বিশেষ প্রতিনিধি এবারে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ একেবারেই সাদামাটা। এজন্যই এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশ গ্রহণ বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। অতীতে বিশাল বহর নিয়ে যাওয়া হতো। তাই এটাকে অনেকেই রাষ্ট্রীয় খরচে পিকনিক বলে সমালোচনা করতে দ্বিধা করতেন না। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বিগত অধিবেশনে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিশাল বহর নিয়ে তিনি নিউইয়র্কে যান। নিজের প্রতিষ্ঠানের জন্য কিছু বৈঠক করেন সরকারি টাকায়। কয়েকজনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ওই সফরে বাংলাদেশের অর্জন ছিল ইউনূসের শূন্য-তত্ত্বের মতোই শূন্য। সেদিক থেকে এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সফর সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি ছোট্ট একটি দল নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন। যাঁদের সবারই সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব আছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশের ১৭ বছরের ইতিহাসে এটাই কোনো সরকারপ্রধানের সংক্ষিপ্ততম নিউইয়র্ক সফর। এই সফরে সবচেয়ে কমসংখ্যক সঙ্গী থাকছেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। কিন্তু এটাই হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে কার্যকর কূটনীতিক উদ্যোগ। এই অধিবেশনে ২৪ সেপ্টেম্বর বক্তৃতা দেওয়ার পরদিন, অর্থাৎ ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন। শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর ২১ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। নিউইয়র্ক থেকে সান ফ্রান্সিসকো যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু দেশের বাস্তবতা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই সফর কাটছাঁট করেছেন। এটাই তারেক রহমানের নেতৃত্বে বদলে যাওয়া বাংলাদেশের বৈশিষ্ট্য। যে বদলে যাওয়ার দর্শন হলো, সবার আগে বাংলাদেশ।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন বাস্তবতা তুলে ধরতে তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর