওপর ৬১১ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এ ব্যয় এখনো বাড়ছে।বিএমএসআইএল এ পর্যন্ত ৪১১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে জানা গেছে। প্রতিষ্ঠানটির স্পন্সর ইকুইটি ও অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এই অর্থ দেওয়া হয়েছে।প্রকল্পটি যখন হাতে নেওয়া হয়, তখন মোট বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ৪ হাজার ১৬০ কোটি টাকা। কিন্তু ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, ঋণের সুদ, বিলম্ব এবং অন্যান্য আর্থিক চাপের কারণে এখন সেই ব্যয় বেড়ে প্রায় ৭ হাজার ১১৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।অর্থাৎ উৎপাদন শুরুর আগেই প্রকল্পটির ব্যয় প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বেড়ে গেছে।বিএমএসআইএল কর্তৃপক্ষের হিসাবে, প্রকল্পটির ওপর তৈরি হওয়া প্রায় ২ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকার আর্থিক চাপের প্রধান খাতগুলো হলো—নিষ্পত্তিকৃত এলসির বিপরীতে মুদ্রার অবমূল্যায়ন ও মূল্যস্ফীতিজনিত প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা, বন্দর ড্যামেজ ও কনটেইনার ডিটেনশনসহ অন্যান্য ব্যয় প্রায় ৯৫০ কোটি টাকা, ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত ব্যাংকের সুদ ও আবগারি শুল্ক ৮৫৮ কোটি টাকা এবং ইউটিলিটি অবকাঠামো দ্রুত বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ৩০০ কোটি টাকা।প্রকল্পটির আরেকটি বড় সমস্যা ছিল গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ। অর্থনৈতিক অঞ্চলের অভ্যন্তরে এসব ইউটিলিটি অবকাঠামো স্থাপনের দায়িত্ব সরকার ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) হলেও বিএমএসআইএলকে এ খাতেও বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটির দাবি।প্রথম পর্যায়ে ৫০ বছরের জন্য গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্দেশ্যে বসুন্ধরা প্রায় ২৯০ কোটি টাকা অগ্রিম পরিশোধ করে। পরে ইউটিলিটি সংযোগ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বেজা পর্যাপ্ত অর্থ ও নির্দিষ্ট সময়সীমা দিতে না পারায় বিএমএসআইএল নিজস্ব অর্থে অবকাঠামো নির্মাণে আরও প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয় করে।এর মধ্যে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে প্রায় ২৫০ কোটি, গ্যাস সংযোগে ৪০ কোটি এবং পানির লাইনে ১০ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানি দৈনিক ৩ মিলিয়ন স্ট্যান্ডার্ড কিউবিক ফুট গ্যাস সরবরাহের অনুমোদন দেয়। বেজা ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডও পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ অনুমোদন করে। তবে সরবরাহ বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ভৌত অবকাঠামো বিএমএসআইএলকেই নিজস্ব অর্থে নির্মাণ করতে হয়েছে বলে প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানান।এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা দুবার টাকা দিয়েছি। একবার মেয়াদের জন্য, আরেকবার দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য। তারপরও এমন কারণে আমরা পিছিয়েছি, যা সম্পূর্ণভাবে আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।’বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএম) প্রেসিডেন্ট শওকত আজিজ রাসেল বলেন, একজন ব্যবসায়ীকে এককভাবে দায়ী করার সুযোগ তিনি দেখছেন না। তাঁর মতে, ডলারের দরের কারণে শিল্প খাতে বড় ধরনের লোকসান হয়েছে এবং ঋণ পরিশোধের সময়ও বাড়তি দরে ডলার কিনতে হচ্ছে।অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নীতি প্রণয়নে ঘাটতি ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ওই সময়ে অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য কার্যকর নীতি গ্রহণ করা হয়নি এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তির প্রভাবেও দেশীয় ব্যবসায়ীরা চাপে পড়েছেন।তাঁর ভাষায়, অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা এখন অনেক বেশি সংকটে রয়েছেন। তিনি মনে করেন, একটি প্রাণবন্ত অর্থনীতির জন্য বাজারে অর্থের স্বাভাবিক সঞ্চালন জরুরি।প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, বিএমএসআইএল চালু হলে দেশের স্টিল খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে রিবার কয়েল ও ওয়্যার রড দেশে উৎপাদিত হলে এসব পণ্যের আমদানিনির্ভরতা কমবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি দেশীয় শিল্পের সরবরাহব্যবস্থাও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ রয়েছে।প্রকল্পটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতি টন রড উৎপাদনে প্রায় ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় হতে পারে। উন্নত প্রযুক্তির কারণে তুলনামূলক কম পরিচালন ব্যয়ে উৎপাদন করা সম্ভব হবে বলেও সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা, সরবরাহ শৃঙ্খলার সীমাবদ্ধতা, বন্দর জট এবং কাঁচামালের দামের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণ করা গেলে দশকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশের স্টিল শিল্প বছরে ১১ থেকে ১৫ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে।তাঁদের মতে, বড় শিল্প প্রকল্প বাস্তবায়নে দেশীয় উদ্যোক্তারা যদি নীতিগত জটিলতা বা অনিশ্চয়তার কারণে বড় ধরনের লোকসানে পড়েন, তাহলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছেও তা নেতিবাচক বার্তা দেবে। এতে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল-এসবিজির চিফ অপারেটিং অফিসার শাহেদ জাহিদ বলেন, উন্নত ও নিম্ন-নিঃসরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশে রিবার কয়েল ও ওয়্যার রড উৎপাদনের লক্ষ্যেই প্রকল্পটিতে বিনিয়োগ করা হয়েছে। প্রচলিত উৎপাদন পদ্ধতির তুলনায় কম ব্যয়ে উচ্চমানের স্টিল উৎপাদনের পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যও রয়েছে।তিনি বলেন, প্রকল্পটি প্রকৌশল গ্র্যাজুয়েট ও দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। কিন্তু প্রকল্পের ব্যয় ৪ হাজার ১৬০ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৭ হাজার ১১৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে কমিশনিংয়ের সময়ও ২০২৪ সালের শেষ থেকে পিছিয়ে ২০২৭ সালের শেষে নেওয়া হয়েছে।শাহেদ জাহিদের ভাষায়, হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের পরও গ্রুপটি এখন অত্যন্ত অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি। প্রতিটি অতিরিক্ত বিলম্ব প্রকল্পের ব্যয় বাড়াচ্ছে, আর্থিক সক্ষমতা দুর্বল করছে এবং একই সঙ্গে বিনিয়োগকারী ও ঋণদাতা—দুই পক্ষের ওপরই চাপ বাড়াচ্ছে।প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিনিয়োগের পরিমাণ, কর্মসংস্থান এবং উৎপাদন সক্ষমতার বিচারে বিএমএসআইএল শুধু একটি স্টিল কারখানা নয়; এটি দেশের শিল্পায়নের বড় একটি উদ্যোগ। কিন্তু নীতিগত সিদ্ধান্ত, ব্যাংকিং জটিলতা, এলসি-সংক্রান্ত সমস্যা, বন্দর ড্যামেজ এবং ইউটিলিটি অবকাঠামোর বিলম্বের কারণে প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ের তুলনায় অন্তত তিন বছর পিছিয়ে গেছে।এদিকে বর্তমান সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির কথা বলছে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ নিচ্ছে। শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, এখন বড় প্রয়োজন বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর জটিলতা দূর করা, ব্যাংকিং ও এলসি ব্যবস্থাকে সহজ করা এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য নীতিপরিবেশ নিশ্চিত করা। কারণ একটি বড় শিল্প প্রকল্পের বিলম্ব শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে কর্মসংস্থান, রাজস্ব, উৎপাদন, আমদানি ব্যয় এবং সামগ্রিক অর্থনীতির সম্ভাবনা।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7707/৫০০-কটর-যনতরপত-ডযমজই-৯৫০-কট</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7707/৫০০-কটর-যনতরপত-ডযমজই-৯৫০-কট</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7705_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>হানাফি মাজহাব থেকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী নিযুক্তের দাবি লিংকনকে সরিয়ে  মধুপুর পীর সাহেবের</title>
				<description>
					সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কঠোর সমালোচনা করে মধুপুর পীর সাহেব বলেন, ‘‘ইউনুস সর্বস্বান্ত করে দিয়ে গেছে অল্প কয়দিনের মধ্যে, ইউনূস আইসে সর্বনাশ করে রেখে গেছে দেশকে।&quot; জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ট্রান্সজেন্ডার বান্ধব শ্রম আইনের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি সরকারকে এ ধরনের আইন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, পুরুষ নারী হওয়া বা নারী পুরুষ হওয়া কোনো ধর্মেই (ইসলাম, হিন্দু, খ্রিষ্টান, ইহুদি) স্বীকৃত নয়।&amp;nbsp;বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, সাহাবায়ে কেরাম (রা.) হলেন হকের মাপকাঠি। যারা সাহাবায়ে কেরামকে মানে না, তারা ইসলামের শত্রু, ভণ্ড ও প্রতারক। এ দলটির প্রতিষ্ঠাতা আবুল আলা মওদুদীর ভাবধারার জামায়াত কখনো ইসলামের প্রকৃত কাজ করেনি। তিনি নির্বাচনের আগে 'রোজা-পূজা সমান' মন্তব্যের প্রতিবাদ জানান এবং গাইবান্ধায় মন্দির নির্মাণের বিষয়ে কেন মুসলমান ও আলেমরা চুপ রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।&amp;nbsp;দেশে ৯০ ভাগ মানুষ হানাফি মাজহাবের অনুসারী উল্লেখ করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের এই নায়েবে আমীর বর্তমান ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর ভূমিকা ও আকিদা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি অভিযোগ করেন, হানাফি মাজহাবের বাইরের লোক বা 'লা-মাযহাবী' আকিদার কাউকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে বসানোয় দেশে বিভ্রান্তি ও অশান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি অবিলম্বে সরকার ও ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর অবস্থান পরিষ্কার করার আহ্বান জানান এবং হানাফি মাজহাবের অনুসারী কোনো যোগ্য আলেমকে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী হিসেবে উপহার দেওয়ার দাবি জানান।&amp;nbsp;‘‘আমি অনুরোধ করব, আমি বা আমরা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত হানাফী মাযহাবের লোক। আমাদের শতকরা ৯০ ভাগ হানাফী। হানাফী মাজহাবের একজন ভালো আলেমকে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী দেওয়া হোক’’, দাবি জানান তিনি।&amp;nbsp;আল্লামা আব্দুল হামিদ (মধুপুরী পীর সাহেব) আরও জানান, নবনিযুক্ত ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর পক্ষে বারবার তাঁর সাক্ষাৎ ও দাওয়াত নিয়ে একাধিকবার লোক পাঠানো হলেও তিনি এই সপ্তাহে কথা না বলে আগামী সপ্তাহে কথা বলার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্ক ও বিভ্রান্তি এড়াতে তিনি যেন অবিলম্বে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিজের আকিদা ও অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি পরামর্শ দেন যে, (ধর্ম প্রতিমন্ত্রী) নিজে 'হানাফী মাযহাবের অনুসারী এবং লা-মাযহাবী নন' মর্মে প্রকাশ্যে বিবৃতি দিলে সব বিভ্রান্তির নিরসন হবে এবং উদ্ভূত সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান ঘটবে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7705/হনফ-মজহব-থক-ধরম-পরতমনতর-নযকতর-দব-লকনক-সরয়-মধপর-পর-সহবর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7705/হনফ-মজহব-থক-ধরম-পরতমনতর-নযকতর-দব-লকনক-সরয়-মধপর-পর-সহবর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7704_1.webp" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>দ্রুত নীতিমালা ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা</title>
				<description>
					প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো বড় ও প্রধান সড়কগুলোতে চলাচল শুরু করেছে। এতে মানুষের চলাচলে কিছু সুবিধা তৈরি হলেও নানা ধরনের অসুবিধাও দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং রিকশাচালকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি এসব যানবাহন কারিগরি দিক থেকে যথেষ্ট নিরাপদ ও মানসম্মত কি না, সেটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।তিনি বলেন, সরকার খুব দ্রুত এ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে। কোন এলাকায় এবং কতটুকু এসব যান চলাচল করতে পারবে, যানবাহনের মান কেমন হবে এসব বিষয় নীতিমালায় নিশ্চিত করা হবে।সংবাদ সম্মেলনে সরকারের অন্যতম প্রধান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি ফ্যামিলি কার্ডের দ্বিতীয় পর্যায় শুরুর কথাও তুলে ধরেন ডা. জাহেদ উর রহমান। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নে ৪৫৭ জন উপকারভোগীর হাতে কার্ড তুলে দেয়ার মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।এদিন সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ ও প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7704/দরত-নতমল-বযটরচলত-রকশর-জনয-পরধনমনতরর-উপদষট</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7704/দরত-নতমল-বযটরচলত-রকশর-জনয-পরধনমনতরর-উপদষট</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7701_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>প্রধানমন্ত্রীর  বৈঠক শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট নিয়ে</title>
				<description>
					বৈঠকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে মেয়েদের জন্য চালু হওয়া সার্বজনীন উপবৃত্তি কর্মসূচির প্রভাব ও অর্জন নিয়েও আলোচনা হয়। ওই সময় মেয়েদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং বাল্যবিবাহ নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে সার্বজনীন উপবৃত্তির ইতিবাচক প্রভাবের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।&amp;nbsp;এ প্রেক্ষাপটে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা পর্যালোচনার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে সম্ভাব্য ব্যয়, উপকারভোগীর সংখ্যা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং প্রত্যাশিত সামাজিক ও শিক্ষাগত প্রভাব বিশ্লেষণ করে একটি সুস্পষ্ট প্রস্তাব প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।&amp;nbsp;একই সঙ্গে ছেলেদের শিক্ষায় উৎসাহিত করতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উপবৃত্তি দেওয়ার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।&amp;nbsp;বৈঠকে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিকেও শিক্ষার মানোন্নয়নের সঙ্গে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ সময় বিদ্যালয় পর্যায়ে মিড-ডে মিল কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা, খাবারের পুষ্টিমান এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুত ও সরবরাহ নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।&amp;nbsp;প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবার যাতে পুষ্টিকর, নিরাপদ ও মানসম্মত হয় এবং কোনোভাবেই খাদ্যের মান নিয়ে আপস না করা হয়, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।&amp;nbsp;মিড-ডে মিল কার্যক্রম বাস্তবায়নে ব্যয়, ব্যবস্থাপনার দক্ষতা, স্থানীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ এবং খাবারের মান নিয়ন্ত্রণের বিষয় বিবেচনায় রেখে দুটি বিকল্প পদ্ধতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। উভয় পদ্ধতির কার্যকারিতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা ও সম্ভাব্য ফলাফল যাচাই করার লক্ষ্যে পৃথক দুটি জেলায় প্রতিটি পদ্ধতির পাইলট প্রকল্প চালুর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।&amp;nbsp;বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7701/পরধনমনতরর-বঠক-শকষ-সহযত-টরসট-নয</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7701/পরধনমনতরর-বঠক-শকষ-সহযত-টরসট-নয</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7695_1.webp" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>সিইসি জানালেন স্থানীয় নির্বাচন কবে হতে পারে,</title>
				<description>
					সোমবার (২৪ আগস্ট) নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে ‘স্ট্র্যাটেজিক লিডারশিপ ফর বাংলাদেশ লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশন’ বিষয়ে এক্সেল এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ ডায়ালগ অনুষ্ঠান শেষে এসব কথা বলেন তিনি।প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য আমাদের কিছু আইন-কানুন ও বিধি-বিধান সংশোধন করতে হচ্ছে। তবে তেমন সময় লাগবে না। আমাদের তরফ থেকে আমরা কাজ করে ফেলেছি এবং মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছি।তিনি বলেন, আমাদের কমিটমেন্টের কোনও ঘাটতি নেই। আমরা ঠিক যে নির্বাচন (জাতীয় নির্বাচন) করেছি, যেভাবে করেছি, তার চেয়ে খারাপ হবে না। বরং আমরা তার চেয়ে আরও ভালো করতে চাইব। ওই নির্বাচনে যে স্ট্যান্ডার্ড আমরা সেট করেছি, তার নিচে তো আমরা যেতে পারি না। সুতরাং ওই স্ট্যান্ডার্ড থাকবেই। যদি পারি, তার চেয়েও আরও ভালো করবো। আশা করি, সবার সহযোগিতা নিয়ে আমরা পারবো। কোনও অসুবিধা হবে না।সরকারের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে জানিয়েছে কিনা জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ‘সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেবে না, আমরাই নেব। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শক্রমে আমরাই সিদ্ধান্ত নেব। দিনক্ষণ আমরাই ঠিক করবো। এটা এমন নয় যে সরকার একটি তারিখ দেবে আর আমরা তা ঘোষণা করে দেব। আমাদের সামগ্রিক প্রস্তুতি চলমান আছে।’এ সময় অনুষ্ঠানে অন্য নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7695/সইস-জনলন-সথনয়-নরবচন-কব-হত-পর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7695/সইস-জনলন-সথনয়-নরবচন-কব-হত-পর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7686_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>পদোন্নতির মানদণ্ড  হবে পেশাগত দক্ষতা-যোগ্যতা : প্রধানমন্ত্রী</title>
				<description>
					নির্বাচনী পর্ষদের কার্যক্রম শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে অ্যাডমিরাল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন। পরে তিনি নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে অভিনন্দন জানান।উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন।একই সঙ্গে তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নিহত এবং ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হতাহতদের অবদান স্মরণ করেন।এ ছাড়া মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী শহীদ, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিশেষ করে নৌ ও বিমান বাহিনীর শহীদসহ সব বীর সেনানীর আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে থাকার জন্য নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশ দেন তিনি। পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলা, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব পালনের উপযুক্ততাকে পদোন্নতির ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। দেশের প্রয়োজনে এই ত্যাগ ও অবদানের জন্য দুই বাহিনীর প্রধানসহ সব সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।‘নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’-এর উদ্বোধন এবং বিভিন্ন অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, প্রতিরক্ষা সচিবসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7686/পদননতর-মনদণড-হব-পশগত-দকষত-যগযত-পরধনমনতর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7686/পদননতর-মনদণড-হব-পশগত-দকষত-যগযত-পরধনমনতর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7679_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের শ্রদ্ধা নিবেদন জাতীয় স্মৃতিসৌধে </title>
				<description>
					শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রেসিডেন্ট কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে এবং বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর।&amp;nbsp;পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রেসিডেন্ট স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একটি স্মারক বৃক্ষরোপণ করেন।&amp;nbsp;এরপর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।&amp;nbsp;অনুষ্ঠানে সরকারের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা, সামরিক বাহিনীর প্রধানগণ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সাভার ও আশপাশের এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি গণপূর্ত বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও পুরো এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তাবেষ্টনী জোরদার করা হয়।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7679/নবনরবচত-পরসডনটর-শরদধ-নবদন-জতয-সমতসধ</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7679/নবনরবচত-পরসডনটর-শরদধ-নবদন-জতয-সমতসধ</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title> ভারত প্রশ্নে আবেগ নয়, জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে</title>
				<description>
					১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর একই বছরের ২১ ডিসেম্বর তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাইয়ের আমন্ত্রণে ভারত সফর করেন জিয়াউর রহমান। তাঁর ভারত সফর নিয়ে নিজ সরকারের ভেতরেও ভিন্নমত ছিল। কিন্তু তিনি রাজনৈতিক হিসাবের চেয়ে জাতীয় স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। সেই সফরের ধারাবাহিকতায় গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে যে চুক্তি হয়েছিল, তা বাংলাদেশের পানিস্বার্থের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতির আরেকটি বৈশিষ্ট্য ছিল বহুমাত্রিক সম্পর্ক গড়ে তোলা। জাপান ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং জনশক্তি রপ্তানির নতুন সুযোগ সৃষ্টি—সবকিছুর পেছনেই ছিল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ। ভারতের সঙ্গে পানিবণ্টন ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও তিনি বাস্তববাদী অবস্থান নিয়েছিলেন। অর্থাৎ কোনো একটি দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নয়, বরং জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলাই ছিল তাঁর কূটনৈতিক দর্শনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।বেগম খালেদা জিয়ার পররাষ্ট্রনীতিতেও একই ধরনের বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি দেখা যায়। ১৯৯১ সালে সরকার গঠনের পর যুক্তরাষ্ট্র সফরের পরই তিনি ভারত সফর করেন। ২০০৬ সালেও তিনি ভারত সফর করেন। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ছিল ২০১২ সালে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে তাঁর ভারত সফর। সাত দিনের ওই সফরে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন এবং দেশটির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সম্মান পান।সে সময় বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের শরিকদের একটি অংশ এবং দলের ভেতরের অনেকে ভারত সফর নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া রাজনৈতিক চাপের পরিবর্তে নিজের বিবেচনাকে প্রাধান্য দিয়ে সফরটি করেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, বিএনপি ভারতবিরোধিতার রাজনীতি করে না। রাষ্ট্রীয় স্বার্থে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা তিনি তখনও উপলব্ধি করেছিলেন।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সেই বাস্তববাদী কূটনৈতিক ধারার উত্তরসূরি হিসেবে এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সামনে একই ধরনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। তাঁর সরকারের ঘোষিত ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির বাস্তব প্রয়োগ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এমন জায়গাতেই, যেখানে আবেগ, রাজনৈতিক চাপ এবং রাষ্ট্রীয় স্বার্থের মধ্যে পার্থক্য তৈরি হয়।দুঃখজনকভাবে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে নানা অসংগতি তৈরি হয়েছিল। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের স্বার্থের চেয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা ও ব্যক্তিগত বৈশ্বিক ভাবমূর্তিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে—এমন অভিযোগও উঠেছিল। ‘বিশ্ব আমাদের কাছে আসবে’—এমন প্রত্যাশার কথা বলা হলেও বাস্তবে বাংলাদেশের কূটনৈতিক পরিসর অনেক ক্ষেত্রে সংকুচিত হয়েছে।বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতিতে বাংলাদেশের কোনো দৃশ্যমান লাভ হয়নি। বরং বাণিজ্য, ভিসা, সীমান্ত, যোগাযোগ এবং মানুষের পারস্পরিক যাতায়াতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিভিন্ন সময়ে তৎকালীন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ভারতবিরোধী বক্তব্যও দুই দেশের সম্পর্কে অস্বস্তি বাড়িয়েছে। ভারতের সঙ্গে ‘অসম চুক্তি’ বাতিলের ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে বড় ধরনের কোনো চুক্তি বাতিল হয়নি। একইভাবে আদানি বিদ্যুৎ চুক্তি বাতিলের আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তব রূপ পায়নি।চীন সফরের সময় উত্তর-পূর্ব ভারতের ‘সেভেন সিস্টার্স’ নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যও দুই দেশের সম্পর্কে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছিল। একটি রাষ্ট্রের সরকারপ্রধানের বক্তব্য প্রতিবেশী দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত হলে তার কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। এ ধরনের বক্তব্যের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে।এরই মধ্যে ভারত বাংলাদেশের পণ্যের জন্য নির্দিষ্ট বন্দর ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করে। এতে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। ভিসা কার্যক্রমও দীর্ঘ সময় কার্যত সীমিত ছিল। চিকিৎসা, শিক্ষা ও ব্যবসার প্রয়োজনে ভারতে যাতায়াতকারী বাংলাদেশিদের ভোগান্তি বাড়ে। সীমান্তে বিভিন্ন সময়ে উত্তেজনা তৈরি হয়। দুই দেশের সম্পর্কের এই অবনতিতে বাংলাদেশের অর্থনীতি বা সাধারণ মানুষের কোনো স্থায়ী সুবিধা তৈরি হয়নি।এমনকি দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রভাব ক্রীড়াঙ্গনেও পড়েছে। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মতো বড় আন্তর্জাতিক আয়োজনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়া দেশের ক্রীড়া ভাবমূর্তির জন্যও ইতিবাচক ছিল না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, দীর্ঘদিনের একটি প্রতিবেশী সম্পর্কের অবনতি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিতেও প্রশ্ন তৈরি করে।তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতি পরিবর্তনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর বাংলাদেশে এসে শোক ও সমবেদনা জানান। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে অভিনন্দন জানান এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানেও ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিরালার উপস্থিতি ছিল তাৎপর্যপূর্ণ।এরপরও বিভিন্ন উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। একই সময়ে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আগ্রহের কথাও জানিয়েছে। বাংলাদেশের জন্যও এটি একটি সুযোগ—দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে আস্থা তৈরি করার।ভারতের পক্ষ থেকে দিনেশ ত্রিবেদীর মতো একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদকে বাংলাদেশে হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া এবং ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালুর উদ্যোগ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ইঙ্গিত বহন করে। জ্বালানি সংকটের সময় ভারত বাংলাদেশের পাশে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। গ্যাস ও জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের সংকট তৈরি হলে ভারত থেকে আমদানির সুযোগ তৈরি হওয়ায় বাজার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। এসব ছোট ঘটনা হলেও এগুলো দুই দেশের পারস্পরিক নির্ভরতার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।বাংলাদেশের জন্য ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের গুরুত্ব কেবল রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক নয়; এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত দেশের অর্থনীতি। বাংলাদেশের পোশাক ও উৎপাদন খাতের বিভিন্ন শিল্পে তুলা, সুতা, কাপড়, রাসায়নিক, রং, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশসহ নানা ধরনের কাঁচামাল ও উপকরণের প্রয়োজন হয়। ভারতের ভৌগোলিক নৈকট্যের কারণে এসব পণ্য দ্রুত ও তুলনামূলক কম খরচে আনা সম্ভব। সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে বিকল্প হিসেবে চীন বা দূরবর্তী কোনো বাজার থেকে পণ্য আনতে পরিবহন ব্যয় বাড়বে, সময় বেশি লাগবে এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বেশি মজুত রাখতে হবে।এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত উৎপাদন ব্যয় ও রপ্তানি প্রতিযোগিতায় পড়বে। বাংলাদেশের শিল্পের একটি বড় সুবিধা হলো ভৌগোলিক অবস্থান। সড়ক, রেল, নৌপথ এবং সীমান্ত বাণিজ্যের মাধ্যমে ভারতীয় বাজারের পাশাপাশি নেপাল, ভুটান ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাজারেও প্রবেশের সুযোগ রয়েছে। আঞ্চলিক যোগাযোগ ও ট্রানজিট ব্যবস্থার ক্ষেত্রে ভারতের সহযোগিতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সম্পর্কের অবনতি হলে এসব সম্ভাবনাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।পানিবণ্টন, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, ট্রানজিট, নিরাপত্তা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ জড়িত। ভারত বাংলাদেশের জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, বাংলাদেশও ভারতের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই সম্পর্কটি একতরফা নির্ভরতার নয়; বরং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে পরিচালনা করার সুযোগ রয়েছে।নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও একই বাস্তবতা প্রযোজ্য। সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, চোরাচালান, মানব পাচার, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় দুই দেশের মধ্যে তথ্য ও সহযোগিতা বিনিময় গুরুত্বপূর্ণ। এই সহযোগিতা দুর্বল হলে উভয় দেশই ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।অবশ্যই এর অর্থ এই নয় যে বাংলাদেশের সব বিষয়ে ভারতের সঙ্গে একমত হতে হবে। সীমান্তে হত্যা, পানির ন্যায্য হিস্যা, বাণিজ্য বৈষম্য, পণ্যবাজারে বিধিনিষেধ কিংবা যেকোনো অসম চুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশকে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে। জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে আপস না করেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব। বরং কূটনীতির প্রকৃত সাফল্য এখানেই—বন্ধুত্ব থাকবে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থও সুরক্ষিত থাকবে।বাংলাদেশের সামনে তাই ভারতকে বেছে নেওয়া অথবা অন্য কোনো শক্তিকে বেছে নেওয়ার প্রশ্ন নয়। প্রশ্ন হলো, কীভাবে ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্যসহ সব অংশীদারের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক রেখে বাংলাদেশের স্বার্থ সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিশ্চিত করা যায়। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির প্রকৃত অর্থও সেটিই।এই বাস্তবতার বিপরীতে দেশের ভেতর থেকে যদি কেউ সরকারকে অতিরিক্ত ভারতবিরোধী অবস্থানের দিকে ঠেলে দিতে চায়, তাহলে প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। একটি দেশের সঙ্গে একটি বা একাধিক বিষয়ে মতবিরোধ থাকতেই পারে। কিন্তু একটি ইস্যুর কারণে সব ধরনের আলোচনা ও সহযোগিতার দরজা বন্ধ করে দেওয়া কোনো বিচক্ষণ কূটনীতি হতে পারে না।ভারতবিরোধী মনোভাবকে রাজনৈতিক জনপ্রিয়তার হাতিয়ার বানানোর ঝুঁকিও কম নয়। অতিরিক্ত সংঘাতমূলক অবস্থান রাজনৈতিক বিভাজন বাড়াতে পারে, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে এবং অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার মধ্যে বাংলাদেশকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে একটি পক্ষের দিকে ঠেলে দেওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হবে।বিএনপি একটি উদার ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেয়। তাই দলটির নেতৃত্বাধীন সরকারের পররাষ্ট্রনীতিতেও বাস্তববাদ, ভারসাম্য এবং জাতীয় স্বার্থের প্রতিফলন থাকা প্রয়োজন। ভারতবিরোধিতা দিয়ে নয়, বাংলাদেশের স্বার্থ আদায় করার সক্ষমতা দিয়েই সরকারের কূটনৈতিক সাফল্য বিচার করা উচিত।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সামনে এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ রয়েছে। তিনি চাইলে জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার বাস্তববাদী পররাষ্ট্রনীতির ধারাকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করে এগিয়ে নিতে পারেন। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পাশাপাশি দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান নেওয়া সম্ভব। আলোচনার টেবিলেই পানির হিস্যা, সীমান্ত, বাণিজ্য, জ্বালানি, যোগাযোগসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে বাংলাদেশের দাবি তুলে ধরতে হবে।কূটনীতিতে মান-অভিমান কিংবা জেদের কোনো স্থায়ী মূল্য নেই। রাষ্ট্রের স্বার্থই সেখানে শেষ কথা। তাই ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ গ্রহণ করে তারেক রহমানের ভারত সফর করা উচিত কি না—এই প্রশ্নের উত্তরও রাজনৈতিক আবেগ দিয়ে নয়, বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থের আলোকে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।বাংলাদেশের মানুষ এমন একটি পররাষ্ট্রনীতি চায়, যেখানে কোনো দেশের প্রতি অন্ধ আনুগত্য নেই, আবার অকারণ বৈরিতাও নেই। যেখানে বন্ধুত্ব থাকবে, কিন্তু আত্মসম্মান অক্ষুণ্ন থাকবে; সহযোগিতা থাকবে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দেওয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির সবচেয়ে বড় পরীক্ষা এখন এখানেই।দেশের জনগণের প্রত্যাশা—তিনি কোনো পক্ষের চাপ বা আবেগের কাছে নতি স্বীকার করবেন না। বরং রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ, অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং জনগণের কল্যাণকে সামনে রেখে নিজস্ব বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেবেন। শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলেই বাংলাদেশের স্বার্থ সবচেয়ে শক্তভাবে তুলে ধরতে হবে। আর সেই সিদ্ধান্তই হবে প্রকৃত অর্থে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ কূটনীতির প্রতিফলন।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7677/ভরত-পরশন-আবগ-নয়-জতয়-সবরথক-অগরধকর-দত-হব</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7677/ভরত-পরশন-আবগ-নয়-জতয়-সবরথক-অগরধকর-দত-হব</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7672_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>আগামী শুক্রবার নতুন রাষ্ট্রপতি শপথ নেওয়ার তারিখ ঘোষণা</title>
				<description>
					রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, সরকারপ্রধান, মন্ত্রিসভার সদস্য, রাজনীতিবিদ, সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা এবং কূটনীতিক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন।উল্লেখ্য, গত ২৪ জুলাই ‌‘শারীরিক ও মানসিক’ গুরুতর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়েন মো. সাহাবুদ্দিন।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7672/আগম-শকরবর-নতন-রষটরপত-শপথ-নওয়র-তরখ-ঘষণ</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7672/আগম-শকরবর-নতন-রষটরপত-শপথ-নওয়র-তরখ-ঘষণ</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7667_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title> মাদক নির্মূলে দরকার মাঠ প্রশাসনের কঠোর উদ্যোগ, রূপগঞ্জ হতে পারে দৃষ্টান্ত</title>
				<description>
					রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে গত কয়েক মাস ধরে মাদকের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। মাদক কারবারি থেকে শুরু করে সেবনকারী—কেউই ছাড় পাচ্ছেন না। পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া কিংবা পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ আসা—উভয় ক্ষেত্রেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দিয়ে অনেককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মাদক, ভূমিদখল এবং ভেজালের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন ইউএনও সাইফুল ইসলাম। গত চার মাসে উপজেলাজুড়ে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে চার শতাধিক মাদক কারবারি ও সেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মাদকবিরোধী জনসচেতনতা তৈরিতেও নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ।প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, নিয়মিত অভিযান ও কঠোর আইন প্রয়োগের কারণে রূপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় মাদকের আস্তানাগুলো অনেকটাই গুটিয়ে আসছে। একসময় যেসব স্থানে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনা বা সেবনের অভিযোগ ছিল, সেসব জায়গায় এখন প্রশাসনের নজরদারি বেড়েছে। ফলে মাদক কারবারিদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও বেড়েছে স্বস্তি।উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশিকুর রহমান বলেন, ‘মাদকের করাল গ্রাস থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে ইউএনও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছেন। গত চার মাসে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে চার শতাধিক মাদক কারবারি ও সেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। শুধু আইন প্রয়োগ নয়, মাদকবিরোধী জনসচেতনতা তৈরিতেও তিনি কাজ করছেন।’তবে মাদকের বিরুদ্ধে ইউএনও সাইফুল ইসলামের ভূমিকা শুধু আইন প্রয়োগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বলে জানান স্থানীয়রা। প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোরও চেষ্টা করছেন তিনি। দূরদূরান্ত থেকে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে আসা হতদরিদ্র, অসুস্থ ও অসহায় মানুষকে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগেও সহযোগিতা করার কথা জানিয়েছেন স্থানীয়রা।রাহেলা খাতুন ও জুয়েল মিয়ার মতো অসহায় মানুষের ভাষ্য, কঠোর প্রশাসকের পাশাপাশি ইউএনও সাইফুল ইসলাম একজন মানবিক কর্মকর্তা হিসেবেও মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছেন। তাদের মতে, প্রশাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কর্মকর্তার ব্যক্তিগত আন্তরিকতারও বড় ভূমিকা রয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মাদক নির্মূল শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একার দায়িত্ব নয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং মাঠ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করলে মাদকের বিরুদ্ধে আরও কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব। রূপগঞ্জে সাম্প্রতিক অভিযানের অভিজ্ঞতা সেই সম্ভাবনাই সামনে এনেছে।তাদের মতে, দেশের প্রতিটি উপজেলা ও জেলায় যদি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা রূপগঞ্জের মতো মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন, তাহলে মাদকের বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কারণ শুধু আইন তৈরি করলেই অপরাধ কমে না; আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং অপরাধের বিরুদ্ধে প্রশাসনের দৃশ্যমান অবস্থানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।রূপগঞ্জ ইউএনও মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। সরকারকে সহযোগিতা করতে এলাকার আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক পরিবেশ ঠিক রাখতে আমি বদ্ধপরিকর।’রূপগঞ্জের এই উদ্যোগ তাই শুধু একটি উপজেলার মাদকবিরোধী অভিযান নয়; এটি মাঠ প্রশাসনের সক্রিয়তা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে একটি বড় সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে কীভাবে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়, তারও একটি উদাহরণ। দেশের অন্য এলাকাতেও যদি দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা একইভাবে উদ্যোগী হন, তাহলে মাদকের বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী ও দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7667/মদক-নরমল-দরকর-মঠ-পরশসনর-কঠর-উদযগ-রপগঞজ-হত-পর-দষটনত</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7667/মদক-নরমল-দরকর-মঠ-পরশসনর-কঠর-উদযগ-রপগঞজ-হত-পর-দষটনত</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7664_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের  অনুষ্ঠানে সাংবাদিকতায় সরকারের কোনো বাধা নেই: তথ্যমন্ত্রী</title>
