মিথুনের মৃত্যুর পর সুমনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন বলে জানান তাঁর ভগ্নিপতি রাকিব হোসেন। তাঁর দাবি, মিথুন ও সুমনের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল।
মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ বলেন, আত্মহত্যার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। মরদেহের শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়না তদন্তের পর জানা যাবে।