বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমেছে

Total Views : 11
Zoom In Zoom Out Read Later Print

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে আবারও সামান্য পতন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ হিসাবপদ্ধতিতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ১২৩ বিলিয়ন ডলার। আর আইএমএফের বিপিএম৬ হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৩১১ বিলিয়ন ডলার। এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৩০৯ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম৬ হিসাবে ছিল ৩১ দশমিক ৪৫৩ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ ২০ সেপ্টেম্বরের তুলনায় ৭ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভ কমেছে প্রায় ১৮৫ মিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বিপিএম৬ হিসাবে রিজার্ভ কমেছে প্রায় ১৪২ মিলিয়ন ডলার।

রিজার্ভের সর্বশেষ অবস্থায় দেখা যাচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা থাকলেও বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা ও বিভিন্ন বৈদেশিক পরিশোধের কারণে রিজার্ভে ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে। দেশের আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক ঋণ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক দায় পরিশোধের সঙ্গে রিজার্ভের পরিবর্তন সরাসরি সম্পর্কিত।

 


বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের শুরুতে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। তবে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং আমদানি ও অন্যান্য বৈদেশিক পরিশোধের চাপ সামলানোর কারণে রিজার্ভের ওপরও প্রভাব পড়ছে।

 


বিশ্লেষকদের মতে, রিজার্ভের টেকসই বৃদ্ধির জন্য রেমিট্যান্স প্রবাহের পাশাপাশি রপ্তানি আয় বাড়ানো, বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ শক্তিশালী করা এবং আমদানি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য রাখা জরুরি। বিশেষ করে বৈদেশিক মুদ্রার নিট প্রবাহ বাড়ানো গেলে রিজার্ভের ওপর চাপ কমবে এবং অর্থনীতিতে বৈদেশিক লেনদেনের সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে।

See More

Latest Photos