				<description>
					তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের প্রধান দায়িত্ব হলো ক্ষমতাসীনদের প্রশ্ন করা। এই দায়িত্ব অব্যাহত রাখতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকতার নামে অপসাংবাদিকতা যাতে না হয়, সে বিষয়েও সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।তিনি বলেন, অতীতে যারা সাংবাদিকতার আড়ালে ফ্যাসিস্টদের সহযোগিতা করেছে, সরকার তাদের বিচারের মুখোমুখি করেছে। তবে স্বাধীন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বাধা নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।গণমাধ্যমের পরিবেশ আরও কার্যকর ও টেকসই করতে সরকার নতুন একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ করছে বলেও জানান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7664/সবদক-সরকষ-ও-কলযণ-ফউনডশনর-অনষঠন-সবদকতয়-সরকরর-কন-বধ-নই-তথযমনতর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7664/সবদক-সরকষ-ও-কলযণ-ফউনডশনর-অনষঠন-সবদকতয়-সরকরর-কন-বধ-নই-তথযমনতর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7659_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>ইন্টারনেট সেবা  যুক্ত হলো ফ্রি নারীদের পিংক বাসে </title>
				<description>
					চলন্ত অবস্থায় বাসে উচ্চগতির ও নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের সম্ভাবনা যাচাই এবং দেশের গণপরিবহনে স্যাটেলাইট প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।এর মাধ্যমে গণপরিবহনে যাত্রীদের জন্য উন্নত ডিজিটাল সংযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিভিন্ন চলমান যানবাহনে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাই করা হবে।এদিন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7659/ইনটরনট-সব-যকত-হল-ফর-নরদর-পক-বস</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7659/ইনটরনট-সব-যকত-হল-ফর-নরদর-পক-বস</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7656_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title> ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন</title>
				<description>
					ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা থাকা অবস্থায় ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, এই আদেশের মাধ্যমে সংবিধানের ব্যাপক পরিবর্তন এবং নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ বহু প্রস্তাব বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।সমালোচকদের বক্তব্য, সংবিধান সংশোধনের জন্য সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে নির্দিষ্ট সাংবিধানিক প্রক্রিয়া রয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধানের কোনো বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিত করতে সংসদের আইন প্রয়োজন এবং সংশোধনী বিল সংসদের মোট সদস্যসংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে পাস হওয়ার বিধান রয়েছে।অভিযোগকারীদের দাবি, সংসদের অনুমোদন ছাড়া নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।এ নিয়ে আইনজীবী, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক মহলে ভিন্নমত রয়েছে। ফলে এ আদেশের সাংবিধানিক বৈধতা নির্ধারণের জন্য যথাযথ বিচারিক পর্যালোচনা প্রয়োজন।ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ হলো, সংবিধানে গণভোটের বিদ্যমান বিধান না থাকা সত্ত্বেও গণভোট আয়োজনের জন্য অধ্যাদেশ জারি করা।অভিযোগকারীদের যুক্তি, সংবিধানের বাইরে গিয়ে নতুন কোনো সাংবিধানিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হলে তা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। বিশেষ করে সংবিধান পরিবর্তনের ক্ষমতা ও পদ্ধতি যখন সংবিধানেই নির্ধারিত, তখন নির্বাহী আদেশ বা অধ্যাদেশের মাধ্যমে সেই কাঠামো পরিবর্তনের প্রশ্নে সাংবিধানিক বৈধতা পরীক্ষা করা প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় ড. ইউনূস সংবিধান রক্ষা, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধানের পাশাপাশি আইন অনুযায়ী সকল মানুষের প্রতি যথাবিহিত আচরণ করার অঙ্গীকার করেন।অভিযোগকারীদের দাবি, তার সরকারের সময়ে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব, স্বজনপ্রীতি, প্রশাসনিক বৈষম্য এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রতি বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে। এসব অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে তা তার শপথের অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ছিল কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।সংবিধানের ২৬ থেকে ৪৭ অনুচ্ছেদে নাগরিকের বিভিন্ন মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদের শাসনামলে এসব অধিকারের একাধিক ক্ষেত্রে লঙ্ঘন ঘটেছে।সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ব্যাপকসংখ্যক মানুষকে দীর্ঘ সময় আটক রাখা হয়েছে এবং অনেকে যথাযথ আইনি প্রতিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।২৮ অনুচ্ছেদে ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে বৈষম্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ইউনূস সরকারের সময়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, নির্যাতন, মন্দির-মাজার ও অন্যান্য ধর্মীয় স্থাপনায় হামলার অভিযোগও সামনে এসেছে। এসব ঘটনায় রাষ্ট্রের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালিত হয়েছিল কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ প্রত্যেক নাগরিকের আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার নিশ্চিত করে। একই সঙ্গে ৩২ অনুচ্ছেদে জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার এবং ৩৩ অনুচ্ছেদে গ্রেপ্তার ও আটক-সংক্রান্ত সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে।অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে বিপুলসংখ্যক মানুষকে আটক, মামলা, ব্যাংক হিসাব জব্দ, সম্পদে হস্তক্ষেপ এবং বিভিন্ন ধরনের প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপ আইনসম্মত ছিল কি না, তা যাচাই করা জরুরি।এ ছাড়া ৩৬ অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতা, ৩৭ অনুচ্ছেদে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতা, ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ৪০ অনুচ্ছেদে পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা এবং ৪১ অনুচ্ছেদে ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা রয়েছে।ইউনূস সরকারের সময়ে সাংবাদিক, শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন পেশাজীবীর ওপর চাপ, হামলা, কর্মস্থলে বাধা ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়ে হামলা, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরির অভিযোগও রয়েছে।বিশেষ করে ৩৯ অনুচ্ছেদে সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার সাংবিধানিক নিশ্চয়তা রয়েছে। ফলে কোনো সরকার বা সরকারি সংস্থা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করেছে কি না, সে বিষয়ে স্বাধীন তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।সংবিধানের ১৪৫ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিদেশের সঙ্গে সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করার এবং রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চুক্তির ক্ষেত্রে সংসদের গোপন বৈঠকে উপস্থাপনের বিধান রয়েছে।ইউনূস সরকারের সময়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও অন্যান্য সহযোগিতার বিষয়ে একাধিক চুক্তি, সমঝোতা ও ক্রয়-আলোচনার খবর প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে চীন, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, পাকিস্তান, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ও আলোচনায় এসেছে।অভিযোগকারীদের প্রশ্ন, এসব চুক্তির মধ্যে যেগুলো সাংবিধানিক অর্থে আন্তর্জাতিক চুক্তি, সেগুলো ১৪৫ক অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও সংসদের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছিল কি না। এ বিষয়টি নথিপত্র যাচাই করে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার পর তার প্রতিষ্ঠিত বা তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সরকারি অনুমোদন, লাইসেন্স, কর-সুবিধা কিংবা অন্যান্য প্রশাসনিক সুবিধা পেয়েছে—এমন অভিযোগও রয়েছে।অভিযোগের তালিকায় রয়েছে ‘গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি’ অনুমোদন, গ্রামীণ অ্যামপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেসের জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স, গ্রামীণ টেলিকম-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পেমেন্ট সার্ভিস কার্যক্রমের অনুমোদন এবং গ্রামীণ ব্যাংকের মালিকানা কাঠামো পরিবর্তনের উদ্যোগ।সমালোচকদের প্রশ্ন, একজন সরকারপ্রধান দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় এসব সুবিধা পেয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্তগুলোতে ড. ইউনূসের ব্যক্তিগত প্রভাব বা স্বার্থ কাজ করেছে কি না, সেটিই এখানে মূল প্রশ্ন।বাংলাদেশের দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-সহ সংশ্লিষ্ট আইনে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, বেআইনি সুবিধা প্রদান এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান রয়েছে।দণ্ডবিধির ১৬৬ ধারায় সরকারি কর্মচারীর আইন অমান্য করে কোনো ব্যক্তির ক্ষতি করার বিষয়টি এবং ১৬৭ ধারায় ভুল বা অসত্য নথি তৈরির বিষয়টি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ১৬৮ ধারায় সরকারি কর্মচারীর বেআইনি বাণিজ্যে যুক্ত হওয়ার বিষয়েও বিধান রয়েছে।অন্যদিকে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের বা অন্যের জন্য অবৈধ সুবিধা অর্জনের মতো অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে।তবে কোনো সরকারি সিদ্ধান্ত দুর্নীতি বা ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে গণ্য হবে কি না, তা নির্ভর করবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভূমিকা, উদ্দেশ্য এবং প্রমাণের ওপর।ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আরও একটি গুরুতর অভিযোগ হলো, প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণের পর তার বিরুদ্ধে চলমান কয়েকটি মামলায় দ্রুত পরিবর্তন বা নিষ্পত্তি ঘটে এবং এর সঙ্গে তার সরকারি ক্ষমতার কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।তার বিরুদ্ধে অর্থপাচার, শ্রম আইন এবং আয়কর-সংক্রান্ত মামলাগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ে আদালতের সিদ্ধান্তের বিষয়টি সামনে এসেছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেন, রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতার সঙ্গে বিচারিক কার্যক্রমে কোনো ধরনের প্রভাব বা হস্তক্ষেপ ছিল কি না, তা তদন্ত করা প্রয়োজন।দণ্ডবিধির ২২৮ ধারায় বিচারিক কার্যক্রমে ইচ্ছাকৃত অপমান বা বিঘ্ন ঘটানোর বিষয়ে শাস্তির বিধান রয়েছে। এ ছাড়া আদালত অবমাননা আইন, ২০১৩-তেও বিচারিক কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ বা আদালতের কর্তৃত্ব ক্ষুণ্ন করার বিষয়ে বিধান রয়েছে।তবে আদালতের স্বাধীন সিদ্ধান্তকে নির্বাহী হস্তক্ষেপের ফল হিসেবে চিহ্নিত করার আগে সংশ্লিষ্ট নথি, আদেশ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং প্রত্যক্ষ প্রমাণ যাচাই করা অপরিহার্য।ক্ষমতার অপব্যবহার করে ড. ইউনূস ও তার ঘনিষ্ঠদের অবৈধভাবে অর্থ বা সুবিধা অর্জনের অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে উত্থাপিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন বিধানের আওতায় সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে বেআইনি আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ তদন্তযোগ্য হতে পারে।বিশেষ করে সরকারি পদে থাকার সময়ে নিজের প্রতিষ্ঠানের জন্য কর-সুবিধা, অনুমোদন, লাইসেন্স বা অন্যান্য প্রশাসনিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তগুলোর নথি, সিদ্ধান্তগ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ এবং ড. ইউনূসের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা তদন্ত করা প্রয়োজন।অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট আইনে নির্ধারিত শাস্তি প্রযোজ্য হতে পারে। তবে কোনো নির্দিষ্ট অপরাধে সর্বোচ্চ কত বছরের সাজা হবে, তা নির্ভর করবে অভিযোগের প্রকৃতি, প্রযোজ্য আইনের ধারা এবং আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর।ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে আরেকটি গুরুতর অভিযোগ হলো শিশুদের হাম রোগের টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে অব্যবস্থাপনা ও অবহেলা।অভিযোগকারীদের দাবি, দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের অব্যবস্থাপনা ও গাফিলতির কারণে শিশুদের হাম প্রতিরোধী টিকাদান কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং এর ফলে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। ড. ইউনূস এবং তার স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টার বিরুদ্ধে এ বিষয়ে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগও তোলা হয়েছে।দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারায় বেপরোয়া বা অবহেলামূলক কাজের কারণে কারও মৃত্যু ঘটলে শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে কোনো সরকারি সিদ্ধান্ত বা নীতিগত ব্যর্থতার সঙ্গে নির্দিষ্ট মৃত্যুর সরাসরি কারণগত সম্পর্ক ছিল কি না, এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যক্তিগত ফৌজদারি দায় সৃষ্টি হয় কি না—তা চিকিৎসা তথ্য, সরকারি নথি, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া ও অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে নির্ধারণ করতে হবে।ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে আইন ও প্রমাণের ভিত্তিতে যাচাই করা প্রয়োজন।সংবিধান লঙ্ঘন, ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি, মৌলিক অধিকার হরণ, বিচারিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ, আন্তর্জাতিক চুক্তি-সংক্রান্ত অনিয়ম কিংবা প্রশাসনিক অবহেলার যেসব অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে পৃথক পৃথকভাবে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ ও যাচাই করা দরকার।এ জন্য একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন করা যেতে পারে। কমিশনের উচিত হবে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত—উভয় পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ, সরকারি নথি পরীক্ষা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অনুসন্ধান এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা।তদন্তে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইনে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। আবার অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়া গেলে সেটিও স্পষ্টভাবে জানানো উচিত।কারণ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কোনো ব্যক্তিই আইনের ঊর্ধ্বে নন—কিন্তু একইভাবে কোনো ব্যক্তিকে কেবল অভিযোগের ভিত্তিতেও অপরাধী সাব্যস্ত করা যায় না। তাই ড. ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত গুরুতর অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে সবচেয়ে জরুরি হলো স্বাধীন তদন্ত, নিরপেক্ষ বিচার এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7656/ইউনস-আমলর-১৮-মস-উঠছ-যসব-গরতর-আইন-পরশন</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7656/ইউনস-আমলর-১৮-মস-উঠছ-যসব-গরতর-আইন-পরশন</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7655_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি</title>
				<description>
					তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে গঠিত টাস্কফোর্সের মাধ্যমে ডিএনসিসির ১০টি জোনে কঠোর মনিটরিং চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি এডিস মশার বিস্তার রোধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।সরকারি অফিস-আদালতসহ বিভিন্ন স্থানে এডিস মশার লার্ভা শনাক্তে ঝটিকা অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি। কোথাও লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হচ্ছে।বাসাবাড়িতে মশার প্রজনন নিয়ন্ত্রণে নাগরিকদের সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, মানুষের ঘরের ভেতরে ঢুকে সিটি করপোরেশনের পক্ষে মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সরকারি দপ্তরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপরও ডিএনসিসির নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ডিএনসিসির পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী নিয়মিত মশার ওষুধ প্রয়োগের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অতীতের তুলনায় বর্তমানে নগরীতে মশা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে বৃষ্টি-বাদল শেষ হওয়ার পর সম্ভাব্য মশার হটস্পটগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোতে বিশেষভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7655/আধনক-ও-সবজ-ঢক-গড়ত-একসঙগ-কজ-করব-এবজ-ডএনসস</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7655/আধনক-ও-সবজ-ঢক-গড়ত-একসঙগ-কজ-করব-এবজ-ডএনসস</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ </title>
				<description>
					রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আগামী ৪ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি শুক্রবার বসছে ‘সুপার সেল কার বাজার’। দেশের অটোমোবাইল খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরির লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গতকাল আইসিসিবির পুষ্পাঞ্জলি হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আয়োজকরা। ‘সুপার সেল কার বাজার’ আয়োজন করছে উইজার্ড শোবিজ। আর ভেন্যু পার্টনার হিসেবে রয়েছে আইসিসিবি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বারভিডার মহাসচিব রিয়াজ রহমান, ফেয়ার গ্রুপের হেড অব গ্রুপ মার্কেটিং তাসলিম কবির, বিওয়াইডি বাংলাদেশের হেড অব ক্যাটাগরি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মার্কেটিং ইমতিয়াজ নওশের, ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং ডিভিশন মো. ওয়াহেদ ইবনে শাহেদ, চেরি বাংলাদেশের হেড অব সেলস আবু নাসের মাহমুদ, উইজার্ড শোবিজের চেয়ারম্যান মো. ফয়েজ উল্লাহ, সিইও আরিফুজ্জামান রাসেল এবং আইসিসিবির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা এম এম জসীম উদ্দীন।সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশের শীর্ষস্থানীয় গাড়ি ও মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড, ডিলার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং অটোমোবাইল-সংশ্লিষ্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসাই ‘সুপার সেল কার বাজার’-এর মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে ক্রেতারা নতুন, রিকন্ডিশন্ড ও ব্যবহৃত গাড়ি-মোটরসাইকেল কেনাবেচার পাশাপাশি বিভিন্ন সেবা ও আর্থিক সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারবেন। তাঁদের মতে দেশে অটোমোবাইলের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হলেও ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য নিয়মিত, সুশৃঙ্খল ও নির্ভরযোগ্য একটি মার্কেটপ্লেসের প্রয়োজন রয়েছে। ‘সুপার সেল কার বাজার’ সেই প্রয়োজন পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি অটোমোবাইল ব্যবসায়ী, ক্রেতা এবং সংশ্লিষ্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়াতে সহায়ক হবে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের অটোমোবাইল বাজারে ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি নিয়মিত ও আধুনিক মার্কেটপ্লেসের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে। ‘সুপার সেল কার বাজার’ সেই চাহিদা পূরণে সময়োপযোগী উদ্যোগ। এ আয়োজনের মাধ্যমে ক্রেতারা একই জায়গায় বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও মডেলের যানবাহন সম্পর্কে জানার এবং সেগুলোর তুলনা করার সুযোগ পাবেন। অন্যদিকে বিক্রেতারাও সরাসরি সম্ভাব্য ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাতে পারবেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতি শুক্রবারের এ আয়োজনে বিভিন্ন গাড়ি ও মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড, ডিলারশিপ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং অটোমোবাইল-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। পাশাপাশি ব্যক্তিমালিকানাধীন নতুন, রিকন্ডিশন্ড ও ব্যবহৃত গাড়ি এবং মোটরসাইকেল বিশেষ ছাড়ে কেনাবেচার সুযোগ থাকবে। সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়া অটোমোবাইল বিশেষজ্ঞ এবং কার ও বাইক কমিউনিটির প্রতিনিধিরাও উদ্যোগটির প্রশংসা করেন।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7654/আইসসবত-সপটমবর-থক-সপর-সল-কর-বজর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7654/আইসসবত-সপটমবর-থক-সপর-সল-কর-বজর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7652_1.jpeg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত</title>
				<description>
					এই পদে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বিএনপি যাকে মনোনীত করেছেন তাকে নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিতর্ক তাকে কখনো স্পর্শ করেনি। তিনি আপাদমস্তক পরিচ্ছন্ন ও মার্জিত মানুষ।জীবনের ৭৮টি বছর পার করলেও নীতি ও আদর্শে তিনি হিমালয়ের মতো অটল। কথা ও আচরণে চিরকাল বিনয়ী এবং মিষ্টভাষী। রাজনীতিতে যখন আক্রমণাত্মক ভাষার আধিপত্য, তখন তিনি এক অনন্য ব্যতিক্রম—বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক বিরল ব্যক্তিত্ব।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মনোনীত করে এক দূরদর্শী রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিএনপি কেবল জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আদর্শ লালন করা এক অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বকে সম্মানিত করেনি, বরং রাষ্ট্রপতি পদটির মর্যাদাকে করেছে আরও সুসংহত। এটি সুস্থ, নীতিগত ও শালীন রাজনীতির প্রতি এক বড় ধরনের আস্থা ও বিজয়ের প্রতীক।বর্তমান সমাজে 'একজন আদর্শ রাজনীতিবিদ কেমন হওয়া উচিত'—এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে গুণাবলীর তালিকাটা বেশ দীর্ঘ হয়। তাকে দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়ন থেকে দূরে থাকতে হবে, হতে হবে সাধারণ মানুষ ও দলীয় কর্মীদের গভীর আস্থার প্রতীক। কঠিন সময়ে ভেঙে না পড়ে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের মানসিকতা থাকাটাও জরুরি। দুঃখজনক হলেও সত্যি, আধুনিক রাজনীতিতে এসব গুণের সংমিশ্রণ মেলা ভার। তবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জীবন ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ার পর্যালোচনায় এই গুণগুলোর বাস্তব প্রতিফলন স্পষ্ট দেখা যায়।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করার সময় থেকেই মির্জা ফখরুল সক্রিয় ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হন। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য এবং এস.এম. হল শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯-এর ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ছিলেন।পড়াশোনা শেষে ১৯৭২ সালে তিনি অধ্যাপনাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন এবং একাধিক সরকারি কলেজে দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা করেন। ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে শিক্ষকতা ত্যাগ করে সরাসরি মূলধারার রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।পরবর্তীতে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন সময়ে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। যে সময়ে অনেকেই ক্ষমতার মোহ বা ভয়ে দল ত্যাগ করছিলেন, সেই কঠিন সময়ে মির্জা ফখরুল খালেদা জিয়ার ডাকে সাড়া দিয়ে রাজপথে নামেন। ১৯৯২ সালে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মনোনীত হন। তৃণমূল থেকে ধাপে ধাপে উঠে আসা এই নেতা ২০০৯ সালে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ২০১১ সালে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং ২০১৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।২০০৭ সালের 'এক-এগারো' থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন পর্যন্ত বিএনপির ইতিহাসের সবচেয়ে জটিল ও কঠিন সময়ে তিনি ছিলেন অকুতোভয় ও দৃঢ়চেতা এক রাজনৈতিক সংগঠক। এক ডজনেরও বেশি রাজনৈতিক মামলা, বারবার জেল-জুলুম এবং দমন-পীড়নের মুখোমুখি হয়েও তার মনোবল ভাঙেনি। শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতিতে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন জোরদার করতে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।রাজনীতির মাঠে প্রতিপক্ষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও শালীন আচরণের কারণে সব দলের মানুষের কাছেই তিনি একজন ‘নিপাট ভদ্রলোক’ হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে যখন তরুণ সমাজের সামনে রাজনৈতিক রোল মডেলের অভাব পরিলক্ষিত হয়, তখন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেকে তুলে ধরেছেন এক অনুকরণীয় আইডল হিসেবে।দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার মতো একজন সৎ, ত্যাগী ও শিক্ষাবিদকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচন জাতির জন্য এক বড় স্বস্তির খবর। তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করলে দেশ একজন সত্যিকারের অভিভাবক পাবে বলে আশা করছেন রাজনৈতিক সচেতন মহল।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7652/শকষকত-থক-রজনত-সতত-ও-তযগর-এক-অননয-দষটনত</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7652/শকষকত-থক-রজনত-সতত-ও-তযগর-এক-অননয-দষটনত</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7650_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে </title>
				<description>
					এদিকে মন্ত্রিসভায় আরও বেশ কিছু রদবদল হতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7650/সলহউদদন-আহমদ-এলজআরড-মনতরণলয়র-দয়তব</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7650/সলহউদদন-আহমদ-এলজআরড-মনতরণলয়র-দয়তব</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ</title>
				<description>
					অর্থাৎ নিঝুম দ্বীপের সৈকতের বালু শুধু সাধারণ নির্মাণসামগ্রী হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনাময় নয়; বরং এর মধ্যে উচ্চমূল্যের শিল্পখনিজের একটি বৈচিত্র্যময় সমষ্টি রয়েছে।বিভিন্ন খনিজ একই বালুর মধ্যে পাশাপাশি অবস্থান করায় এবং অনেক খনিজের ভৌত বৈশিষ্ট্য কাছাকাছি হওয়ায় প্রচলিত পদ্ধতিতে সেগুলো আলাদা করে শনাক্ত করা কঠিন। এ কারণে গবেষণায় উন্নত এক্স-রে ডিফ্র্যাকশন বা XRD প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।জাপানের তৈরি ‘স্মার্টল্যাব এসই (Rigaku)’ এক্স-রে ডিফ্র্যাক্টোমিটার দিয়ে বালুর নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়। পরে ডিজিটাল ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে খনিজ শনাক্তকরণে ‘X'Pert HighScore Plus’ সফটওয়্যারের অটো-ম্যাচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে নমুনায় থাকা বিভিন্ন খনিজের সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।গবেষকদের মতে, এ ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্লেষণ উপকূলীয় বালুর মধ্যে থাকা অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ শনাক্তকরণে আরও নির্ভুল তথ্য দিতে পারে।বাংলাদেশের নদ-নদীর বালিতে আধুনিক শিল্প, বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর খাতে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল তৈরির সম্ভাবনাও যাচাই করা হয়েছে। দেশের আটটি প্রধান নদী ব্যবস্থার প্রায় ৫ হাজার ৪৮১ বর্গকিলোমিটার এলাকায় পরিচালিত জরিপে ৬ হাজার ৬০০টির বেশি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।এর মধ্যে ৮০০টির বেশি নমুনার পেট্রো-মিনারেলজিক্যাল, রাসায়নিক ও ভৌত বিশ্লেষণ সম্পন্ন হয়েছে। এই বিশাল নমুনাভিত্তিক গবেষণার লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের নদী ও উপকূলীয় পলিতে থাকা বিভিন্ন খনিজের প্রকৃতি, উৎস এবং শিল্পে ব্যবহারের সম্ভাবনা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পাওয়া।গবেষকদের মতে, নদীবাহিত পলি শুধু ভূমি গঠনের উপাদান নয়; এর মধ্যে ভবিষ্যৎ শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন খনিজসম্পদও থাকতে পারে।নিঝুম দ্বীপের বালিতে পাওয়া কয়েকটি খনিজ আন্তর্জাতিক শিল্পে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে জিরকন, রুটাইল ও ইলমেনাইট অন্যতম।জিরকন বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হয় এবং ভূতাত্ত্বিক গবেষণায়ও এটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ হিসেবে পরিচিত। রুটাইল ও ইলমেনাইট টাইটানিয়ামসমৃদ্ধ খনিজ; এগুলো থেকে টাইটানিয়াম-ভিত্তিক শিল্পের কাঁচামাল পাওয়া যায়। রং, সিরামিক, ধাতু প্রক্রিয়াজাতকরণসহ বিভিন্ন শিল্পে এসব খনিজের ব্যবহার রয়েছে।গার্নেট, সিলিম্যানাইট ও কায়ানাইটও শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চ তাপমাত্রা সহ্য করার ক্ষমতার কারণে সিলিম্যানাইট ও কায়ানাইটের মতো খনিজ অবাধ্য বা refractory শিল্পে ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। গার্নেট ঘর্ষণকারী উপাদানসহ বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হয়।অন্যদিকে মোনাজাইট ও জেনোটাইমের মতো খনিজও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো বিরল মৃত্তিকা উপাদানসহ বিভিন্ন মূল্যবান উপাদানের উৎস হতে পারে।গবেষণার বৃহত্তর ভূতাত্ত্বিক প্রেক্ষাপট বলছে, বঙ্গোপসাগরের এই খনিজসমৃদ্ধ পলি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় ও আশপাশের বিস্তীর্ণ ভূতাত্ত্বিক অঞ্চল থেকে বিপুল পরিমাণ শিলা ও খনিজ কণা সংগ্রহ করে বাংলাদেশে নিয়ে আসে।প্রতি বছর শত শত মিলিয়ন টন পলি এই নদীগুলোর মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে পৌঁছায়। নদীর পলি প্রথমে বদ্বীপ ও মোহনা অঞ্চলে জমা হয়। পরে জোয়ার-ভাটা, ঢেউ, ঘূর্ণিঝড় ও সমুদ্রতলের স্রোতের প্রভাবে পলি পুনরায় পরিবাহিত ও বাছাই হয়।এই প্রক্রিয়ায় তুলনামূলক ঘন খনিজ কণাগুলো নির্দিষ্ট পরিবেশে জমা হওয়ার সুযোগ পায়। ফলে উপকূলীয় কিছু এলাকায় ভারী খনিজের ঘনত্ব সাধারণ নদীবালুর তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে।গবেষণায় দেখা গেছে, বঙ্গীয় শেলফের পলি ও গভীর সমুদ্রের পলিতে ব্রহ্মপুত্রের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি। বিশেষ করে বালুর ক্ষেত্রে ব্রহ্মপুত্রের অবদান অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ হতে পারে বলে গবেষণায় ধারণা করা হয়েছে। তবে সূক্ষ্ম সিল্ট ও কাদামাটির ক্ষেত্রে গঙ্গার অবদানও গুরুত্বপূর্ণ।নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ভারী খনিজের উপস্থিতি নিঃসন্দেহে সম্ভাবনাময়। তবে শুধু কোনো এলাকায় ভারী খনিজের উচ্চ ঘনত্ব পাওয়া গেলেই সেটিকে সরাসরি বাণিজ্যিক খনিজ মজুদ হিসেবে ঘোষণা করা যায় না।বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনের আগে প্রয়োজন হবে মজুদের প্রকৃত পরিমাণ, বিস্তৃতি, গভীরতা, খনিজগুলোর পৃথক ঘনত্ব, উত্তোলনযোগ্যতা, প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যয় এবং পরিবেশগত প্রভাব নির্ধারণ। বিশেষ করে নিঝুম দ্বীপ একটি উপকূলীয় দ্বীপ হওয়ায় এর সৈকত ও জীববৈচিত্র্যের ওপর খনিজ উত্তোলনের সম্ভাব্য প্রভাবও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।তবে প্রাথমিক গবেষণার ফলাফল বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে। এত বেশি পরিমাণে মূল্যবান ভারী খনিজের উপস্থিতি নিশ্চিত হলে ভবিষ্যতে দেশীয় শিল্পের কাঁচামাল আমদানিনির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি নির্বাচিত খনিজ প্রক্রিয়াজাত করে রপ্তানির সুযোগও তৈরি হতে পারে।গবেষকদের মতে, নিঝুম দ্বীপের মতো উপকূলীয় অঞ্চলের খনিজসমৃদ্ধ বালুর ওপর আরও বিস্তৃত ও পদ্ধতিগত অনুসন্ধান চালানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে দেশের প্রধান নদী ও বদ্বীপ অঞ্চলের পলির খনিজ সম্পদকে একটি সমন্বিত ভূতাত্ত্বিক জরিপের আওতায় আনা গেলে বাংলাদেশের অজানা শিল্পখনিজ সম্পদের একটি বড় চিত্র সামনে আসতে পারে।বঙ্গোপসাগরের পলি তাই শুধু নদী থেকে বয়ে আসা মাটি নয়—এর মধ্যেই লুকিয়ে থাকতে পারে ভবিষ্যৎ শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল। নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ ভারী খনিজের সন্ধান সেই সম্ভাবনাকেই নতুন করে সামনে এনেছে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7649/নঝম-দবপর-বলর-২৫-শতশই-ভর-খনজ</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7649/নঝম-দবপর-বলর-২৫-শতশই-ভর-খনজ</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7645_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর পরীক্ষা ছাড়াই একাদশে ভর্তি, </title>
				<description>
					ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, খসড়া সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণের সময় রাখা হয়েছে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। যদি সেটি ঠিক থাকে, তাহলে সে অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু হবে।সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে (কলেজ ও মাদ্রাসা) ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। গতবার ভর্তি হয়েছিল মোট আসনের ৫৮ দশমিক ৭ শতাংশ। অর্থাৎ খালি ছিল ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ। এ বছর পাশের হার আরও কমেছে। ফলে আসনসংখ্যা আরও বেশি শূন্য থাকবে।তবে মোট আসন খালি থাকলেও জিপিএ-৫ পেয়েও অনেকে তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে না। কারণ, তুলনামূলক ভালো প্রতিষ্ঠানে আসন কম। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন।গত কয়েক বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলা ফলের ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে শুধু কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি পৃথক প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়। ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় এই পদ্ধতিতেই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7645/আবদন-শর-১৫-সপটমবর-পরকষ-ছড়ই-একদশ-ভরত</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7645/আবদন-শর-১৫-সপটমবর-পরকষ-ছড়ই-একদশ-ভরত</guid>
				<pubDate>2026-12-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>*মোদীর সঙ্গে বৈঠক করলেন দীনেশ ত্রিবেদী* </title>
				<description>
					এর আগে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দীনেশ ত্রিবেদী সোমবার (১০ আগস্ট) প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নেওয়া, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি ও অমীমাংসিত বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।বৈঠকের পরই সোমবার বিকেলে দিল্লি যান দীনেশ ত্রিবেদী।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7631/মদর-সঙগ-বঠক-করলন-দনশ-তরবদ</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7631/মদর-সঙগ-বঠক-করলন-দনশ-তরবদ</guid>
				<pubDate>2026-12-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7626_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>হাসিনাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে এক দিন পেছাল সাক্ষ্যগ্রহণ </title>
				<description>
					মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে সময় চান প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী। তিনি বলেন, এ মামলায় আজ মঙ্গলবার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু সাক্ষী অসুস্থ থাকায় সময় চেয়ে আবেদন করা হয়। পরে আবেদনটি মঞ্জুর করে আগামীকাল বুধবার দিন ঠিক করেন আদালত।এর আগে, ২২ জুলাই ষষ্ঠ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া হেফাজতে ইসলামের কর্মী তাজুল ইসলাম সুমনের জেরা সম্পন্ন হয়। গত ১৮ জুন তার সাক্ষ্য রেকর্ড করেন ট্রাইব্যুনাল। জবানবন্দিতে তিনি গুম-নির্যাতনসহ দীর্ঘ আট বছর কারাগারে থাকার বীভৎস বর্ণনা তুলে ধরেন। শুধুমাত্র হেফাজতে ইসলামের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে মিথ্যা মামলায় এত বছর আটকে রাখার জন্য শেখ হাসিনাসহ গুমের সঙ্গে জড়িতদের বিচার চেয়েছেন এ যুবক।এ মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে গ্রেফতার রয়েছেন তিনজন। তারা হলেন- ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী। তাদের আজ সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।পলাতক ১০ আসামির মধ্যে পাঁচজনই বিভিন্ন সময়ে ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তারা হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক।বাকি আসামিরা হলেন শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ তৌহিদুল উল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মখছুরুল হক।২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর এ মামলায় ১৩ আসামির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দেওয়া অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-১। পরে ১৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7626/হসনসহ-১৩-জনর-বরদধ-এক-দন-পছল-সকষযগরহণ</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7626/হসনসহ-১৩-জনর-বরদধ-এক-দন-পছল-সকষযগরহণ</guid>
				<pubDate>2026-11-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>বৈরিতা নয়, সংলাপেই সমাধান বাংলাদেশ-ভারতের</title>
				<description>
					প্রতিবেশী ও অংশীদার হিসেবে দেখতে হবে। সীমান্ত হত্যা, পুশইন, পানি বণ্টন, বাণিজ্যিক ভারসাম্য কিংবা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড—প্রতিটি বিষয়ে পারস্পরিক সম্মান ও সংবেদনশীলতার সঙ্গে সমাধান খুঁজতে হবে।বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। এর অর্থ কোনো দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া নয়; বরং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সবার সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা। ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব যেমন প্রয়োজন, তেমনি বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।বাংলাদেশ ও ভারতের ভৌগোলিক অবস্থান, ইতিহাস, অর্থনীতি ও মানুষের যোগাযোগ দুই দেশকে গভীরভাবে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। তাই সম্পর্কের ক্ষেত্রে সংঘাত নয়, সহযোগিতাই হওয়া উচিত ভবিষ্যতের পথ।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক সেই নতুন পথচলার সূচনা হতে পারে। সামনে কঠিন অনেক ইস্যু থাকবে, মতপার্থক্যও থাকবে। কিন্তু সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে সব বিষয়ে মতৈক্য প্রয়োজন হয় না; প্রয়োজন নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনার।অতীতের তিক্ততা ভুলে বাংলাদেশ ও ভারত যদি পারস্পরিক সম্মান, সমতা, আস্থা এবং জাতীয় স্বার্থকে ভিত্তি করে সামনে এগিয়ে যায়, তাহলে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন একটি ইতিবাচক অধ্যায়ে প্রবেশ করতে পারে। বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট—প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই, কিন্তু তা হতে হবে মর্যাদার সঙ্গে। দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কোনো বন্ধুত্ব নয়; বরং স্বার্থ রক্ষা করেই পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক—এটাই হওয়া উচিত বাংলাদেশ ফার্স্ট কূটনীতির মূল দর্শন।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7623/বরত-নয়-সলপই-সমধন-বলদশ-ভরতর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7623/বরত-নয়-সলপই-সমধন-বলদশ-ভরতর</guid>
