পাকিস্তানিদের বিচার ও গণহত্যা

Total Views : 25
Zoom In Zoom Out Read Later Print

নানা আন্তর্জাতিক চাপ ও প্রতিকূল ভূ-রাজনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে ১৯৭৪-এ ভারতের কারাগারে গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধের কারণে বন্দি পাকিস্তানি সামরিক অফিসার ও অন্য সদস্যদের বিনা বিচারে পাকিস্তানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

শুরুতে প্রায় দেড় হাজার পাকিস্তানি সেনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দাঁড় করানো হলেও শেষ পর্যন্ত ১৯৫ জনকে ঘিরে বিচারের দাবিটি চলমান ছিল।

এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পক্ষে লিখিতভাবে উল্লেখ করা হয়-‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ঐকমত্যের ভিত্তিতে ওই ১৯৫ জন নিশ্চিতভাবে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে সম্পৃক্ত হওয়ায় তাদের বিচারের ব্যাপারে সর্বজনীন ঐকমত্য রয়েছে।’

পাকিস্তান এ বিষয় দুঃখ প্রকাশ করে ও নিন্দা প্রকাশ করে এবং তারা আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন অনুযায়ী নিজ দেশে তাদের বিচারের অঙ্গীকার করে। ওই বিচার তারা না করায় এবং চুক্তিটি বাংলাদেশের সার্বভৌম সংসদে অনুমোদিত না হওয়ায় ওই চুক্তি আইনত অকার্যকর হয়ে ওঠে। এতে একদিকে যেমন বাংলাদেশ শর্তসাপেক্ষে চুক্তির বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্ত হয়, অপরদিকে অবারিত হয় পাকিস্তানিদের অপরাধের বিচারের ক্ষেত্র।

আন্তর্জাতিক আইনে এ ধরনের অপরাধে clemency বা amnesty কোনোভাবেই প্রযোজ্য নয় বা তা প্রয়োগের সুযোগ নেই-এটি আইসিসির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইনজ্ঞদের অভিমত। এ অপরাধের বাদী কেবল বাংলাদেশে জনগণ নয়, এ মামলার বাদী সভ্য পৃথিবী। এ ছাড়া clemency ও amnesty শব্দ দুটি সমার্থকও নয়।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই দেশের ভেতরে ও বাইরে একাত্তরের গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জোর দাবি উঠেছিল। এ বিচারের কথা বাংলাদেশ ও ভারত সরকার উভয়ের মাথায় ছিল। একাত্তরের ৩১ ডিসেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দীরা গান্ধী বলেন, বাংলাদেশে গণহত্যার জন্য দায়ী পাকিস্তানি সৈন্যদের বিচারের উদ্দেশ্যে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে কিনা সে বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারই স্থির করবে।

১৯৭২-এ পাকিস্তান থেকে কারামুক্ত হয়ে দেশের মাটিতে নামার আগেই ৮ জানুয়ারি লন্ডনের মাটিতে বঙ্গবন্ধু বলেন, পাকিস্তান জঘন্য খেলায় মেতেছিল। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে যে গণহত্যা হয়েছে তার বিচার হবে। ১৮ জানুয়ারি ১৯৭২, দৈনিক ইত্তেফাক মারফত জানা যায়, ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের প্রেসিডেন্ট মি. রবার্ট ওজাল বঙ্গবন্ধুর কাছে বার্তায় পাঠিয়েছেন,-মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য একটি আন্তর্জাতিক কোর্ট গঠিত হয়েছে। এদিকে দেশের মধ্যে নানা স্থানে যুদ্ধাপরাধীর বিচারের দাবি ওঠে। যাদের স্বামী নিখোঁজ বা নিহত হয়েছেন এমন ৩০ জন বিধবা ব্যাপক গণহত্যা, নির্যাতন ও লুটতরাজের সঙ্গে জড়িত ৩৬ জন পাকিস্তানি অফিসারের তালিকা পেশ করে আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে তাদের বিচারের দাবি তোলেন।

