আজ শনিবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ চলছে। ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন ও বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসা তৎকালীন সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সে সময় জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশকে ভয়াবহ ফ্যাসিবাদের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা হলে ছাত্র-জনতা ও শ্রমিকরা রাজপথে নেমে আসে এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট শক্তির পতন ঘটে।
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছিল এবং তাঁর বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী কর্মসূচির মাধ্যমে জাতি নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল। বাংলাদেশ কোনো আধিপত্যবাদের থাবার মধ্যে পড়বে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরের মুক্তি, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী করার চেতনায় জাতি বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভী বলেন, কোথাও কোথাও গলির ভেতর থেকে ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হচ্ছে এবং পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে এসব কার্যক্রমে নির্দেশনা আসছে। তবে জনগণ ও সরকার এসব অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করতে সদা প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান তিনি।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুসহ ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদ্বয়।