ইরান সউদী-তুরস্ক-পাকিস্তানের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসছে

Total Views : 23
Zoom In Zoom Out Read Later Print

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সমন্বয় নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইরান, সউদী আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশীদার সউদী আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সোমবার (২৬ অক্টোবর) ইরানের রাজধানী তেহরানে দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। বৈঠকে সউদী আরবের প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান। পাকিস্তানের পক্ষে অংশ নেবেন সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। তুরস্কের প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির গোয়েন্দাপ্রধান ইব্রাহিম কালিন। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে তাঁদের আলোচনা করার কথা রয়েছে।

সউদী আরবের পররাষ্ট্রবিষয়ক জনকূটনীতি বিভাগের উপমন্ত্রী রায়েদ ক্রিমলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, এ সফর আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় মক্কা চুক্তিভুক্ত দেশগুলোর ভূমিকা এবং সংকট সমাধানে অঞ্চলের অন্যান্য দেশের সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, চলমান সংকট প্রশমন ও কূটনৈতিক সমাধানের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের উপসচিব আলী বাকেরি-কানিও জানিয়েছেন, সউদী আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের প্রতিনিধিরা তেহরানে গিয়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করবেন। গত সপ্তাহে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের ইরান সফরের সময় এ বৈঠকের প্রস্তাব উঠে আসে।

 

সউদী আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান গত আগস্টে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী, সদস্যদেশগুলোর কোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সব সদস্যের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথিদের সাম্প্রতিক হামলার মুখে সউদী আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

 

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। অন্যদিকে, ইরানও পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এর মধ্যে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আগের একটি অন্তর্বর্তী সমঝোতা স্থায়ী রূপ না পাওয়ায় আঞ্চলিক সংঘাত কমাতে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগের গুরুত্ব বেড়েছে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

See More

Latest Photos