ওই সময় বাংলাদেশ সফররত বিশ্ব শান্তি পরিষদের আট সদস্যবিশিষ্ট প্রতিনিধি দলের নেত্রী মাদাম ইসাবেলা ব্লুম বলেন, পাকিস্তান বাহিনী বাংলাদেশ যে গণহত্যা, নৃশংসতা, নারী ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ও অন্যান্য অপরাধ করেছে, বিশ্বের ইতিহাসে তার কোনো নজির নেই। তিনি জানান, তারা এ ব্যাপারে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে এর বিচারের ব্যবস্থা করবেন।

এ সময়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনসংক্রান্ত তদন্ত চলতে থাকে এবং তৎকালীন পুলিশের ডিআইজি মঞ্জুরুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রাথমিক তদন্ত কাজ চলছিল। ’৭২-এর ৯ মে দৈনিক ইত্তেফাকের এক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়-‘একমাত্র ঢাকার বুদ্ধিজীবী হত্যার ব্যাপারে ৪২টি মামলা দায়ের হইয়াছে।’ ১০ মে সংবাদ সংস্থা এনা জানায়, ‘দেড় হাজার পাকিস্তানি সামরিক কর্মচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ গঠিত হয়েছে।’ এর মধ্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুস সামাদ আজাদ কুয়ালালামপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রকাশ্যে হবে। জনাব ভুট্টো যুদ্ধবন্দিদের ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছেন। বাংলাদেশ যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দিতে রাজি নন’ (সূত্র : বাসস, পিটিআই, ৬ জুন ১৯৭২)। ভুট্টোর এ মনোভাবের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই পাকিস্তান আজও ওই গণহত্যা অস্বীকার করছে। বাংলাদেশের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের মধ্যে কোনটি মানবতাবিরোধী, কোনটি গণহত্যা, তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু হিন্দুকে যখন হিন্দু বলে হত্যা করা হয় এবং হিন্দু মেয়েদের গর্ভে যখন পাকিস্তানি জন্ম দিয়ে এথনিসিটি বা জাতিগত পরিচয় মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয় অথবা জাতির জন্মের চাকা রোধ করে দেওয়া হয়, তখন তা আইনগতভাবে জেনোসাইড। নিরস্ত্র মানুষ বা সেনাদের বিনা বিচারে হত্যা, তাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন, এমনকি বিনা বিচারে বন্দীকরণ, হত্যা বা হিউমিলিয়েশন ঘৃণ্য যুদ্ধাপরাধ। সিভিলিয়ানদের টার্গেট করাটাই যুদ্ধাপরাধ। নির্বিচারে হত্যা, গুম অগ্নিসংযোগ করে ভিটেমাটি থেকে উৎখাত করা ভয়াবহ মানবতাবিরোধী অপরাধ।

একটি জাতির সেরা সন্তানদের হত্যা করে জাতিকে মেধাশূন্য করা এবং প্রগতিবাদী বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে জাতির প্রগতির চাকা বাধাগ্রস্ত করে তাঁবেদার রাষ্ট্র নির্মাণের চেষ্টা একটি অকল্পনীয় ঘৃণ্য অপরাধ। এতে ১৯৫ বা এর বাইরে যে সংখ্যার অপরাধীই জড়িত থাকুক না কেন, তাদের বিচার না করাটা কেবল ক্ষমাহীন অক্ষমতা বা অক্ষমতাজনিত ব্যর্থতা নয়, অপরাধও বটে। এ নিরেট অবস্থানের কারণে, সীমাহীন অক্ষমতার কারণেই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বর্তমান প্রজন্মকে নপুুংসক আখ্যা দেবে।

একাত্তরে পাকিস্তান প্রায় এক কোটি বাঙালিকে গৃহছাড়া করেছে, সাড়ে চার লাখ মেয়েকে ধর্ষণ ও নির্যাতন করে অকল্পনীয় মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। ওই পর্যায়ের ধর্ষণ গণহত্যার শামিল।

২৫ মার্চ রাতে ১৮ পাঞ্জাব, ২২ বালুচ ও ৩২ পাঞ্জাবের যে দলটি জগন্নাথ হলে অবস্থানরত হিন্দু ছাত্র ও শিক্ষকদের হত্যা করে ২৭ তারিখ ভোরে ওই হলের ফুটবল খেলার মাঠে বুলডোজার দিয়ে মাটিচাপা দেয়, তার নেতৃত্ব দেয় ৩২ পাঞ্জাবের সিও লে. কর্নেল তাজ ও ব্রি. জাহানজেব আরবাব।

