calendar_today বুধবার, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ • ৪ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
সুনামগঞ্জে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ বিএনপির ◆ ফরিদপুরে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ধর্ষণের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে ভিডিওতে অভিযুক্তদের নাম ◆ ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সন্দেহের কেন্দ্রে লাজারাস গ্রুপ ◆ মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ◆ চিকিৎসা ও সহযোগিতার আবেদন নিয়ে সচিবালয়ের সামনে বিএনপি কর্মী ◆ টিন থাকলেই কি রিটার্ন দিতে হবে? বাতিলের নিয়ম জানুন ◆ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন সদস্য সচিবকে সাবেক নেতাদের অভিনন্দন ◆ ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প ◆ ইরানে মার্কিন হামলার খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ◆ গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে আশাবাদী ঢাকা: শামা ওবায়েদ ◆ কুমিল্লায় ২৭ মামলার আসামি মইন্যা ডাকাত গ্রেপ্তার, সঙ্গে ছেলে ◆ লালপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই গ্রামের দুই শিশুর মৃত্যু
home হোম / অপরাধ / ফেসবুকে পরিচয়, কক্সবাজার যাত্রা—তাজমীন হত্যা মামলায় যা জানা গেল
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অপরাধ বিশেষ প্রতিবেদন

ফেসবুকে পরিচয়, কক্সবাজার যাত্রা—তাজমীন হত্যা মামলায় যা জানা গেল

কুমিল্লার কিশোরী জান্নাতুন তাজমীন হত্যাকাণ্ডের তদন্তে তাঁর কক্সবাজার যাত্রার বিষয়টি সামনে এসেছে। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কর্মরত রাজু চৌধুরীর সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাঁর সঙ্গে দেখা করতে...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ • সকাল ১০:১৩
history আপডেট: ২৩ দিন আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৩৪ বার পঠিত

তাজমীনের মা কেয়া খাতুন সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে মেয়ের সঙ্গে তাঁর শেষ কথা হয়। তখন তাজমীন বলেছিল, সে এক বান্ধবীর সঙ্গে আছে। মেয়েকে সেখান থেকে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন তিনি। এ জন্য বান্ধবীর নাম ও তার মা-বাবার পরিচয় জানতে চাইলেও তাজমীন কিছু জানায়নি।

মেয়ের বন্ধুবান্ধব ও চলাফেরা নিয়ে আগে থেকেই উদ্বিগ্ন ছিলেন কেয়া খাতুন। কোনো অঘটন ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কায় প্রায় ছয় মাস মেয়েকে স্কুলে যেতে দেননি বলেও জানান তিনি। মেয়ের চলাফেরা ও বন্ধুত্বের বিষয়ে খোঁজ রাখার চেষ্টা করতেন। তারপরও মেয়েকে হারানোর ঘটনায় ভেঙে পড়েছেন তিনি।

তদন্তে যেসব তথ্য সামনে এসেছে

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, তাজমীনের মায়ের সন্দেহের তালিকায় থাকা এক বান্ধবী তাঁর চেয়ে বয়সে বড়। তবে হত্যাকাণ্ডে ওই বান্ধবী বা অন্য কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার থেকে আসা বাসে পদুয়ারবাজারের হোটেল নূরজাহানে পৌঁছায় তাজমীন। সেখান থেকে কুমিল্লা শহরের রেসকোর্স এলাকার বাসায় যাওয়ার জন্য একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করে সে। পুলিশের অভিযোগ, চালক সুমন তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেন।

পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানখেত থেকে তাজমীনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘিরে তাজমীনের কক্সবাজার যাত্রা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় এবং হত্যার আগের সময়ের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে তদন্ত চলছে। তবে যেসব তথ্য এখনো তদন্তাধীন, সেগুলোর চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণ হবে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায়।