মোংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা ও আধুনিকায়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার কড়া নির্দেশ

Total Views : 21
Zoom In Zoom Out Read Later Print

মোংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্রুত পণ্য খালাস নিশ্চিতকরণ এবং সামগ্রিক আধুনিকায়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মোংলা বন্দর, স্থানীয় নৌঘাঁটি ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

সফরসূচি অনুযায়ী, সকালে সড়কপথে তেজগাঁও বিমানবন্দর হয়ে হেলিকপ্টারযোগে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্টসহ উপকূলীয় এলাকা পর্যবেক্ষণ শেষে দাকোপের নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করা হয়। পরবর্তীতে নলিয়ান লঞ্চঘাট থেকে নৌপথে দুপুর পৌনে ১টার দিকে বানৌজা মোংলায় পৌঁছানো হয়। মধ্যাহ্নবিরতির পর বিকেল ৩টায় ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে আয়োজিত বিশেষ মতবিনিময় সভায় যোগ দেন সংশ্লিষ্ট শীর্ষ প্রতিনিধিরা।

পরবর্তীতে সড়কপথে মোংলা বন্দরের প্রধান ফটক দিয়ে জেটি এলাকায় প্রবেশ করে সার্বিক পরিচালন কার্যক্রম সরেজমিনে ঘুরে দেখা হয়। এ সময় বন্দরের সম্প্রসারণ প্রকল্প, জেটি সুবিধা, কনটেইনার ইয়ার্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলো পরিদর্শন করা হয়। বন্দরের কার্যক্রমে বাড়তি গতি সঞ্চার, দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূরীকরণ এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসেবে মোংলাকে গড়ে তুলতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট পরামর্শ দেওয়া হয়। পরিদর্শন শেষে বিকেলে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন তিনি।

এই সফরকে ঘিরে মোংলা বন্দর, প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল স্থাপনসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ধীরগতিতে চলা উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন দ্রুত সম্পন্ন হলে সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় জনপদে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং দেশি-বিদেশি বড় অঙ্কের বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।

See More

Latest Photos