নেতানিয়াহুর জোট ছাড়ার ঘোষণা কট্টরপন্থী ইহুদি দলের, সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা

Total Views : 28
Zoom In Zoom Out Read Later Print

ইসরায়েলের নির্বাচনে কোনো দল বা জোট এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। এর মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট থেকে সরে গিয়ে বিরোধী শিবিরের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে কট্টরপন্থী ধর্মীয় দল ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম (ইউটিজে)। এতে নতুন সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের মোট আসন ১২০টি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৬১টি আসন। কিন্তু নির্বাচনের ফল অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। অন্যদিকে বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন। আরব দলগুলোর দুটি সংগঠন পেয়েছে মোট ১৯টি আসন।

ইউটিজে সরে গেলে চাপে নেতানিয়াহু

প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি এককভাবে ২৭টি আসনে জয় পেয়েছে। আর ইউটিজের আসনসংখ্যা সাত। ফলে দলটি জোট থেকে বেরিয়ে গেলে নেতানিয়াহুর শিবিরের আসন আরও কমে যাবে। এতে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সমীকরণ কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

নেতানিয়াহুর জোটের অন্য শরিকদের মধ্যে ইতামার বেন গভিরের ওৎমা ইহুদিত সাতটি, আরিয়ে দেরির শাস ছয়টি এবং অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের রিলিজিয়াস জায়োনিস্ট পার্টি ছয়টি আসন পেয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিরোধী জোটের আসনবণ্টন

অন্যদিকে গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটে তাঁর দল ইয়াশার পেয়েছে ২১টি আসন। এ ছাড়া বি’ইয়াসাদ ১২টি, দ্য ডেমোক্র্যাটস আটটি এবং ইয়াজরায়েল বেইতেনু সাতটি আসনে জয়ী হয়েছে।

আরব দলগুলোর মধ্যে জয়েন্ট লিস্ট পেয়েছে ১২টি এবং মনসুর আব্বাসের নেতৃত্বাধীন রা’আম পেয়েছে আটটি আসন।

নির্বাচনের ফলের পর সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করা এখন প্রধান রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। ইউটিজে শেষ পর্যন্ত জোট ছাড়ে কি না এবং দলটি বিরোধী শিবিরের সঙ্গে কী ধরনের সমঝোতায় যায়, তার ওপর পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনেকটাই নির্ভর করতে পারে।

See More

Latest Photos