calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নওগাঁয় শিক্ষার্থী নিহত ◆ পোশাকশ্রমিকরা কাজে ফিরছেন ◆ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব: বিশ্ববাজারে টানা চার দিন কমল জ্বালানি তেলের দাম ◆ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বক্তব্যের জের: নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ ◆ প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার মহোৎসব: উজিরপুর উপজেলায় তোলপাড় ◆ দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫৪৮২ টাকা ◆ ইরানকে সহায়তার দায়ে ভারত ও তুরস্কের একাধিক কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ◆ মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চলে তৈরি হবে জ্বালানি অবকাঠামো, প্রধানমন্ত্রী ◆ জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ
home হোম / অর্থনীতি / ভোগ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণহীন
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অর্থনীতি বিশেষ প্রতিবেদন

ভোগ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণহীন

চট্টগ্রামে খুচরা ব্যবসায়ীরা প্রতি কেজি পেঁয়াজে লাভ করছেন ১০ টাকা। নগরীর চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬১ টাকায়। খুচরা পর্যায়ে ৭০ টাকা কেজি দরে। খুচরা ও পাইকারিতে দামের এমন...

person
স্টাফ রিপোর্টার verified
Junior Reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ • দুপুর ০১:২১
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৬ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২৫০ বার পঠিত

এদিকে ভোজ্যতেলের অবস্থাও একই। সরকার নির্ধারিত দামে কোথাও বিক্রি হচ্ছে না ভোজ্যতেল। খোলা সয়াবিন ১৫৪, বোতলজাত ১৭৪ এবং ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ৮৫০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও এর চেয়ে বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের। খোলা ১৬০, বোতলজাত ১৮০ এবং ৫ লিটারের বোতল ব্র্যান্ডভেদে ৮৬০-৮৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন খুচরা দোকানে। নগরীর বাজারে খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৪০ ও প্যাকেটজাত ১৪৫-১৫০ টাকায় যদিও সরকার নির্ধারিত দাম যথাক্রমে ১৩০ ও ১৩৫ টাকা।

ক্রেতাদের অভিযোগ, সরকার দাম বাড়ালে তা মুহূর্তেই কার্যকর হয়। আর দাম কমালে তা দিনের পর দিন কার্যকর হয় না। সীমাবদ্ধ থাকে কাগজ-কলমে। খুচরা ও পাইকারিতে নির্ধারিত মূল্যে ভোগ্যপণ্য বিক্রিতে প্রশাসনের নিয়মিত মনিটরিং না থাকায় এ অবস্থা তৈরি হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে তারা জানান, গত মাসে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার খবর প্রকাশিত হওয়ার পরপরই দেশের পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজির দাম এক লাফে ২৫ টাকা বেড়ে যায়। অথচ বাড়তি শুল্কের পেঁয়াজ তখনো দেশের বাজারে প্রবেশই করেনি। এভাবে একাধিক সিন্ডিকেট পেঁয়াজ নিয়ে কারসাজির মাধ্যমে রাতারাতি লুটে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা। বর্তমানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের সবচেয়ে বড় বিপণিকেন্দ হামিদুল্লাহ মিয়া মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস শুক্রবার যুগান্তরকে বলেন, ভালো মানের ভারতীয় নাসিক পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৬০-৬১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর চেয়ে একটু নিুমানের বিক্রি হচ্ছে ৫৭-৫৮ টাকায়। চকবাজার, আতুরার ডিপো হাশেম বাজার, বহদ্দারহাট কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি দরে। খুচরা বিক্রেতারা অবশ্য জানান, কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করলেও তাদের লাভের পরিমাণ আরও কিছু কম। কেননা এর সঙ্গে পরিবহণ ভাড়া যুক্ত হয়।

এদিকে মাংসের বাজার স্থিতিশীল থাকলেও মাছ ও সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী। দু’একটি ছাড়া ৭০ টাকার নিচে তেমন কোনো সবজি নেই। ১০০ টাকার বেশি দামেও বিক্রি হচ্ছে কয়েক ধরনের সবজি। কেজিপ্রতি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়। সোনালি মুরগি ৩২০, দেশি মুরগি ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ডজন ১৫০-১৬০ টাকায়। গরুর মাংস হাড়সহ ৮৫০ ও হাড়ছাড়া ৯৫০ এবং খাসি ১০৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির বাজার দিন দিন চড়ছে। প্রতি কেজি বরবটি ১৪০, টমেটো ১২০, কাঁচামরিচ ১২০-১৫০, করলা ৭০-৮০, গাজর ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া শসা ৪০-৫০, বেগুন ১২০, পটল ৬০, মিষ্টি কুমড়া ৫০, চিচিঙ্গা ৫০, ঢেঁড়শ ৬০-৭০, লাউ ৫০, কচুর ছড়া ৭০, আলু ৪০-৪৫, কাকরোল ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতারা জানান, টানা বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্নস্থানে সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়েছে। তাই সবজির সরবরাহ কম। বিশেষ করে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ ও উত্তর বঙ্গ থেকে সবজি আসত। এখন এই দুই অঞ্চল থেকে সবজি আসে খুব অল্প পরিমাণে।

মাছের বাজারও চড়া। ছোট আকারের পোয়া মাছ ৩৫০, বড় আকারের পোয়া ৪০০-৫০০, লইট্টা ২০০-২৪০, ছুরি ৩৫০-৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক কেজির বড় ইলিশ ১৬০০-২০০০ এবং আধা কেজি আকারের ইলিশ ৭০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে (প্রতি কেজি)। রূপচাঁদা বড় এক হাজার ও ছোট ৮০০, তেলাপিয়া ২৪০, পাবদা ৪০০-৪৫০, পাঙাশ ২০০, রুই ও কাতল ৩২০-৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

tag ট্যাগ: #1111