ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও চড়াও

Total Views : 13
Zoom In Zoom Out Read Later Print

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর বার্তার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম পুনরায় ১১০ ডলার অতিক্রম করেছে। ইরানের অবকাঠামো ধ্বংস করার হুমকির জেরে এই দরবৃদ্ধি ঘটে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে এশীয় বাজারে অপরিশোধিত ব্রেন্ট ক্রুডের মূল্য ১.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১১০.৮৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে লেনদেন হওয়া তেলের দাম ০.৮ শতাংশ বেড়ে ১১২.৪০ ডলারে পৌঁছেছে।

এর আগে গত রোববার (৫ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প কড়া হুঁশিয়ারি দেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার নাগাদ গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ অর্থাৎ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুসহ বিভিন্ন প্রধান অবকাঠামোতে হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই উত্তেজনার জেরে তেহরান হুমকি দিয়েছিল যে, কোনো জাহাজ এই পথ ব্যবহার করলে তারা আক্রমণ করবে। বিশ্বের মোট জ্বালানি পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে সম্পন্ন হয়। সেখানে বিঘ্ন ঘটায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট ও মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গত সপ্তাহেও ট্রাম্প ইরানকে 'প্রস্তর যুগে' ফিরিয়ে দেওয়ার হুমকি দিলে তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এদিকে, গত রোববারও কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় হামলার দায় স্বীকার করেছে ইরান। দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সোমবার হুশিয়ারি দিয়েছে যে, তাদের বেসামরিক স্থাপনায় আঘাত করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থের ওপর পাল্টা হামলা আরও জোরদার করা হবে।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সৌদি আরব ও রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন ওপেকপ্লাস জোট মে মাসে দৈনিক ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। তবে বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলমান যুদ্ধের কারণে জোটের অনেক দেশ কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন বাড়াতে পারবে না, ফলে এই সিদ্ধান্ত কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

See More

Latest Photos