calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নওগাঁয় শিক্ষার্থী নিহত ◆ পোশাকশ্রমিকরা কাজে ফিরছেন ◆ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব: বিশ্ববাজারে টানা চার দিন কমল জ্বালানি তেলের দাম ◆ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বক্তব্যের জের: নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ ◆ প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার মহোৎসব: উজিরপুর উপজেলায় তোলপাড় ◆ দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫৪৮২ টাকা ◆ ইরানকে সহায়তার দায়ে ভারত ও তুরস্কের একাধিক কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ◆ মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চলে তৈরি হবে জ্বালানি অবকাঠামো, প্রধানমন্ত্রী ◆ জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ
home হোম / সারা বাংলা / ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর ডিএনসিসি, ছাড় নয় দখলদারদের
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সারা বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন

ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর ডিএনসিসি, ছাড় নয় দখলদারদের

বিশেষ প্রতিনিধি: রাজধানীর ফুটপাত দখল করে অবৈধ বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির দীর্ঘদিনের চক্র ভাঙতে এবার কঠোর অবস্থানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। নগরবাসীর চলাচলের পথ দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও হকার উচ্ছেদে ধারাবাহিক...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬ • বিকাল ০৪:১৪
history আপডেট: ১ মাস আগে
timer ১৬ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৮৪ বার পঠিত
তিনি বলেন, কয়েক দিন ধরে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চলছে। জনগণের চাহিদা অনুযায়ী এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এটি শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, নগরবাসীর প্রতি সিটি করপোরেশনের নৈতিক দায়িত্বও। তাই দায়িত্ববোধ থেকেই অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ কাজে নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।

ডিএনসিসি জানিয়েছে, মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরের ফুটওভার ব্রিজের নিচের অংশ থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদের পর সেখানে গাছ লাগিয়ে নাগরিকদের নির্বিঘ্ন চলাচলের জন্য সুন্দর পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিএনসিসির অন্যান্য এলাকাতেও একই ধরনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছেন প্রশাসক।

মিরপুরবাসীর উদ্দেশে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনায় প্রমাণ হয়েছে, সাধারণ মানুষ ফুটপাত দখলমুক্ত চান। ভবিষ্যতে কারও ইন্ধনে আবার ফুটপাত দখলের চেষ্টা হলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হকারদের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, হকারদের সঙ্গে মতবিনিময় ও জনসভা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে কেউ ফুটপাতে বসবেন না। তাঁদের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে বৈধভাবে ব্যবসার সুযোগ দিতে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে ২০৪টি রেজিস্ট্রেশন কার্ডও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন পর অনেকেই সেই সিদ্ধান্ত মানেননি।

তিনি বলেন, ‘ফুটপাত জনগণের চলাচলের পথ। এখানে হকারদের বসতে দেওয়া হবে না।’

ডিএনসিসির এ অবস্থান মূলত ফুটপাতকে পুনরায় দখলমুক্ত রাখার একটি স্থায়ী ব্যবস্থা তৈরির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ অতীতে একাধিকবার উচ্ছেদ অভিযান চালানোর পরও কিছু এলাকায় আবার দখল ফিরে আসার অভিযোগ রয়েছে।

ডিএনসিসির কঠোর অবস্থানের মধ্যেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ফুটপাত নিয়ে পরিচালিত অনুসন্ধানে দখল ও চাঁদাবাজির বিস্তৃত অভিযোগ সামনে এসেছে। অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় শত শত ফুটপাত ও ফুটপাতসংলগ্ন জায়গা নিয়ন্ত্রণ করে নিয়মিত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। কোথাও দোকানপ্রতি দৈনিক ১৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এর সঙ্গে বিদ্যুৎ বা বাতি বাবদ অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কথাও উঠে এসেছে।

অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ শতাধিক ব্যক্তি ফুটপাত নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদা আদায়ের সঙ্গে যুক্ত। তাদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং অপরাধী চক্রের সদস্যদের নামও এসেছে। তবে অনুসন্ধানে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মিরপুর-১০ নম্বর হোপের গলি ও পার্শ্ববর্তী ফুটপাতে কয়েক শ দোকান রয়েছে বলে অনুসন্ধানে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব দোকান থেকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট হারে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। মিরপুর-১০-এর আইডিয়াল স্কুল ও সেনপাড়া পর্বতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের ফুটপাত, রাড্ডা ও ফায়ার সার্ভিসসংলগ্ন এলাকাতেও একই ধরনের অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠে এসেছে।

এ ছাড়া নিউমার্কেট, নীলক্ষেত, গাউছিয়া, চন্দ্রিমা মার্কেট, ধানমন্ডি, গুলশান, বাড্ডা, শ্যামপুর, শনিরআখড়া, মোহাম্মদপুর, আদাবর, আগারগাঁও, ফার্মগেট, রামপুরা, মগবাজার ও কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত দখল ও চাঁদা আদায়ের অভিযোগের কথা অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

অনুসন্ধান অনুযায়ী, নিউমার্কেট এলাকার ফুটপাতের বিভিন্ন অংশে প্রতিদিন বিপুল অঙ্কের অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে নীলক্ষেত মোড়, গাউছিয়া, চন্দ্রিমা মার্কেট ও নূরজাহান মার্কেট এলাকার ফুটপাতকে কেন্দ্র করে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নীলক্ষেত মোড় থেকে নিউমার্কেটের বিভিন্ন গেটসংলগ্ন ফুটপাতে শত শত দোকান রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এসব দোকান থেকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট হারে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। একইভাবে ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট থেকে গ্লোব শপিং সেন্টার, গাউছিয়া থেকে ইস্টার্ন মল্লিকা, রাফিন প্লাজা থেকে চাঁদনি চক এবং নীলক্ষেতের বিভিন্ন অংশেও ফুটপাত নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানে আরও দাবি করা হয়েছে, নিউমার্কেটের ভেতরের ফুটপাতেও অবৈধ দখল ও অর্থ আদায়ের একটি ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে।

