calendar_today মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ • ৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন ◆ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন সদস্য সচিবকে সাবেক নেতাদের অভিনন্দন ◆ ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প ◆ ইরানে মার্কিন হামলার খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ◆ গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু ◆ পোশাকশিল্পকে ‘ষড়যন্ত্রকারীরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে’ ◆ আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে দালালবিরোধী অভিযান, ৭ জনের কারাদণ্ড ◆ হকারদের পুনর্বাসনেই হতে পারে শপিং মলের সংকটের সমাধান ◆ ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এনইসি, জানাল প্রতিবাদ
home হোম / সারা বাংলা / তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সারা বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন

তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যার প্রায় ১১ বছর পর মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন আসামী সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান সম্প্রতি গ্রেফতার হয়েছেন। এরপর এবার...

person
জেলা প্রতিনিধি verified
News Reporter
schedule প্রকাশ: সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ • সকাল ১১:১৪
history আপডেট: ৬ মাস আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২৫২ বার পঠিত

২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাসের একটি জঙ্গল থেকে সোহাগী জাহান তনুর লাশ উদ্ধারের পর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। সে সময় কুমেক ফরেনসিক বিভাগের ও ময়নাতদন্ত টিমের প্রধান ছিলেন ডা. কামাদা প্রাসাদ সাহা। তনুর শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকা সত্ত্বেও তিনি প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে মৃত্যুর কারণ খুঁজে পাননি বলে রিপোর্ট দেন। 

পরবর্তীতে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তেও হত্যার সুস্পষ্ট কারণ এড়িয়ে যান। তিনি ইঙ্গিত করেছিলেন, তনুর সঙ্গে একাধিক পুরুষের শারীরিক সম্পর্ক থাকতে পারে। যা জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল। ফরেনসিক রিপোর্টে তিনি আসামিদের বাঁচানোর অপচেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ ভিকটিম পরিবারের।

রোববার তনুর বাবা ইয়ার হোসেন বলেন, ডা. কামাদা প্রাসাদ সাহা ভুয়া ফরেনসিক রিপোর্ট দিয়েছিল। সে খুনিদের সঙ্গে আঁতাত করেছে।

তিনি বলেন, তখন ফরেনসিক রিপোর্ট পালটে দিয়েছিল ডা. কামাদা প্রাসাদ সাহা। সে আমাদের সহযোগিতা করেনি। সরকার ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি, তাকে আটক করে সঠিক রহস্য উদ্ঘাটন করা হোক।

সেই ডা. কামাদা বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজের ট্রেজারার হিসাবে কর্মরত আছেন। তিনি আমেরিকায় পালিয়ে গিয়ে সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় (Asylum) চাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

ইয়ার হোসেন আরও বলেন, মামলাটি আলোর মুখ দেখতে শুরু করেছে। তাই এই হত্যা ধামাচাপা দেওয়ার অন্যতম সহযোগী ও ভুয়া ফরেনসিক রিপোর্ট প্রদানকারী ডা. কামাদা প্রাসাদ সাহাকে এখনই নজরদারির আওতায় আনতে হবে। অবিলম্বে তার এনওসি প্রদানের প্রক্রিয়া স্থগিত ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে। আমি এ বিষয়ে আদালতে আবেদন করব।

তবে মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে ডা. কামাদা প্রাসাদ সাহার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইর পুলিশ পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম বলেন, আমরা তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। তদন্তে ওই হত্যাকাণ্ডে যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।