২৬ তারিখে রমনা কালীবাড়ি মন্দিরের সামনে ইপিআর অফিসার গোলাম মোহাম্মদ কালীবাড়ির কয়েকজন সাধুসহ নিরস্ত্র কয়েকজন ইপিআর সদস্যকে হত্যা করে। এটি একই সঙ্গে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ। ব্রিগেডিয়ার তাসকীন ছিল ৯১ ব্রিগেডের সদর দপ্তরের প্রধান। তার নির্দেশে কর্নেল জায়েদি ও অন্যান্য অধস্তন অফিসার লালমাই অঞ্চলে গণহত্যা, নারী নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, ধ্বংসযজ্ঞসহ যাবতীয় মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড সংঘটিত করে।

হামুদুর রহমান কমিশনের কাছে প্রদত্ত সাক্ষ্যে তাসকীন স্বীকার করে, তার অধস্তন অফিসাররা আইন হাতে তুলে নিয়েছিল। ধলঘাট নামক একটি কমান্ড অঞ্চলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি বাঙালিদের বিনা বিচারে ফায়ারিং স্কোয়াডে হত্যা করা হয় বলেও সে স্বীকার করে।

কুমিল্লার কোতোয়ালি থানার লালমাইয়ে মেজর আকবরের নেতৃত্বে পাকি হানাদার বাহিনী ব্যাপক গণহত্যা চালায়। ২৭ মার্চ পাকিবাহিনী এখানকার সিএন্ডবির বাংলো ও এর আশপাশ এলাকা দখল করে নিয়ে দশ সহস্রাধিক লোককে হত্যা করে। এরা সিএন্ডবির বাংলোকে নির্বিচার ধর্ষণের দুর্গ হিসাবে ব্যবহার করে। সেখানকার প্রতি ইঞ্চি জায়গা খুঁড়লে পাওয়া যাবে শহিদদের হাড়গোড় ও কঙ্কাল। মেজর আকবর ছিল এ হত্যাকাণ্ড ও ধর্ষণের মূল হোতা।

২৮ মে মেজর নাদের পারভেজ পটুয়াখালী আসে। তার নির্দেশে পাকিবাহিনী ২৯ ও ৩০ মে বরগুনায় নৃশংস ও জঘন্যতম জেল হত্যাকাণ্ড ঘটায়। এ দু’দিনে বরগুনা জেলে নির্বিচারে হত্যা করা হয় ৭৬ জন নিরীহ নারী-পুরুষ-শিশুকে। পরে তাদের জেলখানার দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে গণকবরে মাটিচাপা দেওয়া হয়। মেজর নাদের পারভেজ মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে তথ্য সরবরাহের অভিযোগে ভগীরথী নামে এক মেয়েকে ধর্ষণ করে গাড়ির পেছনে বেঁধে টেনেহিঁচড়ে সারা শহর ঘুরিয়ে হত্যা করে।

১৯৭১ সালের ২৬ মে পাকিবাহিনী সিলেটের বালাগঞ্জ থানার নিভৃত পল্লি বুরুঙ্গায় পরিচয়পত্র প্রদানের নাম করে নিরীহ গ্রামবাসীদের বুরুঙ্গা উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে জড়ো করে। দুপুর ১২টার দিকে ক্যাপ্টেন নুরউদ্দিনের নেতৃত্বে পাকিসেনারা ৭৮ জন গ্রামবাসীর দেহ মেশিনগানের গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয়। তারপর বুরুঙ্গা বাজারের দোকানদার জমিরউদ্দিনকে পিটিয়ে তার দোকান থেকে দু’টিন কেরোসিন আনে এবং তা ওই হতভাগ্যদের ওপর ছিটিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দেয়।

