যেসব প্রযুক্তি এবারের বিশ্বকাপে যুক্ত হচ্ছে

Total Views : 12
Zoom In Zoom Out Read Later Print

ফুটবল মাঠে রেফারির সিদ্ধান্ত দ্রুত ও বিতর্কমুক্ত করতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ফিফা। ২০২৬ বিশ্বকাপেই চালু হচ্ছে এসব নতুন প্রযুক্তি। চালু হচ্ছে উন্নত সেমি-অটোমেটেড অফসাইড সিস্টেম। এর ফলে খেলোয়াড় যদি ১০ সেন্টিমিটারের বেশি অফসাইডে থাকে, সহকারী রেফারিকে রিয়েল-টাইম অডিও সতর্কবার্তা পাঠানো হবে। আগে ৫০ সেন্টিমিটার অফসাইড হলে কেবল সতর্কবার্তা দেওয়া হতো। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন রেফারিই, তবে প্রযুক্তিতে একাধিক ফেইলসেফ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে অবশ্য সীমাবদ্ধতাও আছে। খুব কাছাকাছি অফসাইড, মাটিতে পড়ে থাকা খেলোয়াড় বা একসঙ্গে অনেক খেলোয়াড় থাকলে প্রযুক্তি কার্যকর নাও হতে পারে।

এটি কেবল পজিশনাল অফসাইড নির্ধারণ করবে, কিন্তু সাবজেক্টিভ কল (যেমন প্রতিপক্ষকে প্রভাবিত করা হয়েছে কিনা) নির্ধারণ করবে না।

নিরাপত্তা ও খেলোয়াড়দের সুরক্ষার কাজেও ব্যবহার হবে প্রযুক্তি। ফিফা আশা করছে, এই প্রযুক্তি সমর্থক ও খেলোয়াড়দের হতাশা কমাবে এবং অপ্রয়োজনীয় খেলা চালিয়ে যাওয়ার কারণে আঘাতের ঝুঁকি হ্রাস করবে। 

প্রতিটি খেলোয়াড়ের ডিজিটাল স্ক্যান করা হবে, যা মাত্র এক সেকেন্ড সময় নেবে। ৪৮ দলের ২৬ জন করে মোট ১,২৪৮ খেলোয়াড়ের স্ক্যান করা হবে। এর ফলে আরও স্পষ্ট ও উন্নত অফসাইড অ্যানিমেশন ব্যবহার করা যাবে।

এছাড়া যুক্ত হচ্ছে আউট অব বাউন্ডস ও লাইন অব সাইট নামে নতুন প্রযুক্তি। বল গোলের আগে মাঠের বাইরে গেছে কিনা তা নির্ধারণে নতুন এই প্রযুক্তি অনুমোদন করেছে ফিফা। বলের অবস্থান দেখাতে গোললাইন প্রযুক্তির মতো থ্রিডি অ্যানিমেশন তৈরি হবে।

বলের ভেতরে থাকা চিপ জানাবে কোন খেলোয়াড় সর্বশেষ বলে স্পর্শ করেছেন, ফলে কর্নার সঠিক হয়েছে কিনা তা যাচাই করা যাবে।

গোলকিপারের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অফসাইড বিচার করতে ভার্চুয়াল ফিড ব্যবহার করা হবে। ভিএআর ও টিভি দর্শকরা গোলকিপারের দুই ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে রিপ্লিকা দেখতে পাবেন।

এই প্রযুক্তি বিশ্বকাপে রেফারিদের সিদ্ধান্তকে আরও দ্রুত, নির্ভুল ও স্বচ্ছ করবে বলে আশা করছে ফিফা।

See More

Latest Photos