calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ ◆ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামল ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্টের ◆ ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশনা ◆ রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২ ◆ সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন
home হোম / সম্পাদকীয় / মাদকাসক্তির বিস্তার উদ্বেগজনক সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সম্পাদকীয় বিশেষ প্রতিবেদন

মাদকাসক্তির বিস্তার উদ্বেগজনক সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে

টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের একাংশের অনিয়ম-দুর্নীতি ও অর্থলোপাট ওপেন সিক্রেট। কাজের ভাগাভাগির ঘটনা ছাড়াও কাজ না করে টাকা তুলে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: সোমবার, ১৪ আগস্ট ২০২৩ • দুপুর ১২:৩৩
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৬ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২৪৩ বার পঠিত

মাদকাসক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া অত্যাবশ্যক ও জরুরি। বলা বাহুল্য, তাদের কারণে সরকারি অফিসে শৃংখলা বিঘিœত হচ্ছে এবং সেবা ব্যহত হচ্ছে। সকলেরই জানা, মাদক সুস্থ মস্তিষ্কে উন্মাদনা সৃষ্টি করে। আসক্ত ব্যক্তির হিতাহিত জ্ঞান বিলুপ্ত করে। এ জন্য মাদক নিষিদ্ধ। মাদকে আসক্তরা সমাজে নিন্দিত ও ধিকৃত। এটাও প্রমাণিত, মাদকাসক্ত ব্যক্তির পক্ষে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানি, হত্যা, সন্ত্রাসসহ এহেন অনৈতিক ও অপরাধমূলক কাজ নেই, যা করা অসম্ভব। মাদকাসক্তরা সমাজে দুষ্টক্ষত তুল্য। দুঃখজনক হলেও বলতে হচ্ছে, আমাদের দেশে হাত বাড়ালেই মাদক পাওয়া যায়। ফলে মাদকাসক্তের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। শুধু শহর নয়, প্রত্যন্ত গ্রামও মাদকে সয়লাব হয়ে গেছে। শিশু-কিশোর থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সব বয়সী মানুষই মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। মাদক দ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থার হিসাবে, দেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা ৮৫ থেকে ৯০ লাখের মতো। অনেকের ধারণা, এ সংখ্যা আরো বেশি। মাদকাসক্তের মধ্যে তরুণের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, তরুণরা বিভিন্ন মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ছে, যা দেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ। তরুণ সমাজ যদি মাদকে নিঃশেষ হয়ে যায়, তবে দেশের ভবিষ্যত অনিশ্চত ও বিপর্যয়কর হতে বাধ্য। এমন কোনো শ্রেণী-পেশা নেই, যেখানে মাদকের অনুপ্রবেশ ঘটেনি। ছাত্র, শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশ, শ্রমিক প্রভৃতি শ্রেণী-পেশার মানুষের মধ্যে মাদকাসক্তের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে আতঙ্কিত না হয়ে পারা যায় না। বিভিন্ন অপরাধের মূল কারণ মাদক। মাদকের অর্থ যোগাড় করতে গিয়ে ছিনতাই, রাহাজানি, চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি প্রভৃতি অপরাধ করতে দেখা গেছে অনেক আসক্তের। অর্থের দাবিতে পিতা, মাতা কিংবা স্ত্রীকে হত্যা করতেও দেখা গেছে কাউকে কাউকে। সমাজবেত্তাদের অনেকের মতে, ধর্ষণ বৃদ্ধির পেছনেও মাদকের ভূমিকা প্রধান। বলা হয়, মাদক সব অপরাধের মাতৃস্বরূপা। অপরাধ, দুর্নীতি, দুষ্কৃতি, অনাচার রোধে তাই মাদকের ব্যবহার রহিত করার বিকল্প নেই।

পুলিশের মধ্যে মাদকাসক্তির বিস্তার নিয়ে ইতোপূর্বে অনেক আলোচনা হয়েছে। পুলিশের এক শ্রেণীর সদস্য মাদকে আসক্ত, এমনকি মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত, এমন খবর ও প্রমাণ মজুদ আছে। এখন টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের একাংশের বিরুদ্ধে মাদকাসক্তির অভিযোগ পাওয়া গেলো। খোঁজ নিলে অন্যান্য সরকারি বিভাগ ও অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও হয়তো অনুরূপ অভিযোগ মিলবে। কাজেই, বিষয়টি নিয়ে হেলাফেলা করা যাবে না। প্রশাসনে ও পুলিশের মাদকসম্পর্কিত একটি বিস্তারিত তদন্ত অনুষ্ঠান প্রয়োজন। তদন্তে যারা দোষী সাব্যস্ত হবে, তাদের প্রথমে সতর্ক করা যেতে পারে। পরবর্তীতে একই অভিযোগ যাদের ক্ষেত্রে পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে চাকরি থেকে চ্যুৎ করতে হবে। ডোপ টেস্টের মাধ্যমে মাদকাসক্ত চিহ্নিত করা সহজ। তাই বাধ্যতামূলক ডোপ টেস্টের একটি আয়োজন করা যেতে পারে। এভাবে মাঝে মাঝে নির্দিষ্ট সময় অন্তর ডোপ টেস্ট হলে মাদকাসক্তদের সংখ্যা কমবে। অনেকে মাদক ছেড়ে দেবে, অন্যথায় চাকরির বাইরে চলে যাবে। সব নিয়োগের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করলে এবং মাদকাসক্তের নিয়োগ বারিত বা নিষিদ্ধ করলে চাকরিজীবীদের মধ্যে মাদকাসক্তের অনুপ্রবেশ বন্ধ হবে। আমরা আশা করবো, সরকার এ ব্যাপারে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা ও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

tag ট্যাগ: #1111