				<pubDate>2026-10-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>জামায়াতের প্রদর্শনীতে মুক্তিযুদ্ধ আছে, নেই জামায়াত</title>
				<description>
					বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের সরকারি বাসভবনে আয়োজিত চার দিনের এই প্রদর্শনীর নাম ‘জুলাই এখনও শেষ হয় নাই’। গতকাল শেষ দিনে প্রদর্শনী দেখতে আসা দর্শনার্থীদের মধ্যেও এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা হয়েছে।প্রদর্শনীতে শতাধিক আলোকচিত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসের বিভিন্ন বাঁক তুলে ধরা হলেও ১৯৭১ সালে জামায়াতের তৎকালীন নেতাদের কর্মকাণ্ডের কোনো ছবি বা তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি। অথচ পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন এবং মুক্তিযুদ্ধের নানা ঘটনা যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে প্রদর্শিত হয়েছে।প্রদর্শনীর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা তুলে ধরার চেষ্টা রয়েছে। ১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তির পরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন বৈঠকের ছবি দিয়ে শুরু হয়েছে উপস্থাপনা। এরপর এসেছে মুক্তিযুদ্ধের নানা মুহূর্ত।৭ মার্চের ভাষণ, মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বিভিন্ন ঘটনা এবং বিজয়ের ছবি রাখা হয়েছে। পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতনের দৃশ্যও রয়েছে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতের অবস্থান কিংবা দলটির নেতাদের বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে কোনো আলোকচিত্র নেই।ফলে প্রদর্শনীতে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার রাজনৈতিক বাস্তবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ অনুপস্থিত বলে মনে করছেন সমালোচকরা। তাঁদের প্রশ্ন, যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর কর্মকাণ্ড যদি ইতিহাসের অংশ হিসেবে ছবিতে তুলে ধরা হয়, তাহলে সেই সময়ের রাজনৈতিক শক্তিগুলোর ভূমিকা কেন থাকবে না?প্রদর্শনীতে ১৯৭১-এর পাশাপাশি স্বাধীনতার পরবর্তী রাজনৈতিক ইতিহাসও নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলকে ‘একনায়কতন্ত্র’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এইচ এম এরশাদের শাসনকে বলা হয়েছে ‘সামরিক স্বৈরশাসন’। শেখ হাসিনার শাসনামলকে দেখানো হয়েছে ‘ফ্যাসিবাদ’ হিসেবে।অন্যদিকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কোনো ছবি প্রদর্শনীতে দেখা যায়নি। একইভাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার ও তাঁর সময়কার রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহও আলোকচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপিত হয়নি।প্রদর্শনী ঘুরে দেখা দর্শনার্থীদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।মিরপুর থেকে আসা দর্শনার্থী ফয়েজ বলেন, ‘যদি জামায়াত ইতিহাস বিকৃত করে তাহলে তাদেরও ইতিহাস থেকে ফেলে দেবে এ দেশের সচেতন জনসাধারণ।’স্বামীর সঙ্গে প্রদর্শনী দেখতে আসা মুসফিকা তাসনীম বলেন, প্রদর্শনীতে কিছু বিষয় দেখে তিনি হতাশ হয়েছেন। তাঁর ভাষায়, ‘আলোকচিত্রে কেন এসব ইতিহাস নেই তা জামায়াত ভালো বলতে পারবে।’তবে শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অংশ হিসেবে যথাযথভাবে তুলে ধরায় তিনি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়াও জানান। তাঁর মতে, প্রদর্শনীতে ইতিহাসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ থাকলেও পুরো উপস্থাপনাটি পরিপূর্ণ নয়।একাত্তরের ভূমিকা কেন প্রদর্শনীতে নেই—এ প্রশ্নের জবাবে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, একটি প্রদর্শনীর পরিসরে সব ঘটনা তুলে ধরা সম্ভব নয়।তিনি বলেন, প্রদর্শনীতে মূলত জুলাই আন্দোলনকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সে কারণে ইতিহাসের অনেক ঘটনা এখানে আসেনি। প্রদর্শনীর সঙ্গে সম্পর্কিত ও প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলোই বাছাই করে রাখা হয়েছে।তবে জামায়াতের এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের কেউ কেউ।জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইশতিয়াক আজিজ উলফাত বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াত বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে এবং পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াত আমাদের গুলি করেছে। তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। এ দেশটাকে তারা চায়নি।’একাত্তরের পরাজিত শক্তি হিসেবে জামায়াতকে উল্লেখ করে তিনি দলটির বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও সমালোচনা করেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিকভাবে একাধিকবার সুযোগ পেলেও দলটির মৌলিক চরিত্রের পরিবর্তন হয়নি।মুক্তিযোদ্ধা ও বিশ্লেষক মফিদুল হক মনে করেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস থেকে ১৯৭১ সালের রাজনৈতিক বাস্তবতা বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই।তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত গণহত্যা ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনাগুলোর একটি। ফলে এই সময়ের ইতিহাস উপস্থাপন করতে গেলে সে সময়ের রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থানও আলোচনায় আসতে হবে।মফিদুল হকের ভাষায়, ‘এটা বলতে গেলে জামায়াতকে নিশ্চয় তাদের অবস্থানটা সুস্পষ্ট করতে হবে।’তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত গণহত্যা মানবসভ্যতার ইতিহাসের একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। কোনো রাজনৈতিক দল যদি সেই ইতিহাসকে আড়াল বা বিকৃত করার চেষ্টা করে, তা গ্রহণযোগ্য নয়।প্রদর্শনীর ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় ১৯৪৭ সালের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে—‘স্বাধীনতা এলো, রাষ্ট্র বদলাল না। জুলুমবাজ আইয়ুব ও ইয়াহিয়া খানের উত্থান হলো।’১৯৭১ সালের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে—‘দেশ স্বাধীন হলো, রাষ্ট্র বদলাল না। একনায়ক শেখ মুজিবুর রহমানের উত্থান হলো।’১৯৭৫ সালের ঘটনাকে বলা হয়েছে—‘একনায়ক শেখ মুজিবুর রহমানের পতন হলো, রাষ্ট্র বদলাল না।’১৯৯০ সালের ক্ষেত্রে প্রদর্শনীতে উঠে এসেছে—‘গণঅভ্যুত্থানে একনায়ক এরশাদের পতন হলো, রাষ্ট্র বদলাল না।’২০০৯ সালের জন্য বলা হয়েছে—‘নতুন সরকার এলো, রাষ্ট্র বদলাল না। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার উত্থান হলো।’আর ২০২৪ সালের বয়ান—‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান হলো। ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন হলো। আবার ফ্যাসিবাদ?’সবশেষে ‘আমাদেরকে পারতেই হবে, জুলাই এখনও শেষ হয় নাই’ শিরোনামে জামায়াত তাদের রাজনৈতিক ব্যাখ্যা তুলে ধরেছে। সেখানে বাংলাদেশের ইতিহাসকে ‘অসমাপ্ত বিপ্লবের ইতিহাস’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।জামায়াতের ভাষ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নতুন স্বপ্ন তৈরি হলেও রাষ্ট্রকাঠামো এবং সংবিধানের মৌলিক সংস্কার না হওয়ায় কর্তৃত্ববাদ বারবার ফিরে এসেছে। তাদের মতে, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান সেই ধারাবাহিকতা ভাঙার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।প্রদর্শনীর শেষ প্রান্তে দর্শনার্থীদের সামনে তাই রাখা হয়েছে একটি প্রশ্ন—‘আমরা কি পারব?’তবে প্রদর্শনীর বয়ানে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন ভূমিকার অনুপস্থিতিই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইতিহাসের কোন অংশ সামনে আনা হবে আর কোন অংশ বাদ যাবে—এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই প্রদর্শনীটির নিরপেক্ষতা ও পূর্ণতা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7622/জময়তর-পরদরশনত-মকতযদধ-আছ-নই-জময়ত</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7622/জময়তর-পরদরশনত-মকতযদধ-আছ-নই-জময়ত</guid>
				<pubDate>2026-09-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7621_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে টানাপোড়েন কি বাড়ছে হাসিনা ইস্যুতে ?</title>
				<description>
					ঘটনাটিকে ঘিরে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে ঢাকা। হাসিনা গণমাধ্যমে কথা বলার দিনেই রাতে কড়া ভাষায় বিবৃতি দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।সেই বিবৃতিতে বলা হয়, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্ষিকীর দিনে দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ সরকার।দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টার প্রসঙ্গ টেনে ওই বিবৃতিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানটি আয়োজনের ফলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন যাত্রার প্রচেষ্টায় সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে উদ্বেগ ভারত সরকারকে আগেই জানান হয়েছিল। এর পরেও ভারতের মাটিতে এ আয়োজনের অনুমতি দেওয়ায় ঢাকা গভীর হতাশা প্রকাশ করছে। একইসঙ্গে সরকারে থাকা বিএনপি নেতাদের অনেকেও ভারত সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে বক্তব্য দিয়েছেন।তারা বলছেন, তাদের সরকার আসলে ভারতে অবস্থান করা শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য-বিবৃতি ও কর্মকাণ্ড বন্ধ চায়। তবে পরিস্থিতিটাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করছেন সাবেক কূটনীতিকরা।সাবেক কূটনীতিক হুমায়ুন কবির মনে করেন, নয়া দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের এই ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের যে প্রচেষ্টা ছিল, সেটি আর অনুকূল ভূমিকা পালন করছে না।আরেকজন সাবেক কূটনীতিক মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বলছেন, ‘এই ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করেছে, কিন্তু এটি অপ্রয়োজনীয় একটি প্রতিক্রিয়া, এটি দেখানো ঠিক হয়নি।’বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ঠিক কোন দিকে যাচ্ছে?জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর তিনি দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। এ ঘটনাকে ঘিরে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দুই দেশের সম্পর্ক অনেকটা শীতল হয়। বিভিন্ন সময়ে হাসিনাকে প্রত্যপর্ণের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে অনুরোধও জানানো হয়।জুলাইয়ের আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে বা ফেরাতে ভারত সরকারকে ‘নোট ভারবাল’ পাঠিয়ে সেসময়ও অনুরোধ করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। তখন ভারত ইতিবাচক কোনো জবাব দেয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক একেবারেই তলানীতে গিয়ে ঠেকেছিল বলে সেসময় কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছিলেন।তবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কোন্নয়নের প্রচেষ্টা দেখা যায়।বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিএনপির রাজনৈতিক সরকারের শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা দৃশ্যমান হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা দেশটির প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।তারও আগে গত বছরের ডিসেম্বরে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় এসেছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। পরে বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দিল্লী সফর করেছিলেন।তবে ভারতে থাকা শেখ হাসিনার বক্তব্য-বিবৃতি দেওয়াসহ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখা এবং তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন সময় দিল্লিকে অনুরোধ জানানো হয় বলে ঢাকায় কর্মকর্তারা বলছেন। কিন্তু ভারতের পক্ষ থেকে বারবারই বলা হচ্ছে, হাসিনার প্রত্যার্পণ প্রশ্নে বাংলাদেশের অনুরোধ খতিয়ে দেখছে তারা।এরই মাঝে নয়া দিল্লিতে শেখ হাসিনার গণমাধ্যমে সরাসরি কথা বলার ঘটনা এখন দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটা বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের অভিযোগ, এ ধরনের সংবাদ সম্মেলনের ক্ষেত্রে ভারত সরকারের সমর্থন ছিল। ঘটনাটি দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টায় বাধা তৈরি করছে, এমন ইঙ্গিতও দিয়েছে ঢাকা।এর ব্যাখ্যায় কর্মকর্তারা বলছেন, শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের আগেই বাংলাদেশের উদ্বেগের কথা ভারতকে জানান হয়েছিল। এরপরও সেই সংবাদ সম্মেলন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (৫ আগস্ট) রাতেই বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘এই আয়োজন বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, সে বিষয়ে ভারত সরকারকে আগেই উদ্বেগ জানান হয়েছিল। তা সত্ত্বেও এমন একটি প্রকাশ্য অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়ায় ঢাকা গভীর দুঃখ প্রকাশ করছে।’						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7621/বলদশ-ভরত-সমপরক-টনপড়ন-ক-বড়ছ-হসন-ইসযত</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7621/বলদশ-ভরত-সমপরক-টনপড়ন-ক-বড়ছ-হসন-ইসযত</guid>
				<pubDate>2026-09-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>জ্বালানি তেল আমদানিতে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই: সরকার</title>
				<description>
					শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান বিভাগের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানিপূর্বক সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়নের প্রধান লক্ষ্য হলো দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা এবং জ্বালানি তেলের সরবরাহব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখা।এর পাশাপাশি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে জরুরি বা সংকটকালীন সময়ে সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সক্ষমতাকে জাতীয় স্বার্থে কাজে লাগানোর বিষয়টিও প্রস্তাবিত নীতিমালায় গুরুত্ব পাচ্ছে।জ্বালানি বিভাগ জানায়, নীতিমালাটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি; এটি প্রণয়ন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মতামত ও পরামর্শ নেওয়ার পরই নীতিমালাটি চূড়ান্ত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জনস্বার্থ রক্ষা, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, প্রতিযোগিতামূলক বাজারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হলেই এ ধরনের নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।এদিকে প্রস্তাবিত নীতিমালা নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুমাননির্ভর এবং অসত্য তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধরনের তথ্য প্রকাশ ও প্রচারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।বিভাগটি আবারও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নীতিমালাটি এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে না থাকায় এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7620/জবলন-তল-আমদনত-বশষ-সবধ-দওয়র-সযগ-নই-সরকর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7620/জবলন-তল-আমদনত-বশষ-সবধ-দওয়র-সযগ-নই-সরকর</guid>
				<pubDate>2026-08-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7612_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>জ্বালানি খাতকে  একটি চক্র অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী</title>
				<description>
					স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার ও সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্যসেবা নীতি হলো ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর’ (প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম)। রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে সরকার দেশে ১ লাখ ‘হেলথ ওয়ার্কার’ বা স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। চিকিৎসকদের নেতৃত্বে এই স্বাস্থ্যকর্মীরা নাগরিকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সচেতন ও সতর্ক করবেন।চিকিৎসক ও পেশাজীবীদের রাজনীতি করার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত যেহেতু সবকিছুকে প্রভাবিত করে, তাই শিক্ষার্থী, শিক্ষক বা পেশাজীবীদের রাজনীতি সচেতন থাকা বা রাজনৈতিকভাবে সু-সংগঠিত থাকা অযৌক্তিক কিছু নয়। তবে এই রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনোভাবেই বিঘ্ন না ঘটায়, সে বিষয়ে চিকিৎসকদের সতর্ক থাকতে হবে।সমাবেশে ড্যাবের পক্ষ থেকে উত্থাপিত বিভিন্ন দাবি সরকার বিবেচনা করবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বল্পতম সময়ের মধ্যে বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ, সরকারি চাকরিতে চিকিৎসকদের প্রবেশের বয়সসীমা ৩২-৩৪ বছরে উন্নীত করা, অবসরের বয়সসীমা ৬১-৬৫ করা, স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, উপজেলা পর্যায়ে কর্মরতদের বিশেষ ভাতা এবং বেসরকারি খাতের চিকিৎসকদের জন্য সুনির্দিষ্ট ও ন্যায্য বেতন কাঠামো নির্ধারণের যে দাবিগুলো এসেছে, তা অযৌক্তিক নয়। এগুলো সরকারের বিবেচনার মধ্যে থাকা উচিত।দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্বাস্থ্যখাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জিডিপির ৫ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। এর বাইরেও যত দ্রুত সম্ভব ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালু করা এবং প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি সকল চিকিৎসকের সার্বিক সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করে তারেক রহমান বলেন, আসুন আমরা সবাই মিলে এমন একটি চিকিৎসাবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে দেশের প্রতিটি মানুষ মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পাবে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য আর কাউকে বিদেশমুখী হতে হবে না।চিকিৎসক সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল প্রমুখ।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7612/জবলন-খতক-একট-চকর-অসথতশল-করর-জনয-সকরয়-পরধনমনতর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7612/জবলন-খতক-একট-চকর-অসথতশল-করর-জনয-সকরয়-পরধনমনতর</guid>
				<pubDate>2026-08-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>এতিম শিশুদের জন্য প্রতি শুক্রবার খাবারের আয়োজন</title>
				<description>
					মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল লতিফ ফারুকী এবিজি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিশুদের শুধু খাবারের চাহিদাই পূরণ করে না, তাদের মানসিক বিকাশেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। সমাজে এখনো অনেক সহমর্মী মানুষ আছেন—এমন একটি বিশ্বাসও শিশুদের মধ্যে তৈরি হয়।তিনি বলেন, সায়েম সোবহান আনভীরের উদ্যোগে খাবার পেয়ে এতিম শিশুদের মুখে যে আনন্দের হাসি ফুটেছে, সেটি যেন আরও বিস্তৃত হয়। এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, কোনো আনুষ্ঠানিকতা কিংবা প্রচারের প্রত্যাশা ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে নীরবে মানবিক কাজ করে যাচ্ছেন সায়েম সোবহান আনভীর। তার উদ্যোগে শিক্ষার্থী ও এতিম শিশুদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যা সত্যিই প্রশংসনীয়।তিনি আরও বলেন, এবিজি ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ অত্যন্ত সুন্দর ও কল্যাণমূলক। ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটি আরও বড় পরিসরে মানুষের পাশে দাঁড়াবে বলে তারা আশাবাদী।সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (এবিজি) চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের উদ্যোগে নিয়মিত প্রতি শুক্রবার অন্তত ১ হাজার ৫০০ অসহায় মানুষ এবং ৫০০ এতিম শিশুর জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এর পাশাপাশি পবিত্র রমজান মাসে সাহরি ও ইফতার বিতরণ, কোরবানির ঈদে মাংস বিতরণ, শীতবস্ত্র প্রদান এবং শিক্ষা সহায়তার মতো বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে এবিজি ফাউন্ডেশন।ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেও মানুষের পাশে থাকার এই কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেন সায়েম সোবহান আনভীর। নিজের বিভিন্ন বিশেষ দিনেও সুবিধাবঞ্চিত ও এতিম শিশুদের জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন তিনি।এবিজি ফাউন্ডেশনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ গাজী বাদল বলেন, ‘এবিজি ফাউন্ডেশন একটি সামাজিক ও কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। প্রতি সপ্তাহের ধারাবাহিকতায় আজও রাজধানীর চারটি মাদ্রাসায় এতিম ও অসহায় শিক্ষার্থীদের মাঝে মানসম্মত খাবার বিতরণ করা হয়েছে। সুবিধাবঞ্চিত মানুষ এবং এতিম ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নিয়মিত খাবার বিতরণ করা হয়। ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’ব্যবসায়িক পরিচয়ের বাইরে সায়েম সোবহান আনভীরের আরেকটি পরিচয়—নীরবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো একজন দানশীল ব্যক্তি। তার মানবিক কর্মকাণ্ডের অনেকটাই প্রচারের আড়ালে থেকে যায়। যারা কাছ থেকে তার কর্মকাণ্ড দেখেছেন, তারাই জানেন সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য তার সহায়তার পরিধি কতটা বিস্তৃত।মানুষের কল্যাণে ব্যক্তি উদ্যোগ থেকে প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম—বিভিন্ন পর্যায়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার এই ধারাবাহিকতাই এবিজি ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। আর সেই উদ্যোগে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হয়ে উঠছে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখের এক টুকরো হাসি।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7606/এতম-শশদর-জনয-পরত-শকরবর-খবরর-আয়জন</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7606/এতম-শশদর-জনয-পরত-শকরবর-খবরর-আয়জন</guid>
				<pubDate>2026-08-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7605_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>চাইলেই কী দেশে ফিরতে পারবেন হাসিনা  ?</title>
				<description>
					অতীতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও ভারতকে এ বিষয়ে বলা হয়েছিল। কিন্তু এ নিয়ে কখনই তেমন কোনো মন্তব্য করেনি প্রতিবেশী দেশটি। বরং প্রত্যর্পণ চুক্তিতে থাকা বিভিন্ন শর্ত ব্যবহার করে তাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়টি ভারত যে এড়িয়ে যেতে পারে, এ নিয়ে নানা বিশ্লেষণ এসেছে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে।আইন অনুযায়ী নিজে থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে কোনো বাধা দেখছেন না আইন বিশেষজ্ঞরা। এ ক্ষেত্রে দেশে আসার পর আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই তাকে যেতে হবে। অবশ্য শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়টি যতটা না আইনি, তার থেকে বেশি রাজনৈতিক বলেই মনে করেন রাজনৈতিক এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।এ ছাড়া বাংলাদেশ ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়টিও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মত তাদের। অর্থাৎ আইনি নানা প্রক্রিয়া থাকলেও, দিন শেষে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক দেনদরবারের ওপরই সবকিছু নির্ভর করছে।যদিও এই মুহূর্তে বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় শেখ হাসিনা আসলেই দেশে ফিরতে চান কিনা, এমন প্রশ্নও তুলেছেন বিশ্লেষকদের কেউ কেউ। রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবেই বারবার দেশে ফেরার বিষয়টি তিনি সামনে আনছেন কিনা, এ নিয়েও ভাববার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন তারা।প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া কী?বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ২০১৩ সাল থেকেই একটি ‘প্রত্যর্পণ চুক্তি’ রয়েছে। ২০১৬ সালে যা সংশোধন করে প্রক্রিয়াটি আরও সহজ করা হয়েছিল। ওই চুক্তিতে প্রত্যর্পণের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া কী হবে, কোন কোন অপরাধে ফেরত পাঠানো যাবে- এমন নানা বিষয় উল্লেখ রয়েছে।মূলত, ভারত ও বাংলাদেশ অপরাধীদের ধরপাকড় এবং সন্ত্রাস দমনে একে অপরকে সাহায্য করার জন্যই ২০১৩ সালে এই চুক্তি সই করেছিল। চুক্তি অনুসারে, যদি কোনো অপরাধী এক দেশে অপরাধ করে অন্য দেশে পালিয়ে যায়, তাহলে তাকে ধরে আগের দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য দুই দেশ একে অপরকে সাহায্য করবে।এই চুক্তিতে কাউকে ফেরত আনার ক্ষেত্রে অপরাধীর শাস্তি হতে হবে কমপক্ষে এক বছর। এমনকি অপরাধ করার চেষ্টা বা সাহায্য করার অভিযোগ থাকলেও ফেরত পাঠানো যাবে। তবে ওই চুক্তিতে এমন কতগুলো বিধান বা শর্ত আছে, যা ব্যবহার করে প্রত্যর্পণের অনুরোধ প্রত্যাখ্যানের সুযোগও রয়েছে বলেই মনে করেন আইন বিশেষজ্ঞদের অনেকে। চুক্তি অনুসারে, যাকে হস্তান্তরের জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে তার বিরুদ্ধে অভিযোগটা যদি ‘রাজনৈতিক প্রকৃতি’র হয়, তাহলে সেই অনুরোধ খারিজ করা যাবে।তবে, কোন কোন অপরাধের অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক’ বলা যাবে না, সেই তালিকাও বেশ লম্বা। এর মধ্যে হত্যা, গুম, অনিচ্ছাকৃত হত্যা ঘটানো, বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো ও সন্ত্রাসবাদের মতো নানা অপরাধ আছে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7605/চইলই-ক-দশ-ফরত-পরবন-হসন</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7605/চইলই-ক-দশ-ফরত-পরবন-হসন</guid>
				<pubDate>2026-08-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগ, ব্যারিস্টার ফুয়াদকে লিগ্যাল নোটিশ</title>
				<description>
					শনিবার (৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী তন্ময় কুমার সাহা এ নোটিশ পাঠান। নোটিশে ব্যারিস্টার ফুয়াদের পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকেও অবহিত করা হয়েছে।লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়েছে, ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের কিছু বক্তব্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, সুনাম ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এসব বক্তব্যের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মানসিক কষ্ট ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।নোটিশে অভিযোগ করা হয়, ব্যারিস্টার ফুয়াদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গত ৫০ থেকে ৭০ বছরের স্নাতকদের জাতীয় পর্যায়ের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক ও অনুষদ সদস্যদের নিয়েও তিনি বিদ্বেষপূর্ণ, বিভাজনমূলক ও অসম্মানজনক মন্তব্য করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।এতে আরও বলা হয়, এসব বক্তব্য দেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এর সুনাম ক্ষতির মুখে ফেলেছে।নোটিশে ব্যারিস্টার ফুয়াদকে দৃষ্টান্তমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০০ কোটি টাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা তহবিলে জমা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।তবে এ বিষয়ে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7604/ঢক-বশববদযলয়র-ভবমরত-কষণনর-অভযগ-বযরসটর-ফয়দক-লগযল-নটশ</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7604/ঢক-বশববদযলয়র-ভবমরত-কষণনর-অভযগ-বযরসটর-ফয়দক-লগযল-নটশ</guid>
				<pubDate>2026-08-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7603_1.jpeg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>থাই আতিথেয়তা ও কফি সংস্কৃতির নতুন ঠিকানা এখন বাংলাদেশে ‘ক্যাফে আমাজন’</title>
				<description>
					বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ব্র্যান্ডটির ফ্ল্যাগশিপ স্টোর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে শুরু হয় ক্যাফে আমাজনের কার্যক্রম। পরবর্তীতে বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের অ্যাট্রিয়ামে জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক উদযাপন অনুষ্ঠিত হয়।বাংলাদেশে ক্যাফে আমাজনের আগমন শুধু একটি আন্তর্জাতিক কফি ব্র্যান্ডের যাত্রা নয়, বরং দেশের আধুনিক রিটেইল খাত, তরুণ উদ্যোক্তা এবং কর্মসংস্থানের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের দূরদর্শী নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের পণ্য, সেবা ও ব্যবসায়িক উদ্যোগ নিয়ে আসছে। ক্যাফে আমাজনের মাধ্যমে দেশের ভোক্তাদের জন্য বিশ্বমানের ক্যাফে অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং উদ্যোক্তা তৈরির নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।ক্যাফে আমাজন বাংলাদেশের লক্ষ্য শুধু কয়েকটি আউটলেট স্থাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দীর্ঘমেয়াদে সারা দেশে একটি শক্তিশালী ফ্র্যাঞ্চাইজি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মাধ্যমে দেশের সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তারা যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন এবং দেশজুড়ে আন্তর্জাতিক মানের ক্যাফে সেবা আরও সহজলভ্য হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর এবং তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান।টিবিজির (Tanvir Bashundhara Group) ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ ইব্রাহিম সোবহানের নেতৃত্বে পিটিটি ওআর-এর সঙ্গে এই কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ক্যাফে আমাজন বাংলাদেশে এসেছে। এ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মানের গুণগত সেবা, পরিচালন দক্ষতা এবং গ্রাহক সন্তুষ্টির প্রতি উভয় প্রতিষ্ঠানের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।অনুষ্ঠানে আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান বলেন, “আমরা বাংলাদেশকে শুধু একটি বিকাশমান বাজার হিসেবে দেখছি না, বরং অসাধারণ সম্ভাবনাময় একটি দেশ হিসেবে বিবেচনা করছি। পিটিটি ওআর-এর সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বিশ্বমানের একটি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নতুন সুযোগ তৈরি করবে। ক্যাফে আমাজন একটি বৃহত্তর যাত্রার সূচনা, যা আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে।”উদ্বোধনী আয়োজন ছিল বর্ণাঢ্য ও বৈচিত্র্যময়। থাই সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ঐতিহ্যবাহী মুয়ে থাই মার্শাল আর্ট প্রদর্শনী, গ্রাহক অ্যাক্টিভেশন, জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ ও জেফার রহমানের মনোমুগ্ধকর সংগীত পরিবেশনা এবং ক্যাফে আমাজনের জনপ্রিয় মাসকট ‘জোনজোন’-এর উপস্থিতিতে দর্শনার্থীরা উপভোগ করেন থাই সংস্কৃতি ও আতিথেয়তার অনন্য অভিজ্ঞতা।অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত রয়্যাল থাই অ্যাম্বাসির রাষ্ট্রদূত হিজ এক্সেলেন্সি থিতিফর্ন চিরাছাওয়াদি, রয়্যাল থাই অ্যাম্বাসির মিনিস্টার কাউন্সিলর (বাণিজ্যিক) অনুসর্ন কাউতিপবিত্তায়া এবং হাঙ্গেরিয়ান-থাই চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট পোজ্জানা পানিয়াংভাইত অনুষ্ঠানে অংশ নেন। তাদের সাথে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের সরকারি কর্মকর্তা, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী নেতা এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।পিটিটি ওআর ও ক্যাফে আমাজন ইন্টারন্যাশনালের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন লাইফস্টাইল বিজনেসের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রাইপিট প্রেমমানি, ক্যাফে আমাজন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস অ্যান্ড কমার্স ডেভেলপমেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট থিতি সুয়ানসাক, ক্যাফে আমাজন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড মার্কেটিংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট উইলাই বুনচারোয়েনচাইসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।এ ছাড়া বসুন্ধরা সিটি ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ক্যাপ্টেন শেখ এহসান রেজা (অব.), বসুন্ধরা গ্রুপের চিফ মার্কেটিং অফিসার জিয়াউল হক সিকদার এবং হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মোহাম্মদ আবদুল্লাহসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত ক্যাফে আমাজন বর্তমানে থাইল্যান্ডের এক নম্বর কফি চেইন হিসেবে পরিচিত। পিটিটি অয়েল অ্যান্ড রিটেইল বিজনেস পাবলিক কোম্পানি লিমিটেড পরিচালিত এই ব্র্যান্ডটির থাইল্যান্ডে রয়েছে ৪ হাজার ৭০০-এর বেশি ক্যাফে। পাশাপাশি বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৮টি দেশে রয়েছে ৩০টির বেশি আন্তর্জাতিক আউটলেট।‘টেস্ট অব নেচার’ বা ‘প্রকৃতির স্বাদ’ দর্শনে অনুপ্রাণিত ক্যাফে আমাজন প্রিমিয়াম কফি, খাঁটি থাই পানীয়, প্রকৃতি-অনুপ্রাণিত পরিবেশ এবং মানসম্মত গ্রাহকসেবার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এশিয়ার দ্রুত বর্ধনশীল কফি চেইনগুলোর অন্যতম হিসেবে ব্র্যান্ডটি প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক গ্রাহককে সেবা দিয়ে আসছে।বাংলাদেশে ক্যাফে আমাজনের যাত্রা দেশের কফি সংস্কৃতি, রিটেইল খাত এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার সূচনা করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7603/থই-আতথয়ত-ও-কফ-সসকতর-নতন-ঠকন-এখন-বলদশ-কযফ-আমজন</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7603/থই-আতথয়ত-ও-কফ-সসকতর-নতন-ঠকন-এখন-বলদশ-কযফ-আমজন</guid>
				<pubDate>2026-07-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7601_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>রাষ্ট্রপতি ২০ আগস্ট নির্বাচন </title>
				<description>
					ইসি সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। এই নির্বাচনে নির্বাচনি কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের তারিখ ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৬ আগস্ট। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৮ আগস্ট। আর ভোটগ্রহণ ২০ আগস্ট।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সাধারণত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সরকারি দলের দেওয়া একক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন। এ ক্ষেত্রে ভোট গ্রহণের প্রয়োজন হয় না। একক প্রার্থী থাকলে ১৮ আগস্ট নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে যাবেন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী, প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজনকে সমর্থক হতে হবে। প্রার্থীর নিজেরও সম্মতিসূচক স্বাক্ষর থাকতে হবে।প্রার্থীর সংখ্যা একজনের বেশি না হলে তাঁকেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। আর একাধিক প্রার্থী হলে সংসদের অধিবেশন কক্ষে বিধিমালা অনুযায়ী ভোট হবে।সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর ১৯৯১ সালে একাধিক প্রার্থী হওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট করতে হয়েছিল। পরে প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দল মনোনীত প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে আসছেন।রাষ্ট্রপতির পদ থেকে গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ইসিকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আয়োজন করার বিধান রয়েছে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7601/রষটরপত-২০-আগসট-নরবচন</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7601/রষটরপত-২০-আগসট-নরবচন</guid>
				<pubDate>2026-06-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7592_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>রাতেই বাড়বে গ্যাস আংশিক চালু হয়েছে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল, </title>
				<description>
					পেট্রোবাংলার সদস্য (অপারেশন) ড. রফিকুল ইসলাম জানান, ভাসমান সংরক্ষণ ও পুনর্গ্যাসীকরণ ইউনিট (এফএসআরইউ) চালু হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) প্রায় ১১৫ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।তিনি বলেন, আজ রাতের মধ্যেই গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ৭৫০ থেকে ৮০০ এমএমসিএফডিতে পৌঁছাবে।গত ২১ জুলাই কারিগরি ত্রুটির কারণে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল দিয়ে এলএনজি আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর দেশে গ্যাস সংকট শুরু হয়।অন্য একটি এফএসআরইউ আগেই বন্ধ থাকায় ওই সময় থেকে বাংলাদেশ এলএনজি আমদানির জন্য কার্যত একটি মাত্র সচল টার্মিনালের ওপর নির্ভরশীল ছিল। ফলে পুনর্গ্যাসীকরণ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।এদিকে, পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আরেকটি এলএনজি কার্গো ইতোমধ্যে বাংলাদেশের জলসীমায় পৌঁছেছে এবং শুক্রবার থেকে তা খালাস শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন অতিরিক্ত ২০ থেকে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7592/রতই-বড়ব-গযস-আশক-চল-হযছ-মহশখলর-এলএনজ-টরমনল</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7592/রতই-বড়ব-গযস-আশক-চল-হযছ-মহশখলর-এলএনজ-টরমনল</guid>
				<pubDate>2026-06-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>বাংলাদেশে চালু হতে যাচ্ছে বিশ্বখ্যাত থাই  কফি চেইন ‘ক্যাফে আমাজন’</title>
				<description>
