প্রকল্পের আওতায় নদী ও জলাধার পুনঃখনন, বিদ্যমান বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পুনর্বাসন ও শক্তিশালীকরণ, নদীতীর সংরক্ষণ, নতুন রেগুলেটর নির্মাণ এবং সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসনের মতো কাজ করা হবে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, এর মাধ্যমে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদী অববাহিকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষিতে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্য রয়েছে।
পরশুরামের কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজী উপজেলার বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে যাবেন। কলেজ প্রাঙ্গণে তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এরপর ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় গিয়ে সেখানে স্থাপিত রুফটপ সোলার ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। পরে ডাকবাংলোয় কিছু সময় বিশ্রাম ও মধ্যাহ্নভোজ করবেন তিনি।
বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানি প্রদান করা হবে। এ কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, বিকেল ৫টার দিকে সড়কপথে ফেনী ত্যাগ করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। রাতে রাজধানীতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাঁর। সফরের আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছিল, সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে ফেনীর উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে ফেনীজুড়ে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ), পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। সভাস্থল ও আশপাশের এলাকাকে কয়েকটি নিরাপত্তা অঞ্চলে ভাগ করে তল্লাশি ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফরের তারিখ প্রথমে ১৭ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত ছিল। পরে সফরটি স্থগিত করে ১ অক্টোবর পুনর্নির্ধারণ করা হয়।
এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি দীর্ঘ সময় পর ফেনীতে এসেছিলেন তারেক রহমান। তবে সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আজকের সফরই ফেনীতে তাঁর প্রথম সরকারি সফর। নানাবাড়ির জেলা ফেনীতে প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে পরশুরাম ও ফুলগাজীতে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।