যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত চাকরিপ্রার্থীদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট।
যুব উন্নয়ন নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ, ক্ষতিপূরণ দাবি যুব ফ্রন্টের
রোববার (১১ অক্টোবর) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক রাশেদ শাহরিয়ার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানান। তিনি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ও পরীক্ষা পরিচালনায় অব্যবস্থাপনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার (১০ অক্টোবর) পরীক্ষা শুরুর প্রায় দুই মিনিটের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ওএমআর শিট ফিরিয়ে নেওয়া হয় এবং পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়। আকস্মিক এ সিদ্ধান্তে বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
বাংলাদেশ যুব ফ্রন্টের অভিযোগ, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়েও নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ও অব্যবস্থাপনার পুনরাবৃত্তি পুরোনো অনিয়মের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রে উদ্বেগ তৈরি করেছে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ঢাকায় এসে পরীক্ষায় অংশ নিতে প্রস্তুতি নেওয়া চাকরিপ্রার্থীরা এ ঘটনায় আর্থিক, শারীরিক ও মানসিক ভোগান্তির শিকার হয়েছেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
সংগঠনটি বলেছে, পরীক্ষা আয়োজনের অনিয়ম বা অব্যবস্থাপনার দায় চাকরিপ্রার্থীদের ওপর চাপানো উচিত নয়। এ পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত প্রার্থীদের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
বাংলাদেশ যুব ফ্রন্টের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত বেকার পরীক্ষার্থীদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং ভবিষ্যতে নিয়োগ পরীক্ষার কেন্দ্র বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে সম্প্রসারণ করা।
এদিকে, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে স্থগিত হওয়া এ নিয়োগ পরীক্ষার নতুন তারিখ ১৬ অক্টোবর নির্ধারণের কথা জানিয়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। পাশাপাশি ঘটনার তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠনের তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে।
পরীক্ষা পরিচালনায় অনিয়মের অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দায় নির্ধারণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ।