নিজস্ব প্রতিবেদক এ দেশের শিশুরাই দেশের ভবিষ্যৎ। ওদের কে আমাদের যথাযথ ও ভালো ভাবে পরিচালনা করতে হবে। আমাদের দেশে জনসংখ্যা বেশী এবং শিক্ষার হার অত্যন্ত কম। এত বেশী জন সমুদ্রে শিশুরা হারিয়ে যাচ্ছে। ওদের ভবিষ্যৎ বলে কিছু নেই, অল্প কিছু সংখ্যক শিশু ভালোভাবে গড়ে ওঠার সুযোগ পাচ্ছে। এতে করে নিম্ন মধ্যবিত্ত শিশুরা কলিতেই ঝড়ে পড়ছে। ফুল হয়ে ফুটতে পারছে না।
শিশুদের বাঁচাতে হবে
তারা কোন সুযোগই পাচ্ছে না। সুযোগ নেই ভালো স্কুলে পড়বার, ভালো পরিবেশ নেই, ভালো খাদ্য নেই। সঠিক খাদ্য গ্রহণ না করে নানা ধরনের অসুখ হচ্ছে, গরিব বাবা-মা যার যার কাজে চলে যান। সেই সময় বাচ্চাদের কোন নিরাপত্তা থাকে না। নানা ধরনের অঘটন অহরহই ঘটে যাচ্ছে। কিশোরীরা নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ছে।
বিষন্নতায় ভুগে নানা ধরনের খারাপ কাজে ঝুঁকে যাচ্ছে। মাদকাসক্ত হয়ে যাচ্ছে, দালালের পাল্লায় পড়ে মাদক বিক্রি করছে। অনেক সময় তারা চুরি করতেও দ্বিধা করে না। এগুলো বন্ধ করতে হবে, ছোট একটা দেশ, বিপুল জনসংখ্যা এদেরকে কন্ট্রোল করা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। মানুষকে সৎ হয়ে সরকারকে সাহায্য করতে হবে, সম্মিলিতভাবে দেশের শিশুদের বাঁচাতে এগিয়ে আসতে হবে, আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভালো, আরো কঠোর হতে হবে। দেশের মানুষেরা এই ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্য এগিয়ে আসতে চান। কিন্তু কিভাবে কোথায় যাবেন, সবাই আমরা উদ্বিগ্ন কবে কিভাবে আমরা এদেশের শিশুকে বাঁচাবো? সকলের মনে প্রশ্ন উঠেছে, শিশুদের কি ভবিষ্যৎ? শিশুরাই দেশের ভবিষ্যৎ।
১. সরকার যদি ভালো মনে করেন তাহলে তাদের জন্য আলাদাভাবে হোস্টেল তৈরি করে দিতে হবে।
২. এদের পড়াশুনা খাওয়া এবং চিকিৎসা সবকিছু এ হোস্টেলেই হবে, তার আত্মীয়-স্বজনরা মাসে একদিন দেখা করতে পারবে।
৩. অনাথ শিশুদের জন্য একটি পার্ক থাকবে।
৪. যারা অতিরিক্ত অসুস্থ মাদক আসক্ত হয়েছে তাদের কিছুদিন রিহাবে রাখতে হবে।
৫. আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যথেষ্ট সচেতন, তবুও রাতে বস্তিতে টহল দিতে হবে।
৬. সীমান্তে কড়া পাহারা রাখতে হবে যাতে ইয়াবা ব্যবসা বন্ধ করা হয়।
৭. অর্থের লোভে যাতে কোন শিশু বিক্রি না হয়।
৮. শিশুদের নিরাপত্তার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে এবং দেশের মানুষের কাছে একটি বার্তা পৌঁছে দিতে চাই।
৯. প্রতি বৃত্তবান ফ্যামিলি যেন একটি করে অনাথ শিশুর (যারা হোস্টেলে থাকবে) দায়িত্ব নিয়ে নেন, উনারা যেন শিশুদের মাসিক খরচ বহন করেন।
১০. অনাথ শিশুদের জন্য একটি ডে করা হবে, নাম হবে শিশু আনন্দ দিবস এই দিনে শিশুরা মনের আনন্দে সারাদিন ঘুরে বেড়াবে।
ওরা যেখানে যাবে যেমন- মিষ্টির দোকান ও ড্রেসের দোকান, জুতার দোকান, চকলেটের দোকান, কেকের দোকান। ওরা যেখানেই যাবে সবাই তাদের নিজস্ব বিজনেস থেকে ওদের উপহার দিবে।
যার যেমন ইচ্ছা সে ততটুকুই দেবে। সারাদিনে একটা শিশু হয়তো ২০-২২ টা দোকানে যেতে পারবে আর সে কতটুকুই বা মিষ্টি খাবে। সারাদিন ঘোরা টাই আনন্দ দিবস হবে ওদের। সেটা জানুয়ারির প্রথম তারিখে হতে পারে অথবা ফেব্রুয়ারি প্রথম তারিখে হতে পারে। ওরা বুঝতে পারুক, অনুভব করুক, আমরাও মানুষ। এভাবে শিশুদের একদিন আনন্দ দিতে হবে। সবাই আমরা বড়রা শিশুদের সুন্দর জীবন কামনা করি।
বিশেষ বিষয়
আমার ভাইয়েরা শিশুদের (মাদকাসক্ত) খুঁজে বের করতে হবে। অসুস্থ হলে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।