রাজধানীর দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকাতেও ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। ধূপখোলা বাজার ও আশপাশের এলাকায় শতাধিক দোকানকে ঘিরে অর্থ আদায়ের অভিযোগের কথা পুলিশের একটি নথির বরাতে উল্লেখ করা হয়েছে।

শ্যামপুর মাইক্রো স্ট্যান্ডে যানবাহন থেকে দৈনিক অর্থ আদায় এবং শ্যামপুর কাঁচাবাজারের দোকানগুলো থেকেও চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। শনিরআখড়া, মোহাম্মদপুর, আদাবর, আগারগাঁও, ফার্মগেট, রামপুরা, মগবাজার ও কারওয়ান বাজারের বিভিন্ন ফুটপাতেও একই ধরনের অভিযোগের কথা অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

কারওয়ান বাজার এলাকায় জনতা টাওয়ার, স্টেশন রোড, তেজকুনিপাড়া, ডিআইটি মার্কেট, মাছের আড়ত, ফলের বাজার ও বিভিন্ন দোকানসংলগ্ন ফুটপাতে দখল এবং অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। একইভাবে রামপুরা, মগবাজার ও আগারগাঁওয়ের বিভিন্ন ফুটপাতেও স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও লাইনম্যানদের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং অভিযোগের স্বাধীন যাচাই ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করা যায় না। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত প্রয়োজন।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ থাকলেও সময়ের সঙ্গে ছত্রছায়ার পরিচয় পরিবর্তিত হয়েছে। মাঠপর্যায়ে অর্থ আদায়ের কাজে অনেক ক্ষেত্রে একই লাইনম্যান ও ম্যানেজাররা সক্রিয় থাকলেও নতুন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে।

সূত্রগুলোর দাবি, ফুটপাত দখলের সুযোগ করে দিয়ে একটি অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয়। এ কারণে উচ্ছেদ অভিযানে ফুটপাত খালি করা হলেও কিছুদিন পর আবার সেখানে দোকান বসে যায়।

অপরাধ বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক মনে করেন, শুধু প্রান্তিক পর্যায়ের হকারদের উচ্ছেদ করলে ফুটপাত দখলের সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না।

তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে হকাররা চাঁদা দিয়ে ফুটপাতে বসেন। ফলে উচ্ছেদ অভিযানের সময় তাদের সরিয়ে দিলেও এর পেছনে থাকা প্রভাবশালী চক্র সক্রিয় থাকলে আবারও দখল তৈরি হতে পারে।

তাঁর মতে, ফুটপাত দখলের সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালী ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া, নির্দিষ্ট এলাকায় ও নির্দিষ্ট সময়ে হকারদের ব্যবসার সুযোগ দেওয়া এবং হলিডে মার্কেট ব্যবস্থাকে কার্যকর করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে দখল ফিরে আসার সুযোগ বন্ধ করতে হবে।

ড. তৌহিদুল হক বলেন, ফুটপাত দখলের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী শক্তির ভূমিকা থাকলে তা শনাক্ত করা জরুরি। অন্যথায় শুধু হকার উচ্ছেদ করে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান পাওয়া কঠিন।

ফুটপাত দখল নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন প্রযুক্তি খাতের বিশেষজ্ঞরা।

মাইসফট হ্যাভেনের (বিডি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. মোফাখখারুল ইসলাম বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ফুটপাত ও বাজার এলাকায় স্মার্ট সিসিটিভি এবং এআইভিত্তিক ভিডিও অ্যানালিটিক্স ব্যবহার করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে অবৈধ স্থাপনা বা নতুন দখল শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্কবার্তা পাঠানো সম্ভব।

তিনি প্রতিটি ফুটপাতের নির্দিষ্ট ডিজিটাল ম্যাপ তৈরি করে জিআইএসভিত্তিক ডেটাবেসে সংরক্ষণেরও পরামর্শ দেন। এতে কোন ফুটপাতের কতটুকু অংশ বৈধভাবে ব্যবহারযোগ্য এবং কোথায় অবৈধ দখল হয়েছে, তা দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

এ ছাড়া নাগরিকদের অভিযোগ জানানোর জন্য একটি অ্যাপ বা হটলাইন চালু করা যেতে পারে বলেও তিনি মত দেন।

রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত করার বিষয়টি শুধু উচ্ছেদ অভিযানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে হকারদের জীবিকা, চাঁদাবাজি, স্থানীয় প্রভাব, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা এবং নগর ব্যবস্থাপনার মতো একাধিক বিষয় জড়িত।

তবে ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের সাম্প্রতিক বক্তব্যে সংস্থাটির অবস্থান স্পষ্ট—নগরবাসীর চলাচলের পথ হিসেবে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না। উচ্ছেদ অভিযানে বাধা, হামলা কিংবা পুনরায় দখলের চেষ্টা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

এখন ডিএনসিসির সামনে মূল চ্যালেঞ্জ হলো উচ্ছেদ অভিযানকে নিয়মিত ও কার্যকর রাখার পাশাপাশি দখল পুনরায় ফিরে আসা ঠেকানো, দখলের পেছনে থাকা অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক শনাক্ত করা এবং হকারদের জন্য বাস্তবসম্মত বিকল্প ব্যবস্থা তৈরি করা। প্রশাসকের কঠোর ঘোষণার পর সেই অবস্থান মাঠপর্যায়ে কতটা কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী হয়, সেটিই এখন নগরবাসীর আগ্রহের বিষয়।