দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সরকার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছে। জ্বালানি তেলের বাজারকে সম্পূর্ণ সরকারি নিয়ন্ত্রণমুক্ত করার এবং এতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণের অবসান: দেশের জ্বালানি তেলের বাজারে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ আর থাকছে না।
বাজার উন্মুক্তকরণ: সরকার জ্বালানি তেলের বাজার এবার আংশিকভাবে উন্মুক্ত করার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। বিপিসির পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও জ্বালানি খাতে যুক্ত করে সরকার সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।
নীতিমালা প্রণয়ন: বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে জ্বালানি তেলের বাজারে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে।
এই আলোকে এটা স্পষ্ট যে, বাংলাদেশ বর্তমানে বড় ধরণের জ্বালানি সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর ব্যাপক চাপ পড়ছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার জ্বালানি বাজারকে আংশিকভাবে বেসরকারি খাতের জন্য উন্মুক্ত করে একটি বড় সংস্কারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই পদক্ষেপ জ্বালানি সংকট সমাধানে এবং বিপিসির ওপর চাপ কার্যকর হলে ভবিষ্যতে এধরনের আরও পদক্ষেপ সরকারের চাপ কমাতে পারে বলে জনমত সংগঠিত হচ্ছে।