					অপেক্ষার পালা শেষ করে বাংলাদেশে চালু হতে যাচ্ছে ক্যাফে আমাজন। ​বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা এবং বসুন্ধরা সিটিতে জাকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে জোড়া ভেন্যুতে গ্র্যান্ড লঞ্চ করবে ক্যাফে আমাজন।&amp;nbsp;&amp;nbsp;​থাইল্যান্ডের বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক কফি চেইন ব্র্যান্ড 'ক্যাফে আমাজন' (Cafe Amazon) বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তার বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। বসুন্ধরা গ্রুপের সার্বিক তত্ত্বাবধানে&amp;nbsp;আগামীকাল ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ঢাকার দুটি পৃথক ও বর্ণাঢ্য ভেন্যুতে দিনব্যাপী থাকবে উদ্বোধনী আয়োজনের নানা পরিকল্পনার নজরকাড়া বাস্তবায়ন।&amp;nbsp;​উদ্বোধনী দিনের প্রথম পর্ব সকাল ১১:২০ মিনিটে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত ক্যাফে আমাজনের 'ফ্ল্যাগশিপ স্টোর'-এ অনুষ্ঠিত হবে।&amp;nbsp;এতে উপস্থিত থাকবেন থাইল্যান্ডের দূতাবাস প্রতিনিধি, PTT সিয়ামের শীর্ষ কর্মকর্তা, বসুন্ধরা গ্রুপের উচ্চপদস্থ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, সরকারি কর্মকর্তা এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিগণ।&amp;nbsp;দুপুর ১২:৩০ মিনিটে যৌথভাবে ফিতা কেটে ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করা হবে।​একই দিন উদ্বোধনীর দ্বিতীয় পর্ব&amp;nbsp; 'বসুন্ধরা সিটি শপিং মল'-এ বিকেল ৩:০০ টায় অনুষ্ঠিত হবে।সর্বসাধারণ ও কফি প্রেমীদের জন্য এই পর্বে থাকবে থাইল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও বিনোদনমূলক কার্যক্রম।​সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানসূচি (Highlights of the Event):​ভেন্যু ১: ফ্ল্যাগশিপ স্টোর, বসুন্ধরা আ/এ​১১:২০ AM: ভিআইপি, সরকারি কর্মকর্তা, দূতাবাস প্রতিনিধি ও মিডিয়া রেজিস্ট্রেশন।​১২:০০ PM – ১২:২০ PM: সঞ্চালকের স্বাগত বক্তব্য, অতিথি ও বসুন্ধরা গ্রুপ (BG) ম্যানেজমেন্টের বক্তব্য।​১২:৩০ PM: ফিতা কাটা অনুষ্ঠান (অফিসিয়াল স্টোর উদ্বোধন)।​১২:৪০ PM – ১২:৪৫ PM: অফিসিয়াল গ্রুপ ফটো সেশন ও কফি অভিজ্ঞতা অর্জন।​ভেন্যু ২: বসুন্ধরা সিটি শপিং মল​০৩:০০ PM: সঞ্চালকের সূচনা বক্তব্য ও BCDL DMD সাহেবের স্বাগত বক্তব্য।​০৩:২৬ PM – ০৩:৫০ PM: ঐতিহ্যবাহী থাই নৃত্য ও বিশেষ ‘মুয়ে থাই’ (Muay Thai) মার্শাল আর্ট পরিবেশনা।​০৪:০১ PM: কফি বিন অ্যাক্টিভেশন, বেলুন ড্রপ ও OVC প্রদর্শনী।​০৪:৪৬ PM: তোয়া (TOYA) ও ইগল ড্যান্স ট্রুপের আকর্ষণীয় ফ্ল্যাশ মব।​০৫:৩১ PM: জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী জেফার (Xefer)-এর একক পরিবেশনা।​০৬:৪১ PM: ব্র্যান্ড মাসকট 'জোনজোন' (ZonZon)-এর বিশেষ ট্রুপিং।​০৭:১৬ PM: সমাপনী কনসার্ট ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন।​ক্যাফে আমাজন সম্পর্কে:​২০০২ সালে থাইল্যান্ডে যাত্রা শুরু করা 'ক্যাফে আমাজন' বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ও দ্রুত বর্ধনশীল কফি চেইন। সতেজ কফির স্বাদ ও প্রাকৃতিকভাবে সজ্জিত আউটলেটের জন্য পরিচিত এই ব্র্যান্ডটি বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার আউটলেটের মাধ্যমে সেবা দিয়ে আসছে। বসুন্ধরা গ্রুপের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিশ্বমানের এই কফি অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছে ব্র্যান্ডটি।​মিডিয়া যোগাযোগের বিবরণ (Media Contact):প্রেস ও পিআর বিভাগ, ক্যাফে আমাজন বাংলাদেশ।বসুন্ধরা গ্রুপ কর্পোরেট অফিস, বসুন্ধরা আ/এ, ঢাকা।ইমেইল: media@cafeamazon.bd | ফোন: +880 1712-832044 এবং +880 1938-873428ওয়েবসাইট: www.cafeamazon.com.bd						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7591/বলদশ-চল-হত-যচছ-বশবখযত-থই-কফ-চইন-কযফ-আমজন</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7591/বলদশ-চল-হত-যচছ-বশবখযত-থই-কফ-চইন-কযফ-আমজন</guid>
				<pubDate>2026-05-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7589_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে রক্তে অর্জিত জাতীয় ঐক্য  : প্রধানমন্ত্রী</title>
				<description>
					তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য ৫ আগস্ট আনন্দের দিন, বিজয়ের দিন, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিন। দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে আজ থেকে ঠিক দুই বছর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, এই দিনে দেশের বীর ছাত্র-জনতা এক ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করে। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মুখে ফ্যাসিস্ট সরকার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। রাহুমুক্ত হয় বাংলাদেশ। বীর ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত এই দিনটিকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে জাতীয়ভাবে উদযাপন করা হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদের পতন ও দেশে জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা তথা জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিএনপিসহ ফ্যাসিবাদ বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং ভিন্নমতের মানুষকে সীমাহীন নির্যাতন-নিপীড়ন সইতে হয়েছিল। অসংখ্য মানুষ গুম, খুন, অপহরণ, হামলা, মামলা, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন। এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে আপসহীন দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকেও মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর জালিমের কারাগারে কাটাতে হয়েছে।তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্রকামী মানুষের কণ্ঠ স্তব্ধ করতে স্বৈরাচারের নির্দেশে দেশে গড়ে তোলা হয়েছিল শত শত গোপন বন্দিশালা- ‘আয়নাঘর’। ‘আয়নাঘরের’ অন্ধকার প্রকোষ্ঠে এক সীমাহীন অনিশ্চয়তায় মাসের পর মাস, বছরের পর বছর অগণিত মানুষকে আটকে রাখা হয়েছিল। অনেককে চিরতরে গুম করে ফেলা হয়েছে। বিএনপির সাবেক এমপি ইলিয়াস আলী ও কমিশনার চৌধুরী আলমসহ এমন অনেক নেতাকর্মীর আজও সন্ধান মেলেনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশনসহ দেশের সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে অকার্যকর করে ফেলা হয়েছিল। সংবিধান উপেক্ষা করে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল; নির্বাচনকে পরিণত করা হয়েছিল প্রহসনে। দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়ে দেশকে তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছিল।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ব্যাংকিং খাতকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি, লুটপাট আর টাকা পাচারকেই স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে পরিণত করে ফেলা হয়েছিল। দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ব্যক্তিতন্ত্র। তবে শেষ রক্ষা হয়নি।তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ, বীর ছাত্র-জনতা, কৃষক-শ্রমিক, রিকশাচালক, মুটে-মজুর, পোশাক শ্রমিক, হোটেল-রেস্তোরাঁকর্মী, পরিবহন শ্রমিক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সংস্কৃতিকর্মী, গৃহবধূ, নারী ও শিশুসহ সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। গণঅভ্যুত্থান দমনে মরিয়া ফ্যাসিস্ট সরকার রাজপথে গণতন্ত্রকামী জনগণের বুকে গুলি করে পাখির মতো মানুষ হত্যা করেছে। এমনকি জনগণের ওপর হেলিকপ্টার থেকেও গুলি চালানো হয়েছিল। স্বৈরাচারের বেপরোয়া গুলি থেকে মায়ের কোলে থাকা শিশু পর্যন্ত রেহাই পায়নি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারের বন্দুকের সামনে রংপুরের সাহসী প্রাণ শহীদ আবু সাঈদের চিতানো বুক, চট্টগ্রামের শহীদ ওয়াসিম আকরাম কিংবা ঢাকার শহীদ মুগ্ধসহ আমাদের অসংখ্য সাহসী সন্তান হয়ে উঠেছিলেন গণতন্ত্রকামী মানুষের সাহসী প্রেরণা। শুধু জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানেই হাজারো মানুষ শহীদ হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ হাজার মানুষ। শত শত মানুষ হাত-পা ও শরীরের অঙ্গ হারিয়ে চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন; অনেকেই আজীবনের জন্য দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি। গণতন্ত্রকামী জনগণের সম্মিলিত আন্দোলনে ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট গণভবন ছেড়ে পালিয়েছে। জাতীয় সংসদ ছেড়ে কথিত সংসদ সদস্যরা পালিয়েছে। আদালত ছেড়ে প্রধান বিচারপতি পালিয়েছে। বায়তুল মোকাররম ছেড়ে প্রধান খতিব পালিয়েছে। মন্ত্রিসভা ছেড়ে মন্ত্রীরা পালিয়েছে। ফ্যাসিবাদের দোসররা আত্মগোপনে চলে গেছে। ৫ আগস্ট বাংলাদেশে যা ঘটেছে, তা শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বের ইতিহাসেও এক নজিরবিহীন ঘটনা।’তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ থেকে আজ পর্যন্ত দেশের স্বাধীনতা অর্জন ও রক্ষা, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতিটি বাঁকে লাখো মানুষ আত্মত্যাগ করেছেন। আজকের এই ঐতিহাসিক দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে সব শহীদকে স্মরণ করছি। দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা, অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য শহীদরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে আমাদের ঋণী করে গেছেন। প্রতিটি শহীদ পরিবারের কাছে বাংলাদেশ ঋণী। এখন শহীদদের প্রতি আমাদের ঋণ পরিশোধের পালা।প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক, স্বনির্ভর, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমে শহীদদের প্রতি আমাদের ঋণ পরিশোধের আন্তরিক প্রচেষ্টাই হোক আমাদের অঙ্গীকার। তিনি বলেন, হাজারো শহীদের রক্তে স্নাত রাজপথে অভূতপূর্ব জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে। রক্তে অর্জিত এই জাতীয় ঐক্য যেকোনো মূল্যে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। আমাদের মধ্যে নানা ইস্যুতে ভিন্নমত থাকবে, এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু ভিন্ন চিন্তা, ভিন্নমত যাতে শত্রুতায় পর্যবসিত না হয়, সে ব্যাপারে গণতন্ত্রের পক্ষের প্রতিটি রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠী, আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে আর কখনোই স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ, চরমপন্থা কিংবা উগ্রবাদ কায়েম হবে না, কখনোই দেশকে তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে দেওয়া হবে না। এইসব মৌলিক প্রশ্নে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় ঐক্য অটুট আছে এবং থাকবে, ইনশাআল্লাহ।’তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সাল ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ। ১৯৭১ সালের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের বাংলাদেশ কখনো ভোলেনি, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের শহীদদেরও বাংলাদেশ কখনো ভুলবে না।Advertisement						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7589/যকন-মলয-রকষ-করত-হব-রকত-অরজত-জতয়-ঐকয-পরধনমনতর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7589/যকন-মলয-রকষ-করত-হব-রকত-অরজত-জতয়-ঐকয-পরধনমনতর</guid>
				<pubDate>2026-04-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7581_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা জোরদার জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে </title>
				<description>
					নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাজধানীজুড়ে পিকেট ও চেকপোস্ট ডিউটি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিশেষ করে মহানগরের সব প্রবেশপথে তল্লাশি কার্যক্রম ও চেকপোস্ট পরিচালনা জোরদার থাকবে। পাশাপাশি ডিবি ও সিটিটিসি সাদা পোশাকে সব গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যুতে অপারেশনাল কাজে মোতায়েন থাকবে। যেসব স্থানে সাধারণ মানুষের সমাগম বেশি হবে, সেখানে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং ডগ-স্কোয়াড ইউনিটের মাধ্যমে বিশেষ সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।এছাড়া সব অনুষ্ঠানস্থল এবং জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ এলাকাকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত করে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের নজরদারিতে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে সাদা পোশাকে সিটিএসবি ও আইএডির গোয়েন্দা কার্যক্রম পুরোদমে অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো ধরনের জরুরি পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রাখা হচ্ছে পর্যাপ্ত সংখ্যক কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি)।নিয়মিত মোতায়েনের পাশাপাশি ডিএমপির অতিরিক্ত ফোর্সসহ র‌্যাব ও সিআইডি যৌথভাবে মহানগরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে সক্রিয় থাকবে। সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য সব ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা সরাসরি মাঠে উপস্থিত থেকে ডিউটি তদারকি করবেন।ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী জানান, ৫ আগস্ট নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাজধানীজুড়ে পিকেট ও চেকপোস্ট ডিউটি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিশেষ করে মহানগরের সব প্রবেশপথে তল্লাশি কার্যক্রম ও চেকপোস্ট পরিচালনা জোরদার থাকবে। পাশাপাশি ডিবি ও সিটিটিসি সাদা পোশাকে সব গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যুতে অপারেশনাল কাজে মোতায়েন থাকবে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7581/রজধনত-নশছদর-নরপতত-জরদর-জলই-গণঅভযতথন-দবস</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7581/রজধনত-নশছদর-নরপতত-জরদর-জলই-গণঅভযতথন-দবস</guid>
				<pubDate>2026-04-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7578_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনে স্থাপন হবে সৌর প্যানেল </title>
				<description>
					এ সময় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ও ওয়ালটন গ্রুপ পৃথক উপস্থাপনায় আবাসিক ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপন এবং উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। তাদের উপস্থাপনায় বলা হয়, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে।সভায় আরও বলা হয়, ভোক্তাদের মধ্যে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহারে আগ্রহ বাড়াতে এর অর্থনৈতিক ও ব্যবহারিক সুবিধাগুলো ব্যাপকভাবে তুলে ধরতে হবে। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে এয়ার কন্ডিশনার, ফ্যান, লিফটসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালানো সম্ভব বলেও উপস্থাপনায় উল্লেখ করা হয়।সভায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী এবং গ্রুপের সোলার ও নবায়ণযোগ্য বিদ্যুত বিভাগের এজিএম তওহিদুল আহাদ, ওয়ালটন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলমসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7578/সরকর-গরতবপরণ-ভবন-সথপন-হব-সর-পযনল</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7578/সরকর-গরতবপরণ-ভবন-সথপন-হব-সর-পযনল</guid>
				<pubDate>2026-03-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7568_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title> তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও অর্থনৈতিক করিডোর উদ্যোগ বাস্তবায়নে আশাবাদী চীন</title>
				<description>
					চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর এবং অন্যান্য যৌথ উন্নয়ন উদ্যোগের বাস্তবায়ন নিয়ে চীন আশাবাদী। আগামী দিনে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুই দেশের কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।&amp;nbsp;অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও বক্তব্য দেন এবং স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বিআইআইএসএসের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আ স ম রিদওয়ানুর রহমান।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7568/তসত-মহপরকলপন-ও-অরথনতক-করডর-উদযগ-বসতবযন-আশবদ-চন</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7568/তসত-মহপরকলপন-ও-অরথনতক-করডর-উদযগ-বসতবযন-আশবদ-চন</guid>
				<pubDate>2026-03-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7566_1.jpeg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>বিনা বেতনে শিক্ষকতা করছেন ১৫ বছর ধরে  ডিগ্রি কলেজের ১০ শিক্ষক</title>
				<description>
					জানা গেছে, ভাটি অঞ্চল চাতলপাড়ের শিক্ষার প্রসারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেওয়া অনুদানে ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় চাতলপাড় ডিগ্রি কলেজ। সম্প্রতি স্থানীয় সাংসদ পাশ কোর্সের এমপিওভুক্তির জন্য শিক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার (আধা সরকারিপত্র) প্রদান করেন।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নাসিরনগরে রাষ্ট্রীয় সফরে আসেন। তখন স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হাওড়ের জনগোষ্ঠীর শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে চাতলপাড়ে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে তার নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রাথমিক অবকাঠামো নির্মাণে নগদ অর্থ অনুদান দিয়ে কলেজটির ভিত্তি গড়ে দেন। স্থানীয়দের দান করা প্রায় তিন একর জমির উপর গড়ে ওঠে কলেজটি।কলেজটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নে অবস্থিত। নাসিরনগর উপজেলা সদর থেকে কলেজটির দূরত্ব ২২ কিলোমিটার। এর মধ্যে প্রায় ১৪ কিলোমিটার নৌপথ, বাকি অংশ কাঁচা সড়ক। বর্ষা মৌসুমে যাতায়াতে সময় লাগে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা। ফলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়ে।কলেজ সূত্রে জানা গেছে, কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী আছে প্রায় সাড়ে পাঁচশ। এর মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিকে ৩৫০ জন ও ডিগ্রি পাশ কোর্সে দুইশ জন। বর্তমানে উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিগ্রি মিলিয়ে চাতলপাড় কলেজে মোট ২৭ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। এর মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিক শাখায় ১৭ জন ও ডিগ্রি শাখায় রয়েছেন ১০ জন শিক্ষক। ডিগ্রি শাখার ১০ জন শিক্ষক ১৫ বছর ধরে বিনা বেতনে পাঠদান করছেন। আর্থিকভাবে দুর্বল অনেক শিক্ষকই মানবেতর জীবনযাপন করছেন।ডিগ্রি শাখার একজন শিক্ষক আলফাজ উদ্দিন আক্ষেপ নিয়ে বলেন, যখন কলেজে যোগদান করি তখন সরকারি চাকরিতে আবেদন করার বয়স ছিল। এখন সেই বয়স চলে গেছে। বিয়ে করেছি সংসার হয়েছে; কিন্তু টানা ১৫ বছর ধরে বিনা বেতনে শিক্ষকতা করে এখন আর পরিবার নিয়ে চলতে পারছি না।&amp;nbsp;চাতলপাড় কলেজের অধ্যক্ষ মো. ওমর আলী বলেন, ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত তিনবার আবেদন করা হয়েছে এমপিওভুক্তির জন্য। কিন্তু শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আশ্বাস পাওয়া যায়নি।ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ নাসিরনগর আসনের সংসদ সদস্য এমএ হান্নান বলেন, শিক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার প্রদান করা হয়েছে।তার দাবি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাসমূহে সন্তোষজনক ফলাফল অর্জন করে আসছে; কিন্তু পরিতাপের বিষয় যে, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও বিএ ও বিএসএস (পাশ) কোর্স এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা বেতন ভাতা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ অবস্থা দীর্ঘায়িত হলে অদূর ভবিষ্যতে ডিগ্রি শাখার কার্যক্রম ব্যাহত কিংবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যার ফলে হাওড় ও ভাটি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7566/বন-বতন-শকষকত-করছন-১৫-বছর-ধর-ডগর-কলজর-১০-শকষক</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7566/বন-বতন-শকষকত-করছন-১৫-বছর-ধর-ডগর-কলজর-১০-শকষক</guid>
				<pubDate>2026-03-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>মানবাধিকারের আয়নায় পাকিস্তানের অস্বস্তিকর চেহারা</title>
				<description>
					বিক্ষোভকারীদের দাবি, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে বহু মানুষ নিহত হয়েছেন এবং শত শত আহত হয়েছেন। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ অবশ্য বলছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রের এমন ব্যাখ্যা তখনই গ্রহণযোগ্যতা পায়, যখন সেখানে স্বচ্ছ তদন্ত, জবাবদিহি এবং জনগণের আস্থা নিশ্চিত করা হয়।আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাদের প্রশ্ন, কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কি নাগরিকদের দাবি মোকাবিলায় প্রথমে অস্ত্র ব্যবহার করবে, নাকি সংলাপ ও রাজনৈতিক সমাধানের পথ বেছে নেবে?আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, সংকট মোকাবিলায় পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভাষা। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ যখন পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মিরের বিক্ষোভকারীদের ‘শত্রু’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন, তখন তা শুধু একটি রাজনৈতিক বক্তব্য থাকে না; বরং এটি রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের গভীর সংকটকে প্রকাশ করে। গণতন্ত্রে ভিন্নমত কখনো শত্রুতা নয়। প্রতিবাদী কণ্ঠকে দেশবিরোধী বা শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার প্রবণতা শেষ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকেই দুর্বল করে।মানবাধিকারের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো দ্বৈত মানদণ্ড। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাশ্মিরের মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলার সময় ইসলামাবাদ মানবিক মূল্যবোধের কথা তুলে ধরে। কিন্তু নিজ দেশের ভেতরে বেলুচিস্তান, সিন্ধু, খাইবার পাখতুনখোয়া কিংবা পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মিরে একই নীতির প্রতিফলন কতটা ঘটছে—সেই প্রশ্নের উত্তর তারা এড়িয়ে যেতে পারে না।বেলুচিস্তানের পরিস্থিতি এই বৈপরীত্যের সবচেয়ে বড় উদাহরণ। বছরের পর বছর ধরে সেখানে নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারগুলো তাদের স্বজনদের সন্ধান এবং জবাবদিহির দাবি জানিয়ে আসছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো জোরপূর্বক গুম, নির্বিচার আটক এবং বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ তুলে আসছে। পাকিস্তান সরকার এসব অভিযোগের জবাবে নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছে। কিন্তু নিরাপত্তার অজুহাতে নাগরিক অধিকার উপেক্ষিত হলে কোনো রাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা অর্জন করতে পারে না।ইতিহাসও পাকিস্তানের সামনে বড় শিক্ষা রেখে গেছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পেছনে ছিল রাজনৈতিক অধিকার অস্বীকার, নির্বাচনী রায়কে উপেক্ষা করা এবং জনগণের ন্যায্য দাবির জবাবে সামরিক শক্তি প্রয়োগের দীর্ঘ ইতিহাস। জনগণের কণ্ঠকে দমন করে কোনো রাষ্ট্র স্থায়ী ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। শক্তি দিয়ে সাময়িক নীরবতা তৈরি করা যায়, কিন্তু মানুষের অধিকার ও মর্যাদার আকাঙ্ক্ষাকে কখনো নিশ্চিহ্ন করা যায় না।উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, পাকিস্তানের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনা শুধু বাইরের বিশ্ব থেকে আসছে না। দেশটির ভেতর থেকেও প্রশ্ন উঠছে। সাবেক রাষ্ট্রদূত মালিহা লোদি এবং বিভিন্ন বিশ্লেষক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সরকারের নীতি ও আচরণের মধ্যে অসঙ্গতির দিকে ইঙ্গিত করেছেন। এসব সমালোচনাকে ‘বিদেশি ষড়যন্ত্র’ বলে উড়িয়ে দেওয়া বাস্তবতাকে অস্বীকার করার শামিল।অবশ্যই পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদ, উগ্রবাদ ও নিরাপত্তা সংকটের মতো কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। কিন্তু কোনো রাষ্ট্রের নিরাপত্তা উদ্বেগ তাকে নাগরিক অধিকারের প্রতি উদাসীন হওয়ার লাইসেন্স দিতে পারে না। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের শক্তি কেবল তার সামরিক সক্ষমতায় নয়; বরং সংকটের সময় নাগরিকদের অধিকার কতটা রক্ষা করতে পারে, তার ওপর নির্ভর করে।আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালা স্পষ্টভাবে বলে—রাষ্ট্রীয় শক্তি প্রয়োগ হতে হবে প্রয়োজনীয়, সীমিত এবং জবাবদিহিমূলক। রাজনৈতিক দাবি ও নাগরিক অসন্তোষ মোকাবিলার প্রধান মাধ্যম হওয়া উচিত আলোচনা, সমঝোতা ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া।পাকিস্তান যদি সত্যিই মানবাধিকারের পক্ষে দাঁড়াতে চায়, তবে সেই অবস্থানের শুরু হতে হবে নিজের ভূখণ্ড থেকেই। পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মির, বেলুচিস্তান, সিন্ধু কিংবা খাইবার পাখতুনখোয়ায় নাগরিক স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক অধিকারের প্রতি সম্মান দেখাতে না পারলে আন্তর্জাতিক ফোরামে মানবাধিকারের পক্ষে তাদের বক্তব্য গ্রহণযোগ্যতা হারাবে।মানবাধিকারের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘোষণা কোনো আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মঞ্চে নয়; বরং একটি রাষ্ট্র তার নিজের নাগরিকদের সঙ্গে কী আচরণ করে, তার মধ্যেই প্রকাশ পায়। পাকিস্তানের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ—মানবাধিকারের ভাষণ দেওয়া নয়, বরং সেই মূল্যবোধ বাস্তবে প্রতিষ্ঠা করা।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7562/মনবধকরর-আয়নয়-পকসতনর-অসবসতকর-চহর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7562/মনবধকরর-আয়নয়-পকসতনর-অসবসতকর-চহর</guid>
				<pubDate>2026-03-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7553_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>নৌপথ সচল করার নির্দেশ ঢাকার চারপাশে  প্রধানমন্ত্রীর</title>
				<description>
					সভায় সড়ক পরিবহণ ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহণ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7553/নপথ-সচল-করর-নরদশ-ঢকর-চরপশ-পরধনমনতরর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7553/নপথ-সচল-করর-নরদশ-ঢকর-চরপশ-পরধনমনতরর</guid>
				<pubDate>2026-02-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7549_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার অর্থ কী সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে ?</title>
				<description>
					ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের কারণে বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ। অন্য বিকল্প রুট লোহিত সাগরেও মাঝেমধ্যে হামলা চালাচ্ছে ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা।এমন অস্থির পরিস্থিতিতে বাব আল-মান্দেব প্রণালী, লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগরে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষায় গঠিত নৌ সামরিক জোটে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের তাৎপর্য কী?সিদ্ধান্তটি কৌশলগত বলেই মত বিশ্লেষকদের। এর পেছনে জ্বালানি নিরাপত্তা, শ্রমবাজার, বাণিজ্য এবং মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্যের জটিল হিসাবও জড়িত বলে তারা মনে করেন। সামরিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পরিস্থিতিতে সামুদ্রিক প্রতিরক্ষায় বহুজাতিক জোট গঠনের এই সিদ্ধান্ত বেশ কৌশলী।এখানে লাভের পাশাপাশি ঝুঁকিও দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক এবং বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতির প্রশ্নে। তাদের মতে, এই জোটে যুক্ত হলে একদিকে যেমন ইরান এবং ইরান সমর্থিত বিভিন্ন গোষ্ঠির বিরোধিতার সম্মুখীন হতে হবে।অন্যদিকে এখান থেকে বিরত থাকলে সৌদি আরবের সঙ্গেও সম্পর্কের টানাপড়েন শুরু হতে পারে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের মতো বিষয়ও রয়েছে।বাব আল মান্দেব কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত শুরুর পর বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহণের রুট হরমুজ প্রণালী বর্তমানে কার্যত অচল হয়ে রয়েছে। ইরান বারবার হুমকি দিয়েছে, প্রয়োজনে তারা এই প্রণালী বন্ধ করে দেবে। ফলে উপসাগরীয় দেশগুলো, বিশেষ করে সৌদি আরব বিকল্প পথ খুঁজতে শুরু করেছে।আর দেশটির হাতে সেই বিকল্প হলো লোহিত সাগর। সৌদি আরবের বেশিরভাগ তেল এখন লোহিত সাগর হয়ে রপ্তানি হচ্ছে। কিন্তু এখানেও নতুন সংকট। লোহিত সাগরে সৌদি ও তাদের মিত্রদের তেলবাহী জাহাজে মাঝেমধ্যেই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠী।কয়েক সপ্তাহ আগে তারা বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে কার্যত নৌ-অবরোধের ঘোষণাও দিয়েছে। যার ফলে ওই পথ দিয়েও নৌযান চলাচলের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।ভৌগোলিকভাবে ইরিত্রিয়া, জিবুতি ও ইয়েমেনের মাঝখানে প্রায় ৩০ কিলোমিটারের একটি সরু চ্যানেল হলো বাব আল মান্দেব। যা লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর এবং সেখান থেকে ভারত মহাসাগরের সাথে যুক্ত করেছে।বিশ্বের প্রায় ১০ থেকে ১২ শতাংশ সামুদ্রিক বাণিজ্য এবং প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল এই পথ দিয়ে পরিবহণ করা হয়। হরমুজের পর এটিই বিশ্ব জ্বালানি পরিবহণের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ রুট।যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ কার্যত বন্ধ, হুথিদের অবরোধের ঘোষণায় বাব আল মান্দেবও ঝুঁকিপূর্ণ- এই দুই চেকপয়েন্টে একসঙ্গে অস্থিরতা মানে বিশ্ববাজারে তেলের দামে আরও অস্থিরতার শঙ্কা।আর তেলের দাম বাড়া মানেই বাংলাদেশের মতো আমদানি নির্ভর দেশের জন্য মুদ্রাস্ফীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার চাপ।এই প্রেক্ষাপটেই 'বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট' গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জোটের মূল লক্ষ্য বাব আল-মান্দেব প্রণালী, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে নৌযান চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরব ছাড়া এই জোটের বাকি ১৩ সদস্য হলো- তুরস্ক, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, জর্ডান, মিশর, পাকিস্তান, জিবুতি, সোমালিয়া, বাংলাদেশ, ইয়েমেন, সুদান ও কোমোরোস।তবে লক্ষণীয় বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ওমান এই জোটে নেই।বাংলাদেশ কেন এই জোটে?সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সামরিক সহযোগিতার ইতিহাস নতুন নয়। ১৯৯০ সালেও উপসাগরীয় যুদ্ধে সৌদি আরবের সুরক্ষায় সহযোগিতা করতে সেদেশে সেনা পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর যুদ্ধ শেষে কুয়েত পুনর্গঠনেও লজিস্টিক ও সেবামূলক কাজ করেছিল বাংলাদেশের সেনারা।১৯৯০ সালে উপসাগরীয় যুদ্ধে বাংলাদেশের হয়ে অংশ নিয়েছিলেন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ। সৌদি আরবের নেতৃত্বে বহুজাতিক সামুদ্রিক সামরিক জোটে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ দেখছেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।তিনি বলছেন, সৌদি আরব বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার। ২৫ লাখের বেশি বাংলাদেশি সেখানে কাজ করেন। ফলে সৌদির কোনো কৌশলগত অনুরোধে সাড়া না দিলে ভিসা, কোটা বা শ্রমবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।তিনি বলেন, সৌদির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। তাদের অনুরোধে সাড়া দিতে হচ্ছে।এছাড়া বহুজাতিক জোটে অংশ নিলে বাংলাদেশ নৌবাহিনী আধুনিক নৌ-যুদ্ধ কৌশল, সাবমেরিন-বিধ্বংসী টহল, গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান ও যৌথ মহড়ার অভিজ্ঞতা পাবে। তুরস্ক, পাকিস্তান ও মিশরের মতো দেশের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ নৌ সক্ষমতা বাড়াবে বলেও মনে করেন তিনি।এক্ষেত্রে অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যও দেখছেন এই বিশ্লেষক। তিনি বলছেন, লোহিত সাগরের ওপারেই আফ্রিকা মহাদেশ- এই জোটের মাধ্যমে আফ্রিকার পূর্ব উপকূলে বাংলাদেশের জন্য নতুন রপ্তানি বাজার ও জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ তৈরি হতে পারে। আর লোহিত সাগর নিরাপদ থাকলে বাংলাদেশি পণ্যবাহী জাহাজগুলোও নিরাপদ থাকবে।ঝুঁকিও রয়েছেসৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জোটটি সম্পূর্ণ রক্ষণাত্মক প্রকৃতির এবং এটি কোনো রাষ্ট্রকে লক্ষ্যবস্তু করবে না। মূলত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, যৌথ মহড়া, সমন্বিত টহল ও সমুদ্র যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে কেবল জরুরি প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালাবে এই জোট।তবে সৌদি নেতৃত্বাধীন এই সামরিক জোটে যুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশের জন্য বেশ কিছু ঝুঁকিও দেখছেন বিশ্লেষকরা। এক্ষেত্রে ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন তৈরি হওয়ার বিষয়টিকে সবচেয়ে বড় করে দেখা হচ্ছে।সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র এবং ইরানের কট্টর প্রতিপক্ষ। এই জোট কার্যত সৌদি-যুক্তরাষ্ট্র ব্লকের অংশ। তাই ইরান এটিকে কীভাবে দেখবে, এই প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই উঠছে।নৌবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা জে ইউ ভুঁইয়া বলছেন, আমাদের যে-কোনো পদক্ষেপ ইরান মনে রাখবে। ইরান এই যুদ্ধে টিকে গেলে ভবিষ্যতে বড় শক্তি হবে। তখন আমাদের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।এছাড়া, এটি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন না হওয়ায় সক্রিয় সংঘাতপূর্ণ এই এলাকায় ইরান বা হুথিরা সৌদি নেতৃত্বাধীন যে-কোনো জোটকে টার্গেট করতে পারে।ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ বলছেন, জীবন বাজি রেখে আমাদের নৌ সদস্যরা সেখানে যাবে। ১৯৯০ সালে সৌদিতে আমাদের বেইজগুলোকে ব্রিটিশরা এয়ার প্রটেকশন দিয়েছিল। এবার সেই নিরাপত্তা কে দেবে?ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বাংলাদেশ কূটনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নিয়েছে। সব পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। এখন সৌদি জোটে গেলে সেই নীতি কতটা ধরে রাখা যাবে, এই প্রশ্নও তুলছেন বিশ্লেষকরা।ভারসাম্যই এখন মূল কৌশলইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে গোটা পৃথিবীই এখন কূটনৈতিক দোটানায়। যদিও শুরু থেকেই কূটনৈতিকভাবে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও সতর্ক অবস্থান বজায় রাখার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। কোনো পক্ষের সরাসরি বিরোধিতা বা সমর্থন না করে সব পক্ষকে সংযত থাকার এবং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা।কিন্তু সমুদ্র নিরাপত্তা ইস্যুতে সৌদি আরবের সঙ্গে সামরিক জোটে যুক্ত হলে বাংলাদেশের জন্য নিজের ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখা সম্ভব হবে কিনা, এই আলোচনাও সামনে আসছে।ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, অনেক সুযোগ আছে, চ্যালেঞ্জ আছে, নিরাপত্তা ঝুঁকিও আছে। রাজনীতিক ও কূটনীতিকদের বিচক্ষণতার মাধ্যমে আমরা সফল হতে পারি। ইরানকে বোঝাতে হবে যে আমরা তাদের বিপক্ষে নই। আমরা যাচ্ছি শুধু সামুদ্রিক রুটের নিরাপত্তার জন্য। এই কৌশলগত অবস্থান তাদের কাছে পরিষ্কার করতে হবে।এছাড়া এই জোটের অংশ হয়ে বাংলাদেশ কী ভূমিকা রাখবে, ক্ষয়ক্ষতি হলে কে বহন করবে, সৈন্যদের বিমা ও সুযোগ-সুবিধা কী হবে- এই বিষয়গুলোর উত্তর জানাও জরুরি বলে মনে করেন তিনি।বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজের পর বাব আল-মান্দেবও যদি অস্থির হয়ে পড়ে, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতি বড় ধাক্কা খাবে। সেই অর্থনীতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশেরও দায়িত্ব রয়েছে।কিন্তু সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের কূটনৈতিক ভারসাম্য ও নিরাপত্তা যেন বিসর্জন না হয়, সেটিই এখন সবচেয়ে বড়ো চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে, মধ্যপ্রাচ্য সংকট আরও জটিল হচ্ছে। ইরান ও সৌদি- দুই দেশের সাথেই কূটনৈতিক চ্যানেল খোলা রাখতে হবে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7549/বলদশর-যগ-দওয়র-অরথ-ক-সদ-পরতরকষ-জট</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7549/বলদশর-যগ-দওয়র-অরথ-ক-সদ-পরতরকষ-জট</guid>
				<pubDate>2026-02-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>সংঘাত নয়, গণতান্ত্রিক সংলাপই হোক রাজনীতির পথ</title>
				<description>
					বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সাম্প্রতিক বক্তব্য, জুলাই আন্দোলনের উত্তরাধিকার নিয়ে পাল্টাপাল্টি দাবি এবং বিভিন্ন দলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বাগযুদ্ধ প্রমাণ করছে যে, নীতিনির্ভর রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার পরিবর্তে বয়ান, অবস্থান প্রতিষ্ঠা ও পারস্পরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাই এখন বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।বিরোধী দল সরকারের নৈতিক বৈধতা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজনৈতিককরণ এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। সংসদীয় গণতন্ত্রে এসব সমালোচনা অস্বাভাবিক নয়; বরং সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করা বিরোধী দলের অন্যতম দায়িত্ব। তবে গণতন্ত্র কেবল সমালোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের সমাধান হতে হবে সংবিধান, সংসদ এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে।বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস দেখিয়েছে, দীর্ঘদিনের রাজপথকেন্দ্রিক আন্দোলন সবসময় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেনি; বরং বহু ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক ক্ষতি, প্রাতিষ্ঠানিক অচলাবস্থা ও সামাজিক বিভাজনকে তীব্র করেছে। সাম্প্রতিক নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটি নতুন অধ্যায় তৈরি করেছে। জনগণ সংঘাতের পরিবর্তে প্রতিযোগিতামূলক সংসদীয় রাজনীতির পক্ষে রায় দিয়েছে। তাই নির্বাচনের ফল নিয়ে মতভেদ থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া।উদ্বেগের বিষয় হলো, বিরোধী শিবিরের কয়েকটি দল বর্তমানে জুলাই আন্দোলনের প্রকৃত উত্তরাধিকার নিয়ে প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত। অথচ মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, বিনিয়োগ ও সুশাসনের মতো জনগণের বাস্তব সমস্যাগুলোতে কার্যকর নীতিগত বিতর্ক তুলনামূলকভাবে অনুপস্থিত। একই সঙ্গে বিরোধী দলগুলোর নিজেদের মধ্যেও রাজনৈতিক সমন্বয়ের অভাব স্পষ্ট। যারা গণতান্ত্রিক সংস্কারের কথা বলে, তারা যদি পারস্পরিক আস্থা গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাদের গণতান্ত্রিক অঙ্গীকারও প্রশ্নের মুখে পড়ে।এছাড়া প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক ঘটনাকে ষড়যন্ত্রের দৃষ্টিতে দেখার প্রবণতা আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যুক্তির চেয়ে অবিশ্বাসের প্রাধান্যকেই সামনে আনে। এ ধরনের পরিবেশ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী না করে বরং রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও বাড়িয়ে দেয়।সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকেও নিজেদের ঘোষিত নৈতিক অবস্থানের সঙ্গে বাস্তব আচরণের অসামঞ্জস্যের মুখোমুখি হতে হয়েছে। অসদাচরণের অভিযোগ, সাংবাদিক নির্যাতন, স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা কিংবা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের আচরণ নিয়ে বিতর্ক দেখিয়ে দেয়—জবাবদিহিতা ও নৈতিকতার পরীক্ষায় কোনো দলই ছাড় পায় না। তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া ইতিবাচক হলেও এসব ঘটনা রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য সতর্কবার্তা।রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনাও একই বাস্তবতা তুলে ধরেছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও তদন্তের আলোচনায় শিক্ষার্থীদের স্বার্থের চেয়ে রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের বিষয়টিই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। এটি মনে করিয়ে দেয়, সংলাপের পরিবর্তে শক্তি প্রদর্শন যখন ছাত্ররাজনীতির প্রধান কৌশল হয়ে ওঠে, তখন তার গণতান্ত্রিক ও নৈতিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির ইতিহাসেও একই ধারা বহুবার দেখা গেছে। পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও সময়ের সঙ্গে অনেক ছাত্রসংগঠন জাতীয় রাজনৈতিক মেরুকরণের অংশে পরিণত হয়েছে।সমসাময়িক রাজনীতিতে ইতিহাসের প্রভাবও অস্বীকার করার সুযোগ নেই। মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা এখনও দেশের অন্যতম বিতর্কিত রাজনৈতিক বিষয়। বিভিন্ন গবেষণা, বিচারিক কার্যক্রম ও রাষ্ট্রীয় নথিতে ১৯৭১ সালে দলটির তৎকালীন নেতৃত্বের একটি অংশ এবং তাদের ছাত্রসংগঠনের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী হিসেবে কাজ করার অভিযোগ উঠে এসেছে। অন্যদিকে জামায়াত দীর্ঘদিন ধরে এসব ঐতিহাসিক বর্ণনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছে। ফলে ইতিহাস ও বর্তমান—দুটিই দলটির রাজনৈতিক মূল্যায়নে প্রভাব ফেলে।তবে কোনো রাজনৈতিক দলের মূল্যায়ন কেবল অতীতের ভিত্তিতে হওয়া উচিত নয়। একইভাবে অতীতকে সম্পূর্ণ উপেক্ষাও করা যায় না। একটি দলের বর্তমান রাজনৈতিক আচরণ, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি শ্রদ্ধা, সহিংসতার প্রত্যাখ্যান, ভিন্নমতের প্রতি সহনশীলতা এবং জবাবদিহিতার সংস্কৃতিই হওয়া উচিত তার গ্রহণযোগ্যতার প্রধান মানদণ্ড। এই বিচারে বাংলাদেশের কোনো বড় রাজনৈতিক শক্তিই আত্মতুষ্ট হওয়ার সুযোগ পায় না।বর্তমান সময়ে জনগণের প্রধান উদ্বেগ রাজনৈতিক বাগযুদ্ধ নয়; বরং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কর্মসংস্থান, মানসম্মত শিক্ষা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কার্যকর জনসেবা নিশ্চিত করা। রাজনৈতিক দলগুলোরও সেই বাস্তবতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। কারণ প্রতিটি রাজনৈতিক সংঘাত দেশের উন্নয়ন ও সংস্কারের গতি মন্থর করে।বাংলাদেশ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। রাজপথনির্ভর সংঘাতের রাজনীতি থেকে সংসদভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক গণতন্ত্রে উত্তরণের এই সময়ে সরকারের পাশাপাশি বিরোধী দলগুলোরও দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য। সরকারের উচিত অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন নিশ্চিত করা, আর বিরোধী দলগুলোর উচিত সংযম, নীতিনির্ভর বিকল্প কর্মসূচি এবং সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাওয়া।গণতান্ত্রিক বৈধতা জনসমাবেশের আকার বা স্লোগানের তীব্রতায় নির্ধারিত হয় না। এর প্রকৃত ভিত্তি দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা, জবাবদিহি এবং জনগণের আস্থা। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে সংঘাত নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক রাজনীতিকেই আরও শক্তিশালী করা এখন সময়ের দাবি। এ দায়িত্ব সরকার ও বিরোধী দল—উভয়েরই।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7546/সঘত-নয়-গণতনতরক-সলপই-হক-রজনতর-পথ</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7546/সঘত-নয়-গণতনতরক-সলপই-হক-রজনতর-পথ</guid>
