অর্থ ঘাটতি থাকায় আবেদন আটকা বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টে

Total Views : 22
Zoom In Zoom Out Read Later Print

শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইতোমধ্যে ৯ হাজার ২৮৪ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীকে ৫৩ কোটি ৬৩ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৪ টাকা কল্যাণ সুবিধা দিয়েছে সরকার। তবুও বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টে বছরে প্রায় ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতি থাকায় হাজারো আবেদন আটকে আছে। রবিবার (১৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. গোলাম রছুলের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট আইন ও প্রবিধানমালা অনুযায়ী ট্রাস্টটি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসিক বেতনের ৪ শতাংশ চাঁদা ও বিনিয়োগের মুনাফায় চলে। বর্তমানে ট্রাস্টের বার্ষিক আয় প্রায় ৬৮৪ কোটি টাকা। কিন্তু অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা দিতে বছরে দরকার প্রায় ৮৪০ কোটি টাকা। ফলে প্রতি বছর ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতি থাকছে। বেতনের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির কারণে ট্রাস্টের দায়ও বাড়ছে।

তিনি আরো বলেন, ২০২৩ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রায় ৪ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এসব আবেদন নিষ্পত্তির জন্য এককালীন প্রায় ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকার অতিরিক্ত অর্থ দরকার।

মন্ত্রী বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রাপ্য সুবিধা দ্রুত দিতে সরকার কয়েকটি উদ্যোগ নিয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৯ হাজার ২৮৪ জনকে ৫৩ কোটি ৬৩ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৪ টাকা কল্যাণ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত জমা পড়া সব আবেদন নিষ্পত্তি করে আইবাস প্লাস প্লাসের মাধ্যমে ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানো হয়েছে। ২০২৩ সালের জুন ও জুলাই পর্যন্ত জমাকৃত আবেদনগুলোর নিষ্পত্তি সম্পন্ন করে অর্থ পরিশোধের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। 

বাকি অনিষ্পন্ন আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি ও অর্থের সংস্থানের বিষয়ে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বলে জানান তিনি।

See More

Latest Photos