calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
জামজামী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ আহমেদকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ◆ গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ ◆ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামল ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্টের ◆ ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশনা ◆ রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২ ◆ সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী
home হোম / অপরাধ / স্বামী-স্ত্রীর অর্থ পাচার এমএলএমের মাধ্যমে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অপরাধ বিশেষ প্রতিবেদন

স্বামী-স্ত্রীর অর্থ পাচার এমএলএমের মাধ্যমে

করোনাকালে অনলাইনভিত্তিক পণ্য বিক্রি শুরু করেন শাহিন মিয়া ও তাঁর স্ত্রী রুবাইয়া রহমান মনি। ‘ইপিসি গ্লোবাল লিমিটেড’ নামের প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে তারা দুটি ওয়েবসাইট করেন। এক পর্যায়ে এসব ওয়েবসাইটে মাত্র ১ হাজার ৩৫০ টাকা দিয়ে...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ • সকাল ১০:৪২
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৫ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৫১ বার পঠিত

অনুসন্ধানে এসব অর্থের মধ্যে ৫৪ লাখের বেশি টাকা পাচারের তথ্যপ্রমাণ পেয়ে শাহিন দম্পতি ছাড়াও তিনজনের বিরুদ্ধে গত সোমবার মামলা করেছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অর্গানাইজড ক্রাইমের ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম শাখার এসআই অলক চন্দ্র হালদার।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন– ইপিসির ফাইন্যান্স ডিরেক্টর সাদ্দাম হুসাইন, মার্কেটিং ডিরেক্টর রফিকুল ইসলাম ও সফটওয়্যার প্রোগ্রামার মুহাম্মদ ফোরকান।

জানা গেছে, শাহিন ২০২১ সালের ৩০ জুন ইপিসি গ্লোবাল লিমিটেড নামে একটি কোম্পানির নিবন্ধন নেন। বাড্ডা লিংক রোডের স্পিরিং শামস ভবনে কার্যালয় ভাড়া করে কার্যক্রম শুরু করেন। অনুমোদন না থাকলেও তিনি ইপিসি গ্লোবালের মাধ্যমে এমএলএম কার্যক্রম পরিচালনা করেন। মূলত প্রতারণার জন্যই শাহিন তাঁর স্ত্রী ও বন্ধুদের নিয়ে চক্র গড়েন। বাল্যবন্ধু সাদ্দাম, পূর্বপরিচিত রফিকুল ও ফোরকানকে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পদে বসান। প্রতিষ্ঠানের দুটি ওয়েবসাইটে হলুদ, মরিচ, ধনিয়া, দারুচিনি, এলাচসহ বিভিন্ন মশলা, ভিটামিনসহ ২১ ধরনের পণ্য বিক্রির চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করা হতো।

এক পর্যায়ে করোনা মহামারির সুযোগ নিয়ে ঘরে বসে অর্থ উপার্জনের প্রলোভন দেখিয়ে ১৩৫০ টাকায় অ্যাকাউন্ট এবং প্রতিটি অ্যাকাউন্টের বিপরীতে প্রতিদিন ১৫ টাকা করে লাভ দেওয়ার বিজ্ঞাপন দেয় ইপিসি। নিবন্ধিত গ্রাহক নতুন সদস্য জোগাড় করলে পাবে কমিশন। লোভে পড়ে অনেকেই বিনিয়োগ করেন। কিন্তু পরে লভ্যাংশ দূরে থাক, মূলধন ফেরত পাননি গ্রাহকরা। এভাবে কয়েক মাসেই গ্রাহকের কোটি টাকার ওপরে হাতিয়ে নেয় চক্রটি।

গ্রাহকদের অভিযোগ পেয়ে ২০২১ সালের ২ নভেম্বর র‍্যাব ইপিসিতে অভিযান চালায়। অভিযানের মধ্যেই ফোরকান ওয়েবসাইটগুলো থেকে পরিকল্পিতভাবে গ্রাহকের সব তথ্য মুছে ফেলে তা বন্ধ করে দেন। পরে এ ঘটনায় শাহিন ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা হয়। এরপর সিআইডি শাহিনের অর্থ পাচার-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ শুরু করে।

সিআইডির অনুসন্ধানে উঠে আসে, ২০২১ সালের ১৫ জুন থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ মাসে প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়া অর্থের মধ্যে ৫৪ লাখ ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা পাচার করেছে চক্রটি।

শাহিনের বাড়ি হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের সাদেকপুরে। তাঁর স্ত্রীর বাবার বাড়ি নরসিংদী সদরের আনন্দী গ্রামে। আসামিদের মধ্যে সাদ্দামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর, রফিকুলের বগুড়ার গাবতলী ও ফোরকানের বাড়ি বরগুনার বামনায়। তবে তারা সবাই ঢাকায় বাস করেন। বর্তমানে কার্যালয় বন্ধ। শাহিনসহ বাকিরা লাপাত্তা।

tag ট্যাগ: #111