calendar_today শুক্রবার, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ • ৬ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নওগাঁয় শিক্ষার্থী নিহত ◆ পোশাকশ্রমিকরা কাজে ফিরছেন ◆ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব: বিশ্ববাজারে টানা চার দিন কমল জ্বালানি তেলের দাম ◆ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বক্তব্যের জের: নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ ◆ প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার মহোৎসব: উজিরপুর উপজেলায় তোলপাড় ◆ দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫৪৮২ টাকা ◆ ইরানকে সহায়তার দায়ে ভারত ও তুরস্কের একাধিক কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ◆ মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চলে তৈরি হবে জ্বালানি অবকাঠামো, প্রধানমন্ত্রী ◆ জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ
home হোম / সারা বাংলা / ভোলায় যুবকের ভাগ্য বদল পরিত্যাক্ত প্লাস্টিকেই
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সারা বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন

ভোলায় যুবকের ভাগ্য বদল পরিত্যাক্ত প্লাস্টিকেই

অভাব-অনটনে পড়াশোনা করতে পারেনি, মাত্র ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত-ই সীমাবদ্ধ থাকে। চাকুরীর পিছনে ঘুরতে থাকে কিন্তু আশানুরূপ চাকুরী মেলেনি। পরবর্তীতে ধানের ব্যবসা শুরু করেন দুলাল। সে ব্যবসায় তেমন লাভবান না হওয়ায় ২০১২ সালে শুরু...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪ • বিকাল ০৪:০৫
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২৬৬ বার পঠিত

বৃদ্ধি পেতে থাকে ব্যবসার পরিধি, বাড়তে থাকে মেশিন, কর্মচারী, হকার এবং খুচরা বিক্রেতাদের দাদন। ছোট পরিসরের ব্যবসাটি বিশালকার ধারণ করে। বলছি ভোলা সদর উপজেলা শিবপুর চাউলতা তলা এলাকার আল আবরার ট্রেডার্সের পরিচালক মো. দুলাল মিয়ার কথা। যিনি পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের পুরানো পণ্যেকে পুনরায় বাজার জাত করেন। তৈরি করেন প্লাস্টিকের সুতা। যা ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। ভাগ্য বদলে যাওয়া দুলাল ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বদুর বাড়ীর চান মিয়ার ছেলে।

তরুণ উদ্যোক্তা দুলাল বলেন, আমি প্রথমে ধানের ব্যবসা করতাম, পরবর্তীতে ব্যবসাতে লাভবান না হওয়ায় এ ব্যবসা শুরু করি। ধার-কর্জ করে এবং বিভিন্ন এনজিও থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা নিয়ে যাত্রা শুরু করি। প্রথমে দুইটি মেশিন এবং ৫/৬জন শ্রমিক নিয়ে শুরু হলেও আজ সকলের দোয়ায় আমার ৪০/৪৫ জনের মত কাজ করে। আমার দাদন আছে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা এবং মেশিন এখন ৮টি। প্রতি মাসে প্রায় ৩লক্ষ টাকা স্টাফের বেতন দেয় বলেও জানান দুলাল।

দুলাল আরো জানান, আমার মেশিনে সুতা হয় যা ভোলাসহ বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। পুরানো পণ্যেতে পুনরায় রং এবং প্লাস্টিকের নতুন পণ্যে তৈরি হয়। তিনি বলেন, এখন তো অনেক শিক্ষিত যুবকরা চাকুরীর পিছনে ঘুরে, এ চাকুরীর পিছনে না ঘুরে ছোট-পরিসরে ব্যবসা বা উদ্যোক্তা হলে একদিন চাকুরী দিবে অন্যকে। যেমনটা আমি দিয়েছি বা দিচ্ছি ইনশাআল্লাহ।

শ্রমিক নুরু নাহার বলেন, আমি আজ কয়েক বছর এখানে চাকুরী করি। আমার পরিবার এ আয়ের উপর নির্ভরশীল। বাড়ীর পাশে এ প্রতিষ্ঠান থাকায় আলহামদুলিল্লাহ চাকুরী করে পরিবার পরিজন নিয়ে ভাল আছি। অপর শ্রমিক হৃদয় আহমেদ বলেন, আমার বাড়ী নোয়াখালী, আমি এখানে চাকুরী করি। বেতন ১৮ হাজার টাকা। খুব ভাল আছি এবং নিয়মিত বেতন পাচ্ছি। আমি এ প্রতিষ্ঠানের আরো উন্নতি ও সফলতা কামনা করছি।