১৪ জুন ওই পাকিসেনারা আদিত্যপুরের ৬৫ জন নিরীহ বাঙালিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে তাজপুর-বালাগঞ্জ সড়কের পাশে নিয়ে হত্যা করে। তাদের মধ্যে বেঁচে যান সুখময়চন্দ্র দেব ও শিবপ্রসাদ সেন চৌধুরী। ক্যাপ্টেন নুরউদ্দিন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা এখানে ব্যাপক নারী নির্যাতন ও লুটপাট চালায়। বুরুঙ্গার বিশিষ্ট আইনজীবী রামরঞ্জন ভট্টাচার্যকে তারই বারান্দায় চেয়ারে বসিয়ে এরা হত্যা করে।

লে. কর্নেল মনসুরুল হক হামুদুর রহমান কমিশনের কাছে উল্লেখ করেছে, মুক্তিবাহিনী বলে কাউকে ধরা হলেই তাকে বিনা বিচারে ‘বাংলাদেশে’ পাঠিয়ে দেওয়া হতো। ‘বাংলাদেশ’ ছিল মৃত্যুপুরীর সাংকেতিক নাম। সে এ সংকেতের সাহায্যে নির্বিচার হত্যা করার কথা বোঝাতে চেয়েছে। সে এ-ও উল্লেখ করে যে, হিন্দুদের হত্যা করার মৌখিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

২৫-২৬ মার্চ ১৯৭১-এ অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ, গোলাবারুদ ব্যবহার ও বাড়াবাড়ি প্রসঙ্গে ব্রিগেডিয়ার শাহ আবদুল কাশিম (সাক্ষী-২৬৭) কমিশনকে জানায়, ২৫ মার্চ ঢাকার রাজপথে কোনো খণ্ডযুদ্ধ হয়নি। ওই রাতে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছিল। সামরিক অপারেশনের সময় সেনাসদস্যরা ক্রোধ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে কাজ করেছিল। ১৬ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল নজর হোসেন শাহ স্বীকার করে, বাঙালিদের বিনা বিচারে হত্যা করা হয়েছে। ৩৯ বেলুচের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল এসএম নাঈম জানায়, ‘সুইপিং অপারেশনের (মার্চের পর গ্রামাঞ্চলে দুষ্কৃতকারীবিরোধী অভিযান) সময় আমরা বহু নিরীহ মানুষকে মেরেছি। এজন্য জনগণের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়।’ জিএসও-১ লে. কর্নেল মনসুরুল হক (সাক্ষী-২৬০) জানায়-৫৩ ফিল্ড রেজিমেন্টের অধিনায়ক লে. জেনারেল ইয়াকুব মালিকের নির্দেশে ১৯৭১-এর ২৭-২৮ মার্চ কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ সম্পর্কে কর্নেল মনসুর বলে, ‘একজন মাত্র অফিসারের অঙ্গুলি হেলনে ১৭ জন বাঙালি অফিসারসহ ৯১৫ জন মানুষকে জবাই করে ফেলা হয়।’ সে আরও জানায়, ‘সালদা নদী অঞ্চলে ৫০০ লোককে হত্যা করা হয়েছিল। আর্মি গ্রামাঞ্চল ও ছোট শহরগুলোতে ঝাঁটানো অভিযানে নির্দয়ভাবে ধ্বংস, অগ্নিসংযোগ ও হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে এগিয়ে গেছে।’ এ প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক আদালতে বা এ দেশের আদালতে In Absentia হলেও ওই পাকিস্তানিদের বিচার কার্যকর করা কেবল আমাদের নয়, সমগ্র বিশ্ব মানবতার দায়। অপরাধীর সংখ্যা ১৯৫-এর অনেক বেশি হতে পারে। ওয়ার ক্রাইম্স ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির কাছে ৩৬৯ জন পাকিস্তানি সেনা অপরাধীর আমলনামা রয়েছে।

বিশ্ব প্রমাণ করুক তারা সত্যিকার অর্থে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চায়। আর পাকিস্তানের জনগণের দায়িত্ব হলো এটি প্রমাণ করা যে, তাদের সামষ্টিক চিন্তায় এতটুকু মনুষ্যত্বের ছোঁয়া আছে। বিচারহীনতার দায় সমগ্র বিশ্বকে বইতে হবে।

See More

Latest Photos