				<pubDate>2026-02-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7545_1.jpeg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠিত: সভাপতি শিপন, সম্পাদক মিজান</title>
				<description>
					উক্ত সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন এসোসিয়েশনের সভাপতি মির্জা ওয়ালিদ হোসেন শিপন। সাধারণ সম্পাদক এস এম মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অ্যালামনাইগণ তাদের মতামত ব্যাক্ত করেন। দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় ড. আতিকুল ইসলাম পাঠানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করে পাচ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। কমিশনের অন্যান্য সদস্য হলেন প্রফেসর নাজমুল হক, এডভোকেট শামীমা আক্তার বানু, মুশতারি সুলতানা মিতা ও এডভোকেট আসাদুজ্জামান আনসারী।নির্বাচন কমিশনারগণ এসোসিয়েশন এর পরবর্তী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের জন্য&amp;nbsp; পাচ সদস্য বিশিষ্ট সাবজেক্ট কমিটি গঠন করেন। যার সদস্যরা হচ্ছেন এডভোকেট জাকারিয়া হায়দার, এডভোকেট সাইফুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান এনায়েত, হারুন আর রশিদ ও নুরুল হুদা। সাবজেক্ট কমিটি নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম সভায় উপস্থাপন করলে উপস্থিত&amp;nbsp; অ্যালামনাইগণ কন্ঠভোটে মির্জা ওয়ালিদ হোসেন শিপনকে সভাপতি ও এস এম মিজানুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক পদে আগামী দুই বছরের জন্য নির্বাচিত করেন। নব নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করবেন বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7545/ইসলম-বশববদযলয-অযলমনই-এসসযশনর-নতন-কমট-গঠত-সভপত-শপন-সমপদক-মজন</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7545/ইসলম-বশববদযলয-অযলমনই-এসসযশনর-নতন-কমট-গঠত-সভপত-শপন-সমপদক-মজন</guid>
				<pubDate>2026-02-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7544_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>গোবিন্দগঞ্জে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ</title>
				<description>
					কাটাবাড়ী ইউনিয়নের জুগিয়াপাড়া এলাকার অনেক পরিবারই দীর্ঘদিন ধরে দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছে। স্বল্প আয়ের কারণে সন্তানদের শিক্ষা, খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করাই তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এমন পরিবারগুলোর একজন কাজলী মার্ডে। ভ্যানচালক স্বামীর সীমিত আয়ে তিন মেয়ের পড়াশোনা চালিয়ে নিতে গিয়ে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করতে হয় তাকে।সেলাইয়ের কাজ জানা থাকলেও নিজের একটি মেশিন না থাকায় সেই দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারছিলেন না কাজলী। বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রশিক্ষণ শেষে বসুন্ধরা গ্রুপের দেওয়া সেলাই মেশিন হাতে পেয়ে তিনি নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। তাঁর ভাষায়, দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল সেলাই করে আয় করে সন্তানদের পড়াশোনায় সহায়তা করার। এখন সেই সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং সংসারের আর্থিক চাপ কিছুটা হলেও কমবে বলে তিনি আশাবাদী।কাজলীর মতো আরও কয়েকজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারী এবং দরিদ্র পরিবারের নারীর জীবনেও নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে এই উদ্যোগ।সম্প্রতি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপকারভোগীদের হাতে সেলাই মেশিন ও গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ও শুভসংঘের প্রধান ইমদাদুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তামশিদ ইরাম খান, গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ, পৌর বিএনপির সভাপতি রবিউল কবির মনু, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন দিপু, থানা মহিলা দলের সভাপতি মঞ্জুরি আহমেদ, গোবিন্দগঞ্জ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হাদিসুর রহমানসহ স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক ও সমাজসেবীরা।অনুষ্ঠানে ইমদাদুল হক মিলন বলেন, অসচ্ছল নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতেই এই কর্মসূচি। একজন নারী ঘরে বসেই আয় করতে পারলে পুরো পরিবার উপকৃত হবে। তিনি সেলাই মেশিনকে আয়ের হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগানোর পাশাপাশি উপহার হিসেবে দেওয়া গাছেরও যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানান।সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তামশিদ ইরাম খান বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপের এই উদ্যোগে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারীরাও অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন তাঁদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এ সময় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ, পৌর বিএনপির সভাপতি রবিউল কবির মনু এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন দিপু বসুন্ধরা গ্রুপের মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, এই ধরনের কর্মসূচি সুবিধাবঞ্চিত নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার পথ তৈরি করছে।আদিবাসী নেত্রী এমিলি হেমব্রম বলেন, অবহেলিত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের পাশে খুব কম প্রতিষ্ঠানই দাঁড়ায়। বসুন্ধরা গ্রুপ তাদের পাশে এসে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই সহযোগিতায় অনেক পরিবার নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবে।সংগ্রাম পেরিয়ে স্বাবলম্বিতার পথে আবিনাদ:একই কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের একজন আবিনাদ টপ্য। অটোরিকশাচালক স্বামীর সীমিত আয়ে দুই মেয়ের পড়াশোনা, শাশুড়ির চিকিৎসা ও সংসারের ব্যয় সামলাতে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করতে হতো তাঁর পরিবারকে।পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর ইচ্ছা থাকলেও প্রয়োজনীয় সুযোগের অভাবে কিছুই করতে পারছিলেন না তিনি। পরে বসুন্ধরা শুভসংঘের বিনামূল্যের সেলাই প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে পোশাক তৈরির কাজ শিখে দক্ষতা অর্জন করেন। তবে নিজের সেলাই মেশিন না থাকায় কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছিল না।সম্প্রতি বসুন্ধরা শুভসংঘের পক্ষ থেকে একটি সেলাই মেশিন উপহার পাওয়ার পর তাঁর সেই বাধা দূর হয়েছে। আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় আবিনাদ টপ্য বলেন, শুধু একটি সেলাই মেশিন নয়, বসুন্ধরা শুভসংঘ তাঁকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর আত্মবিশ্বাসও দিয়েছে। এখন তিনি সেলাইয়ের কাজ করে সংসারের আয় বাড়াতে এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়তে ভূমিকা রাখতে পারবেন।অনুষ্ঠান শেষে উপকারভোগী নারীরা নতুন উদ্যমে সেলাই মেশিন ও গাছের চারা নিয়ে বাড়ি ফেরেন। তাঁদের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগ শুধু একটি উপহার নয়, বরং আত্মনির্ভরশীল ও সম্মানজনক জীবনের নতুন সূচনা।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7544/গবনদগঞজ-বসনধর-শভসঘর-উদযগ-নরদর-সববলমব-হওয়র-সযগ</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7544/গবনদগঞজ-বসনধর-শভসঘর-উদযগ-নরদর-সববলমব-হওয়র-সযগ</guid>
				<pubDate>2026-02-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7542_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>২৪ ঘণ্টা চালু রাখার নির্দেশ সব বন্দর  প্রধানমন্ত্রীর</title>
				<description>
					তিনি জানান, শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত দীর্ঘ এ বৈঠকে বেসরকারি খাতের নানা চ্যালেঞ্জ, বিদ্যমান সমস্যা ও বিনিয়োগের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।&amp;nbsp;মাহদী আমিন বলেন, দেশে বেশ কিছু ইকোনোমিক জোন, বেজা ও বেপজা রয়েছে। সেগুলোতে কীভাবে আরও বেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা যায় এবং যেখানে জটিলতা রয়েছে তা কীভাবে সহজতর করা যায়, এসব নিয়ে প্রাইভেট সেক্টরের সাথে প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করেছেন। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরাও সেখানে নিজেদের মতামত দিয়েছেন।&amp;nbsp;বেসরকারি খাতের বিকাশে সরকারের নীতিগত সহায়তার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, সামনের দিনগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা চাই, যেখানে প্রাইভেট সেক্টরের জন্য সরকার থেকে পলিসি সাপোর্ট থাকবে। তার জন্য একটা প্রো-বিজনেস, প্রো-ইনভেস্টমেন্ট বাজেট আমরা দেখেছি এবং সেই নীতিমালাগুলোকে আমরা বাস্তবায়ন করব। যার মূল উদ্দেশ্য হবে বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড অর্থাৎ আমাদের তরুণ ও নারীদের কর্মসংস্থান এবং আত্মকর্মসংস্থানের জন্য আরও বিকশিত করা।&amp;nbsp;প্রধানমন্ত্রীর একটি স্লোগান তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী সবসময় বলেন- করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। সেই নীতিকে ধারণ করেই বাংলাদেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে আজকের এই আলোচনা হয়েছে। আমাদের জনবান্ধব সরকার, জনবান্ধব বাজেট এবং জনবান্ধব নীতিমালা কার্যকর করার এই পথযাত্রাকে প্রাইভেট সেক্টরের প্রতিনিধিরা আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানিয়েছেন।&amp;nbsp;পলিসি সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাবনার বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত আসায় ব্যবসায়ীরা সন্তুষ্ট জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, এই আলোচনার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে ব্যবসাকে আরও সহজীকরণ করা, বিনিয়োগকে আরও প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে বাড়ানো এবং বাংলাদেশের জন্য বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7542/২৪-ঘণট-চল-রখর-নরদশ-সব-বনদর-পরধনমনতরর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7542/২৪-ঘণট-চল-রখর-নরদশ-সব-বনদর-পরধনমনতরর</guid>
				<pubDate>2026-01-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7536_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নয়, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ</title>
				<description>
					সংশোধিত আইনে গুজব, অপতথ্য, মানহানি এবং হেয়প্রতিপন্ন করার মতো কর্মকাণ্ডকে সুস্পষ্টভাবে অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে শাস্তির পরিধি। সংশোধিত আইনে নতুন একটি ধারা (২৬/ক) যুক্ত করে বলা হয়েছে। খসড়া অনুযায়ী, সাইবার মাধ্যমে গুজব বা অপতথ্য ছড়ালে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড অথবা ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভুয়া ভিডিও, অডিও, ছবি বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। একইভাবে মানহানি বা হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে ডিজিটাল কনটেন্ট প্রচারকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নারী ও শিশুদের ক্ষেত্রে এ ধরনের অপরাধের শাস্তি আরও কঠোর করার উদ্যোগ বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি বড় অংশ ব্যক্তিগত যোগাযোগের পরিবর্তে চরিত্রহনন, অপপ্রচার, ব্ল্যাকমেইল এবং চাঁদাবাজির হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। সংঘবদ্ধ কিছু চক্র দেশ-বিদেশ থেকে পরিচালিত হয়ে ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, উদ্যোক্তা, রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক এমনকি সাধারণ নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। মিথ্যা ও বিকৃত তথ্য ছড়িয়ে তাদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি অর্থ আদায়ের অভিযোগও দিন দিন বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব অপপ্রচারের কারণে ব্যক্তি, পরিবার এবং প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের সুনাম মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে যাচ্ছে।উদ্বেগজনক বিষয় হলো, অধিকাংশ ভুক্তভোগী কার্যকর আইনি প্রতিকার পান না। অভিযোগ রয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে মামলা গ্রহণ কিংবা তদন্তেও অনীহা দেখা যায়। ফলে অপরাধীরা দায়মুক্তির সুযোগ পেয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এই পরিস্থিতি শুধু আইন প্রয়োগের দুর্বলতাই প্রকাশ করে না, বরং সাইবার অপরাধকে আরও উৎসাহিত করে।সাইবার বুলিং এখন একটি গুরুতর সামাজিক সংকটে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে নারী, কিশোর-কিশোরী এবং তরুণদের ওপর এর প্রভাব ভয়াবহ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপমান, কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ, ব্যক্তিগত ছবি বা তথ্য বিকৃতভাবে প্রচার এবং ধারাবাহিক মানসিক নির্যাতনের কারণে বহু মানুষ বিষণ্নতায় আক্রান্ত হচ্ছেন; কেউ কেউ আত্মহত্যার মতো মর্মান্তিক সিদ্ধান্তও নিচ্ছেন। একই সঙ্গে ধর্মীয় সংখ্যালঘু, উপাসনালয়, জাতীয় ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের মতো সংবেদনশীল বিষয় নিয়েও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার সমাজে বিভাজন, উত্তেজনা ও সহিংসতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।অনেকে প্রশ্ন তুলতে পারেন, এসব নিয়ন্ত্রণ কি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী? বাস্তবতা হলো, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনও এমনটি বলে না। জাতিসংঘের মানবাধিকার ঘোষণাপত্র এবং আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সনদ মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও একই সঙ্গে অন্যের সুনাম, জননিরাপত্তা, সামাজিক শৃঙ্খলা এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা রক্ষার প্রয়োজনে আইনগত সীমাবদ্ধতার সুযোগ রেখেছে। অর্থাৎ স্বাধীন মতপ্রকাশ কখনোই মিথ্যা, বিদ্বেষ, মানহানি কিংবা সহিংসতা উসকে দেওয়ার অবাধ অধিকার নয়।বিশ্বের উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোও এই বাস্তবতা উপলব্ধি করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং অন্যান্য দেশের বিভিন্ন আইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য, বিদ্বেষমূলক প্রচারণা ও সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। বাংলাদেশও যদি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিবেচনায় একটি কার্যকর ও ভারসাম্যপূর্ণ আইনি কাঠামো গড়ে তুলতে পারে, তাহলে তা নাগরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ডিজিটাল পরিসরে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।তবে আইন প্রণয়নই চূড়ান্ত সমাধান নয়; আইনের নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগত প্রয়োগই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যেন এই আইন প্রকৃত সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয় এবং একই সঙ্গে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা, গঠনমূলক সমালোচনা কিংবা বৈধ মতপ্রকাশের অধিকার অযথা বাধাগ্রস্ত না হয়—সেদিকে সরকারকে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে।সাইবার অপরাধ, ডিজিটাল চাঁদাবাজি, গুজব, অপতথ্য এবং সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ আজ সময়ের দাবি। নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। সেই বিবেচনায় সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগকে নাগরিক নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা যায়। সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে এই উদ্যোগ ডিজিটাল বাংলাদেশে দায়িত্বশীল, নিরাপদ ও জবাবদিহিমূলক সাইবার পরিবেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7536/মতপরকশর-সবধনত-নয়-অপপরচরর-বরদধ-পরতরধ</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7536/মতপরকশর-সবধনত-নয়-অপপরচরর-বরদধ-পরতরধ</guid>
				<pubDate>2026-01-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7535_1.jpeg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>দুর্নীতির পুরোনো জালে আটকে গেল জুলাইয়ের স্বপ্ন</title>
				<description>
					২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় পার করা নয়, বরং দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, দুর্বল প্রতিষ্ঠান এবং প্রশাসনিক অনাস্থার জায়গা থেকে রাষ্ট্রকে নতুন পথে এগিয়ে নেওয়া। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের প্রত্যাশা ছিল—রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।কিন্তু বাস্তব চিত্রে দেখা গেছে, পুরোনো প্রশাসনিক সংস্কৃতি ও দুর্নীতির কাঠামো সহজে বদলায়নি। বরং বিভিন্ন জরিপ ও পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, সাধারণ মানুষের সরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানি ও ঘুষের প্রবণতা অব্যাহত ছিল।ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর ‘ন্যাশনাল হাউসহোল্ড সার্ভে ২০২৫’ সেই বাস্তবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্র তুলে ধরেছে। ২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি সেবা নিতে গিয়ে নাগরিকদের প্রায় ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। ২০২৩ সালের তুলনায় এই পরিমাণ বেড়েছে ১৫ দশমিক ৯ শতাংশ।জরিপে দেখা যায়, অন্তত একটি সরকারি সেবা নিতে গিয়ে দুর্নীতির অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে ৮১ দশমিক ৬ শতাংশ পরিবার। এর আগে এই হার ছিল ৭০ দশমিক ৯ শতাংশ। একই সময়ে ৬৩ দশমিক ৬ শতাংশ পরিবার সেবা পাওয়ার জন্য ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছে, যেখানে ২০২৩ সালে এ হার ছিল ৫০ দশমিক ৮ শতাংশ।দুর্নীতির শিকার হলেও অনেক মানুষ অভিযোগ করেননি। জরিপ অনুযায়ী, ৬১ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ অভিযোগ করার প্রয়োজন মনে করেননি। তাদের ধারণা ছিল, প্রশাসনিক ব্যবস্থার ভেতরেই দুর্নীতি এতটা বিস্তৃত যে অভিযোগ করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না।টিআইবির তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে পাসপোর্ট সেবা, বিচার বিভাগীয় সেবা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা এবং ভূমি প্রশাসন খাতে।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ঘুষ এখন অনেক ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। তাঁর মতে, সেবা নিতে গিয়ে নাগরিকদের একটি বড় অংশ মনে করে ঘুষ দেওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। এই পরিস্থিতির সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী, নিম্ন আয়ের মানুষ, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওপর।বিশ্লেষকদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছিল—যে প্রশাসনিক কাঠামোর পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেই কাঠামোর ভেতরেই প্রত্যাশিত পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়নি।রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও দুর্নীতির সংস্কৃতি বহাল থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যেও। নিজের সরকারি দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রশাসনিক ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসেনি। তাঁর মন্তব্য ছিল, যারা আগে অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত ছিল, তারা এখনও বিভিন্নভাবে সেই পথ খুঁজে নিচ্ছে।মির্জা ফখরুলের এই মন্তব্য নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কি রাষ্ট্রের ভেতরের সংস্কৃতিও বদলায়, নাকি পুরোনো কাঠামো নতুন বাস্তবতায়ও টিকে থাকে।বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার সাধারণত একটি বিদ্যমান আমলাতন্ত্র উত্তরাধিকার হিসেবে পায়। তবে সরকারের সাফল্য বা ব্যর্থতা নির্ভর করে সেই কাঠামোর মধ্যে কতটা পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে তার ওপর।জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্ব থেকে উঠে আসা ছাত্র প্রতিনিধিদের নিয়েও প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি। কারণ তারা প্রচলিত রাজনৈতিক ধারার বাইরে থেকে নতুন ধরনের জবাবদিহিমূলক রাজনীতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু দায়িত্ব পালনের সময় তাদের নিয়েও নানা বিতর্ক তৈরি হয়।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান মন্তব্য করেন, ছাত্র উপদেষ্টারা জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ভূমিকা রাখতে পারেননি। তাদের দায়িত্বে থাকা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে ঘিরে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে অনিয়মের অভিযোগ প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে প্রকল্প বরাদ্দ, নিয়োগ প্রক্রিয়া ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তবে তিনি এসব অভিযোগের অনেকগুলোই অস্বীকার করেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেন।অন্যদিকে সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের সময় গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের গতি নিয়েও সমালোচনা হয়। সাংবাদিক সুরক্ষা আইনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ বাস্তবায়ন না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন কমিশনের সংশ্লিষ্টরা।রাজনীতি বিশ্লেষক আলতাফ পারভেজ মনে করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর যে ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। তাঁর মতে, ছাত্র প্রতিনিধিরা অনেক ক্ষেত্রে রূপান্তরমূলক সংস্কারকের পরিবর্তে প্রচলিত প্রশাসকের ভূমিকায় সীমাবদ্ধ ছিলেন।বিশ্লেষকদের মতে, জুলাইয়ের আন্দোলন মানুষের মধ্যে নতুন রাজনৈতিক প্রত্যাশা তৈরি করেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে নিয়োগ, প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তার ও ক্ষমতার ব্যবহার নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক সেই প্রত্যাশাকে অনেকটাই দুর্বল করেছে।তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সমর্থকদের যুক্তি, তারা এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা পেয়েছিল যেখানে দুর্নীতির শিকড় বহু বছরের পুরোনো এবং গভীর। তাই অল্প সময়ে পুরো কাঠামো পরিবর্তন করা সহজ ছিল না।তবু তাদের মতে, জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির পার্থক্যই সরকারের মূল্যায়নের প্রধান জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে।বর্তমান সরকারের জন্যও এই পরিস্থিতি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। কারণ তাদের সামনে রয়েছে এমন একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা, যেখানে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভ্যাস পরিবর্তন করা সহজ নয়। একই সঙ্গে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।এ অবস্থায় টিআইবির সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি সেবার ডিজিটালাইজেশন, কার্যকর অভিযোগ ব্যবস্থাপনা, সম্পদের হিসাব প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা, সমন্বিত দুর্নীতিবিরোধী নীতি গ্রহণ এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ।বিশ্লেষকদের মতে, জুলাইয়ের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব হলেও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন আরও কঠিন। গণআন্দোলনের শক্তিকে টেকসই সংস্কারে রূপ দিতে না পারলে জনগণের আস্থা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে।ইতিহাসে অন্তর্বর্তী সরকারকে মূল্যায়ন করা হবে শুধু তাদের ঘোষিত লক্ষ্য দিয়ে নয়, বরং তারা যে পরিবর্তনের সুযোগ পেয়েছিল সেটি কতটা কাজে লাগাতে পেরেছে তার ভিত্তিতে। এখন দায়িত্ব বর্তমান সরকারের—রাজনৈতিক পরিবর্তনকে সত্যিকার অর্থে প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনে রূপ দেওয়া। অন্যথায় ক্ষতি হবে শুধু কোনো একটি সরকারের নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হবে পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতি মানুষের বিশ্বাস।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7535/দরনতর-পরন-জল-আটক-গল-জলইয়র-সবপন</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7535/দরনতর-পরন-জল-আটক-গল-জলইয়র-সবপন</guid>
				<pubDate>2026-01-08</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7534_1.jpeg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>কেন জরুরি ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের নিরপেক্ষ তদন্ত</title>
				<description>
					সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের রাজনৈতিক লক্ষ্য ছিল বিএনপিকে রাজনীতির বাইরে সরিয়ে দেওয়া এবং নির্বাচন বিলম্বিত করে ক্ষমতায় থাকা। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে যাওয়ার পর বিএনপিকেও রাজনীতি থেকে সরিয়ে জামায়াত ও এনসিপির জন্য রাজনৈতিক পরিসর তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও সমানভাবে বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন, তবু অভিযোগগুলো জনপরিসরে গুরুত্ব পাওয়ায় সেগুলোর সত্যতা যাচাই করা জরুরি হয়ে উঠেছে।এর আগে জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার কর্মকাণ্ড তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তাঁর মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার দুর্নীতির পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া উচিত। সরকারের ঘোষিত স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নীতির সঙ্গে এ ধরনের তদন্তের দাবি সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।আসলে কোনো সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে সেটি তদন্তের আওতায় আনা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। নির্বাচিত বা অনির্বাচিত—যে ধরনের সরকারই হোক না কেন, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনকালে গৃহীত সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণের কাছে তাদের জবাবদিহি করতে হয়। কারণ রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষমতা জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্যই প্রয়োগ করা হয়।অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিচার বিভাগ, প্রশাসন, সরকারি নিয়োগ, অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত, স্বাস্থ্য খাত, সরকারি ক্রয় এবং বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে নানা অভিযোগ ও প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। কোথাও দুর্নীতির অভিযোগ, কোথাও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ, আবার কোথাও সিদ্ধান্ত গ্রহণের বৈধতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এসব অভিযোগের অনেকগুলো এখনো যাচাই হয়নি। তাই অভিযোগগুলো কতটা বাস্তব এবং কতটা রাজনৈতিক বক্তব্য—সেটি নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের মাধ্যমেই নির্ধারণ করা সম্ভব।বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা ও তাঁদের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ, প্রশাসনিক প্রভাব খাটানো এবং দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। কিছু অভিযোগ নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানের কথাও জানা গেছে। এসব তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন হলে জনমনে তৈরি হওয়া সংশয় দূর হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে।এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন অভিযোগও যাচাইয়ের দাবি রাখে। প্রমাণবিহীন অভিযোগ যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি প্রমাণ থাকলে সেগুলো উপেক্ষা করাও আইনের শাসনের পরিপন্থী। তাই অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থার।অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সম্পাদিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তিও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মত দিয়েছেন, এসব চুক্তি বর্তমান সরকারের নীতি ও জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। প্রয়োজন হলে সেগুলো পুনর্বিবেচনার সুযোগও রাখা উচিত। কারণ অন্তর্বর্তী সরকারের মূল দায়িত্ব সাধারণত রাষ্ট্রের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা এবং অবাধ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করা; দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্নে তাই সবসময় সতর্কতা প্রয়োজন।বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের প্রেক্ষাপটে এই আলোচনার গুরুত্ব আরও বেড়েছে। ভবিষ্যতে যদি আবার নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব পালন করে, তাহলে তাদের ক্ষমতার সীমা, দায়িত্ব, সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরিধি এবং জবাবদিহিতার কাঠামো আরও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। সে দৃষ্টিকোণ থেকেও অন্তর্বর্তী সরকারের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ মূল্যবান হতে পারে।তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—যেকোনো তদন্তের উদ্দেশ্য প্রতিহিংসা বা চরিত্রহনন হওয়া উচিত নয়। তদন্ত হতে হবে আইনসম্মত, নিরপেক্ষ, তথ্যভিত্তিক এবং স্বচ্ছ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে, আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সংশ্লিষ্টদেরও দায়মুক্তি দিতে হবে। এভাবেই আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের প্রতি জনগণের আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।সবশেষে বলা যায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ড নিয়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কেবল অতীতের হিসাব-নিকাশের জন্য নয়; বরং ভবিষ্যতের রাষ্ট্র পরিচালনা, জবাবদিহিতা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও স্বচ্ছ করার স্বার্থেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জবাবদিহিতা কোনো ব্যক্তি বা সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উপায় নয়; বরং এটি সুশাসন প্রতিষ্ঠার অন্যতম ভিত্তি।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7534/কন-জরর-ইউনস-সরকরর-১৮-মসর-নরপকষ-তদনত</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7534/কন-জরর-ইউনস-সরকরর-১৮-মসর-নরপকষ-তদনত</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7533_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title> এক টাকাও নয়, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চোখের অস্ত্রোপচার করল বসুন্ধরা আই হসপিটাল</title>
				<description>
					সম্প্রতি ঢাকায় আয়োজিত এই মানবিক উদ্যোগে ৩৬ জন রোগীর সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৩০ জনের ছানি এবং ছয়জনের টেরিজিয়াম (চোখের মাংসপিণ্ড) অপারেশন করা হয়। রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা, অস্ত্রোপচার, ওষুধ, যাতায়াত, থাকা-খাওয়া—সব ধরনের ব্যয় বহন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীদের সার্বক্ষণিক সহায়তা দিয়েছেন চিকিৎসক ও সেবাকর্মীরা। দীর্ঘদিন পর আবার পরিষ্কারভাবে পৃথিবী দেখতে পেরে অনেকের চোখে ছিল আনন্দের অশ্রু, মুখে ছিল নতুন জীবনের হাসি।বসুন্ধরা গ্রুপ ও ভিশনকেয়ার ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কাছে উন্নতমানের চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার হাতুয়া গ্রামের বাসিন্দা ৬৫ বছর বয়সী শুক্কুর মিয়ার জীবনও বদলে দিয়েছে এই উদ্যোগ। প্রায় দুই বছর ধরে তার চোখের দৃষ্টি ক্রমেই ঝাপসা হয়ে আসছিল। একসময় অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালালেও দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ায় কাজ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।২০২৫ সালে এলাকায় বিনামূল্যে ছানি অপারেশনের প্রচারণা শুরু হলে তিনি চক্ষু চিকিৎসা শিবিরে অংশ নেন। পরীক্ষায় দুই চোখেই ছানি ধরা পড়ে। গত বছর তার ডান চোখে সফলভাবে অপারেশন করা হয়। এবার বাম চোখেও অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে।চোখে আবার আলো ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত শুক্কুর মিয়া বলেন, &quot;আল্লাহ উনাগোরে ভালো করুক। আমাগোর সব চিকিৎসা উনারাই করাইছে। খাওনদাওন সব ফ্রি। আইছি, এক টাকাও লাগে নাই।&quot;একইভাবে দীর্ঘ ৫২ বছর জুট মিলে কাজ করা আব্দুল মান্নান মিয়াও বয়সের সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি হারাতে শুরু করেন। পরে ছানি পড়ায় তার স্বাভাবিক চলাফেরা ও দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহত হয়। বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের সুযোগ পেয়ে এখন তিনি আবার পরিষ্কারভাবে পৃথিবী দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন।শুধু শুক্কুর মিয়া বা আব্দুল মান্নান মিয়াই নন, শহীদ মিয়া, শফিকুল মিয়াসহ আরও অনেক অসহায় মানুষ এই কর্মসূচির মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা পেয়েছেন।এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গ্রামে গ্রামে মাইকিং ও প্রচারণার মাধ্যমে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবিরের খবর জানানো হয়। পরে বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং কসবার মা আমেনা গফুর চ্যারিটেবল হসপিটালের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত চিকিৎসা শিবিরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা রোগীদের পরীক্ষা করে অস্ত্রোপচারের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদের নির্বাচন করেন।গত ৭ জুলাই অনুষ্ঠিত ওই চিকিৎসা ক্যাম্পে রোগী বাছাই শেষে নির্বাচিত ৩৬ জনকে ২৯ জুলাই ঢাকায় আনা হয়। তাদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, অস্ত্রোপচার, ওষুধ, থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য চিকিৎসা ব্যয়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেয় বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট।পরদিন ৩০ জুলাই বিশেষজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ৩০ জনের ছানি এবং ছয়জনের টেরিজিয়াম অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়।বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সহকারী ব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ ও প্রশাসন) মাসউদুর রহমান জানান, হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য নিয়মিত বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সম্প্রতি কুমিল্লাতেও একই ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।তিনি আরও বলেন, যেসব বয়স্ক রোগীর অস্ত্রোপচার প্রয়োজন, তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে নির্বাচন করা হয়েছে। আর যাদের অপারেশনের প্রয়োজন হয়নি, তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রোগীদের চিকিৎসার প্রতিটি ধাপ—পরীক্ষা-নিরীক্ষা, অপারেশন, ওষুধ, থাকা-খাওয়া—সবকিছুই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নিশ্চিত করা হয়েছে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7533/এক-টকও-নয়-সমপরণ-বনমলয-চখর-অসতরপচর-করল-বসনধর-আই-হসপটল</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7533/এক-টকও-নয়-সমপরণ-বনমলয-চখর-অসতরপচর-করল-বসনধর-আই-হসপটল</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7531_1.jpeg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকসে আমন্ত্রণ মোদির, অপেক্ষায় ভারত</title>
				<description>
					বুধবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।সম্ভাব্য সফর নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ত্রিবেদী বলেন, প্রধানমন্ত্রী কখন ভারত সফরে যাবেন, সেটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত ও অগ্রাধিকারের বিষয়। তবে ভারতের পক্ষ থেকে তাঁকে স্বাগত জানানোর সব ধরনের প্রস্তুতি ও আগ্রহ রয়েছে। তিনি বলেন, &quot;আমরা বাংলাদেশ সরকারের প্রধানকে ভারতে স্বাগত জানাতে আন্তরিকভাবে অপেক্ষা করছি এবং আশা করছি, সফরটি খুব শিগগিরই বাস্তবায়িত হবে।&quot;প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাব্য সময়সূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে ভারতীয় হাইকমিশনার পুনরায় উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারের ওপর নির্ভর করবে।আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7531/পরধনমনতর-তরক-রহমনক-বরকস-আমনতরণ-মদর-অপকষয়-ভরত</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7531/পরধনমনতর-তরক-রহমনক-বরকস-আমনতরণ-মদর-অপকষয়-ভরত</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7522_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>ডাক্তারদের নিরুৎসাহিত করার আহ্বান  সিজারের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর</title>
				<description>
					হামে মৃত্যুর জন্য শিশুদের পুষ্টির অভাব উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সময়গুলোতে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ছিল না। তবে এখন হচ্ছে, কারণ বাচ্চারা শালদুধ খেতে পারে না। মায়েরা শিশুদের ঠিকমতো দুধ খাওয়ায় না। এমনকি শিশুরা সুষম খাবার পায় না। সেজন্য এগুলো প্রতিরোধ করতে হবে।তিনি আরও বলেন, রোগাক্রান্ত মানুষের শেষ ভরসা চিকিৎসক। চিকিৎসকের আন্তরিক আচরণ ও ভালো কথা অনেক ক্ষেত্রেই রোগীকে মানসিকভাবে সুস্থ হতে সহায়তা করে। আল্লাহ চিকিৎসকদের বিশেষ মেধা ও যোগ্যতা দিয়েছেন।দেশে যক্ষ্মা (টিবি) রোগের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্য খাতের সামগ্রিক উন্নয়নে চিকিৎসকদের সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।&amp;nbsp;তিনি জানান, স্বাস্থ্যকর্মীদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে উপজেলা পর্যায়ে ১০টি করে ডায়ালাইসিস মেশিন সরবরাহ এবং সেখানেই ফিজিওথেরাপি সেবা চালুর বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7522/ডকতরদর-নরৎসহত-করর-আহবন-সজরর-কষতর-সবসথযমনতরর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7522/ডকতরদর-নরৎসহত-করর-আহবন-সজরর-কষতর-সবসথযমনতরর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>সার্বভৌমত্বের সমতা হোক দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্বের ভিত্তি</title>
				<description>
