calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নওগাঁয় শিক্ষার্থী নিহত ◆ পোশাকশ্রমিকরা কাজে ফিরছেন ◆ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব: বিশ্ববাজারে টানা চার দিন কমল জ্বালানি তেলের দাম ◆ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বক্তব্যের জের: নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ ◆ প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার মহোৎসব: উজিরপুর উপজেলায় তোলপাড় ◆ দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫৪৮২ টাকা ◆ ইরানকে সহায়তার দায়ে ভারত ও তুরস্কের একাধিক কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ◆ মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চলে তৈরি হবে জ্বালানি অবকাঠামো, প্রধানমন্ত্রী ◆ জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ
home হোম / আন্তর্জাতিক / জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশ্বব্যাপী মুসলিমবিদ্বেষ বৃদ্ধিতে উদ্বেগ
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশ্বব্যাপী মুসলিমবিদ্বেষ বৃদ্ধিতে উদ্বেগ

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরেস বিশ্বব্যাপী “মুসলিমবিরোধী গোঁড়ামির উদ্বেগজনক বৃদ্ধি’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সরকারগুলোকে ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা করার এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোকে ঘৃণামূলক বক্তব্য রোধ করার...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫ • দুপুর ১২:৫০
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ২ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৯৮ বার পঠিত

১৫ মার্চ আন্তর্জাতিক ইসলামোফোবিয়া প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শনিবার গুতেরেস এই আহ্বান জানিয়েছেন।

গাজায় ইসরায়েলের ১৭ মাসব্যাপী যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্বজুড়ে অধিকার গোষ্ঠীগুলো এবং জাতিসংঘ ইসলামোফোবিয়া, আরববিরোধী পক্ষপাত এবং ইহুদিবিদ্বেষ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেছে।

জাতিসংঘের প্রধান এক্স-এ একটি ভিডিও পোস্টে বলেছেন, “আমরা মুসলিমবিরোধী গোঁড়ামির উদ্বেগজনক বৃদ্ধি প্রত্যক্ষ করছি। জাতিগত শ্রেনিকরণ এবং বৈষম্যমূলক নীতি থেকে শুরু করে যা মানবাধিকার ও মর্যাদা লঙ্ঘন করে, ব্যক্তি এবং উপাসনালয়ের বিরুদ্ধে সরাসরি সহিংসতা পর্যন্ত। এটি অসহিষ্ণুতা, চরমপন্থী মতাদর্শ এবং ধর্মীয় গোষ্ঠী এবং দুর্বল জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আক্রমণের একটি বিস্তৃত অভিশাপের অংশ।”

তিনি কোনো দেশের নাম নির্দিষ্ট না করেই সরকারগুলোকে ‘সামাজিক সংহতি বৃদ্ধি এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার’ আহ্বান জানিয়েছেন।