calendar_today মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ • ৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু ◆ পোশাকশিল্পকে ‘ষড়যন্ত্রকারীরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে’ ◆ আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে দালালবিরোধী অভিযান, ৭ জনের কারাদণ্ড ◆ হকারদের পুনর্বাসনেই হতে পারে শপিং মলের সংকটের সমাধান ◆ ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এনইসি, জানাল প্রতিবাদ ◆ ইসরাইলের নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের ফল নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল ◆ ভাল্লুকের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, অল্পের জন্য রক্ষা ৩২ যাত্রী ◆ পোশাক কারখানায় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ: সরকারকে যে আহ্বান জানালেন ডা. শফিকুর রহমান ◆ গাজীপুরে অর্ধশতাধিক যানবাহন ভাঙচুর আজও শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ, ◆ আইসিসিবিতে ৫ নভেম্বর শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী বারভিডা কার এক্সপো
home হোম / আন্তর্জাতিক / নেতানিয়াহুর জোট এগিয়ে, ‘শক্তিশালী জাতীয় সরকার’ গড়ার ঘোষণা
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

নেতানিয়াহুর জোট এগিয়ে, ‘শক্তিশালী জাতীয় সরকার’ গড়ার ঘোষণা

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনের বুথফেরত জরিপে (এক্সিট পোল) নিজের নেতৃত্বাধীন জোট এগিয়ে থাকার পর ‘শক্তিশালী নতুন জাতীয় সরকার’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে ১২০ আসনের নেসেটে সরকার গঠনের জন্য...

person
বাংলার ডাক verified
Staff reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ • সকাল ০৯:২৫
history আপডেট: ৫ দিন আগে
timer ৬ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৯০ বার পঠিত

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর বুধবার (২৮ অক্টোবর) জেরুজালেমে নিজ দল লিকুদ পার্টির সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, ‘লিকুদ দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। আমরা একটি শক্তিশালী নতুন জাতীয় সরকার গড়ব।’

নেতানিয়াহু জানান, চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়ার আগে সরকার গঠন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা আগাম হয়ে যাবে। তিনি নির্বাচনের প্রকৃত ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে চান। একই সঙ্গে আরব দলগুলোর সমর্থনের ওপর নির্ভর করে কোনো সরকার গঠনের বিরোধিতা করেন তিনি।

একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি কোনো শিবির

ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর বুথফেরত জরিপে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট ৫২টি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন শিবিরের সম্ভাব্য আসন ৪৯টি। আরব দলগুলো সম্মিলিতভাবে ১৯টি আসন পেতে পারে বলে ওই হিসাব থেকে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।

তবে বুথফেরত জরিপের ফল চূড়ান্ত নির্বাচনী ফল নয়। ভোট গণনা ও আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার পর আসনসংখ্যায় পরিবর্তন আসতে পারে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রাথমিক হিসাবেও দুই প্রধান শিবিরের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

লিকুদ পার্টি একক দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিন্তু জোটের সম্ভাব্য আসনসংখ্যা ৬১-এর নিচে থাকায় সরকার গঠনের জন্য নেতানিয়াহুকে অন্য দলগুলোর সমর্থন আদায় করতে হবে।

পরিবর্তনের দাবি আইজেনকটের

নির্বাচনের ফল নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন বিরোধী শিবিরের নেতা ও ইয়াশার পার্টির প্রধান গাদি আইজেনকট। তিনি বলেন, দেশের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে এবং নেতানিয়াহুর শাসনের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।

আইজেনকট নেতানিয়াহুকে জনগণের রায় মেনে নিয়ে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তাঁর মতে, বিপুলসংখ্যক ভোটারের অংশগ্রহণের পর আবার নির্বাচন আয়োজনের পরিস্থিতি তৈরি করা হবে বড় ভুল।

সরকার গঠনের প্রত্যয় জানিয়ে আইজেনকট বলেন, তিনি বিভিন্ন পক্ষকে নিয়ে একটি দায়িত্বশীল জায়োনিস্ট সরকার গঠনের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে আরব দলগুলো

এবারের নির্বাচনে আরব দলগুলোর সম্ভাব্য আসনসংখ্যা সরকার গঠনের হিসাব-নিকাশে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুই প্রধান শিবিরের কেউই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে না পারায় আরব দলগুলোর সমর্থন, বিরত থাকা কিংবা অন্য দলের অবস্থান পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলো ফল নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে নেতানিয়াহু স্পষ্ট করেছেন, আরব দলগুলোর সমর্থন নিয়ে সরকার গঠনের পক্ষে তিনি নন। অন্যদিকে, আইজেনকটের শিবিরও আরব দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক জোটের বিষয়ে সীমাবদ্ধতা জানিয়েছে। ফলে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন সংগ্রহ করা দুই পক্ষের জন্যই কঠিন হতে পারে।

নির্বাচনের পরবর্তী ধাপে দলগুলোর মধ্যে আলোচনা ও সমঝোতাই নির্ধারণ করবে কে সরকার গঠনের সুযোগ পাবেন। কোনো পক্ষ প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে ইসরায়েলে দীর্ঘ রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।