রিজার্ভের সর্বশেষ অবস্থায় দেখা যাচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা থাকলেও বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা ও বিভিন্ন বৈদেশিক পরিশোধের কারণে রিজার্ভে ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে। দেশের আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক ঋণ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক দায় পরিশোধের সঙ্গে রিজার্ভের পরিবর্তন সরাসরি সম্পর্কিত।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের শুরুতে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। তবে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং আমদানি ও অন্যান্য বৈদেশিক পরিশোধের চাপ সামলানোর কারণে রিজার্ভের ওপরও প্রভাব পড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, রিজার্ভের টেকসই বৃদ্ধির জন্য রেমিট্যান্স প্রবাহের পাশাপাশি রপ্তানি আয় বাড়ানো, বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ শক্তিশালী করা এবং আমদানি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য রাখা জরুরি। বিশেষ করে বৈদেশিক মুদ্রার নিট প্রবাহ বাড়ানো গেলে রিজার্ভের ওপর চাপ কমবে এবং অর্থনীতিতে বৈদেশিক লেনদেনের সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে।