পারস্য উপসাগরের কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবাহী দুটি বিশাল ট্যাংকার। কাতার থেকে এলএনজি বোঝাই করে ট্যাংকার দুটি এখন পাকিস্তান ও চীনের দিকে এগিয়ে চলেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানিবাহী ট্যাংকার হরমুজ পেরিয়ে চীন ও পাকিস্তানের পথে
সোমবার (২৫ মে) আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক জাহাজ চলাচল ট্র্যাকিং ডেটার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে।
এলএসইজি এবং ক্লেপারের শিপিং তথ্য অনুযায়ী, এলএনজি ট্যাংকার ফুওয়াইরিত আজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করছে। আগামীকাল মঙ্গলবার সেটির পাকিস্তানে পণ্য খালাস করার কথা রয়েছে। বাহামার পতাকাবাহী এই জাহাজ গত ২৮ মার্চ কাতারের রাস লাফান বন্দরে এলএনজি লোড করেছিল।
এ ছাড়া কাতারএনার্জির এলএনজি ট্যাংকার আল–রাইয়ানও হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে বেরিয়ে গেছে। কাতারের রাস লাফান বন্দরে লোড করা এই কার্গো জাহাজকে সর্বশেষ ২২ মে পারস্য উপসাগরে দেখা গিয়েছিল। সেটি এখন হরমুজ প্রণালির বাইরে অবস্থান করছে।
শিপিং তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২৭ জুন চীনে সেটির পণ্য খালাস করার কথা রয়েছে।
অন্যদিকে ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার ইগল ভেরোনা গত শনিবার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে বেরিয়ে গেছে। শিপিং তথ্য অনুযায়ী, এটি ১২ জুন পূর্ব চীনের নিংবো বন্দরে পৌঁছে পণ্য খালাস করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী এই জাহাজকে এশিয়ার বৃহত্তম রিফাইনার সিনোপেকের বাণিজ্য শাখা ইউনিপেক ভাড়া করেছে। শিপিং তথ্য অনুযায়ী, সেটি গত ২৬ ফেব্রুয়ারির দিকে বসরাহ ক্রুডের প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল লোড করেছিল।
এর আগে দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছিল, মালয়েশিয়া যে সাতটি জাহাজের জন্য ইরানের কাছ থেকে প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি চেয়েছিল, ইগল ভেরোনা সেগুলোর একটি।
ওই সাতটির মধ্যে পাঁচটি জাহাজ এরই মধ্যে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে বেরিয়ে গেছে। বাকি দুটি এখনো উপসাগরে অবস্থান করছে।