calendar_today মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ • ৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন ◆ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন সদস্য সচিবকে সাবেক নেতাদের অভিনন্দন ◆ ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প ◆ ইরানে মার্কিন হামলার খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ◆ গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু ◆ পোশাকশিল্পকে ‘ষড়যন্ত্রকারীরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে’ ◆ আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে দালালবিরোধী অভিযান, ৭ জনের কারাদণ্ড ◆ হকারদের পুনর্বাসনেই হতে পারে শপিং মলের সংকটের সমাধান ◆ ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এনইসি, জানাল প্রতিবাদ
home হোম / জাতীয় / রাজউকের আবাসন প্রকল্পে অবৈধ দখল, মাদক নিয়ে উদ্বিগ্ন বাসিন্দারা
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন

রাজউকের আবাসন প্রকল্পে অবৈধ দখল, মাদক নিয়ে উদ্বিগ্ন বাসিন্দারা

রাজধানীর উত্তরায় রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পে (রুয়াপ) আবাসিক পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রকল্পের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ দখল, মাদক সেবন ও ব্যবসা এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলেছেন বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, দীর্ঘ সময়েও...

person
বাংলার ডাক verified
Staff reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ • বিকাল ০৩:১০
history আপডেট: ২৩ দিন আগে
timer ৬ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৯৭ বার পঠিত

এসবের প্রতিবাদে গতকাল শুক্রবার সকালে রুয়াপের ৬ নম্বর প্রবেশপথের বিপরীতে মানববন্ধন করেন বাসিন্দারা। এতে শতাধিক মানুষ অংশ নেন। তাঁরা আবাসিক এলাকার বিভিন্ন স্থানে দখল, চাঁদাবাজি ও মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেন।


মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, সন্ধ্যার পর আবাসিক এলাকার বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় ও বহিরাগত তরুণদের আড্ডা বসে। এসব স্থানে মধ্যরাত পর্যন্ত মাদক সেবন চলে। পাশাপাশি একটি চক্রের সহযোগিতায় সেখানে মাদক ব্যবসার বিস্তার ঘটছে বলেও অভিযোগ তাঁদের।


অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘তারা আমাদের হাঁটার জায়গা দখল করতে চায়, এখানকার ময়লা পরিশোধনাগার দখল করে বাজার বসাতে চায়। আমরা এটি হতে দিতে পারি না।’


তিনি আরও বলেন, ‘এখানে রুয়াপের ভেতরের এবং বাইরের কয়েকজন মিলে চাঁদাবাজি ও দখলবাজি করতে চায়, আমরা এগুলো চাই না। কোনো প্রকার অবৈধ স্থাপনা ও দখল আমরা এখানে চাই না।’


মানববন্ধন থেকে আবাসিক এলাকার খেলার মাঠ, সবুজায়নের স্থান, সড়ক ও ফুটপাতের অবৈধ দখল বন্ধের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, আবাসিক এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।


বাসিন্দাদের দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের আবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজউক প্রকল্পটি গ্রহণ করলেও নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত ১০ বছর পার হওয়ার পরও এর কাজ শেষ হয়নি। ফলে প্রকল্পের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এখনো অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।


বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আবাসিক এলাকার বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স, কমিউনিটি সেন্টার, পার্কিং ভবন, সুইমিং পুল ও ব্যায়ামাগার কমপ্লেক্সের কাজ শেষ হয়নি। এ ছাড়া বিভিন্ন ভবনে এখনো বরাদ্দ না দেওয়া ফ্ল্যাট রয়েছে বলেও দাবি করেছেন বাসিন্দারা।


মানববন্ধনে রুয়াপের জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের সংগঠন ‘নিসর্গ নীলিমা’র উদ্যোক্তা নিলোফার জাহান ববি বলেন, ‘আমরা একটি সরকারি আবাসিক এলাকায় থাকি। এখানে অবৈধ দখল ও চাঁদাবাজি হচ্ছে। আমরা এসব চাই না। আমরা বসবাসের উপযোগী একটি রুয়াপ চাই।’


রুয়াপের বাসিন্দা কৃষিবিদ শাহীন আনোয়ার বলেন, ‘আমরা সম্মিলিতভাবে এসব অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে এখানে দাঁড়িয়েছি। আমরা কোনো অন্যায় মেনে নেব না।’


আরেক বাসিন্দা মানিক মানবিক অভিযোগ করেন, আবাসিক এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বিভিন্ন স্থান ও সড়ক দখলের চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, ‘এখানে কতিপয় লোক, যারা রুয়াপে বাসিন্দা, তারা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় রুয়াপের বিভিন্ন জায়গা ও রাস্তা দখল করতে চায়। সকালে বাজার বসে, বিকেলে বাজার বসে। জনসমাগমের আশপাশে মাদকের আড্ডা বসে। এসব চলতে দেওয়া যাবে না।’


বাসিন্দাদের দাবি, রাজউকের এই আবাসন প্রকল্পকে বসবাসের উপযোগী রাখতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড বন্ধ এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি অসমাপ্ত অবকাঠামোগত কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে আবাসিক এলাকার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।