ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায়

Total Views : 15
Zoom In Zoom Out Read Later Print

বাংলাদেশের দুর্বল ব্যাংকগুলোকে সংস্কার, পুনর্গঠন ও পুনঃমূলধনীকরণের মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতকে আরও স্থিতিশীল করতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে আর্থিক খাতের সক্ষমতা বাড়ানো এবং দীর্ঘমেয়াদে একটি শক্তিশালী ও টেকসই আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট ) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট (দক্ষিণ, মধ্য ও পশ্চিম এশিয়া) ইংমিং ইয়াংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, পুনর্গঠন ও পুনঃমূলধনীকরণ, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে ইতিবাচক ও গঠনমূলক আলোচনা হয়। বিশেষ করে ব্যাংকিং খাতে প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চলমান উদ্যোগ এবং এ ক্ষেত্রে এডিবির সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। ‎

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান ব্যাংকিং খাতসহ সামগ্রিক আর্থিক খাতে প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। তিনি আর্থিক খাতকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ, স্থিতিশীল ও টেকসই করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে এডিবির প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।

‎এ সময় এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ইংমিং ইয়াং সংস্কার কার্যক্রমে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানান। বাংলাদেশের আর্থিক খাতের সংস্কার প্রক্রিয়ায় এডিবির সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত রাখার আগ্রহও তিনি প্রকাশ করেন।

‎বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. হাবিবুর রহমান ও ড. মো. কবির আহমেদ এবং ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং ডিপার্টমেন্টের (এফএসএসএসপিডি) সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‎বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত বর্তমানে খেলাপি ঋণ, মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট ও সুশাসনের ঘাটতিসহ নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দুর্বল ব্যাংকগুলোর পুনর্গঠন, প্রয়োজনীয় মূলধন জোগান এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার সামগ্রিক সক্ষমতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

‎বৈঠকের শেষ পর্যায়ে উভয় পক্ষ বাংলাদেশে একটি আরও শক্তিশালী, স্থিতিশীল ও টেকসই আর্থিক খাত গড়ে তুলতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

See More

Latest Photos