দিল্লিতে মামলা পুলিশের রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর বিরুদ্ধে

Total Views : 25
Zoom In Zoom Out Read Later Print

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র (INDIA bloc) বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজনীতিতে চরম উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নয়া দিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালে সরকারি সম্প্রচার সংস্থা ‘আকাশবাণী ভবন’-এ জোরপূর্বক প্রবেশের অভিযোগে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। দিল্লি পুলিশ সূত্রের খবর, আকাশবাণী ভবনের কর্মীদের করা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, নিরাপত্তাকর্মীদের বাধা ও নিষেধ সত্ত্বেও রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং তাঁদের সঙ্গে থাকা অন্য বিরোধীরা জোর করে ভবনের ভেতরে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে তাঁরা সেখানে কয়েক ঘণ্টা অবস্থান নিয়ে ধর্না দেন।

নয়াদিল্লি অঞ্চলের এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভারতীয় ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ফৌজদারি অনধিকার প্রবেশ (Criminal Trespass)-এর ধারায় এ মামলাটি রুজু করা হয়েছে। এতে অন্তত ১০ জন সংসদ সদস্যের নাম উল্লেখ রয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।

 

এর আগে, মঙ্গলবারে সংসদ ভবন থেকে নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করে বিরোধী জোটের প্রতিনিধিরা। সে সময় পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে মিছিলটি আটকে দিলে সংঘর্ষের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অনুমতি ছাড়া এবং ১৪৪ ধারা (বর্তমানে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা) অমান্য করে এই বিক্ষোভ করায় পুলিশ প্রায় ২৬০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করে, যাদের মধ্যে ১০ জন সংসদ সদস্যও ছিলেন।

 

এদিকে, পুলিশের বিরুদ্ধে তোপ দেগে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কংগ্রেস সংসদ সদস্য ইমরান মাসুদ। তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধী দেশের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা, তাঁর সঙ্গে আরও সংসদ সদস্যরা ছিলেন। তাঁরা কোথাও জোরপূর্বক প্রবেশ করেননি। দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। আমরা নির্বাচন প্রধানের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু কেউ আমাদের কথা শুনছে না। মামলা বা এফআইআর করে আমাদের থামানো যাবে না।” সূত্র: দ্য হিন্দু।

See More

Latest Photos