৩২ বলে অবিচ্ছিন্ন ৫৯ রানের দুর্দান্ত জুটিতে জয় নিয়ে ফেরেন হাসান নেওয়াজ ও আব্দুল সামাদ।
১৫ বলে ৫টি চার ও ১ ছক্কায় ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন সামাদ, দুটি করে ছক্কা-চারে ২২ বলে ২৭ রানে নেওয়াজ।
২ ওভারে ৪১ রান দিয়ে সবচেয়ে খরুচে বোলিং করেন মুস্তাফিজুর রহমান। ৩ ওভারে ৩৩ রান দেন নাসুম আহমেদ। ১ ওভারে ৭ রান দেওয়া শরিফুল ইসলাম পরে আর বোলিং পাননি।
অল্প পুঁজি নিয়েও শুরুতে পাকিস্তানকে চেপে ধরে বাংলাদেশ। প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পায় দলটি। নাসুম আহমেদকে হাঁকাতে গিয়ে লং অনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাহিবজাদা ফারহান।
দ্বিতীয় ওভারে আরেক ওপেনার মাজ সাদাকাতকে (৭ বলে ১৫) ফেরান আরেক স্পিনার নাসুম।
সাইম আয়ুবের (১২ বলে ২১) রাশ টেনে ধরেন মুস্তাফিজ। ৬.১ ওভারে পাকিস্তানের চতুর্থ ব্যাটার উসমান খানকে থার্ড ম্যানে ক্যাচ বানান রিশাদ হোসেন। স্বপ্ন দেখতে থাকে বাংলাদেশ। তবে সময়ের সাথে সাথে সেই স্বপ্ন ফিকে করে দেন সামাদ ও নেওয়াজ।
বাংলাদেশের ইনিংসে বলার মতো রান কেবল তাওহিদ হৃদয়ের ২৫ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় ৪২। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ রানে (১৭ বলে) সাইফ হাসানের।
মোসাদ্দেক ১৬ বলে করতে পারেন মোটে ১১ রান। মূলত শীর্ষ সারির ব্যাটারদের ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ পায়নি বাংলাদেশ। ওপেনার তানজিদ করেন ৫ বলে ৭। লিটন আউটন হন ৩ বলে ২ রান করে। পারভেজ হোসেন ইমনের অবদান ৪ বলে ১।
৩ ওভারে ২৬ রানে ৩ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের সেরা বোলার সুফিয়ান মুকিম। ৩ ওভারে ২৩ রানে ২টি শিকার ধরেন আরাফাত মিনহাস।
সোনার লড়াইয়ে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে বিজয়ী দল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ : ১৩ ওভারে ১১১/৭ (হৃদয় ৪২, সাইফ ১৯, মোসাদ্দেক ১১, মেহেদী ৮*; মুকিম ৩/২৬, আরাফাত ২/২৩, সাইম ১/৩)
পাকিস্তান: ১১.৩ ওভারে ১১২/৪ (সামাদ ৩০*, হাসান ২৭*, সাদাকাত ১৫; মেহেদী ১/১৭, নাসুম ১/৩৩, মুস্তাফিজ ১/৪১, রিশাদ ১/১২)
ফল: পাকিস্তান ৬ উইকেটে জয়ী।