calendar_today বৃহস্পতিবার, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ • ৫ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
গবেষণা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা: অধ্যাপক মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ইবির নতুন উদ্যোগ ◆ ‘জেন-জিদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি’: মাহমুদুর রহমান ◆ বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ ◆ বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামল ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্টের ◆ ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে পারমাণবিক হামলা থেকে বাঁচার নির্দেশনা ◆ রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২ ◆ সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন
home হোম / অন্যান্য / পুরুষরা যেসব বিষয় মেনে চলবেন বন্ধ্যত্বের ঝুঁকি কমাতে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অন্যান্য বিশেষ প্রতিবেদন

পুরুষরা যেসব বিষয় মেনে চলবেন বন্ধ্যত্বের ঝুঁকি কমাতে

সন্তান ধারণের ক্ষেত্রে নারীর পাশাপাশি পুরুষের প্রজননক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে সামাজিক কারণে অনেক সময় এ বিষয়টি আড়ালে থেকে যায়। চিকিৎসকদের মতে, বন্ধ্যাত্বের সমস্যা নির্ণয়ে নারী ও পুরুষ—উভয়েরই পরীক্ষা করা জরুরি। শুক্রাণুর...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬ • সন্ধ্যা ০৬:২৩
history আপডেট: ৩ মাস আগে
timer ৫ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২০৯ বার পঠিত

চিকিৎসকদের ভাষ্য, কোনো দম্পতি এক বছর জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার না করেও সন্তান ধারণ করতে না পারলে তাকে বন্ধ্যাত্ব বলা হয়। এ সমস্যা পুরুষ, নারী বা উভয়ের কারণেই হতে পারে। পুরুষের ক্ষেত্রে শুক্রাণু উৎপাদনে সমস্যা, শুক্রাণুর সংখ্যা কম হওয়া, গতিশীলতা বা আকৃতিগত ত্রুটি এবং সহবাসজনিত সমস্যার কারণে বন্ধ্যাত্ব দেখা দিতে পারে।

ইউরোলজি ও অ্যান্ড্রোলজি বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরুষের বন্ধ্যাত্ব কোনো একক রোগ নয়। তাই নিজে থেকে ওষুধ বা ভেষজ উপাদান ব্যবহার না করে প্রথমেই বীর্য পরীক্ষা, হরমোন পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য পরীক্ষার মাধ্যমে কারণ নির্ণয় করা উচিত।

জীবনযাপনে পরিবর্তন আনুন

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধূমপান, অ্যালকোহল ও মাদকদ্রব্য শুক্রাণুর সংখ্যা, গতি ও গুণগত মান কমিয়ে দেয়। তাই এসব অভ্যাস পরিহার করা জরুরি। পাশাপাশি কীটনাশকমুক্ত ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম, মাছ, চর্বিহীন মাংস, দুধ, ডাল, বাদাম, সবুজ শাকসবজি ও মৌসুমি ফল রাখা উচিত। ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, ফলিক অ্যাসিড এবং ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার শুক্রাণুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে।

নিয়মিত ব্যায়াম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ

প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট হাঁটা বা মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত ভারোত্তোলন বা অ্যানাবলিক স্টেরয়েড ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এগুলো শুক্রাণু উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ এবং অনিয়মিত ঘুম প্রজননস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখলে হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় থাকে।

অতিরিক্ত তাপ এড়িয়ে চলুন

দীর্ঘ সময় গরম পানিতে গোসল, কোলে ল্যাপটপ রেখে কাজ করা বা আঁটসাঁট পোশাক পরলে অণ্ডকোষের তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা শুক্রাণু উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাই আরামদায়ক পোশাক পরা এবং অতিরিক্ত তাপ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

প্রয়োজনে চিকিৎসা নিন

ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের সমস্যা, ভ্যারিকোসিল বা যৌনবাহিত সংক্রমণের মতো রোগ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজন অনুযায়ী আইইউআই, আইভিএফ বা আইসিএসআইয়ের মতো সহায়ক প্রজনন প্রযুক্তিরও সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।