এরপর দিনভর একই পরিবারের নারী, পুরুষ ও শিশুসহ একের পর এক সদস্য অসুস্থ হতে থাকেন। আজ সকাল পর্যন্ত মোট ১৬ জনকে অচেতন অবস্থায় কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীরা হলেন- পারভীন খাতুন, আবু দাউদ, সিন্থীয়া, আবু রায়হান, হাফিজুর রহমান, মেসের আলী, সকিনা খাতুন, রিপন হোসেন, আসমা খাতুন, মমতাজ বেগম, শিশু মেহনাজ, খালিদ হোসেন, সিয়াম হোসেন ও শামীমা খাতুন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় সক্রিয় মাদকাসক্ত ও কিশোর গ্যাং চক্র এ ধরনের বিষাক্ত স্প্রে প্রয়োগ করে গৃহকর্তাদের অচেতন করে চুরির ঘটনা ঘটাচ্ছে। এর কয়েক দিন আগেও একই গ্রামে বাড়ি তৈরি ও চুরির উদ্দেশ্যে চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহার করে দুটি মোটরসাইকেল এবং একটি ইজিবাইক চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়রা অবিলম্বে উপজেলা প্রশাসন ও কলারোয়া থানা পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম জানান, চেতনানাশক বিষাক্ত স্প্রেতে আক্রান্ত হয়েই তাঁরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসাধীনদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ইজ্জত উল্লাহ অসুস্থ রোগীদের দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান এবং তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, তিনি ঘটনাস্থলেই আছেন। বিষয়টি থানা পুলিশ গভীরভাবে তদন্ত করছে এবং তদন্তপূর্বক বিস্তারিত জানা যাবে।