২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের পর মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের বৃহত্তম বিমান বহর মোতায়েন করতে শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম 'দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল' এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানের সাথে বাড়তে থাকা চরম উত্তেজনার মধ্যেই পেন্টাগন এই বিশাল সামরিক শক্তি জড়ো করছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন এই অঞ্চলে এফ-২২ এবং এফ-৩৫ এর মতো অত্যাধুনিক স্টিলথ ফাইটার জেট মোতায়েন অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি আরব সাগরের পথে রয়েছে দ্বিতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী এবং বিশেষ কমান্ড পোস্ট এয়ারক্রাফট। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মোতায়েন কেবল সতর্কতামূলক নয়। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে সেখানে যে পরিমাণ সমরশক্তি মজুত রয়েছে, তা দিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে টানা কয়েক সপ্তাহব্যাপী পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব।
মার্কিন বিমান বাহিনীর বৃহত্তম সমাবেশ মধ্যপ্রাচ্যে ইরাক আক্রমণের পর
বিশাল এই সামরিক মহড়া ও মোতায়েন চললেও, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ওপর সরাসরি কোনো সামরিক হামলা চালানো হবে কি না, সে বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। তবে হোয়াইট হাউস সূত্র জানিয়েছে, সামরিক বিকল্পগুলো পুরোপুরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর এই প্রথম মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার এত বড় আকারের আকাশশক্তি প্রদর্শন ওই অঞ্চলে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে। ওদিকে ইরানও এই হুমকির জবাবে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে এবং যে কোনো আক্রমণের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সূত্র: তাস।