					অনেক বিশ্লেষকের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ভারত ও বাংলাদেশ একে অপরের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার চেয়ে পরস্পরকে ঘিরে নানা ব্যাখ্যা ও অনুমানের মধ্যেই বেশি আবদ্ধ ছিল। ঢাকার রাজনৈতিক পরিবর্তন, নয়াদিল্লির কৌশলগত হিসাব-নিকাশ এবং বিভিন্ন ধরনের গুঞ্জন এমন এক পরিবেশ তৈরি করেছে, যেখানে অনেক সময় গুজব প্রকৃত কূটনৈতিক যোগাযোগের চেয়েও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।দুই দেশেই এমন রাজনৈতিক শক্তি রয়েছে, যারা অতীতের ক্ষতকে টিকিয়ে রেখে রাজনৈতিক সুবিধা নিতে চায়। ফলে নেতাদের প্রতিটি বৈঠককে কখনো আত্মসমর্পণ, কখনো গোপন সমঝোতা হিসেবে তুলে ধরা হয়। কোনো মতপার্থক্য দেখা দিলে সেটিকে ষড়যন্ত্রের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, আবার সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগকেও অনেকেই সন্দেহের চোখে দেখেন। এভাবে ধীরে ধীরে অবিশ্বাসই যেন দুই দেশের সম্পর্কের সবচেয়ে প্রচলিত ভাষায় পরিণত হয়েছে। কিন্তু এমন ভাষা হয়তো সংবাদ শিরোনাম তৈরি করতে পারে, সুস্থ প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক নয়।বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। নিজস্ব জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে বিশ্বের যেকোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক নির্ধারণের পূর্ণ অধিকার বাংলাদেশের রয়েছে। এই স্বাধীনতা এসেছে দীর্ঘ সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে। তাই অন্য কোনো রাষ্ট্রের অনুমতির ওপর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নির্ভরশীল হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের বিশেষত্বও অনস্বীকার্য। অভিন্ন ভৌগোলিক বাস্তবতা, অসংখ্য নদ-নদী, ভাষা-সংস্কৃতির ঘনিষ্ঠতা, সাহিত্য এবং দীর্ঘ ইতিহাস দুই দেশকে গভীরভাবে যুক্ত করেছে। দেশভাগ বহু পরিবারকে বিচ্ছিন্ন করলেও স্মৃতি ও আত্মিক সম্পর্ক রয়ে গেছে অটুট। আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠারও বহু আগে থেকে এই অঞ্চলের মানুষ বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত ছিল।এই সম্পর্কের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি অবশ্যই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে ভারতের সহযোগিতা ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।তবে কোনো সম্পর্কই দীর্ঘস্থায়ী হয় না, যদি এক পক্ষ সারাক্ষণ অতীতের অবদান স্মরণ করিয়ে দেয় এবং অন্য পক্ষ কেবল অভিযোগের তালিকা সামনে ধরে রাখে। ইতিহাস আমাদের আত্মবিশ্বাস দেয়, কিন্তু চিরস্থায়ী অধিকার প্রতিষ্ঠার দলিল নয়। অতীতের শিক্ষা ভবিষ্যতের পথ দেখানোর জন্য, ভবিষ্যৎকে অতীতের বন্দিশালায় আটকে রাখার জন্য নয়।বিশ্ব ইতিহাসে এমন পরিবর্তনের বহু উদাহরণ রয়েছে। ফ্রান্স ও জার্মানি দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর যখন শার্ল দ্য গল ও কনরাড আদেনাউয়ার পুনর্মিলনের উদ্যোগ নেন, তখন অনেকেই সেটিকে অবাস্তব মনে করেছিলেন। কিন্তু সেই সাহসী রাজনৈতিক সিদ্ধান্তই পরবর্তীতে ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী অংশীদারত্বের ভিত্তি গড়ে দেয়।একইভাবে দীর্ঘ যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামও সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথ খুঁজে পেয়েছিল। তারা অতীতকে অস্বীকার করেনি, তবে ভবিষ্যৎকে অতীতের হাতে জিম্মিও হতে দেয়নি।এসব উদাহরণ প্রমাণ করে, মতপার্থক্য পুরোপুরি দূর হওয়ার কারণেই সম্পর্ক উন্নত হয়নি; বরং নেতারা তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক লাভ-ক্ষতির ঊর্ধ্বে উঠে দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যতের কথা ভাবতে পেরেছিলেন বলেই তা সম্ভব হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়াতেও তেমন দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রয়োজন রয়েছে।প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সম্পর্কের প্রকৃত শক্তি সব বিষয়ে একমত হওয়ার মধ্যে নয়; বরং পারস্পরিক সম্মান, আস্থা এবং বৃহত্তর স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মানসিকতার মধ্যে নিহিত। এর অর্থ এই নয় যে, কঠিন কোনো বিষয় থাকবে না। পানি বণ্টন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য ভারসাম্য কিংবা আঞ্চলিক ভূরাজনীতির নানা চ্যালেঞ্জ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে ভবিষ্যতেও পরীক্ষা করবে। তবে পরিণত রাষ্ট্রের পরিচয় সমস্যামুক্ত হওয়া নয়; বরং সমস্যা মোকাবিলায় তাদের প্রজ্ঞা, সংযম ও আত্মবিশ্বাসই প্রকৃত পরিচয় বহন করে।গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনমতের গুরুত্ব অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু একজন প্রকৃত রাষ্ট্রনায়কের দায়িত্ব হলো সমালোচনার ঊর্ধ্বে উঠে দেশের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ রক্ষা করা। যদি প্রতিটি সমঝোতাকে আত্মসমর্পণ এবং প্রতিটি সংলাপকে দুর্বলতার প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়, তাহলে কার্যকর কূটনীতির জন্য কোনো পরিসরই অবশিষ্ট থাকবে না।বর্তমানে ভারত ও বাংলাদেশের সামনে সম্পর্ককে নতুন ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ এসেছে। সেই ভিত্তি হবে না কোনো দেশের সার্বভৌমত্বে ছাড় দেওয়ার মাধ্যমে; বরং সমমর্যাদা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের স্বাধীন সিদ্ধান্তকে সম্মান করার মধ্য দিয়ে।দুই দেশেরই এমন সম্পর্ক প্রয়োজন, যা কেবল আবেগনির্ভর নয়; বরং বাস্তবতা, পারস্পরিক স্বার্থ এবং আত্মবিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত।আজ ভারত ও বাংলাদেশের সামনে কূটনৈতিক ইতিহাসের একটি বিরল সুযোগ উপস্থিত। এটি শুধু অতীতকে নতুনভাবে মূল্যায়নের নয়, বরং ভবিষ্যতের নতুন অধ্যায় যৌথভাবে রচনারও সুযোগ। এর জন্য অতিরিক্ত আবেগ বা আত্মসমর্পণের প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন নিজ নিজ সার্বভৌমত্বের প্রতি আস্থা, গণতান্ত্রিক বৈধতার প্রতি বিশ্বাস এবং এই উপলব্ধি যে, দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র পারস্পরিক সম্মান বজায় রেখেও ভিন্ন অবস্থান থেকে সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে।বাংলার কৃষক জানেন, ফসল ঘরে তোলার অনেক আগেই তার ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয়ে যায়। সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বীজ বপনের মুহূর্তে। আজ ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কও ঠিক সেই পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে।আজ যে বীজ বপন করা হবে, আগামী দিনের সম্পর্ক তারই ফল বহন করবে। কারণ প্রাচীন প্রবাদটি আজও সমান সত্য—যেমন বুনবে, তেমনই ফল পাবে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7516/সরবভমতবর-সমত-হক-দরঘসথয়-অশদরতবর-ভতত</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7516/সরবভমতবর-সমত-হক-দরঘসথয়-অশদরতবর-ভতত</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7511_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>হাসপাতালে স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে:দালাল চক্রের অপতৎপরতা  স্বাস্থ্যমন্ত্রী</title>
				<description>
					যৌথভাবে গবেষণাটি পরিচালনা করেছে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) এবং স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট।&amp;nbsp;স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করে পাশের ক্লিনিকে রোগী পাঠানো, কমিশনের বিনিময়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো কিংবা সরকারি দায়িত্ব রেখে বাইরে সার্জারি করার মতো অনিয়ম আর চলতে দেওয়া হবে না। এসব কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে।&amp;nbsp;টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের সমালোচনা করে তিনি বলেন, পছন্দের ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে দরপত্রে এমন শর্ত যুক্ত করা হয়, যা অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পূরণ করা সম্ভব হয় না। এতে প্রতিযোগিতা বাধাগ্রস্ত হয় এবং সরকারি অর্থের অপচয় ঘটে।&amp;nbsp;স্বাস্থ্য খাতে অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটার উদাহরণ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ছাড়াই অতীতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে রেডিওথেরাপি মেশিন, এক্স-রে ও অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হয়েছে। অনেক যন্ত্রপাতি এখন ব্যবহার না হয়ে পড়ে আছে, যা শেষ পর্যন্ত অচল হয়ে যাচ্ছে।&amp;nbsp;ডায়ালাইসিস সেবার বিষয়ে তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে একটি বিদেশি কোম্পানি ঢাকা ও চট্টগ্রামের ডায়ালাইসিস সেবা নিয়ন্ত্রণ করছিল। আগামী নভেম্বরে তাদের চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে তা আর নবায়ন করা হবে না। সরকার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ডায়ালাইসিস মেশিন সংগ্রহ করবে। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি কম খরচে রোগীরা সেবা পাবেন। প্রতিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যা এবং প্রতিটি জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস কেন্দ্র স্থাপনের কাজও চলছে।&amp;nbsp;স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নতুন উদ্যোগের কথাও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে ১০টি উপজেলা ও ৯০টি ওয়ার্ডে স্বাস্থ্যকর্মীদের সাইকেল, স্মার্টফোন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সমৃদ্ধ কিট বক্স দেওয়া হবে। স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে উচ্চতা, ওজন, রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, লিপিড প্রোফাইল, আরবিসি ও সিবিসিসহ বিভিন্ন পরীক্ষা করবেন। পুরুষদের জন্য পুরুষ এবং নারীদের জন্য নারী স্বাস্থ্যকর্মী দায়িত্ব পালন করবেন।&amp;nbsp;অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধে তদারকি জোরদারের কথাও উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রোগীর স্বজনদের ভয় দেখিয়ে সিজার করানোর প্রবণতা রোধে সিভিল সার্জন ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে সারাদেশে বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়মিত আকস্মিক পরিদর্শন চলছে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতি ছাড়া পরিচালিত অনেক ক্লিনিক ইতোমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং এ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।&amp;nbsp;এদিকে অনুষ্ঠানে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায়, দেশের আট বিভাগের ২২টি সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় বাজেট বাস্তবায়নের হার ছিল ৮৫ শতাংশ। মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানে এ হার সবচেয়ে কম, যা ৭৮ শতাংশ। অর্থবছর শেষে ৯৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দের অর্থ অব্যয়িত থাকলেও মাত্র ১১ শতাংশ উত্তরদাতা এটিকে আর্থিক অনিয়মের ফল বলে মনে করেছেন।&amp;nbsp;বেষণায় বলা হয়, অব্যয়িত অর্থের মূল কারণ আর্থিক দুর্নীতির চেয়ে বাজেট ব্যবস্থাপনার কাঠামোগত দুর্বলতা ও প্রশাসনিক জটিলতা।&amp;nbsp;গবেষণায় আরও দেখা যায়, যেসব খাতে প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তুলনামূলক বেশি, সেসব খাতে ব্যয়ও কম হয়েছে। সাধারণ সরঞ্জাম খাতে বরাদ্দের মাত্র ২৭ শতাংশ, ভ্রমণ ও স্থানান্তর খাতে ৬৮ শতাংশ এবং পেশাগত সেবা ও সম্মানী খাতে ৫৯ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7511/হসপতল-সথযভব-বনধ-কর-হবদলল-চকরর-অপতৎপরত-সবসথযমনতর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7511/হসপতল-সথযভব-বনধ-কর-হবদলল-চকরর-অপতৎপরত-সবসথযমনতর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7503_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>ঘর থেকে কর্মক্ষেত্র—কোথাও নিরাপদ নয় নারী</title>
				<description>
					সম্প্রতি পোশাকশিল্পের একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের কান্ট্রি ম্যানেজারের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, নিজের শিশু সন্তানের সামনেই ওই ব্যক্তি তার স্ত্রীকে নির্মমভাবে মারধর করছেন। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ ১৩ বছরের দাম্পত্য জীবনে ওই নারী প্রতিনিয়তই স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এমনকি তিনি বিবাহবিচ্ছেদের নোটিশ দেওয়ার পরও তাকে হয়রানি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তিন সন্তানের জনক একজন শিক্ষিত ও বিত্তবান মানুষের এমন আচরণ শুধু পারিবারিক সহিংসতার ভয়াবহতাই নয়, আমাদের সামাজিক মূল্যবোধের সংকটকেও সামনে নিয়ে আসে।এর ঠিক এক দিন আগে নির্যাতনের শিকার এক মডেল ও অভিনেত্রীও গণমাধ্যমে তার ওপর চালানো নির্যাতনের বর্ণনা দেন। রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে বিজ্ঞাপনের চুক্তির কথা বলে ডেকে নিয়ে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরী। এ ঘটনায় তিনি খিলক্ষেত থানায় মামলা করেছেন।অভিযোগ অনুযায়ী, বিজ্ঞাপনের চুক্তি স্বাক্ষরের কথা বলে তাকে হাসপাতালে ডাকা হয়। সেখানে যাওয়ার পর তিনি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগের কথা বলে তাকে ভয় দেখান বলেও অভিযোগ রয়েছে। স্নিগ্ধা চৌধুরীর দাবি, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটি দেশের একটি প্রভাবশালী শিল্পগোষ্ঠীর হওয়ায় ঘটনার পরপরই তিনি আইনি পদক্ষেপ নিতে সাহস পাননি। ব্যক্তিজীবন ও পেশাগত ভবিষ্যতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় তিনি প্রথমে নীরব ছিলেন। পরে সাহস করে থানায় গিয়ে মামলা করেন।এই দুটি ঘটনা পাশাপাশি রাখলে একটি কঠিন বাস্তবতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে—নারীরা আজ ঘরে যেমন নিরাপদ নন, তেমনি কর্মক্ষেত্র, রাস্তাঘাট কিংবা জনসমাগমের স্থানেও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পাচ্ছেন না। অর্থাৎ, নারীর জন্য নিরাপদ একটি পরিসর তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে সমাজের প্রায় প্রতিটি স্তর।একসময় ধারণা করা হতো, নারী নির্যাতন মূলত নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সমস্যা। কিন্তু বাস্তবতা বলছে, শিক্ষিত, বিত্তবান ও উচ্চবিত্ত পরিবারের মধ্যেও নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনা কম নয়। বরং অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক মর্যাদা, অর্থনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতার কারণে এসব ঘটনা আরও বেশি আড়ালে থেকে যায়।সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় নির্যাতনের শিকার নারী অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী তাকে অন্য ব্যক্তির সঙ্গে অনৈতিক শারীরিক সম্পর্কে জড়াতে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি সাহস করে বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছেন। কিন্তু সমাজের উচ্চবিত্ত ও প্রভাবশালী মহলে এমন বহু ঘটনা লোকচক্ষুর আড়ালেই থেকে যায়। সামাজিক সম্মান, লোকলজ্জা কিংবা পারিবারিক মর্যাদা হারানোর ভয়ে অনেক নারী নির্যাতনের কথা কাউকে জানান না। নীরবে সহ্য করতে করতে একসময় মানসিক ও শারীরিকভাবে ভেঙে পড়েন।অতিরিক্ত অর্থের লোভ, মাদকের বিস্তার, পারিবারিক মূল্যবোধের অবক্ষয় এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ঘাটতি—সবকিছু মিলিয়েই সমাজে নারীর প্রতি সহিংসতার প্রবণতা বাড়ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিচারহীনতার সংস্কৃতি, সামাজিক অস্থিরতা, বেকারত্ব, দারিদ্র্য, অপসংস্কৃতির বিস্তার এবং নারীবিদ্বেষী মানসিকতা।পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্রের সবচেয়ে ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ একক। রাষ্ট্র ও সমাজে যে অস্থিরতা তৈরি হয়, তার প্রতিফলন কোনো না কোনোভাবে পরিবারেও দেখা যায়। সমাজে যখন সহিংসতা, বিদ্বেষ ও অপরাধের বিস্তার ঘটে এবং তার যথাযথ প্রতিকার হয় না, তখন তার প্রভাব পরিবারেও পড়ে। ফলে পারিবারিক সহিংসতা শুধু একটি পরিবারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নয়; এটি সামগ্রিক সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সংকটেরও প্রতিচ্ছবি।মাদকের বিস্তার, মানসিক অস্থিরতা, গ্যাং কালচার এবং সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বাড়িয়ে দিয়েছে পারস্পরিক অবিশ্বাস, সাইবার বুলিং ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের নানা সংকট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের অশালীন ভাষায় আক্রমণ, ব্যক্তিগত ছবি বিকৃত করে ছড়িয়ে দেওয়া এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ভুয়া ও আপত্তিকর ছবি তৈরি—এসবও এখন নতুন ধরনের সহিংসতায় পরিণত হয়েছে। এর ফলে অনেক নারী ঘরে-বাইরে তো বটেই, অনলাইন জগতেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।নারীর প্রতি সহিংসতার বাস্তব চিত্র যে কতটা ভয়াবহ, বিভিন্ন গবেষণার তথ্যেও তার প্রতিফলন দেখা যায়। গবেষণায় উঠে এসেছে, বাংলাদেশে ৮৭.০৭ শতাংশ নারী স্বামীর মাধ্যমে কোনো না কোনো ধরনের নির্যাতনের শিকার হন। এর মধ্যে ৮১.০৬ শতাংশ মানসিক, ৫৩.০২ শতাংশ অর্থনৈতিক, ৩৬.০৫ শতাংশ যৌন এবং ৬৪.০৬ শতাংশ নারী শারীরিক নির্যাতনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।তবে বাস্তবে নির্যাতনের প্রকৃত চিত্র আরও ভয়াবহ হতে পারে। কারণ পারিবারিক সহিংসতার অসংখ্য ঘটনা চার দেয়ালের মধ্যেই চাপা পড়ে থাকে। নির্যাতনের শিকার অনেক নারী সামাজিক চাপ, সন্তানদের ভবিষ্যৎ, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা কিংবা লোকলজ্জার কারণে মুখ খোলেন না। এর পরিণতিতে অনেক পরিবারে দীর্ঘস্থায়ী অশান্তি তৈরি হয়। কেউ কেউ আত্মহত্যার পথ বেছে নেন, আবার অনেক নারী বাধ্য হন বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিতে।এসব পরিসংখ্যান ও ঘটনা একটি কথাই বলে—বাংলাদেশের নারীরা এখনো নিরাপদ ও স্বস্তির জীবন থেকে অনেক দূরে। শুধু নারী হওয়ার কারণে যদি একজন মানুষকে প্রতিনিয়ত নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে বসবাস করতে হয়, তাহলে সেই সমাজকে কতটা সভ্য বলা যায়, সেটিই বড় প্রশ্ন।দুধের শিশু থেকে বৃদ্ধা—কেউই যেন নারীর প্রতি সহিংসতার ঝুঁকি থেকে মুক্ত নন। রাস্তায় একজন নারীকে উত্ত্যক্ত করা, তার পথ আটকে দেওয়া, পোশাক ধরে টান দেওয়া, অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল কিংবা ধর্ষণের মতো অপরাধ ঘটছে। অথচ আশ্চর্যের বিষয়, এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত পুরুষদের একটি অংশই আবার নারীর পোশাক, চলাফেরা ও চরিত্র নিয়ে বিচার করার নৈতিক দায়িত্ব নিজেদের হাতে তুলে নেয়। এই দ্বিচারিতা বন্ধ না হলে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ করা কঠিন।নারীর সুরক্ষায় দেশে ‘পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০’ রয়েছে। তবে আইন থাকলেই যে সমস্যার সমাধান হয় না, বাস্তব পরিস্থিতি তারই প্রমাণ। আইনের যথাযথ প্রয়োগের ঘাটতি, মাঠপর্যায়ে পর্যাপ্ত জনবল ও বাজেটের সংকট এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আইন সম্পর্কে সচেতনতার অভাব—সব মিলিয়ে অনেক ভুক্তভোগী কাঙ্ক্ষিত সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হন। এ আইনের মূল লক্ষ্য তাৎক্ষণিক শাস্তির পাশাপাশি ভুক্তভোগীকে সুরক্ষা দেওয়া। পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় সহায়তার জন্য ১০৯ হেল্পলাইনও চালু রয়েছে।তবে শুধু আইন ও আদালতের ওপর নির্ভর করে পারিবারিক সহিংসতা বন্ধ করা সম্ভব নয়। মাঠপর্যায়ে স্থানীয় উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ। ‘নাগরিক উদ্যোগ’-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়ার্ড পর্যায়ে নারী নেতৃত্ব বিকাশ এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ মীমাংসার উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে। কারণ বাস্তবতা হলো, অনেক নারী আইনি জটিলতায় না গিয়ে সংসার টিকিয়ে রাখতে চান। তাদের মূল চাওয়া—নির্যাতন বন্ধ হোক এবং পরিবারে নিরাপদ পরিবেশ ফিরে আসুক।তাই নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে আইনের পাশাপাশি প্রয়োজন সমাজের মানসিকতার পরিবর্তন। নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রের কার্যকর রাজনৈতিক সদিচ্ছা, গণমাধ্যমে নারীর মর্যাদাপূর্ণ ও ইতিবাচক উপস্থাপন এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে পরিবার থেকেই নারীকে মানুষ হিসেবে সম্মান করার শিক্ষা দিতে হবে।বর্তমান সরকারও নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও নারীর ক্ষমতায়নে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা বলছে। ক্ষমতায় আসার আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল দেশব্যাপী নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার তথ্য সংগ্রহ এবং নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্যসেবা দিতে একটি সেল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিল। সরকার গঠনের পর সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, নির্বাচনি ইশতেহারে নারী ও শিশু সুরক্ষার বিষয়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। নারী শিক্ষার প্রসার, নারীর কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং মাদক প্রতিরোধে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করার কথাও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।তবে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধের দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র, গণমাধ্যম, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সর্বোপরি সাধারণ মানুষ—সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।নারীকে নিরাপদ রাখতে হলে শুধু আইন তৈরি করলেই হবে না; আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। শুধু অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করলেই হবে না; অপরাধের সামাজিক কারণগুলোও দূর করতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, নারীর প্রতি সহিংসতাকে ‘পারিবারিক বিষয়’ বলে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।কারণ একজন নারী যখন ঘরে নির্যাতিত হন, তখন সেটি শুধু একটি পরিবারের সমস্যা থাকে না। একজন নারী যখন কর্মক্ষেত্রে নিপীড়নের শিকার হন, তখন সেটি শুধু তার ব্যক্তিগত সংকট নয়। প্রতিটি নির্যাতনের ঘটনা আমাদের সমাজের মূল্যবোধ, বিচারব্যবস্থা এবং মানবিকতার সামনে একটি প্রশ্ন ছুড়ে দেয়। সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে সমাজকে আর নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করলে চলবে না। নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানে শুধু নারীর অধিকার রক্ষা নয়; বরং একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সভ্য সমাজ গড়ে তোলার দায়িত্বও পালন করা।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7503/ঘর-থক-করমকষতরকথও-নরপদ-নয়-নর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7503/ঘর-থক-করমকষতরকথও-নরপদ-নয়-নর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7501_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>কে হতে পারবেন রাষ্ট্রপতি,রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া কী; ?</title>
				<description>
					রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন বৈঠক করে তফসিল অনুমোদন করবে। এরপর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) সরকারি গেজেটে তফসিল প্রকাশ করবেন। তফসিলে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ, যাচাই-বাছাইয়ের দিন, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় এবং প্রয়োজন হলে ভোটগ্রহণের তারিখ, সময় ও স্থান উল্লেখ থাকবে। এই নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বও পালন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।কে হতে পারবেন রাষ্ট্রপতিসংবিধানের ৪৮(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হতে হলে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, বয়স হতে হবে অন্তত ৩৫ বছর এবং জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। একই ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক ও সমর্থকরাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী, একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে জাতীয় সংসদের একজন সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজন সদস্যকে সমর্থক হতে হবে। একজন সংসদ সদস্য একাধিক প্রার্থীর প্রস্তাবক বা সমর্থক হতে পারবেন না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা পড়ার পর নির্বাচন কমিশন তা যাচাই-বাছাই করবে এবং বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করবে। এরপর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে।কারা ভোট দেবেনরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যরাই এই নির্বাচনের ভোটার। অর্থাৎ সংসদ সদস্যদের ভোটেই দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।কীভাবে হবে ভোটযদি একাধিক বৈধ প্রার্থী থাকেন, তাহলে জাতীয় সংসদ ভবনে গোপন ব্যালটে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। উপস্থিত সংসদ সদস্যদের প্রদত্ত বৈধ ভোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া প্রার্থী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।তবে যাচাই-বাছাই শেষে যদি একজন মাত্র বৈধ প্রার্থী থাকেন, তাহলে ভোটগ্রহণ ছাড়াই রিটার্নিং অফিসার তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করবেন। ২০২৩ সালে মো. সাহাবুদ্দিন এভাবেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7501/ক-হত-পরবন-রষটরপতরষটরপত-নরবচনর-পরকরয়-ক</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7501/ক-হত-পরবন-রষটরপতরষটরপত-নরবচনর-পরকরয়-ক</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7500_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন দেশে  গ্যাস সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী</title>
				<description>
					মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা জানান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী।আনোয়ার ইব্রাহিম জানান, আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথনের সময় আমরা মালয়েশিয়া-বাংলাদেশের সম্পর্ক শক্তিশালী করার প্রচেষ্টার সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোকপাত করেছি, বিশেষ করে পারস্পরিক সুবিধার জন্য জ্বালানি শক্তি ও বিনিয়োগের ক্ষেত্র নিয়ে।মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ গ্যাস সরবরাহ নিয়ে যে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, তার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি (তারেক রহমান) এ সমস্যার সমাধানে মালয়েশিয়ার সহায়তা চেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে পেট্রল সরবরাহের জন্য বিনিয়োগ, যাতে দেশটির জরুরি চাহিদা পূরণ করা যায়।আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, টেলিফোনে কথোপকথনের সময় অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ এবং উভয় দেশের মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মালয়েশিয়া দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক শক্তিশালী করার জন্য দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7500/মলযশযর-সহযত-চইলন-দশ-গযস-সকট-নরসন-পরধনমনতর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7500/মলযশযর-সহযত-চইলন-দশ-গযস-সকট-নরসন-পরধনমনতর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7496_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>বাংলাদেশের ওপর  নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: যুক্তরাষ্ট্রের ডা. জাহেদ</title>
				<description>
					২৮ জুলাই সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতির বিষয়ে এক প্রেস ব্রিফ্রিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। জনস্বার্থে ব্রিকসসহ বহুপাক্ষিক বিভিন্ন ফোরামে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করবে বিএনপি সরকার।সাবেক রাষ্ট্রপতি মো সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে সরকার কোনো মামলা করছে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পদে থাকা অবস্থাকালীন সময়ের কাজের জন্য রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না। রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হওয়ার আগে ও পরের অপরাধ থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।’সকল সংকট দুর করতে সরকার আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগের সরকারে জ্বালানি ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তহীনতার কারণে বর্তমানের জ্বালানি সংকট। জ্বালানি নিরাপত্তার আগ পর্যন্ত নতুন করে কোনো শিল্পে গ্যাস দেওয়া হবে না। এতোদিন এনার্জি সিকিউরিটি ছিল না, অলিগার্ককে সুবিধা দেয়ার জন্য গ্যাস উত্তোলনে ভূমিকা নেওয়া হয়নিএ সময় তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মারণাস্ত্র ৫৬ এসকেএস রাইফেল ৭ দশমিক ৬২ গুলি করেছে পুলিশ। ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে সরকার এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ২০১৮ নির্বাচনের বিচার না করলে অবিচার হবে।’শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনার ভালো বিচার হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, যেই আইন ভঙ্গ করে থাকুক না কেন, তার বিচার নিশ্চিত করা হবে এবং এ ঘটনাকে সরকার কোনোভাবেই উপেক্ষা করবে না। শাপলা চত্বরে যে ডিজাস্টার ঘটেছে, যে কোনো কারণে, যে ঘটনা ঘটে থাকে, সেটা ধরেন সরকার তার প্রয়োজন অনুযায়ী যখন পদক্ষেপ নিতে যায়, সেখানে যে যে আইন ভঙ্গ হয়, সেটার বিচার হতে হবে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7496/বলদশর-ওপর-নতন-শলক-যকত-হচছ-ন-যকতরষটরর-ড-জহদ</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7496/বলদশর-ওপর-নতন-শলক-যকত-হচছ-ন-যকতরষটরর-ড-জহদ</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7495_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>জুলাই সনদ হোক জাতীয় ঐকমত্যের সেতু, বিভাজনের হাতিয়ার নয়</title>
				<description>
					এই সনদকে ঘিরে প্রত্যাশা যেমন তৈরি হয়েছে, তেমনি দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন ও বিতর্কও। এর কারণ শুধু সনদের বিষয়বস্তু নয়; বরং এর রাজনৈতিক ব্যাখ্যা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং জাতীয় ঐকমত্যের পরিধি নিয়েও ভিন্নমত রয়েছে। ফলে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে—জুলাই সনদ কি সত্যিই দেশের রাজনৈতিক বিভাজন কমিয়ে বৃহত্তর ঐকমত্যের ভিত্তি তৈরি করবে, নাকি এর রাজনৈতিক ব্যবহারই নতুন করে বিভাজনকে তীব্র করবে?জুলাই সনদকে কখনোই কেবল আরেকটি রাজনৈতিক ইশতেহার হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি। বরং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রাতিষ্ঠানিক উত্তরাধিকার হিসেবে এর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুনভাবে সাজানো এবং শাসনব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কারের একটি কাঠামো হিসেবেই সনদটি প্রণীত হয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে দেশে যে সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের দাবি উঠে আসছে, সেগুলোকে বাস্তব রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে জুলাই সনদ একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হতে পারে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিত করা, নির্বাচন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ানো এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর ভারসাম্য ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার মতো বিষয়গুলো নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। এসব দাবি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচিত হয়ে আসছে।তবে একটি ইতিবাচক উদ্যোগও রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে বিতর্কের জন্ম দিতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতা তৈরিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয়। কিন্তু সংলাপ অনুষ্ঠিত হওয়া এবং সর্বসম্মত ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া এক বিষয় নয়। কমিশন ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনা করেছে—দেশের নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নয়।এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সনদের মধ্যেই বিভিন্ন মৌলিক প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর মতপার্থক্যের বিষয়টি স্বীকার করা হয়েছে। ফলে সনদটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হতে পারে, কিন্তু এটিকে সর্বস্তরে সর্বসম্মত জাতীয় চুক্তি হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। এই পার্থক্যটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।কিন্তু বাস্তব রাজনৈতিক প্রচারে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অনেক সময় জুলাই সনদকে এমনভাবে উপস্থাপন করছে, যেন এটি ইতোমধ্যেই একটি প্রশ্নাতীত জাতীয় ম্যান্ডেটের মর্যাদা লাভ করেছে। তাদের বক্তব্যে এমন একটি ধারণা তৈরি হচ্ছে যে, গণভোটে জনসমর্থন পাওয়া বা সনদের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার মধ্য দিয়েই সাংবিধানিকভাবে বিতর্কিত বিষয়গুলোর চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়ে যাবে এবং ভবিষ্যৎ সরকারগুলোও নির্দিষ্ট একটি বাস্তবায়ন কাঠামোর বাইরে যেতে পারবে না।এ ধরনের ব্যাখ্যা বাস্তবতার তুলনায় অতিরিক্ত সরল এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য উদ্বেগজনক। গণভোট কোনো সংস্কার উদ্যোগকে রাজনৈতিক বৈধতা দিতে পারে, কিন্তু সেটি সংবিধান সংশোধনের নির্ধারিত প্রক্রিয়া, সংসদীয় পর্যালোচনা কিংবা বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আলোচনার বিকল্প হতে পারে না। একইভাবে গণভোটের ফলাফল দেখিয়ে সনদের ভেতরে থাকা মতপার্থক্যগুলোকেও অদৃশ্য করে দেওয়া সম্ভব নয়।আরও উদ্বেগের বিষয়, সনদের বাস্তবায়ন পদ্ধতি কিংবা এর কোনো নির্দিষ্ট প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন তুললেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা বা সংস্কারবিরোধী হিসেবে চিহ্নিত করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ ধরনের রাজনৈতিক প্রবণতা গণতান্ত্রিক বিতর্কের পরিসরকে সংকুচিত করতে পারে। কোনো ব্যক্তি বা দল প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিলেই যে সনদের প্রতিটি প্রস্তাব কিংবা প্রতিটি বাস্তবায়ন পদ্ধতিকে নিঃশর্তভাবে সমর্থন করতে হবে—গণতন্ত্রের যুক্তি এমন নয়।বরং একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা যুক্তিনির্ভর মতপার্থক্য, উন্মুক্ত আলোচনা এবং ভিন্নমতকে গ্রহণ করার সক্ষমতার ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। সংস্কারের বিষয়ে ভিন্নমত থাকা মানেই সংস্কারবিরোধিতা নয়। বরং প্রস্তাবগুলোর ভালো-মন্দ নিয়ে আলোচনা এবং বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তোলাই একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক অংশ।জুলাই সনদের সবচেয়ে বড় শক্তি হতে পারে এর অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র। জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি হিসেবে এটি কার্যকর হতে হলে ভিন্নমতকে দমন বা অস্বীকার না করে তা স্বীকার করতে হবে। যে দলিল রাজনৈতিক বিভাজন বাড়ানোর পরিবর্তে ঐকমত্যের সংস্কৃতি তৈরি করতে সক্ষম হয়, দীর্ঘমেয়াদে ইতিহাসে তার স্থানই বেশি স্থায়ী হয়। কিন্তু বর্তমানে যে বাস্তবতা তৈরি হচ্ছে, তাতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত একটি দলিলই ধীরে ধীরে রাজনৈতিক বিরোধ ও সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করছে।এই জায়গাতেই জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। জুলাই সনদকে আরও বিস্তৃত রাজনৈতিক সমঝোতা ও জাতীয় সংলাপের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহারের পরিবর্তে যদি এটিকে দলীয় রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে এর মূল উদ্দেশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রতিটি সাংবিধানিক বিতর্ককে জুলাই আন্দোলনের প্রতি আনুগত্যের পরীক্ষায় পরিণত করা কোনোভাবেই দীর্ঘস্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পথ সুগম করবে না। বরং এতে সাময়িক রাজনৈতিক সুবিধা অর্জিত হলেও ভবিষ্যতে আরও বিভাজন তৈরি হতে পারে।তবে এই দায় কেবল রাজনৈতিক দলগুলোর নয়। সরকারেরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন, যাতে জুলাই সনদকে এমনভাবে উপস্থাপন করা না হয়, যেন এটি দেশের সব রাজনৈতিক শক্তি ও জনগণের প্রশ্নাতীত ঐকমত্যের প্রতিফলন। বাস্তবতা হলো, সনদ প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে, বেশ কিছু বিষয়ে সমঝোতাও তৈরি হয়েছে; পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে মতভেদও রয়ে গেছে। সেই মতপার্থক্য স্বীকার করা কোনো দুর্বলতার লক্ষণ নয়। বরং মতভেদকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তার মধ্য দিয়েই সমাধানের পথ খোঁজা গণতান্ত্রিক রাজনীতির অন্যতম মৌলিক বৈশিষ্ট্য।২০২৪ সালের জুলাইয়ে যারা রাজপথে নেমেছিলেন, তাদের আকাঙ্ক্ষার অন্যতম দিক ছিল জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, অবাধ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন এবং ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করা একটি কার্যকর সাংবিধানিক ব্যবস্থা। তারা নতুন করে রাজনৈতিক অচলাবস্থা, বিভাজন কিংবা ক্ষমতা দখলের কৌশলগত প্রতিযোগিতা দেখতে চাননি।সেই কারণে জুলাই সনদ এখনো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিবর্তনের একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রাখে। তবে সেই সম্ভাবনা বাস্তবায়িত হবে তখনই, যখন রাজনৈতিক দলগুলো সনদটিকে নিজেদের রাজনৈতিক বিজয় প্রতিষ্ঠার অস্ত্র হিসেবে নয়, বরং আরও বিস্তৃত জাতীয় সংলাপ, সমঝোতা ও সংস্কারের সূচনাবিন্দু হিসেবে বিবেচনা করবে।জুলাই সনদের উদ্দেশ্য যদি সত্যিই রাষ্ট্র সংস্কার ও জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা হয়, তাহলে এর পথ হতে হবে অন্তর্ভুক্তি, সংলাপ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার। অন্যথায়, যে দলিল দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রত্যাশা জাগিয়েছে, সেটিই ভবিষ্যতে রাজনৈতিক বিভাজন আরও গভীর করার কারণ হয়ে উঠতে পারে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7495/জলই-সনদ-হক-জতয়-ঐকমতযর-সত-বভজনর-হতয়র-নয়</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7495/জলই-সনদ-হক-জতয়-ঐকমতযর-সত-বভজনর-হতয়র-নয়</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>সরকারকে সফল করতে প্রশাসন ঢেলে সাজানো জরুরি</title>
				<description>
