পুলিশ বাহিনীর সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচিও। সচিবালয়ে রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচি মঙ্গলবার সকালে সাক্ষাৎ করতে এলে সালাহউদ্দিন এ সহযোগিতা চান বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু ও অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। দেশটি জাইকার মাধ্যমে মেট্রোরেল ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণসহ বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে। জাপানের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে।
পুলিশ পুনর্গঠনে সহযোগিতা চান জাপানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
“জাপান ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক সেফটি নিয়ে কাজ করেছে। ভবিষ্যতে পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপান সহযোগিতা করতে পারে।"
এ ক্ষেত্রে কয়েকটি উপযুক্ত প্রস্তাব দেওয়া হবে বলেও রাষ্ট্রদূতকে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন।
বৈঠকে দুইদেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, পুলিশ পুনর্গঠন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচিকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূতও মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব নেওয়ার জন্য সালাহউদ্দিনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচি বলেন, "ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক সেফটি প্রজেক্টটি গতবছর শেষ হয়েছে। আমরা পুলিশ ও ডিএমপির সঙ্গে আরো কাজ করতে আগ্রহী।"
চলতি বছর হোলি আর্টিজান হামলার দশ বছর পূর্তি হবে জানিয়ে রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশে অবস্থানরত জাপানি নাগরিকদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন।
এ সময় সালাহউদ্দিন বলেন, "আমরা জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ীসহ বাংলাদেশে বসবাসরত প্রত্যেক জাপানি নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত। জাপানের পক্ষ থেকে যেকোনো অনুরোধ আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করব।"
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, জাপান দূতাবাসের প্রথম সচিব কোম নে কেনসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।h