calendar_today শুক্রবার, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ • ৬ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নওগাঁয় শিক্ষার্থী নিহত ◆ পোশাকশ্রমিকরা কাজে ফিরছেন ◆ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব: বিশ্ববাজারে টানা চার দিন কমল জ্বালানি তেলের দাম ◆ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বক্তব্যের জের: নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ ◆ প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার মহোৎসব: উজিরপুর উপজেলায় তোলপাড় ◆ দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫৪৮২ টাকা ◆ ইরানকে সহায়তার দায়ে ভারত ও তুরস্কের একাধিক কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ◆ মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চলে তৈরি হবে জ্বালানি অবকাঠামো, প্রধানমন্ত্রী ◆ জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ
home হোম / অপরাধ / প্রকৌশলী ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালকের জাল সনদের কারবার
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অপরাধ বিশেষ প্রতিবেদন

প্রকৌশলী ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালকের জাল সনদের কারবার

দুই প্রকৌশলী ও একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক মিলে গড়ে তুলেছিলেন জাল সনদের চক্র। সনদ ও নম্বরপত্র, প্রশংসাপত্র সবই তাঁরা সরবরাহ করতেন। সনদের জন্য নেওয়া হতো এক লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত। সনদের দাম নির্ভর করত...

person
জেলা প্রতিনিধি verified
News Reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ৬ মে ২০২৩ • সকাল ০৯:০৯
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৩০ বার পঠিত

ডিবি লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার মশিউর রহমান সমকালকে জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে দেশের নামিদামি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েশন ও পোস্ট গ্রাজুয়েশন, বিভিন্ন বোর্ডের এসএসসি ও এইচএসসির নম্বরপত্র-সনদ সরবরাহ করে আসছিলেন। এগুলো বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরবরাহ করা সনদের মূল কাগজ দিয়েই তৈরি করা হয়। পরে সেগুলোকে অসাধু কর্মকর্তাদের মাধ্যমে অনলাইনে অন্তর্ভুক্তও করা হয়। ফলে অনলাইন যাচাইয়ে গেলে সনদ আসল হিসেবেই দেখা যায়। এ ঘটনায় যেসব বিশ্ববিদ্যালয় এবং বোর্ডের অসাধু ব্যক্তির নাম পাওয়া গেছে, তাদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

ডিবি জানায়, লালবাগের দুই কক্ষের বাসাটিতে দামি ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, এমব্রস মেশিন বসিয়ে চলছিল জালিয়াতির কার্যক্রম। তারা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংগ্রহ করা ফাঁকা সনদে ইচ্ছেমতো নাম-নম্বর বসিয়ে জাল সনদ তৈরি করত। এ ছাড়া ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ইয়াসিন আলী বিভিন্ন ছাপাখানা থেকে সব রকমের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সম্বলিত জাল সনদগুলো ছাপিয়ে এনে নিজেও বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে সরবরাহ করত।

অভিযানসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, প্রাইভেট স্টাডি একাডেমি, এডুকেশন হেল্পলাইন লিমিটেড, ভিসা এক্সপার্ট, মিনা ডেভেলপার্স লিমিটেড, নিউজ বেঙ্গলি ডটকম নামে প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্ণধার প্রকৌশলী জিয়াউর রহমান। তাঁর লেখা বইও আছে। এগুলোর আড়ালে তিনি জাল সনদের কারবারে জড়িত। তিনি বিজনেস ভিসায় বেশ কয়েকবার বিদেশে গেছেন। মুদ্রাপাচার সংক্রান্ত কোনো বিষয় আছে কি না তা জানতে সিআইডির সহায়তা নেওয়া হবে। তাছাড়া এখন পর্যন্ত কতজনের কাছে এসব জাল সনদ গেছে, তা জানার চেষ্টা করা হবে। কারণ এসব জাল সনদধারীর কারণে প্রকৃত মেধাবী শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। 

ডিবি জানায়, একটি সনদ তৈরিতে তাদের খরচ হত ৫০ থেকে ১০০ টাকা। অথচ এগুলো বিক্রি হত লাখ টাকায়। ফলে চক্রটি এভাবে বিপুল অর্থের মালিক হয়েছে। এই অর্থে তারা ঢাকায় বিলাসবহুল জীবনযাপন করে আসছিলেন। তারা ফ্ল্যাট কিনেছেন, ডেভেলপার কোম্পানি বানিয়েছেন।


tag ট্যাগ: #111