					প্রায় ৪৬ বছর পর রাষ্ট্র পরিচালনায় আরেকটি সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে মনে করছেন অনেকে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার সম্প্রতি ১১টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে। এসব নিয়োগে ক্ষমতাসীন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তকে শুধু রাজনৈতিক নিয়োগ হিসেবে দেখলে এর অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য ও সম্ভাবনাকে হয়তো পুরোপুরি বোঝা যাবে না।দেশের বেশ কিছু সরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেগুলোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। অথচ দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদকে প্রশাসনের অনেকের কাছে গুরুত্বহীন বা ‘ডাম্পিং পোস্ট’ হিসেবে বিবেচনা করার অভিযোগ রয়েছে। ফলে সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অনেকেই প্রত্যাশিত উদ্যম নিয়ে কাজ করেন না। এর পরিণতিতে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য থেকে ক্রমেই দূরে সরে যায়।বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের কথাই ধরা যাক। দেশের বনজ সম্পদকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগানো গেলে এই খাত অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। বনজ সম্পদভিত্তিক শিল্প, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বাড়ানোর বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে এ খাতে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি দেখা যায়নি। একই চিত্র বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি), বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড, বাংলাদেশ জুট করপোরেশন, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড, জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ, বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।এই প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম যদি যথাযথ পরিকল্পনা, দক্ষতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে পরিচালিত হয়, তাহলে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পের বিকাশ, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে এসব প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে অদক্ষতা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং সিদ্ধান্তহীনতার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানই কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা রাখতে পারেনি। বাংলাদেশ চিনি শিল্প ও পাট খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সংকট ও লোকসানের চিত্রও এ বাস্তবতারই প্রতিফলন।এই জায়গায় সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের গুরুত্ব রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ১১টি প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করে সেখানে নতুন নেতৃত্ব দেওয়ার উদ্যোগকে সরকারের একটি পরীক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যেতে পারে। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানকে সক্রিয় ও কার্যকর করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তরা যদি নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারেন এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাস্তবিক অর্থে ঘুরে দাঁড় করাতে সক্ষম হন, তাহলে এই উদ্যোগের সুফল অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনেও পড়তে পারে।রাজনৈতিক সরকারের অন্যতম দায়িত্ব হলো নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা। আর সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য কেবল মন্ত্রিসভা পরিবর্তন করাই যথেষ্ট নয়। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিচার বিভাগের সঙ্গে সরকারের কার্যকর সমন্বয়ও অপরিহার্য। একটি সরকারকে সফল হতে হলে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরকে একই লক্ষ্য ও কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে এগিয়ে যেতে হয়।একটি কুচকাওয়াজের কথা ভাবা যাক। সেখানে একজনও যদি ভিন্ন তালে হাঁটেন, পুরো আয়োজনের শৃঙ্খলা নষ্ট হয়ে যায়। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সচিব, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা—প্রত্যেকেই সরকারের বৃহত্তর প্রশাসনিক কাঠামোর অংশ। সরকারের নীতি ও কর্মসূচি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের দায়িত্বও তাদের ওপরই বর্তায়।ধরা যাক, কৃষক কার্ড সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি। এই কর্মসূচির সাফল্য অনেকাংশেই নির্ভর করবে মাঠ প্রশাসনের ওপর। প্রকৃত কৃষকদের সঠিক তালিকা তৈরি না হলে, সুবিধাভোগী নির্বাচন স্বচ্ছ না হলে কিংবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে পুরো উদ্যোগই প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। আবার কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লে বিচার বিভাগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ফলে সরকারের একটি কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন অনেকগুলো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করে।এ কারণেই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একটি নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে রাষ্ট্রযন্ত্রকে নিজের নীতি ও কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার চেষ্টা করে। তবে এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক আনুগত্যের পাশাপাশি দক্ষতা, সততা, যোগ্যতা এবং সাংবিধানিক দায়িত্বশীলতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। প্রশাসন বা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে কেবল দলীয়করণের হাতিয়ার না বানিয়ে যোগ্য ও কর্মক্ষম নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নির্বাচিত সরকারের সবচেয়ে বড় জবাবদিহিতা জনগণের কাছে। জনগণ ভোট দিয়ে একটি দলকে ক্ষমতায় পাঠায় এবং নির্বাচনী ইশতেহারের মাধ্যমে সেই দল জনগণের কাছে নির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দেয়। তাই সরকারের সাফল্য নির্ভর করে প্রতিশ্রুতিগুলো কতটা বাস্তবায়ন করা গেল তার ওপর। আর সেই বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হলে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামোকে কার্যকর, গতিশীল ও জবাবদিহিমূলক করা প্রয়োজন।গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করেছে—এমন রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন। দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচ্চ পর্যায়ে কিছু পরিবর্তন এসেছে, মাঠ প্রশাসনেও রদবদল হয়েছে। তবে সরকারের সমর্থকদের একটি অংশ মনে করছে, এসব পরিবর্তন এখনও পর্যাপ্ত নয়। তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে এখনও এমন কর্মকর্তারা রয়েছেন, যারা অতীতে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিলেন না কিংবা দলটির বিরুদ্ধে কাজ করেছেন।তবে এখানে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে দক্ষতা, সততা, নিরপেক্ষতা ও সাংবিধানিক দায়িত্ববোধকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতাও নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কারণ, সরকারের নীতি ও প্রশাসনের মধ্যে যদি দূরত্ব তৈরি হয়, তাহলে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাধারণ মানুষই।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। এরপর প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যাপক রদবদল হয়। প্রধান বিচারপতি থেকে নিম্ন আদালতের বিচারক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব থেকে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা এবং পুলিশের শীর্ষ পর্যায় থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যেও পরিবর্তন আনা হয়।এই সময়ের বিভিন্ন নিয়োগ ও পদায়ন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা অভিযোগ ও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে প্রশাসনে পদায়ন, জেলা প্রশাসক নিয়োগ এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বণ্টনে রাজনৈতিক প্রভাব ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও উঠেছিল। এসব অভিযোগের অনেকগুলোর বিষয়ে তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি রয়েছে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী না করে এসব বিষয়কে যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন।আইন ও বিচার বিভাগের ক্ষেত্রেও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিভিন্ন নিয়োগ ও পদায়ন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সরকারি আইন কর্মকর্তা নিয়োগ, নিম্ন আদালতে আইনজীবী নিয়োগ এবং বিচার প্রশাসনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এসব বিষয়ে স্বচ্ছ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া একটি নতুন নির্বাচিত সরকারের পক্ষে কার্যকরভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করা কঠিন হতে পারে।বর্তমান নির্বাচিত সরকারকে তাই একটি বিষয় স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করতে হবে—একটি অনির্বাচিত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার প্রশাসনিক কাঠামো হুবহু রেখে একটি নির্বাচিত সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা সবসময় সহজ নয়। তবে পরিবর্তনের নামে নির্বিচারে দলীয়করণও কোনো সমাধান হতে পারে না। প্রয়োজন এমন একটি প্রশাসন, যেখানে যোগ্যতা ও দক্ষতার সঙ্গে সরকারের নীতি বাস্তবায়নের সক্ষমতা এবং জনগণের প্রতি জবাবদিহিতা—দুইটিই নিশ্চিত থাকবে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক ১১টি প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব পরিবর্তনের উদ্যোগকে সেই বৃহত্তর সংস্কারের প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। এখন দেখার বিষয়, এই উদ্যোগ কতটা কার্যকর ফল বয়ে আনে এবং সরকার রাষ্ট্রের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানেও কী ধরনের সংস্কার করে।একটি নির্বাচিত সরকারের সাফল্য শুধু মন্ত্রিসভার দক্ষতার ওপর নির্ভর করে না। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে নিজ নিজ সাংবিধানিক দায়িত্বের মধ্যে থেকে সরকারের বৈধ নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে হয়। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব রাখাও জরুরি।তাই এখন সময় রাষ্ট্রযন্ত্রকে নতুন করে সাজানোর—তবে সেই সাজানো হতে হবে যোগ্যতা, দক্ষতা, সততা, জবাবদিহিতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে। সরকারের সাম্প্রতিক ১১টি নিয়োগ যদি সত্যিই অকার্যকর প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করার একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার সূচনা হয়, তাহলে সেটি অবশ্যই ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি সেই সিদ্ধান্তের সঠিক বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার যদি রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর, গতিশীল ও জবাবদিহিমূলক করে তুলতে পারে, তাহলে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পথ অনেকটাই সহজ হবে। আর সেই পথ ধরেই একটি সফল ও জনকল্যাণমুখী সরকার তার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7494/সরকরক-সফল-করত-পরশসন-ঢল-সজন-জরর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7494/সরকরক-সফল-করত-পরশসন-ঢল-সজন-জরর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7493_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর হবে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা</title>
				<description>
					রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক বিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা ব‌লেন। তিতুমীর বলেন, জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন, ভারসাম্যপূর্ণ ও বাস্তববাদী পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে। একইসঙ্গে প্রতিবেশী কূটনীতি, দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা এবং সব অংশীদারের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক জোরদারে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।উপদেষ্টা জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা খাতে প্রস্তাবিত ‘২+২ সংলাপ’ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের প্রথম কৌশলগত সংলাপ দ্রুত আয়োজনের বিষয়ে বাংলাদেশ আশাবাদী।বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা তুলে ধরে উপ‌দেষ্টা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অর্থনৈতিক সংকটের সময় জাতীয় স্বার্থভিত্তিক বাস্তববাদী অর্থনৈতিক কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দারিদ্র্য হ্রাস ও অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়।&amp;nbsp;তিনি বলেন, বর্তমান সরকারও সেই ধারাবাহিকতায় অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, সংস্কার ও পুনর্গঠনের মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।&amp;nbsp;এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে উৎপাদনমুখী শিল্পায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তি‌নি বলেন, উৎপাদন শিল্প, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও শিল্পপার্কে চীনা বিনিয়োগকে বাংলাদেশ বিশেষভাবে স্বাগত জানায়। পাশাপাশি মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কানেক্টিভিটি বাড়িয়ে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক লজিস্টিক হাবে পরিণত করার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।&amp;nbsp;তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশ কোনো একক অংশীদারত্বে বিশ্বাস করে না বরং অন্তর্ভুক্তিমূলক সহযোগিতার মাধ্যমে পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপসহ বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব জোরদার করতে চায়। জাতীয় স্বার্থ, শিল্পায়ন, অর্থনৈতিক আধুনিকায়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ভিত্তিতেই বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আগামী দিনে আরও গভীর ও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।Economics&amp;nbsp;ঢাকায় চীন দূতাবা‌সের সংস্কৃতি বিষয়ক কাউন্সেলর লি শাও ফেং ব‌লেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা কোনো রাজনৈতিক শর্ত বা ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে নয় বরং পারস্পরিক সম্মান, সমতা এবং উভয়ের লাভের নীতিতে পরিচালিত হয়।&amp;nbsp;বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে চীন সহযোগিতা বাড়াচ্ছে উ‌ল্লেখ ক‌রে শাও ফেং ব‌লেন, চীন বাংলাদেশের সঙ্গে শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, বিনিয়োগ, অবকাঠামো ও আঞ্চলিক সংযোগে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে প্রস্তুত। এছাড়া, আরও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য উচ্চশিক্ষা, ভাষা শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ বাড়ানো হবে।তি‌নি ব‌লেন, সাম্প্রতিক সফরে চীনা ভাষা শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা সহযোগিতা নিয়ে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। এর ফলে আরও বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী চীনে পড়াশোনা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে।রাজনৈতিক সংবাদ বিশ্লেষণ&amp;nbsp;তিনি আরও ব‌লেন, চীনা সরকারের বৃত্তি কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিবছর বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট, চীনা ভাষা শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথ গবেষণা এবং কারিগরি শিক্ষার সহযোগিতাও দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে।&amp;nbsp;শাও ফেং বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সহযোগিতা এখন আর শুধু বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্পে সীমাবদ্ধ নয়। এটি বিনিয়োগ, শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংযোগের দিকেও এগিয়ে যাচ্ছে।&amp;nbsp;তিনি বলেন, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নতুন গতি আসবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও নিজস্ব উন্নয়ন পথের প্রতি সম্মান জানায় চীন। বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা কোনো রাজনৈতিক শর্ত বা ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের ভিত্তিতে নয়, বরং পারস্পরিক সম্মান, সমতা এবং উভয়ের লাভের নীতিতে পরিচালিত হয়।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7493/চনর-সঙগ-সমপরক-আরও-গভর-হব-সবর-আগ-বলদশ-নতত-পরধনমনতরর-উপদষট</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7493/চনর-সঙগ-সমপরক-আরও-গভর-হব-সবর-আগ-বলদশ-নতত-পরধনমনতরর-উপদষট</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>কওমি মাদ্রাসার শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে কে?</title>
				<description>
					শিশু নির্যাতনের প্রকৃত চিত্র বোঝার ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে কঠিন জায়গা। একটি শিশু যখন পরিবারের কাছ থেকে দূরে কোনো আবাসিক প্রতিষ্ঠানে থাকে, তখন তার ওপর নির্যাতন হলে সে সহজে প্রতিবাদ করতে পারে না। অনেক সময় সে জানেই না, তার সঙ্গে যা ঘটছে তা অপরাধ। কখনো ভয় দেখানো হয়, কখনো প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়ার ভয় থাকে, আবার কখনো সামাজিক লজ্জা ও পরিবারের প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় শিশুটি মুখ বন্ধ রাখে।অভিভাবকরাও অনেক সময় অভিযোগ করতে দ্বিধা করেন। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কথা বললে সামাজিকভাবে সমালোচিত হওয়ার ভয় থাকে। সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রভাবশালী মহল কিংবা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিষয়টি আপসের মাধ্যমে মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করেন—এমন অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে।ফলে গণমাধ্যমে যে সংখ্যক ঘটনা প্রকাশ পায়, প্রকৃত ঘটনা তার চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে—এমন আশঙ্কা অমূলক নয়।শিশুদের ওপর শারীরিক শাস্তির বিষয়টিও কম উদ্বেগের নয়। বেত দিয়ে পেটানো, মারধর, আটকে রাখা কিংবা অপমানজনক আচরণের খবর প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অথচ ২০১১ সালে হাইকোর্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শারীরিক শাস্তিকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছেন। পরবর্তী সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শারীরিক ও মানসিক শাস্তি নিষিদ্ধ করে পরিপত্র জারি করেছে।তাহলে প্রশ্ন হলো, কওমি মাদ্রাসায় এই নির্দেশনা কতটা কার্যকর?শিশু সুরক্ষার ক্ষেত্রে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই আইনের ঊর্ধ্বে হতে পারে না। সরকারি স্কুল, বেসরকারি স্কুল, ইংরেজি মাধ্যমের প্রতিষ্ঠান কিংবা কওমি মাদ্রাসা—প্রতিষ্ঠানের ধরন যাই হোক, সেখানে পড়া প্রতিটি শিশুর অধিকার সমান।কওমি মাদ্রাসা সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত হয় না কিংবা ঐতিহ্যগতভাবে সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে—এই যুক্তি দেখিয়ে রাষ্ট্র শিশু সুরক্ষার দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না। কারণ শিশুটি তো রাষ্ট্রেরই নাগরিক। তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।বাংলাদেশ জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদের স্বাক্ষরকারী দেশ। শিশুদের সব ধরনের শারীরিক ও মানসিক সহিংসতা, নির্যাতন ও অবহেলা থেকে সুরক্ষা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রাষ্ট্র আন্তর্জাতিকভাবেও দিয়েছে। ফলে কোনো শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির ধর্মীয় পরিচয় কিংবা পরিচালন কাঠামো কোনো বাধা হতে পারে না।এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি—কওমি মাদ্রাসা মানেই নির্যাতনের জায়গা, এমন ধারণা যেমন সত্য নয়, তেমনি কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের ভালো ব্যবস্থাপনার কারণে পুরো ব্যবস্থার সমস্যাকে অস্বীকার করাও যুক্তিসঙ্গত নয়। দেশের বিপুলসংখ্যক কওমি মাদ্রাসায় শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষ নিষ্ঠার সঙ্গে শিশুদের শিক্ষা দিচ্ছেন। তাঁদের অবদানও অস্বীকার করার সুযোগ নেই।কিন্তু যেসব প্রতিষ্ঠানে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে, সেসব ঘটনায় কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। কারণ কিছু ব্যক্তির অপরাধের দায় কোনোভাবেই পুরো কওমি শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপানো উচিত নয়। একইভাবে কোনো প্রতিষ্ঠানের ধর্মীয় পরিচয় ব্যবহার করে অপরাধীকে দায়মুক্ত রাখার সুযোগও থাকা উচিত নয়।এখন সময় এসেছে কওমি মাদ্রাসাগুলোতে শিশু সুরক্ষার জন্য একটি কার্যকর ও বাস্তবসম্মত কাঠামো গড়ে তোলার।প্রতিটি আবাসিক মাদ্রাসায় শিশুদের অভিযোগ জানানোর নিরাপদ ব্যবস্থা থাকতে হবে। অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করতে হবে। গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো বাধ্যতামূলক করতে হবে। কোনো ধরনের সামাজিক বা প্রাতিষ্ঠানিক আপসের মাধ্যমে গুরুতর অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার সুযোগ রাখা যাবে না।একই সঙ্গে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। একজন শিক্ষক কীভাবে শিশুকে শাসন করবেন, কীভাবে শিশুর মানসিক বিকাশ বুঝবেন, কীভাবে সহিংসতা ছাড়া শৃঙ্খলা বজায় রাখবেন—এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ থাকা জরুরি। ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো এ ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।কওমি শিক্ষা বোর্ডগুলোকেও নিজেদের দায়িত্ব আরও সক্রিয়ভাবে পালন করতে হবে। শুধু পরীক্ষা নেওয়া বা শিক্ষাক্রম পরিচালনা নয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টিও তাদের দায়িত্বের অংশ হওয়া উচিত। শিশু নির্যাতনের অভিযোগে কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী দোষী সাব্যস্ত হলে ভবিষ্যতে তিনি যেন অন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একই ধরনের দায়িত্বে যেতে না পারেন, সে জন্য আইনসম্মত ও যথাযথ তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থাও বিবেচনা করা যেতে পারে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, শিশুর প্রতি সহিংসতাকে ‘শাসন’ বলে বৈধতা দেওয়া বন্ধ করতে হবে।ধর্মীয় শিক্ষা শিশুকে মানবিক হতে শেখায়। ইসলামের মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) শিশুদের প্রতি কোমলতা, মমতা ও ভালোবাসার যে দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন, তা মুসলিম সমাজের জন্য অনুকরণীয়। শিশুদের গায়ে হাত তোলা, অপমান করা কিংবা ভয় দেখিয়ে শিক্ষা দেওয়ার মধ্যে কোনো মহত্ত্ব নেই।বরং যে শিক্ষা একটি শিশুকে ভীত, আতঙ্কিত ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে, সেই শিক্ষাপদ্ধতি নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।অভিভাবকেরা সন্তানকে মাদ্রাসায় পাঠান মানুষ হওয়ার জন্য। তাঁরা চান সন্তান জ্ঞান অর্জন করুক, নৈতিকতা শিখুক, ধর্মীয় মূল্যবোধে বেড়ে উঠুক। কোনো বাবা-মা চান না, তাদের সন্তান কোনো শিক্ষকের নির্যাতনের শিকার হোক কিংবা নিথর দেহ হয়ে ঘরে ফিরুক।তাই প্রশ্নটি কেবল কওমি মাদ্রাসার নয়। প্রশ্নটি আমাদের রাষ্ট্রের, আমাদের সমাজের এবং আমাদের বিবেকের।একটি শিশু স্কুলে পড়ুক কিংবা মাদ্রাসায়—তার অধিকার সমান। সে দরিদ্র পরিবারের সন্তান হোক কিংবা সচ্ছল পরিবারের, এতিম হোক কিংবা অভিভাবকসহ বেড়ে উঠুক—তার নিরাপত্তার অধিকারও সমান।কওমি মাদ্রাসার শিশুরাও এই দেশের সন্তান। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্বও রাষ্ট্রের।সুতরাং কোনো ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সাময়িক উত্তেজনা নয়, প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর ব্যবস্থা। প্রয়োজন কওমি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ, শিক্ষা বোর্ড, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, অভিভাবক, শিশু অধিকারকর্মী এবং রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ।কারণ একটি শিশুর কান্না কখনোই কোনো প্রতিষ্ঠানের সুনামের চেয়ে ছোট হতে পারে না। একটি শিশুর নিরাপত্তা কোনো আপসের বিষয় হতে পারে না। আর যে রাষ্ট্র তার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিরাপদ রাখতে ব্যর্থ হয়, সেই রাষ্ট্রের উন্নয়ন, অগ্রগতি কিংবা সাফল্যের কোনো দাবিই পূর্ণতা পায় না।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7492/কওম-মদরসর-শশদর-নরপতত-নশচত-করব-ক</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7492/কওম-মদরসর-শশদর-নরপতত-নশচত-করব-ক</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7489_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>বঙ্গভবন ছাড়লেন নিজ বাসভবন গ্রিন ভিলার মো. সাহাবুদ্দিন</title>
				<description>
					এর আগে গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন।সংবিধান অনুযায়ী তিনি পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হলেও দায়িত্ব পালন করেন তিন বছর তিন মাস।রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিভিন্ন সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন ছাড়াও রাষ্ট্রীয় নানা কর্মসূচিতে অংশ নেন। পদত্যাগের মাধ্যমে তার রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটল।রোববার বঙ্গভবন ছাড়ার মধ্য দিয়ে শেষ হয় তার সরকারি বাসভবনে অবস্থানও।উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ছিলেন বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি। তিনি ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং ২০২৬ সালের ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন। পরে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।সাহাবুদ্দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। তিনি চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে চান।&amp;nbsp;						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7489/বঙগভবন-ছড়লন-নজ-বসভবন-গরন-ভলর-ম-সহবদদন</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7489/বঙগভবন-ছড়লন-নজ-বসভবন-গরন-ভলর-ম-সহবদদন</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7488_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>পূর্বাচলের পর এবার রূপগঞ্জ—আবারও ভিটেমাটি ছাড়ার আতঙ্ক</title>
				<description>
					স্থানীয়দের দাবি, প্রস্তাবিত অধিগ্রহণের আওতায় প্রায় ৩৮ দশমিক ৭৬ একর জমি রয়েছে। এর ফলে অন্তত ২০০ পরিবার সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বসতভিটা, কৃষিজমি, পারিবারিক কবরস্থান ও জীবিকার প্রধান অবলম্বন হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন সহস্রাধিক মানুষ।শনিবার সকালে সরেজমিনে রূপগঞ্জের দাউদপুর ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, চারটি মৌজাজুড়ে বিরাজ করছে চাপা উৎকণ্ঠা। স্থানীয়দের মুখে ঘুরেফিরে একই প্রশ্ন—একবার সরকারি প্রকল্পের কারণে ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেওয়ার পর আবারও কি তাঁদের উচ্ছেদ হতে হবে?স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নব্বইয়ের দশকে পূর্বাচল প্রকল্পের জন্য তাঁদের পূর্বপুরুষের বসতভিটা ও জমি অধিগ্রহণ করা হয়। অনেকে দাবি করেন, সে সময় নামমাত্র ক্ষতিপূরণ নিয়ে তাঁদের অন্যত্র চলে যেতে হয়েছিল। বহু কষ্টে নতুন জায়গায় ঘরবাড়ি তৈরি করে কৃষিকাজ ও ছোটখাটো ব্যবসার মাধ্যমে তাঁরা জীবন শুরু করেন। তিন দশক পর সেই নতুন ঠিকানাও এখন অনিশ্চয়তার মুখে।স্থানীয়দের অভিযোগ, গত এক মাসে সরকারি সংস্থাটির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল কয়েক দফা এলাকায় এসে আকস্মিকভাবে পরিদর্শন ও সার্ভে করেছে। সংস্থাটির পরিকল্পনা বিভাগের এক কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত ভূমির তফসিল অনুযায়ী, রূপগঞ্জ উপজেলার রঘুরামপুর, ব্রাহ্মণখালী ও কুলাদি মৌজার মোট ৩৮ দশমিক ৭৬ একর জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন।তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে রঘুরামপুর মৌজায় ১৯ দশমিক ২১ একর, ব্রাহ্মণখালী মৌজায় ১৫ দশমিক ৮৫ একর এবং কুলাদি মৌজায় ৩ দশমিক ৭০ একর জমি রয়েছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো ধরনের গণশুনানি বা জনমত যাচাই ছাড়াই গোপনীয়ভাবে সার্ভে পরিচালনা করা হয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, সরকারি নির্ধারিত মূল্যে জমি অধিগ্রহণ করা হলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সেই অর্থ দিয়ে অন্যত্র সমপরিমাণ জমি কিনে বসতি গড়তে পারবে না। ফলে তাঁরা একদিকে হারাবেন বসতভিটা, অন্যদিকে হারাবেন কৃষিজমি ও জীবিকার প্রধান উৎস।পূর্বাচল প্রকল্পের কারণে একবার উচ্ছেদ হওয়া সায়েম ভূইয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘পূর্বাচল থেকে একবার উচ্ছেদ করছে। আবার উচ্ছেদ করার চেষ্টা করতাছে। আমরা কি মানুষ না?’তিনি বলেন, ‘এই এলাকায় প্রায় ২০০টি পরিবার বসবাস করে। শতাধিক মানুষের কবরও আছে। ভোটার আছে প্রায় ১৬শ। তাদের ছেলেমেয়ে আছে। এরা কোথায় যাবে? কীভাবে বেঁচে থাকবে? বাচ্চাদের ভবিষ্যৎ কী হবে?’আরেক ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, ‘উপশহর থেইকা খেদাইয়া দিছে। উপশহরের বাইরে আইয়া বাড়ি করলাম। এহন হুনতাছি আবার আমাগো উচ্ছেদ কইরা দিবো। কন দেহি, আমরা আর কই যামু?’স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, প্রস্তাবিত অধিগ্রহণের আওতায় থাকা এলাকাগুলোর মানুষের বড় অংশ কৃষিনির্ভর। বছরের পর বছর ধরে এসব জমিতে চাষাবাদ করে তাঁদের সংসার চলে। জমি হারালে তাঁরা শুধু বসতভিটাই হারাবেন না, হারাবেন জীবিকা ও আয়-রোজগারের পথও।কাজী মাজহারুল আনোয়ারের জীবনে ভিটেমাটি হারানোর ঘটনা নতুন নয়। পূর্বাচল উপশহরের জন্য বাপ-দাদার জমি ও বসতভিটা ছেড়ে রঘুরামপুর মৌজায় এসে নতুন করে সংসার গড়েছিলেন তিনি। প্রায় ৫ শতক জমির ওপর তৈরি করেছিলেন ছোট্ট একটি বাড়ি। এখন সেই বাড়িটিও প্রস্তাবিত প্রকল্পের কারণে উচ্ছেদের আশঙ্কায়।শনিবার সকাল ১০টার দিকে ফুলবাড়িয়া গ্রামে তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, উঠানে নীল পলিথিনে ঢাকা পাশাপাশি দুটি কবর। একটি তাঁর মায়ের, অন্যটি ভাইয়ের।কবর দুটির পাশে দাঁড়িয়ে কাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, ‘আমরা কেমন রাষ্ট্রে বাস করি, যে রাষ্ট্র আমাদের বাসস্থানের নিরাপত্তা দিতে পারে না!’ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমরা কী এই দেশের নাগরিক, নাকি রোহিঙ্গা? এইখান থেইকা সরায়ে দিলে আমরা কই যামু?’তিনি বলেন, ‘আমার দাদা-নানার কবর ছিল পূর্বাচলে। অধিগ্রহণের পর সেগুলো ভেঙে প্লট বানানো হয়েছে। এখন আমার গর্ভধারিনী মায়ের কবরের দিকেও নজর পড়েছে। আমাদের সরিয়ে দিলে মায়ের কবর জিয়ারত করব কীভাবে?’সংসারে নানা টানাপোড়েন থাকলেও ভিটেমাটি আঁকড়ে ধরে জীবন চালিয়ে যাচ্ছেন কাজী আনোয়ার। তাঁর দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। এক ছেলে পঞ্চম শ্রেণিতে এবং আরেকজন প্রথম শ্রেণিতে পড়ছে। বাড়িতে গিয়ে দেখা হয় প্রথম শ্রেণির ছাত্র কাজী রাফিনের সঙ্গে। হিরনাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থীরও ভয়—তাঁদের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হলে তার পড়াশোনা কীভাবে চলবে?শিমুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা বৃদ্ধ আব্দুল মতিন বলেন, ‘বাপ-দাদার ভিটেমাটি আঁকড়ে ধরে বেঁচে আছি। এই মাটি ছেড়ে আমরা কোথায় যাব? সরকারি একটি সংস্থা নামমাত্র ক্ষতিপূরণ দিয়ে আমাদের উচ্ছেদ করতে চাইছে। ওই টাকা দিয়ে অন্য কোথাও এক টুকরো জমিও কেনা সম্ভব নয়।’স্থানীয়দের দাবি, প্রস্তাবিত অধিগ্রহণের কারণে এলাকার কৃষক, দিনমজুর ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। জমি হারালে কৃষকরা কর্মহীন হয়ে পড়বেন, আর বসতভিটা হারিয়ে অনেক পরিবারকে নতুন করে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে হবে।উপজেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, রঘুরামপুর ও কটিয়াদি এলাকার সংশ্লিষ্ট মৌজাগুলোতে ভোটার সংখ্যা ১৬শর বেশি। স্থানীয়দের আশঙ্কা, অধিগ্রহণ কার্যকর হলে বিপুলসংখ্যক মানুষের স্থায়ী ঠিকানা ও নাগরিক জীবনে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হবে।এদিকে এলাকায় সরকারি সংস্থার সার্ভে টিমের আনাগোনা বাড়ার পর থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। গত কয়েক দিনে নারী-পুরুষ ও স্থানীয় যুবকদের নিয়ে একাধিক বৈঠকও হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, প্রয়োজনে আন্দোলনে নামলেও তাঁরা পৈতৃক ভিটেমাটি ছাড়তে রাজি নন।বর্তমানে চারটি মৌজায় এক ধরনের থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের গণআন্দোলন শুরু হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি অধিগ্রহণ না করে সরকারি খাসজমি ব্যবহার করে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হোক। একই সঙ্গে তাঁরা প্রস্তাবিত অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে তাঁদের বসতভিটা ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকার কথা জানিয়েছেন রূপগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফরিদ আল সোহান। তিনি বলেন, প্রায় এক মাস আগে তথ্য যাচাই-বাছাই করে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।তিনি বলেন, ‘সরকার চাইলে ভূমি অধিগ্রহণ করতে পারে। সেক্ষেত্রে যার জমি অধিগ্রহণ করা হবে, তাঁকে সরকারের পক্ষ থেকে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।’কোনো ব্যক্তি বা পরিবার নির্দিষ্টভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে লিখিত অভিযোগ করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘কেউ ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে আমার কাছে লিখিত অভিযোগ করলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।’						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7488/পরবচলর-পর-এবর-রপগঞজআবরও-ভটমট-ছড়র-আতঙক</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7488/পরবচলর-পর-এবর-রপগঞজআবরও-ভটমট-ছড়র-আতঙক</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7485_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title> ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্পিকারের সরকারি বাসভবনে থেকেই বঙ্গভবনে অফিস করবেন</title>
				<description>
					আজ শনিবার (২৫ জুলাই) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানিয়েছেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ।গতকাল শুক্রবার বিকেল থেকেই সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে স্পিকারের সরকারি বাসভবন এবং এর আশপাশে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে।গতকাল রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করলে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।এদিকে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামীকাল রোববার বেলা ১১টায় হাফিজ উদ্দিন আহমদ সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত করবেন তিনি।সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হয়।এ বিষয়ে আজ আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় সংসদ অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।আইনমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল ছিল ২৪ জুলাই। সে হিসেবে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সময় আছে। সুতরাং বিশেষ অধিবেশন ডাকার মতো পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি। যেহেতু ১৫ জুলাই থেকে ৬০ দিনের মধ্যে পরবর্তী অধিবেশন হওয়ার কথা সাংবিধানিকভাবে। আশা করি, সেই অধিবেশনে এটা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7485/ভরপরপত-রষটরপত-হফজ-উদদন-আহমদ-সপকরর-সরকর-বসভবন-থকই-বঙগভবন-অফস-করবন</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7485/ভরপরপত-রষটরপত-হফজ-উদদন-আহমদ-সপকরর-সরকর-বসভবন-থকই-বঙগভবন-অফস-করবন</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7480_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>৩ নম্বর সতর্ক সংকেত চার সমুদ্রবন্দরে </title>
				<description>
					এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।শনিবার (২৫ জুলাই) আবহাওয়ার এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7480/৩-নমবর-সতরক-সকত-চর-সমদরবনদর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7480/৩-নমবর-সতরক-সকত-চর-সমদরবনদর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7475_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title> ‘শেষ সম্বলটুকুও কেড়ে নেবেন না’—রূপগঞ্জের শিমুলিয়া ও মুলাদীতে শত পরিবারের আকুতি</title>
				<description>
					স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, একটি সরকারি সংস্থা শিমুলিয়া ও মুলাদী গ্রামের প্রায় ৩৮ একর জমি নতুন করে অধিগ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে। এতে অন্তত শতাধিক পরিবারের বসতভিটা ও জমি হারানোর শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এক জীবনে দু’বার উচ্ছেদের মুখে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন দুই গ্রামের মানুষ।আশ্রয় হারানোর ভয়ে কাতর পরিবারগুলোপূর্বের অধিগ্রহণে বিশাল পরিমাণের পৈতৃক জমি হারিয়েছিলেন এই এলাকার মানুষজন। তৎকালীন ক্ষতিপূরণের সামান্য টাকা দিয়ে মাত্র ২ থেকে ৫ শতাংশ জমিতে নতুন করে ঘর তুলেছিলেন তারা। বর্তমানে এই ছোট ছোট বাড়িগুলোই পরিবারের একমাত্র ঠিকানা।স্থানীয় অধিবাসীদের আকুতি, জীবনের শেষ সম্বল বলতে আর কিছুই বাকি নেই। আবারও উচ্ছেদ করা হলে মাথা গোঁজার মতো কোনো স্থান তাদের থাকবে না। একাধিকবার উচ্ছেদের মতো মানসিক ও আর্থিক ধকল সহ্য করার সক্ষমতা তাদের আর নেই বললেই চলে।ক্ষতিপূরণ ও জীবিকা নিয়েও দেখা দিয়েছে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অধিগ্রহণের জন্য সরকারের প্রস্তাবিত ক্ষতিপূরণের হার নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তাদের মতে, সরকারি রেট বর্তমান বাজারদরের চেয়ে বহু গুণ কম। এই অর্থে আশপাশের এলাকাতেও এক খণ্ড জমি কিনে ঘর তোলা বা পুনর্বাসিত হওয়া একপ্রকার অসম্ভব।অন্যদিকে, রূপগঞ্জের এই পরিবারগুলোর অধিকাংশের জীবন ও জীবিকা কৃষিনির্ভর। বসতভিটার সঙ্গে সঙ্গে চাষের জমি হারিয়ে ফেললে আয়ের একমাত্র পথটি বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে স্থায়ীভাবে বেকার ও গৃহহীন হয়ে চরম মানবিক সংকটে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।এলাকাবাসীর অভিযোগ, বারবার জমি অধিগ্রহণের তোড়জোড়ে বছরের পর বছর অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের। আতঙ্কগ্রস্ত বাসিন্দারা সরকারি সংস্থার কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে বর্তমান বসতিগুলো অক্ষত রেখে কোনো বিকল্প চিন্তা করা হয়।তারা মনে করেন, পূর্বাচল এলাকায় এখনও হাজার হাজার বিঘা খালি জায়গা ও সরকারি খাস জমি পৌঁছে আছে। স্থানীয়দের ঘরবাড়ি ও বাপ-দাদার ভিটেমাটি না উচ্ছেদ করে সেইসব খালি জমি বা খাস জমিতে প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব।&amp;nbsp;এ অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পূর্বাচল এলাকায় এখনও হাজার হাজার বিঘা খালি জমি ও সরকারি খাস জমি রয়েছে। তাই নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বসতিপূর্ণ গ্রাম উচ্ছেদ না করে ওইসব খালি ও সরকারি খাস জমিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে পুনর্বাসন বা প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি বরাদ্দ দেওয়া হোক। এতে একদিকে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে, অন্যদিকে নিরীহ সাধারণ মানুষকে দ্বিতীয়বারের মতো ঘরবাড়ি ও বাপ-দাদার ভিটেমাটি হারিয়ে উদ্বাস্তু হতে হবে না। উন্নয়নের স্বার্থে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা ও বসতভিটা রক্ষায় একটি মানবিক ও টেকসই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর আহ্বান জানিয়েছেন।এটি হলে একদিকে সরকারি প্রকল্পের কাজও এগোবে, অন্যদিকে অসহায় পরিবারগুলোকেও দ্বিতীয়বারের মতো উদ্বাস্তু হতে হবে না।দীর্ঘমেয়াদি এই অনিশ্চয়তা থেকে নিস্তার পেতে প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্থায়ী এবং মানবিক এক সমাধানের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন শিমুলিয়া ও মুলাদী গ্রামের মানুষ।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7475/শষ-সমবলটকও-কড়-নবন-নরপগঞজর-শমলয়-ও-মলদত-শত-পরবরর-আকত</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7475/শষ-সমবলটকও-কড়-নবন-নরপগঞজর-শমলয়-ও-মলদত-শত-পরবরর-আকত</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7457_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>কমল বিমান ভাড়া সরকারি হজের দুই প্যাকেজ ঘোষণা, </title>
				<description>
