calendar_today মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ • ৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু ◆ পোশাকশিল্পকে ‘ষড়যন্ত্রকারীরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে’ ◆ আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে দালালবিরোধী অভিযান, ৭ জনের কারাদণ্ড ◆ হকারদের পুনর্বাসনেই হতে পারে শপিং মলের সংকটের সমাধান ◆ ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এনইসি, জানাল প্রতিবাদ ◆ ইসরাইলের নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের ফল নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল ◆ ভাল্লুকের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, অল্পের জন্য রক্ষা ৩২ যাত্রী ◆ পোশাক কারখানায় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ: সরকারকে যে আহ্বান জানালেন ডা. শফিকুর রহমান ◆ গাজীপুরে অর্ধশতাধিক যানবাহন ভাঙচুর আজও শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ, ◆ আইসিসিবিতে ৫ নভেম্বর শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী বারভিডা কার এক্সপো
home হোম / অর্থনীতি / ৪ লাখ কোটি টাকার বেশি দেশে খেলাপি ঋণ
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অর্থনীতি বিশেষ প্রতিবেদন

৪ লাখ কোটি টাকার বেশি দেশে খেলাপি ঋণ

দেশে প্রকৃত খেলাপি ঋণ ৪ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে গত মার্চ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে আছে ১৮ হাজার কোটি টাকা। খেলাপি ঋণ থেকে...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ১৬ জুলাই ২০২৩ • সন্ধ্যা ০৬:২৬
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৬ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৩৯ বার পঠিত

আলোচক ছিলেন সিটি ব্যাংক এনএ’র বাংলাদেশের সাবেক প্রধান নির্বাহী মামুন রশীদ, প্রথম আলোর হেড অব অনলাইন শওকত হোসেন, জার্মান ফেডারেল শিক্ষা ও গবেষণা মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প গবেষক জিয়া হাসান।

একুশে পদকপ্রাপ্ত অর্থনীতিবিদ ড. মইনুল ইসলাম আরও বলেন, তিন মাস পরপর বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণের যে তথ্য প্রকাশ করে তা সঠিক নয়। প্রকৃত খেলাপি ঋণ ৪ লাখ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। এর অর্ধেকের মতো বছরের পর বছর ধরে মামলায় ঝুলে আছে। অর্থাৎ যত দিন মামলাগুলো চলবে, তত দিন খেলাপি হিসাবে এগুলোকে গণ্য করা হবে না। কিন্তু এগুলো খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করার মতো। ব্যাংকগুলো খেলাপি করলেও আদালতে নির্দেশনার কারণে আরও ঋণ খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। অবলোপন করা ৫৫ হাজার কোটি টাকা খেলাপি হিসাবে দেখানো হয় না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে গত মার্চ পর্যন্ত খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৩২ হাজার ৬২০ কোটি টাকা। এসব যোগ করলে প্রকৃত খেলাপি ঋণ ৪ লাখ কোটি টাকার বেশি।

ড. মইনুল ইসলাম বলেন, ব্যাংকিং খাতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় লুটপাটের অর্থনীতি চালু রয়েছে দেশে। লুটপাটের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে খেলাপি ঋণ। লুটপাট করে নেওয়া ঋণ আর আদায় হয় না। ফলে ব্যাংক এগুলোকে খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করে। এতে খেলাপি ঋণ বেড়ে যাচ্ছে। আমার ২০১০ সালে ‘বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে খেলাপি ঋণ’ শীর্ষক এক গবেষণায় দেখিয়েছি, ৭৭ শতাংশ খেলাপি ঋণ রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার কারণে হয়েছে।

গত ৩০ বছর ধরে আর্থিক খাতের খেলাপি ঋণ নিয়ে গবেষণা করার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে ড. মইনুল ইসলাম বলেন, খেলাপি ঋণের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সরকারের একটি দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে ঋণখেলাপিদের প্রশ্রয় ও নানা সুবিধা দেওয়া। এর ফলে ঋণখেলাপিরা সুবিধা পেয়ে ঋণ নবায়ন করছেন। বারবার এমন সুযোগ দেওয়ার পর খেলাপিদের ঋণ শোধের প্রবণতা কমে গেছে। ২০১৯ সাল থেকে খেলাপিদের ঋণ নবায়নের সুবিধা দেওয়ার প্রবণতা আরও বাড়ানো হয়েছে। একটার পর একটা আইনি সুবিধা দেওয়ার সর্বশেষ সংযোজন হচ্ছে কিছু দিন আগে ব্যাংক কোম্পানি আইনের পরিবর্তন করে তাদের আরও সুবিধা বাড়ানো।

ড. মইনুল ইসলাম বলেন, দেশের এক কোটির বেশি মানুষ প্রবাসে কর্মরত রয়েছে। তারা ব্যাংকিং চ্যানেল বা হুন্ডির মাধ্যমে যে অর্থ পাঠান, তা ব্যাংকে আমানত হিসাবে জমা পড়ে। এ আমানত নানাভাবে লুটপাট হয়ে যাচ্ছে। এখন যারা ঋণখেলাপি তারা বিশেষ কোনো বিপদের কারণে খেলাপি হননি। অনেকটা বাড়তি সুবিধা নেওয়ার জন্য ইচ্ছাকৃত খেলাপি হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়ার আরও একটি বড় কারণ লুটপাটের অর্থ বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে। এগুলোর বেশির ভাগই মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, দুবাই প্রভৃতি দেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে।

ড. মইনুল ইসলাম আরও বলেন, ডলারের সংকট হওয়ায় টাকার মান কমেছে ২৫ শতাংশ। এ কারণে মূল্যস্ফীতির তাণ্ডব শুরু হয়ে গেছে। সারা দেশের অর্থনীতিতে বর্তমানে যে খারাপ অবস্থা, এর পেছনে ব্যাংক খাতে লুটপাটের কারণও দায়ী। লুটপাটের কারণে টাকা পাচার হয়েছে। এর খেসারত দিচ্ছে সাধারণ মানুষ।

ব্যাংকগুলোকে পারিবারিক সম্পত্তিতে পরিণত করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোতে বেশির ভাগ অর্থের জোগানদাতা সাধারণত আমানতকারীরা। তার পরও ব্যাংক উদ্যোক্তাদের পারিবারিক সম্পদে পরিণত হয়েছে। কোনো সভ্য দেশের সরকার তা মেনে নিতে পারে না।

tag ট্যাগ: #1111