calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নওগাঁয় শিক্ষার্থী নিহত ◆ পোশাকশ্রমিকরা কাজে ফিরছেন ◆ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব: বিশ্ববাজারে টানা চার দিন কমল জ্বালানি তেলের দাম ◆ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বক্তব্যের জের: নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ ◆ প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার মহোৎসব: উজিরপুর উপজেলায় তোলপাড় ◆ দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫৪৮২ টাকা ◆ ইরানকে সহায়তার দায়ে ভারত ও তুরস্কের একাধিক কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ◆ মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চলে তৈরি হবে জ্বালানি অবকাঠামো, প্রধানমন্ত্রী ◆ জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ
home হোম / অর্থনীতি / পোশাকশ্রমিকরা কাজে ফিরছেন
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অর্থনীতি বিশেষ প্রতিবেদন

পোশাকশ্রমিকরা কাজে ফিরছেন

গত কিছুদিন ধরে পোশাকশিল্প খাত ও রাজধানীসহ প্রধান শিল্পাঞ্চলে তৈরি পোশাকশ্রমিকদের দাবির মুখে যে পরিকল্পিত অস্থিরতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছিল, তা নস্যাৎ করে সাধারণ পোশাকশ্রমিকেরা আবার তাঁদের কর্মস্থলে ফিরে...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬ • দুপুর ০২:২৮
history আপডেট: ৪ ঘণ্টা আগে
timer ৭ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১ বার পঠিত

শিল্পাঞ্চলের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা জোরদারে ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ, আনসার ও বিজিবির ২৫ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠে কাজ করছেন ২৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও মোবাইল কোর্ট।



গাজীপুর শিল্পাঞ্চল ২-এর পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসাইন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে গাজীপুরের কোথাও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত রয়েছে এবং শ্রমিকেরা স্বাভাবিকভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। কারখানা খুলে দেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক টহল ও সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। আন্দোলন ঘিরে আজ কোনো কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়নি; প্রায় সব কারখানাতেই কাজ চলছে।



বর্তমানে অধিকাংশ কারখানা সচল হলেও নিরাপত্তার স্বার্থে হাতে গোনা কয়েকটি কারখানা এখনো বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে দ্রুতই বাকি কারখানাগুলো চালু হয়ে পুরো শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন গতি পাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কারখানা কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।



গত কয়েকদিনে ঢাকার মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরের প্রধান শিল্পাঞ্চলগুলোতে শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অরাজকতা, সড়ক অবরোধ ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। তবে সাধারণ শ্রমিকরা বুঝতে পেরেছেন যে, তাঁদের যৌক্তিক দাবি-দাওয়ার আড়ালে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী অর্থনীতি ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিল। ফলে শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ পোশাকশ্রমিকরা সহিংস পথ পরিহার করে কারখানায় কাজে যোগ দেন। বিজিএমইএ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় শিল্পাঞ্চলের স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।



এর আগে, দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আন্দোলনকে উসকে দিয়ে সহিংসতা সৃষ্টি করতে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতারা অর্থ বরাদ্দ দেয়। সড়ক ভাঙচুরের জন্য তিন হাজার টাকা এবং যানবাহনে বা সরকারি স্থাপনায় অগ্নিসংযোগের জন্য ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়ার প্রমাণ মিলেছে।



মিরপুর-১০ ও ১১ নম্বরে নাশকতার অন্যতম সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেছে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার ভাগ্নে আলিফ মোল্লা। সে বিভিন্ন এলাকা থেকে বহিরাগতদের ঢাকায় এনে এই সহিংসতায় যুক্ত করে।



নাশকতার অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের একাধিক নেতাকর্মীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মোবাইল ফোনে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়াসহ একাধিক নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের ছবি ও ভিডিও পাঠানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে।



দেশকে অস্থিতিশীল করতে এবং অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত পোশাক খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সাধারণ শ্রমিকদের ছদ্মবেশে এই তাণ্ডব চালায়।



পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ এবং সাধারণ শ্রমিক সংগঠনগুলো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, কারখানা বন্ধ রাখা বা সড়ক অবরোধের সহিংস কর্মসূচির সঙ্গে প্রকৃত শ্রমিকদের কোনো যোগসূত্র নেই। শ্রমিকরা তাদের বেতন বৃদ্ধি ও চাকরির শর্ত সংক্রান্ত দাবিগুলো মালিকপক্ষ ও সরকারের টেবিলেই সমাধানের পক্ষে। ফলে উসকানিদাতাদের ছক নস্যাৎ করে কারখানাগুলোতে উৎপাদন প্রক্রিয়া পূর্ণ শক্তিতে আবার শুরু হয়েছে।