					অন্যদিকে তুলনামূলক কম খরচের ‘হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী)’-এর আওতায় মক্কায় মসজিদুল হারাম থেকে দুই থেকে তিন কিলোমিটারের মধ্যে আবাসনের ব্যবস্থা রাখা হবে। মদিনায় মারকাজিয়া এলাকার বাইরে মসজিদে নববী থেকে ৮০০ মিটারের মধ্যে হজযাত্রীদের আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। মিনায় তাঁবুর অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে জোন-৫-এ। এ প্যাকেজেও মিনা ও আরাফায় ‘সার্ভিস প্যাকেজ-৩’ অনুযায়ী সেবা এবং মোয়াল্লেমের মাধ্যমে খাবার সরবরাহ করা হবে।তবে কোনো হোটেল মসজিদুল হারাম থেকে দুই কিলোমিটারের বেশি দূরে হলে সৌদি সরকারের বিধান অনুযায়ী হজযাত্রীদের জন্য সালাওয়াত বাসের ব্যবস্থা রাখা হবে। সাশ্রয়ী এই প্যাকেজের জন্য একজন হজযাত্রীর খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা।এর আগে ২০২৫ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের জন্য দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছিল। ওই সময় মসজিদুল হারামের আশপাশে তিন কিলোমিটারের মধ্যে আবাসন সুবিধাসহ একটি প্যাকেজের খরচ ছিল ৪ লাখ ৭৮ হাজার ২৪২ টাকা। আর মসজিদুল হারামের দেড় কিলোমিটারের মধ্যে আবাসন সুবিধাসহ অন্য প্যাকেজের খরচ নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৬৮০ টাকা।২০২৭ সালের হজ প্যাকেজে বিমান ভাড়া কমানোকে হজযাত্রীদের জন্য সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন নির্ধারিত ভাড়ায় হজযাত্রীদের বিমান ভ্রমণের খরচ আগের তুলনায় ৩৭ হাজার টাকা কমবে বলে জানিয়েছে সরকার।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7457/কমল-বমন-ভড়-সরকর-হজর-দই-পযকজ-ঘষণ</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7457/কমল-বমন-ভড়-সরকর-হজর-দই-পযকজ-ঘষণ</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7444_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>সেনা আইনে হবে মোজাফফরের বিচার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী</title>
				<description>
					মিয়ানমার সীমান্তে ১০৯ কিলোমিটার কাঁটাতারের পরিকল্পনামিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় আরাকান আর্মি, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এবং অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘাতের প্রভাব বাংলাদেশে পড়ছে। মাদক পাচার, গোলাগুলির স্পিলওভার এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার ১০৯ কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের প্রস্তাব বিবেচনা করছে।&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&amp;nbsp;তিনি বলেন, বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি, তবে সীমান্ত নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।অবৈধ পুশইন ঠেকাতে সক্ষম বাংলাদেশভারত থেকে কথিত ‘পুশইন’ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কাউকে অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ করতে দেয়নি। বিজিবি ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় এসব প্রচেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে।তিনি বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশি নাগরিক হন, তাহলে ভারত সরকারকে কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় তালিকা দিতে হবে। আমরা জাতীয়তা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। অন্য কোনো পদ্ধতিতে কাউকে গ্রহণ করা হবে না।বিজিবিকে আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্তবিজিবি সদরদপ্তর পরিদর্শন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর এ প্রথম তিনি বিজিবির কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সদরদপ্তরে গেছেন। সেখানে সীমান্ত পরিস্থিতি, জনবল, প্রযুক্তি, সরঞ্জাম, যানবাহন, অবকাঠামো ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে।তিনি বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, জনবল বৃদ্ধি, আধুনিক সরঞ্জাম ও অস্ত্র সংগ্রহসহ বেশ কিছু নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মাদক নিয়ন্ত্রণে ডগ স্কোয়াড ব্যবহারের সিদ্ধান্তস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি প্রণীত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ডগ স্কোয়াড ব্যবহারের বিধান রাখা হয়েছে। তবে নতুন ডগ স্কোয়াড গড়ে তুলতে সময় লাগবে। তাই আপাতত বিজিবির বিদ্যমান ডগ স্কোয়াডকে কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, মাদক পাচার রোধে বিজিবির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এ ক্ষেত্রে তাদের সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজিবির প্রশাসনিক অবকাঠামো উন্নয়ন, হাসপাতালের সক্ষমতা বৃদ্ধি, চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বিষয় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। এসব বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় বিজিবির ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম দেশব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে। সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবিলা ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও বাহিনীটির সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে।বিজিবি সদস্যদের পদক প্রদানের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাহসিকতা ও বিশেষ অবদানের জন্য প্রতিবছর বিজিবিকে পদক দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে পদকের পাশাপাশি সনদ বা অন্যান্য স্বীকৃতি প্রদানের বিষয়েও বিবেচনা করা হবে।তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিজিবি মহাপরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7444/সন-আইন-হব-মজফফরর-বচর-সবরষটরমনতর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7444/সন-আইন-হব-মজফফরর-বচর-সবরষটরমনতর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7436_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে : মির্জা ফখরুল</title>
				<description>
					মন্ত্রী বলেন,&amp;nbsp; জুলাই আন্দোলন যে নতুন রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ সৃষ্টি করেছে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস আছে আমরা ন্যায় ও ইনসাফের রাষ্ট্র গঠন করতে পারবো। বিএনপি যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছে তা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছে সরকার।তিনি আরও বলেন, আন্দোলন অনেক হয়েছে। এবার সংসদে আলোচনার মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এমন একটা ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন যাতে আর সহিংসতার পথে যেতে না হয়।&amp;nbsp;সবকিছুতে বিরোধিতার মানসিকতা থেকে বিরোধীদলকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন&amp;nbsp; প্রতিষ্ঠানে তোষামোদি বিরাজ করছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এ থেকে বেরিয়ে আসতে বড় ধরনের বিপ্লবের প্রয়োজন। এত স্বল্প সময়ে ১৬ বছরের অপকর্ম থেকে জাতিকে শোধরানো সম্ভব নয়।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7436/বতরকর-অবসন-হওয়-উচত-জলই-সনদ-বসতবয়ন-নয়-মরজ-ফখরল</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7436/বতরকর-অবসন-হওয়-উচত-জলই-সনদ-বসতবয়ন-নয়-মরজ-ফখরল</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7429_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সংবাদপত্রের কালো আইন সংস্কারে </title>
				<description>
					এতে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রেসসচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের অন্য সদস্যরা।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। সেই ধারাবাহিকতায় সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে আজ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7429/পরধনমনতরর-নরদশন-সবদপতরর-কল-আইন-সসকর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7429/পরধনমনতরর-নরদশন-সবদপতরর-কল-আইন-সসকর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7425_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>নজরুল মুসলিম রেনেসাঁর রূপকার,কেবল গর্ব নন: ভূমিমন্ত্রী</title>
				<description>
					জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সুধীসমাজ এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে দোয়া ও মোনাজাত শেষে ‘নজরুল ভিলেজ’ চত্বরে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা রোপন করেন মন্ত্রী।&amp;nbsp;						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7425/নজরল-মসলম-রনসর-রপকরকবল-গরব-নন-ভমমনতর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7425/নজরল-মসলম-রনসর-রপকরকবল-গরব-নন-ভমমনতর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7423_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title> শহীদদের তালিকা নয়, জাতির স্মৃতি সংরক্ষণের লড়াই</title>
				<description>
					এমন বাস্তবতায় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটি নির্ভুল ও যাচাইকৃত তালিকা প্রণয়নের অঙ্গীকার বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এটি কেবল প্রশাসনিক উদ্যোগ নয়, বরং জাতির ইতিহাসকে নির্ভুলভাবে সংরক্ষণের একটি প্রচেষ্টা। সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর প্রকৃত শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়নের প্রক্রিয়া বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বিতর্কিত হয়েছে। তাই প্রকৃত অবদান রাখা ব্যক্তিদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করে একটি গ্রহণযোগ্য তালিকা তৈরির ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।যে কোনো রাষ্ট্রের দায়িত্ব তার মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া। কিন্তু ইতিহাস যখন রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হয়, তখন সত্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই এ উদ্যোগের তাৎপর্য বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় আরও গভীর।সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতে ইসলামী তাদের ১৯৭১ সালের ভূমিকা নিয়ে নতুন ব্যাখ্যা তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, জামায়াত বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেনি; বরং স্বাধীনতা অর্জনের পদ্ধতি নিয়ে তাদের আপত্তি ছিল। একই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, অবিভক্ত পাকিস্তান ধরে রাখার প্রশ্নে জামায়াতের অবস্থান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবস্থানের সঙ্গে মিল ছিল।ডা. শফিকুর রহমান নিজেকে একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য বলেও উল্লেখ করেন। একইভাবে চাঁদপুর জেলা জামায়াতের আমির বিল্লাল হোসেন মিয়াজীও দাবি করেন, তিনি মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক ছিলেন। ব্যক্তিগত বা পারিবারিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে মূল্যায়ন করা এক বিষয়, কিন্তু একটি রাজনৈতিক দলের অবস্থান নির্ধারিত হয় তার প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত, কর্মকাণ্ড ও ঐতিহাসিক ভূমিকার মাধ্যমে।এ কারণেই সমালোচকদের বক্তব্য, জামায়াতে ইসলামী এখনো ১৯৭১ সালে তাদের রাজনৈতিক অবস্থানের বিষয়ে স্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ জবাবদিহি করেনি। ইতিহাসে প্রতিষ্ঠিত তথ্য অনুযায়ী, দলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল এবং পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। শান্তি কমিটি, রাজাকার, আলবদর ও আলশামসের মতো বাহিনীর সঙ্গে দলটির বহু নেতা-কর্মীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচিত। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এসব সহযোগী বাহিনীর বিরুদ্ধে বুদ্ধিজীবী হত্যা, সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন, ধর্ষণ এবং সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতের তৎকালীন শীর্ষ নেতা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ কয়েকজনকে দোষী সাব্যস্ত করে। এসব রায় ব্যক্তিগত অপরাধের বিচার হলেও, ১৯৭১ সালে দলটির নেতৃত্বের একটি অংশের ভূমিকা সম্পর্কে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক মূল্যায়নকে আরও জোরালো করেছে।সম্প্রতি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ পাসের মাধ্যমে সংসদ আবারও তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী, মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম পার্টি, রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও শান্তি কমিটিকে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে আইনি স্বীকৃতি বহাল রেখেছে। জামায়াতে ইসলামী এ বিধানের বিরোধিতা করেছে। অন্যদিকে বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতা, যেমন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সালাহউদ্দিন আহমদ, অভিযোগ করেছেন যে স্বাধীনতাবিরোধী অতীত থাকা সত্ত্বেও জামায়াত নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে।গণতান্ত্রিক সমাজে রাজনৈতিক দল পরিবর্তিত হতে পারে, তাদের আদর্শেরও রূপান্তর ঘটতে পারে। তবে সেই পরিবর্তনের পূর্বশর্ত হলো অতীত সম্পর্কে সততা ও জবাবদিহি। ইতিহাসকে অস্বীকার বা নতুনভাবে সাজিয়ে কোনো জাতি দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী হতে পারে না। অতীতের ভুল স্বীকার করা মানেই স্থায়ী শাস্তি নয়; বরং তা ইতিহাসের নথিভুক্ত সত্যকে সম্মান জানানোর একটি উপায়।এই বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ তরুণ প্রজন্মের জন্য। আজকের অধিকাংশ ভোটার মুক্তিযুদ্ধ প্রত্যক্ষ করেননি। তারা স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক দলগুলোকে বর্তমান নীতি, নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করবেন। তবে একই সঙ্গে একটি দলের অতীত এবং সেই অতীত সম্পর্কে তাদের অবস্থান জানা গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্যও প্রয়োজনীয়। কারণ, যে দল নিজের প্রতিষ্ঠিত ইতিহাস নিয়েই স্পষ্ট অবস্থান নিতে পারে না, তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।এ কারণেই শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটি নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন কেবল প্রশাসনিক কাজ নয়; এটি জাতীয় ইতিহাস সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এমন একটি তালিকা ইতিহাস বিকৃতির সুযোগ কমাবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিভ্রান্তিকর রাজনৈতিক বয়ানের পরিবর্তে তথ্যভিত্তিক ইতিহাস জানার সুযোগ দেবে।স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করা প্রজন্ম ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে। ফলে ১৯৭১ সালের সত্য ও স্মৃতি সংরক্ষণের দায়িত্ব এখন ক্রমেই নতুন প্রজন্মের কাঁধে এসে পড়ছে। বাংলাদেশ গণতন্ত্র, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ও জাতীয় পুনর্মিলনের পথে এগোতে পারে, কিন্তু সেই যাত্রা কখনোই ঐতিহাসিক সত্য বিসর্জন দিয়ে হওয়া উচিত নয়। আর যতদিন পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী তাদের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীনভাবে আত্মসমালোচনা না করবে, ততদিন পর্যন্ত অনেক বাংলাদেশির মনে দলটির প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের প্রশ্ন থেকেই যাবে।##						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7423/শহদদর-তলক-নয়-জতর-সমত-সরকষণর-লড়ই</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7423/শহদদর-তলক-নয়-জতর-সমত-সরকষণর-লড়ই</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7422_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে গণমাধ্যমকে এগিয়ে নিতে হবে: জহির উদ্দিন স্বপন</title>
				<description>
					বৃহস্পতিবার রাজধানীর বসুন্ধরায় ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের কাঠামো দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রযুক্তিনির্ভর নতুন বাস্তবতায় প্রচলিত গণমাধ্যমকে টিকে থাকতে হলে নতুন জ্ঞান, দক্ষতা, প্রযুক্তি এবং সময়োপযোগী আইনি কাঠামো গ্রহণ করতে হবে। পরিবর্তনের এ পর্যায়ে যথাযথ প্রস্তুতির অভাবে অনেক সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মতো গণমাধ্যমকেও রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও উৎসাহ দেওয়া উচিত। কারণ এই শিল্পের টিকে থাকা গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সামাজিক জবাবদিহির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের প্রসঙ্গ তুলে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমানে তথ্য গ্রহণের প্রধান উৎস হিসেবে ডিজিটাল মাধ্যম দ্রুত বিস্তার লাভ করেছে। ফলে প্রচলিত সংবাদমাধ্যমগুলো নতুন প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হয়েছে। এই বাস্তবতায় প্রায় সব বড় মিডিয়া প্রতিষ্ঠানকেই মাল্টিমিডিয়া কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে হয়েছে এবং নতুন আয়ের উৎস খুঁজতে হচ্ছে। তাই গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা আরও জোরদার করা জরুরি।তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্বাধীন কনটেন্ট নির্মাতাদের উত্থানের কারণে বিজ্ঞাপনের বড় একটি অংশ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে চলে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে মূলধারার সংবাদমাধ্যমকে প্রযুক্তিনির্ভর ও প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তুলতে হবে। সরকারি বিজ্ঞাপন বণ্টনের ক্ষেত্রে পাঠক ও দর্শকসংখ্যাকে গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা উচিত বলেও তিনি মত দেন।গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও টেকসই গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে গণমাধ্যম সংস্কার, প্রয়োজনীয় কমিশন গঠন এবং অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন ছাড়া সাংবাদিকদের সম্মানজনক বেতন, চাকরির স্থায়িত্ব ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে গণমাধ্যম উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রকে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দিতে হবে। সাংবাদিকদের আর্থিক অনিশ্চয়তা দূর না হলে পেশাদার সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং অপসাংবাদিকতার সুযোগ বাড়বে বলেও তিনি সতর্ক করেন।মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনলাইন সংবাদমাধ্যমের জন্য পৃথক নীতিমালা প্রণয়ন, নিবন্ধিত সব গণমাধ্যমকে সরকারি বিজ্ঞাপনের আওতায় আনা, স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন, সাংবাদিক নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু এবং বিজ্ঞাপন বণ্টনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।ডেইলি সানের সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস বলেন, সরকার ইতোমধ্যে স্বাধীন গণমাধ্যমের প্রতি সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছে। এর প্রতিদানে সাংবাদিকদেরও দেশ ও জনগণের স্বার্থে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা উচিত।বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক লোটন একরাম অভিযোগ করেন, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের গণমাধ্যমগুলোর পাঠক ও দর্শকসংখ্যা বেশি হলেও সরকারি বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্র বরাদ্দে তারা বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি ডিএফপির বিজ্ঞাপন বণ্টনে স্বচ্ছতা, সার্কুলেশনভিত্তিক বিজ্ঞাপন, সাংবাদিকদের পেনশন চালু এবং স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের দাবি জানান।বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু নিবন্ধিত অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে সরকারি বিজ্ঞাপন নীতিমালার আওতায় আনার আহ্বান জানান।বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক এ. কে. এম. মন্জুরুল ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বসুন্ধরা গ্রুপের বিভিন্ন গণমাধ্যম নানা ধরনের বৈষম্য ও হয়রানির শিকার হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।নিউজ টোয়েন্টিফোরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম খান বলেন, সাংবাদিকতার মূল লক্ষ্য রাষ্ট্র, সমাজ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করা। একই সঙ্গে ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল বলেন, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপে বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক কর্মরত রয়েছেন। সরকারের ঘোষিত উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে সাংবাদিকদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।অনুষ্ঠানে ডেইলি সান, বাংলাদেশ প্রতিদিন, কালের কণ্ঠ, বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর ডটকম, নিউজ টোয়েন্টিফোরসহ ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7422/পরযকতর-সঙগ-তল-মলয়-গণমধযমক-এগয়-নত-হব-জহর-উদদন-সবপন</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7422/পরযকতর-সঙগ-তল-মলয়-গণমধযমক-এগয়-নত-হব-জহর-উদদন-সবপন</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7421_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>আগামীকাল প্রখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে  স্মরণসভা</title>
				<description>
					রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে সকাল ১০টায় এই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে। ‘অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমেদ রিসার্চ সেন্টার’ এবং বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতি&amp;nbsp; এই সভার আয়োজন করেছে।স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী।সম্মানীয় আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও কলামিস্ট অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার এবং বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক আবুল কাশেম হায়দার। এছাড়াও দেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিক ও শিক্ষাবিদগণ এতে অংশ নেবেন। স্মরণসভার আহ্বায়ক অধ্যাপক আবদুল লতিফ মাসুম দেশের সর্বস্তরের গুণীজন ও আগ্রহীদের এই সভায় উপস্থিত থাকার জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।এক নজরে অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের বর্ণাঢ্য জীবন:&amp;nbsp;১৯৩৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর অবিভক্ত বাংলার মালদহে জন্মগ্রহণ করা এই মহান মনীষী ছিলেন দেশের শিক্ষা ও গণতন্ত্রের অন্যতম বাতিঘর। ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা হিসেবে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং কারাবরণ করেন।শিক্ষকতাকে ব্রত হিসেবে নিয়ে কর্মজীবন শুরু করা অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ দেশের বেশ কয়েকটি খ্যাতনামা কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৭০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি অত্যন্ত সফলতার সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য এবং ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ২১তম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অবসরগ্রহণের পর তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় 'ইউডা' (UODA)-এর উপাচার্য এবং বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি, সামরিক বাহিনী ও পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে দীর্ঘ চার দশক গবেষণা করা এই পণ্ডিতের অর্ধশতাধিক গ্রন্থ এবং শতাধিক গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে অনবদ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৯২ সালে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’-এ ভূষিত করে। এছাড়াও তিনি মাইকেল মধুসূদন দত্ত স্বর্ণপদক, শেরে বাংলা স্মৃতি স্বর্ণপদকসহ বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেন। ২০২০ সালের ১৭ জুলাই ৮৬ বছর বয়সে এই প্রথিতযশা বুদ্ধিজীবী মৃত্যুবরণ করেন।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7421/আগমকল-পরখযত-রষটরবজঞন-অধযপক-এমজউদদন-আহমদর-৬ষঠ-মতযবরষকত-সমরণসভ</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7421/আগমকল-পরখযত-রষটরবজঞন-অধযপক-এমজউদদন-আহমদর-৬ষঠ-মতযবরষকত-সমরণসভ</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7420_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>কেউ কেউ মাছ শিকার করতে চায় ঘোলা পানিতে : শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী</title>
				<description>
					রোববার দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভারি বর্ষণ ও জলাবদ্ধতার কারণে সোমবারের এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্র পরীক্ষা স্থগিতের দাবি ওঠে।তবে চট্টগ্রাম বোর্ডে ও এ বিভাগ ছাড়া সোমবার অন্যান্য এলাকায় পরীক্ষা চালিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেয় শিক্ষা বোর্ডগুলো। ভারি বর্ষণ চলে সোমবার বিকাল পর্যন্ত। ফলে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে পড়ার অভিযোগ আসে। একই দিন পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র পরীক্ষা দুইটি ভুল প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় পরীক্ষার্থীদের।এরমধ্যেই সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও ঘিরে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ বাড়ে। যেখানে শিক্ষামন্ত্রীকে এক নারীর সঙ্গে আলাপচারিতায় পরীক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’ বলে সম্বোধন করতে শোনা যায়।এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ, পরীক্ষা স্থগিত করা এবং সোমবারের পরীক্ষায় বসতে না পারা পরীক্ষার্থীদের ফের সুযোগ দেওয়ার দাবিতে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল থেকে রাজধানী ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, কুড়িগ্রাম, টাঙ্গাইল, ঝালকাঠি, জয়পুরহাট, বরিশাল, ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক আটকে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।&amp;nbsp;এরপর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদে পরীক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করে দেওয়া ওই বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী মিলন।পরীক্ষা দিতে সমস্যায় পড়া শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা বিষয়ের প্রথম পত্রের পরীক্ষা পুনরায় নেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রীকে, সরকারকে জানিয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। ইতোমধ্যে শিক্ষামন্ত্রী তার মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এ নিয়ে আর বলার কিছু নেই। যারা পরীক্ষার্থী তারা সন্তুষ্ট।অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এগুলো নিয়ে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছি না। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি দুই-একটি জেলায় এবং ঢাকায় দুই-একটি স্পটে, তাদের সংখ্যা বেশি না। মিডিয়াতে আসার কারণে হয়তো বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে, এগুলো আমরা মনোযোগ দিচ্ছি না।এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই প্রবণতাটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দেখা গেছে যে, সচিবালয়ে গিয়ে পরীক্ষা স্থগিত করা বা বিনা পরীক্ষায় পাসের সুযোগ নেওয়া। এগুলো সে সময় তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। সে কারণে এখনও তারা প্রবণতাটা বহাল রেখেছে। শিক্ষার মান ক্ষুণ্ন হোক এরকম কোনো বিষয় মানা হবে না।&amp;nbsp;সাবেক আইজিপি বেনজীরকে ফেরত আনাদুবাইয়ে গ্রেফতার হওয়া সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ এবং ওসমান হাদি হত্যা মামলায় ভারতে গ্রেফতার হওয়া তিনজনকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে কাজ চলার কথাও বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে আইনানুগ যা কিছু করণীয়, সব আমরা করেছি। আশা করি অল্প সময়ের মধ্যে আমরা সাড়া পাব, চেষ্টা করছি।কলেমাখচিত পতাকাসারাদেশে কলেমাখচিত পতাকা দেখা যাওয়া এবং মিছিল করার বিষয়ে এক প্রশ্নে সালাহউদ্দিন বলেন, হুজুগে কিছু মানুষ আমাদের ধর্মীয় সেন্টিমেন্টকে কাজে লাগিয়ে এগুলো হয়তো করার চেষ্টা করছে। আমরা মনে করি এখানে কিছু সংগঠন আছে আমরা ইংরেজিতে বলি, এরা এক্সিট্রিমিস্ট। কিন্তু আমরা মনে করি না দেশে এ রকম কোন সংগঠন আছে, অস্তিত্ব আছে বা জঙ্গিবাদী তৎপরতা আছে, সেটা আমরা মনে করি না।&amp;nbsp;মাদক নিয়ন্ত্রণঅপর এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকের ব্যাপারে আমরা জিরো টলারেন্স। নতুন শক্তিশালী আইন হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে আরো শক্তিশালী করতে চাই। অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের অস্ত্র দেওয়া, ডগ স্কোয়াড দেওয়া এসব করতে কিছুটা সময় লাগবে।আহত জুলাই যোদ্ধাআহত জুলাই যোদ্ধার সংখ্যা দুই হাজারের বেশি হতে পারে বলে অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন সালাহউদ্দিন।চব্বিশের সরকার পতনের শেষ দিকে তারা হাসপাতাল থেকে নথিও গায়েব করে দিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসা দিতে দেয়নি, অনেক ক্ষেত্রে লাশ গুম করে ফেলেছে। অনেক ক্ষেত্রে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করেছে। এখন আত্মীয় স্বজনরা লাশ খুঁজে বেড়ায়। এখন ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে শনাক্তের চেষ্টা চলছে, তখন সংখ্যা বাড়বে।&amp;nbsp;জুলাই আন্দোলনের সময় নিহতের কথা বলে ভুয়া মামলা দায়ের প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় অভিযোগের ভিত্তিতে এগুলো করা হয়েছে। তারাও খুব বেশি তদন্ত করার সুযোগ হয়তো পায়নি। এখন ক্ষেত্রমতে এসব ব্যাপারে অভিযোগ পাওয়া গেলে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেব। আসামি হলে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।ভুয়া বাদীদের ব্যাপারে ব্যবস্থা কী? জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাদীদের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান আদালতের। মিথ্যা মামলা করলে যে বিধান বাদীদের ওপর বর্তায় সেটা আদালতের।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7420/কউ-কউ-মছ-শকর-করত-চয়-ঘল-পনত-শকষরথদর-আনদলন-পরসঙগ-সবরষটরমনতর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7420/কউ-কউ-মছ-শকর-করত-চয়-ঘল-পনত-শকষরথদর-আনদলন-পরসঙগ-সবরষটরমনতর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7415_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>অনেক জুলাই শহীদের লাশ ভাসিয়ে দেওয়ার তথ্য তদন্তে একটি নদীতে : চিফ প্রসিকিউটর</title>
				<description>
					চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তদন্তে তারা জানতে পেরেছেন, ঢাকার কাছের একটি নদীতে একটি হাসপাতাল থেকে অনেক লাশ ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় ওই হাসপাতালের তৎকালীন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে তাদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হবে।আমিনুল ইসলাম বলেন, নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে যেসব লাশের তথ্য পাওয়া গেছে, সেগুলোর পরিচয়ও শনাক্তের চেষ্টা চলছে।চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হয়েছেন। তদন্তের অংশ হিসেবে তারা এই গণকবর পরিদর্শন করছেন। এখন পর্যন্ত ৮৩৪ জন জুলাই শহীদের লাশ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।আমিনুল ইসলাম বলেন, রায়েরবাজারের পাশাপাশি জুরাইন, মাতুয়াইল, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের গণকবরও পরিদর্শন করা হবে। ডিএনএ পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত করা হবে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7415/অনক-জলই-শহদর-লশ-ভসয়-দওয়র-তথয-তদনত-একট-নদত-চফ-পরসকউটর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7415/অনক-জলই-শহদর-লশ-ভসয়-দওয়র-তথয-তদনত-একট-নদত-চফ-পরসকউটর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7408_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাশ বগুড়া </title>
				<description>
					শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি পাশের জন্য সংসদে তোলেন। বিলটি বাছাই কমিটিতে পাঠানো ও জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দেন বিরোধী দলের একাধিক সংসদ সদস্য। আলোচনা শেষে তাদের প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাশ হয়।২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইনটি করা হয়েছিল। তবে সেটি কার্যকর হয়নি।নতুন আইনের উদ্দেশ্য ও কারণ-সংবলিত বিবৃতিতে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালের ১৫ জুলাই বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন গেজেট আকারে প্রকাশ করা হলেও তা কার্যকর করা হয়নি। বর্তমানে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাস্তবতার নিরিখে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিবর্তন করে বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, কারিগরি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসা প্রশাসন, আইন, কৃষি ও চিকিৎসাবিজ্ঞান ইত্যাদিসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের নতুন নতুন ক্ষেত্রে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি, জ্ঞানচর্চা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে বগুড়া জেলায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির পরিপ্রেক্ষিতে এ আইন করা হচ্ছে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7408/বশববদযলয়-বল-পশ-বগড়</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7408/বশববদযলয়-বল-পশ-বগড়</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7406_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>গড়ে তুলতে হবে দেশটাকে আরও সবুজ করে : প্রধানমন্ত্রী</title>
				<description>
					উপস্থিত শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছোট্ট বন্ধুরা, তোমরা চেষ্টা করবে প্রতি বছর একটি করে গাছ রোপণ করতে। সেটি তোমাদের স্কুলে হোক বা বাসার আশপাশে। যেখানে মনে করবে সেখানেই একটি করে গাছ রোপণ করবে।’তিনি বলেন, ‘গাছটি কি পরিমাণ অক্সিজেন উৎপাদন করে, ওই গাছটি মানুষের কী কী উপকারে আসে এই বিষয়গুলো তোমরা ইন্টারনেট ঘেটে বিভিন্নভাবে রিসার্চ করবে।’তারেক রহমান বলেন, ‘এভাবে প্রতি বছর তোমরা একটি করে গাছ সম্পর্কে নতুন কিছু জানতে পারবে। স্কুলে লাগানো গাছ বড় হলে সেটি তোমাদের ছায়া দেবে। ক্লান্ত হলে তোমরা সেই গাছের নিচে বিশ্রাম নিতে পারবে।’তিনি বলেন, একইভাবে বাসায় যদি গাছ রোপণ করো, গাছটা যখন বড় হবে, সুন্দর বাতাস বইবে। ঘরে বসে তুমি বাতাস উপভোগ করতে পারবে। আবার পরিবেশটা অনেক ঠান্ডা হবে।আজকের দিনটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ একটি স্মরণীয় দিন। আজ আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশের মাটিতে একসঙ্গে অনেকগুলো গাছ রোপণ করলাম।’বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী প্রাণ-প্রকৃতি বিষয়ক শিশু শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরে ঘুরে দেখেন।এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7406/গড়-তলত-হব-দশটক-আরও-সবজ-কর-পরধনমনতর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7406/গড়-তলত-হব-দশটক-আরও-সবজ-কর-পরধনমনতর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7404_1.jpg" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>যা বললেন পদত্যাগের দাবির বিষয়ে  শিক্ষামন্ত্রী</title>
				<description>
					মঙ্গলবার সায়েন্সল্যাব ও উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনে বিক্ষোভে তারা শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবি করেন। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়ও বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরানিউমার্কেট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আইয়ুব বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা কিছুক্ষণ আগে সায়েন্সল্যাবের সড়কে মিছিল নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করেছি’।&amp;nbsp;উত্তরা পশ্চিম থানার ডিউটি অফিসার শাহীন আলম বলেন, শিক্ষার্থীরা পৌনে বারোটার দিকে উত্তরা ডিএনএস সেন্টারের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়।&amp;nbsp;এদিন বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকা কলেজসহ রাজধানীর বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা সায়েন্সল্যাব মোড়ে ধানমন্ডি থেকে নিউমার্কেটমুখী সড়ক অবরোধ করেন। ওই‎ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। অনেক যাত্রীকে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়।&amp;nbsp;বিক্ষোভ কর্মসূচী কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আশপাশের বিভিন্ন সড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে।&amp;nbsp;‎বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘দফা এক, দাবি এক- মিলনের পদত্যাগ’; ‘ভোগান্তির দায় নিতে হবে’; ‘বন্যা-জলাবদ্ধতায় পরীক্ষা নয়’- এমন বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের হাতে পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ডও দেখা যায়।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7404/য-বললন-পদতযগর-দবর-বষয-শকষমনতর</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7404/য-বললন-পদতযগর-দবর-বষয-শকষমনতর</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>
			<item>
				<image>
					&lt;img width="680" height="510" src="https://banglardak.com.bd/uploads/news_image/news_7400_1.png" alt="" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /&gt;&amp;nbsp;
				</image>
				<title>এসএসসি জানুয়ারিতে  ও জুনে এইচএসসি পরীক্ষা,শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন । </title>
				<description>
					পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক সময় সাশ্রয় এবং শিক্ষাবর্ষকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৪তম কার্যদিবসে প্রশ্নোত্তর পর্বে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য জানান।&amp;nbsp;ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বিকাল ৩টা থেকে সংসদের এই বৈঠক শুরু হয়।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাবর্ষকে সময়োপযোগী করতে পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচি পুনর্গঠনের কাজ করছে। এই নতুন পরিকল্পনার আওতায় আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারি মাসে এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জুন মাসে আয়োজন করা হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ধাপে ধাপে শিক্ষাবর্ষের শুরু ও পাবলিক পরীক্ষার মধ্যকার সামঞ্জস্য ফিরবে এবং শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় অপচয় হওয়া থেকে রক্ষা পাবে। সরকার পর্যায়ক্রমে পাবলিক পরীক্ষাগুলো আরও আগাম সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।এদিকে সংসদের একই অধিবেশনে সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা প্রধান শিক্ষক পদগুলো খুব শিগগিরই পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হবে।খায়রুল কবির খোকন তার প্রশ্নে জানতে চান, বর্তমানে দেশের ৩৪ হাজারেরও বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী ৮০ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে কিনা এবং এই শূন্য পদগুলো কবে নাগাদ পূরণ হবে।জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, প্রধান শিক্ষকের পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়ে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা একটি রিট পিটিশন সম্প্রতি নিষ্পত্তি হয়েছে। আইনি জটিলতা কেটে যাওয়ায় এখন খুব দ্রুতই যোগ্য শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে বিদ্যালয়গুলোর শূন্য পদগুলো পূরণ হয়ে যাবে।মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করে বলেন, আগের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী ৬৫ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হতো। তবে নতুন বিধিমালা অনুযায়ী এখন থেকে ৮০ শতাংশ পদই পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হবে। নতুন এই বিধিমালা তৈরির পর মামলাজনিত কারণে এতদিন পদোন্নতি কার্যক্রম স্থগিত ছিল। এখন যেহেতু মামলার রায় চলে এসেছে, তাই সম্পূর্ণ নীতিমালা মেনে শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে ৮০ শতাংশ পদেই দ্রুত পদোন্নতি দেওয়া হবে।						
				</description>
				<link>https://banglardak.com.bd/home/news_description/7400/এসএসস-জনযরত-ও-জন-এইচএসস-পরকষশকষমনতর-ড-আ-ন-ম-এহছনল-হক-মলন</link>
				<guid isPermaLink="false">https://banglardak.com.bd/home/news_description/7400/এসএসস-জনযরত-ও-জন-এইচএসস-পরকষশকষমনতর-ড-আ-ন-ম-এহছনল-হক-মলন</guid>
				<pubDate>1970-01-01</pubDate>
			</item>

</channel>
</rss>